<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মিহির</strong>।</p>
<p>খুব সহজেই বিষয়টি মনে রাখতে পারো:</p>
<ul>
<li>'অগ্নি' শব্দের পরিচিত সমার্থক শব্দগুলো হলো <strong>অনল</strong>, <strong>বহ্নি</strong>, <strong>পাবক</strong>, আগুন, হুতাশন ইত্যাদি।</li>
<li>পক্ষান্তরে, <strong>'মিহির'</strong> শব্দের অর্থ সূর্য। তাই এটি অগ্নির সমার্থক শব্দ নয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ধ্বনি, শব্দ, বাক্য</strong>। কারণ যেকোনো ভাষার মূল ভিত্তি বা উপাদানগুলো মূলত এই তিনটি ধাপের ওপর তৈরি হয়—প্রথমে ধ্বনি বা উচ্চারণ, এরপর অর্থপূর্ণ ধ্বনি মিলে শব্দ, আর সবশেষে শব্দগুলো গুছিয়ে তৈরি হয় পূর্ণাঙ্গ বাক্য।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অভিধানতত্ত্ব</strong>। কারণ, ভাষা বিজ্ঞানের যে শাখায় অভিধান তৈরি, সংকলন এবং এর ব্যবহার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়, তাকেই মূলত 'লেক্সিকোগ্রাফি' বা অভিধানতত্ত্ব বলা হয়।</p>
৬৬২০
'ধ্বনি দিয়ে আঁট বাধা শব্দই ভাষার ইট।' এ 'ইট'কে বাংলা ভাষায় কী বলে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বর্ণ</strong>।</p>
<p>যেকোনো বিশাল ইমারত যেমন ছোট ছোট ইট দিয়ে তৈরি হয়, তেমনি আমাদের ভাষা গঠিত হয় ধ্বনি দিয়ে। আর এই ধ্বনির লিখিত রূপ বা প্রতীক হলো বর্ণ। তাই ব্যাকরণে বর্ণকে ভাষার মূল ভিত্তি বা 'ইট' হিসেবে তুলনা করা হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আকৃষ্ট</strong>।</p>
<p>বানানটি ভালোভাবে লক্ষ্য করলে দেখবে, এখানে মূল ধাতু বা শব্দ হলো <strong>কৃষ্</strong>, যার সাথে 'ত' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এই শব্দটি গঠিত হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী মূর্ধন্য 'ষ'-এর সাথে 'ট' যুক্ত হয়, কিন্তু এখানে 'কৃষ্' ধাতুর শেষের 'ষ্'-এর সাথে 'ত' যুক্ত হওয়ায় তা পরিবর্তিত হয়ে 'ষ্ট' না হয়ে <strong>'ষ্ব'</strong> বা নিয়ম অনুযায়ী <strong>'ষ্ট'</strong> হলেও এখানে সঠিক রূপটি হবে <strong>আকৃষ্ট</strong> (আ + কৃষ্ + ত)। একটু মনোযোগ দিয়ে দেখলেই এই বানানগুলো খুব সহজে আয়ত্ত করা সম্ভব।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ক্ষুধা + ঋত</strong>। কারণ নিয়ম অনুযায়ী, অ-কার কিংবা আ-কারের পর ঋ (ৠ) থাকলে উভয় মিলে 'অর' হয় এবং তা পূর্ববর্ণের সাথে যুক্ত হয়ে রেফ (র্) রূপে প্রকাশিত হয়।</p>
<ul>
<li>শব্দটির সন্ধি ভাঙলে পাই: <strong>ক্ষুধা + ঋত</strong> = ক্ষুধার্ + ত = <strong>ক্ষুধার্ত</strong>।</li>
<li>এখানে 'ক্ষুধা' শব্দের শেষের 'আ' এবং 'ঋত' এর 'ঋ' মিলে 'অর্' (র্ + ত) তৈরি হয়েছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সাধারণ লোক বলে</strong>।</p>
<p>'লোকে বলে' কথাটির মধ্যে 'লোক' শব্দটি একবচনে ব্যবহৃত হলেও এটি আসলে নির্দিষ্ট কোনো একক ব্যক্তিকে বোঝায় না। যখন আমরা বলি 'লোকে বলে', তখন এর দ্বারা সমাজের আমজনতা বা সাধারণ মানুষকে বোঝানো হয়। অর্থাৎ, প্রবাদ-প্রবচন বা মুখে মুখে প্রচলিত কথাগুলো নির্দিষ্ট কারও একার নয়, বরং দেশের বা সমাজের সাধারণ মানুষের মুখেই এগুলো প্রচলিত থাকে।</p>
৬৬২৫
'বগুড়ার চিনিপাতা দই সুস্বাদু।'- বাক্যটিতে 'চিনিপাতা' কোন কারক?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>করণ কারক</strong>।</p>
<p>সহজ কথায় চিনির সাহায্যে বা উপকরণ দিয়ে যে দই পাতা হয়, তাকেই 'চিনিপাতা' বলা হয়। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো কাজের উপায়, মাধ্যম বা উপকরণ বুঝিয়ে দিলে তা সরাসরি <strong>করণ কারক</strong> হয়ে যায়। এখানে 'চিনি' হলো দই পাতার মাধ্যম বা উপকরণ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বহুজ্ঞ</strong>।</p>
<p>বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের নিয়ম অনুযায়ী, যে ব্যক্তি অনেক বিষয় বা বহু বিষয়ে জ্ঞান রাখেন বা জানেন, তাকে এককথায় <strong>বহুজ্ঞ</strong> বলা হয়। একটু খেয়াল করলেই বিষয়টি সহজে মনে রাখা যায়— 'বহু' মানে অনেক আর 'জ্ঞ' মানে যে জানে। তাই দুটি মিলে হলো বহুজ্ঞ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সঞ্জয় ভট্টাচার্য</strong>। বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও কবি সঞ্জয় ভট্টাচার্য বিখ্যাত 'পূর্বাশা' পত্রিকার সম্পাদনার দায়িত্বে ছিলেন। তাঁর সম্পাদনায় পত্রিকাটি বাংলা সাহিত্যজগতে এক বিশেষ উচ্চতা লাভ করেছিল এবং আধুনিক সাহিত্য আড্ডার একটি বড় কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল।</p>
৬৬২৮
Which of the following is not an internet search engine?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Windows</strong>। কারণ উইন্ডোজ হলো মাইক্রোসফটের তৈরি একটি বহুল ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেম (Operating System), যা আমাদের কম্পিউটার পরিচালনা করতে সাহায্য করে। এটি কোনো ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন নয়। অন্যদিকে, গুগল, ইয়াহু এবং এমএসএন—সবগুলোই হলো জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন, যা ইন্টারনেটে তথ্য খুঁজতে ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Optical Mark Recognition</strong>।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার টেকনিক হলো, OMR শিটে আমরা যে গোল দাগ (Mark) দিই, কম্পিউটার বিশেষ আলোর (Optical) সাহায্যে সেই দাগগুলো চিনতে বা পড়তে পারে (Recognition)। তাই এর পূর্ণরূপ হলো অপটিক্যাল মার্ক রিকগনিশন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ক্রুসেড</strong>। খুব সহজ কথায় বলতে গেলে, ক্রুসেড হলো মধ্যযুগে খ্রিস্টান ও মুসলিমদের মধ্যে সংঘটিত হওয়া ঐতিহাসিক ধর্মযুদ্ধ, যা বর্তমান ইরাকের আধুনিক যুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। অন্যদিকে, 'ডেজার্ট শীল্ড', 'ডেজার্ট স্টর্ম' এবং 'ইনফাইনাইট জাস্টিস'—এগুলো সবই আধুনিক যুদ্ধ বা সামরিক অভিযানের নাম যা ইরাক যুদ্ধের সঙ্গেই সরাসরি জড়িত।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।