<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দ্যাগ হ্যামারশোল্ড</strong>। খুব সহজেই মনে রাখার মতো একটি ঐতিহাসিক তথ্য এটি। জাতিসংঘের দ্বিতীয় মহাসচিব <strong>দ্যাগ হ্যামারশোল্ড</strong> ১৯৬১ সালে কঙ্গোয় শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে যাওয়ার সময় এক রহস্যজনক বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হন। সাধারণ জ্ঞান ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জাপান</strong>। ANA (All Nippon Airways) হলো জাপানের অন্যতম প্রধান ও জনপ্রিয় একটি আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থা, যা তাদের চমৎকার যাত্রীসেবা এবং সুবিশাল রুট নেটওয়ার্কের জন্য বিশ্বজুড়ে বেশ পরিচিত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চতুর্দশ শতাব্দীতে</strong>।</p>
<p>খুব সহজভাবে মনে রাখার কৌশল হলো—ইউরোপের মধ্যযুগের অন্ধকার যুগ কাটিয়ে আধুনিকতার ছোঁয়া বা নবজাগরণ (Renaissance) মূলত ১৩০০-র দশক অর্থাৎ <strong>চতুর্দশ শতাব্দীতে</strong> ইতালি থেকে শুরু হয়েছিল। এই সময়ে শিল্প, সাহিত্য ও বিজ্ঞানে অভূতপূর্ব পরিবর্তন ঘটেছিল।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>হরি সিং</strong>। মহারাজা হরি সিং ছিলেন কাশ্মীরের সর্বশেষ শাসক বা মহারাজা। তাঁর আমলেই ১৯৪৭ সালে ভারত ভাগের সময় কাশ্মীর আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের সাথে যুক্ত হওয়ার চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চিত্রশিল্পী</strong>। সালভাদার ডালি বিংশ শতাব্দীর একজন অত্যন্ত বিখ্যাত স্প্যানিশ সুরিয়েলিস্ট (Surrealist) বা পরাবাস্তববাদী চিত্রশিল্পী ছিলেন। তাঁর অদ্ভুত ও স্বপ্নময় শিল্পকর্মগুলো সারা বিশ্বে দারুণভাবে সমাদৃত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ইরান</strong>। প্রাচীনকালে ঐতিহাসিক বাণিজ্যপথ 'সিল্ক রুট' বা রেশম পথটি এই দেশের ওপর দিয়ে এশিয়া ও ইউরোপকে সংযুক্ত করেছিল। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে একে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের যোগাযোগের অন্যতম মূল কেন্দ্র হিসেবে ধরা হয়, যে কারণে ইরানকে <strong>‘সিল্ক রুটের দেশ’</strong> বলা হয়।</p>
<p>টেলিফোন লাইনের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয় <strong>তড়িৎ শক্তি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>টেলিফোনে আমরা যখন কথা বলি, তখন আমাদের কণ্ঠস্বরের শব্দ তরঙ্গ প্রথমে মাইক্রোফোনের মাধ্যমে বৈদ্যুতিক সংকেতে বা সিগন্যালে রূপান্তরিত হয়।</li>
<li>এই বৈদ্যুতিক সংকেতটিই তারের মধ্য দিয়ে তড়িৎ শক্তি হিসেবে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে প্রবাহিত হয়।</li>
<li>গন্তব্যে পৌঁছানোর পর রিসিভার সেই তড়িৎ শক্তিকে পুনরায় শব্দ তরঙ্গে রূপান্তর করে, ফলে আমরা অপর প্রান্তের কথা শুনতে পাই।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, টেলিফোন লাইনে তথ্যের আদান-প্রদান ঘটে মূলত তড়িৎ প্রবাহের মাধ্যমেই।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আইনস্টাইন</strong>। এই বিখ্যাত সমীকরণটি পদার্থবিজ্ঞানের ইতিহাসে সবচেয়ে পরিচিত একটি সূত্র। এর পেছনের মূল বিষয়টি খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বিখ্যাত বিজ্ঞানী <strong>আলবার্ট আইনস্টাইন</strong> ১৯০৫ সালে তার আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্বের (Special Theory of Relativity) মাধ্যমে এই সূত্রটি প্রদান করেন।</li>
<li>সূত্রটি হলো: $$E = mc^2$$</li>
<li>এখানে, <strong>E</strong> হলো শক্তি (Energy), <strong>m</strong> হলো ভর (Mass) এবং <strong>c</strong> হলো শূন্যস্থানে আলোর গতিবেগ।</li>
<li>এই সূত্রের মাধ্যমে আইনস্টাইন প্রমাণ করেন যে, ভর এবং শক্তি আসলে একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। সামান্য পরিমাণ ভর থেকে বিশাল পরিমাণ শক্তি পাওয়া সম্ভব, যা আধুনিক পারমাণবিক বিজ্ঞানের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>স্টিফেন হকিং</strong>। মহাবিশ্বের রহস্য এবং সময় নিয়ে লেখা এই বিখ্যাত বইটি বিজ্ঞান জগতের অন্যতম সেরা সৃষ্টি।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>বইটির নাম: <strong>A Brief History of Time</strong>।</li>
<li>লেখক: বিশ্বখ্যাত তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী <strong>স্টিফেন হকিং</strong>।</li>
<li>বইটির মূল বিষয়বস্তু: বিগ ব্যাং, ব্ল্যাক হোল এবং সময়ের প্রকৃতি নিয়ে খুব সহজ ভাষায় আলোচনা করা হয়েছে।</li>
</ul>
<p>আপনি যদি মহাকাশ বিজ্ঞান বা পদার্থবিজ্ঞানের জটিল বিষয়গুলো সহজভাবে বুঝতে চান, তবে এই বইটি আপনার জন্য সেরা পছন্দ।</p>
৬৬৪০
দক্ষিণ গোলার্ধ ও সূর্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দূরত্ব হয়-
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>২১ জুন</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরার সময় সবসময় একই দূরত্বে থাকে না।</li>
<li><strong>২১ জুন</strong> তারিখে সূর্য উত্তর গোলার্ধের কর্কটক্রান্তি রেখার ওপর লম্বভাবে কিরণ দেয়।</li>
<li>এই সময়ে দক্ষিণ গোলার্ধ সূর্য থেকে সবচেয়ে দূরে অবস্থান করে, যাকে বলা হয় 'সূর্যনিচ' বা অপসূর অবস্থানের বিপরীত অবস্থা।</li>
<li>সহজ কথায়, ২১ জুন উত্তর গোলার্ধে দিন সবচেয়ে বড় হয় এবং দক্ষিণ গোলার্ধে সূর্য সবচেয়ে দূরে থাকায় সেখানে তখন শীতকাল ও বড় রাত থাকে।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, বছরের শুরুর এই ৫টি মাস ৩১ দিনের হয় এবং বাকি মাসগুলো ৩০ দিনের হয়ে থাকে (তবে লিপ ইয়ারের ক্ষেত্রে ফাল্গুন মাস ৩১ দিনে গণনা করা হয়)। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>৫ মাস</strong>।</p>
৬৬৪২
রেফ্রিজারেটরের কম্প্রেসারের মধ্যে যে তরল পদার্থ ব্যবহার করা হয় তার নাম-
<p>রেফ্রিজারেটরের শীতলীকরণের মূল কারিগর হলো <strong>ফ্রেওন</strong> গ্যাস। এটি মূলত ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (CFC) জাতীয় একটি রাসায়নিক যৌগ। এর কাজ করার পদ্ধতিটি খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>ফ্রেওন খুব সহজেই তরল থেকে গ্যাসে রূপান্তরিত হতে পারে।</li>
<li>কম্প্রেসারের ভেতরে উচ্চ চাপে এটি তরল অবস্থায় থাকে এবং যখন এটি রেফ্রিজারেটরের ভেতরে ছড়িয়ে পড়ে, তখন দ্রুত বাষ্পীভূত হয়ে চারপাশ থেকে তাপ শোষণ করে নেয়।</li>
<li>এই তাপ শোষণের ফলেই ফ্রিজের ভেতরের তাপমাত্রা কমে যায় এবং খাবার ঠান্ডা থাকে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ফ্রেওন হলো সেই মাধ্যম যা ফ্রিজের ভেতর থেকে তাপ টেনে নিয়ে বাইরে বের করে দেয়, ফলে ফ্রিজ ঠান্ডা থাকে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ইনসুলিন</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>আমাদের অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত <strong>ইনসুলিন</strong> হরমোন রক্তে শর্করার (গ্লুকোজ) মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।</li>
<li>শরীরে যখন ইনসুলিনের উৎপাদন কমে যায় বা এটি ঠিকমতো কাজ করতে পারে না, তখন রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়।</li>
<li>এই অতিরিক্ত গ্লুকোজের উপস্থিতির কারণেই মূলত ডায়াবেটিস রোগ দেখা দেয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ইনসুলিন হলো শরীরের সেই চাবি যা কোষের ভেতর গ্লুকোজকে ঢুকতে সাহায্য করে। এই চাবি বা ইনসুলিনের অভাব হলেই রক্তে গ্লুকোজের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়।</p>
<p>মানবদেহে শব্দ তৈরির মূল কারিগর হলো <strong>স্বরযন্ত্র</strong> বা ল্যারিংস (Larynx)। আমাদের গলার ভেতরে থাকা এই অংশটি কীভাবে কাজ করে তা নিচে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li>ফুসফুস থেকে বাতাস যখন স্বরযন্ত্রের মধ্য দিয়ে বের হয়, তখন সেখানে থাকা ভোকাল কর্ড বা স্বরতন্ত্রীতে কম্পন সৃষ্টি হয়।</li>
<li>এই কম্পনই মূলত শব্দের জন্ম দেয়।</li>
<li>পরবর্তীতে জিহ্বা, ঠোঁট এবং মুখের অন্যান্য অংশ সেই শব্দকে আমাদের পরিচিত ভাষায় রূপান্তর করতে সাহায্য করে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দ তৈরির প্রাথমিক উৎস বা ইঞ্জিন হলো এই <strong>স্বরযন্ত্র</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কালো</strong>। এর পেছনের বিজ্ঞানটা বেশ মজার এবং সহজ!</p>
<p>পদার্থবিজ্ঞানের তাপগতিবিদ্যার নিয়ম অনুযায়ী, কালো রঙ তাপের খুব ভালো শোষক এবং একই সাথে খুব ভালো বিকিরক (Radiator)। বিষয়টিকে এভাবে দেখা যায়:</p>
<ul>
<li>কালো রঙের পৃষ্ঠতল পরিবেশের সাথে তাপের আদান-প্রদান খুব দ্রুত করতে পারে।</li>
<li>কাপের ভেতরের গরম চা থেকে তাপ বাইরের পরিবেশে ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে কালো রঙ সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখে।</li>
<li>এর ফলে সাদা বা অন্য হালকা রঙের কাপের তুলনায় কালো কাপে রাখা চা খুব দ্রুত তাপ হারিয়ে ঠাণ্ডা হয়ে যায়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কালো রঙ তাপ ধরে রাখতে পারে না, বরং দ্রুত তা ছেড়ে দেয়। তাই চা দ্রুত ঠাণ্ডা করতে চাইলে কালো রঙের কাপই সেরা!</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।