<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সমাস</strong>। কারণ খুব সহজ একটা শর্টকাট দিয়ে বিষয়টি মনে রাখা যায়—</p>
<ul>
<li>বাক্যের অর্থ সুন্দর ও সংক্ষিপ্ত করার জন্য একাধিক পদকে এক পদে মিলিয়ে ফেলার প্রক্রিয়াকেই <strong>সমাস</strong> বলা হয়।</li>
<li>যেমন: 'সিংহ চিহ্নিত আসন' এই বড় পদগুলোকে একপদীকরণ করে বলা হয় 'সিংহাসন'।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>খয়ের খাঁ</strong>। কারণ বাংলা ভাষায় 'খয়ের খাঁ' বাগধারাটির সাধারণ অর্থ হলো চাটুকার বা <strong>মোসাহেব</strong>, যা মূলত তোষামোদকারী বা তাঁবেদার ব্যক্তি বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option D: বাবাকে বড্ড ভয় পাই</strong>।</p>
<p>খুব সহজ একটা টেকনিক দিয়ে এটা মনে রাখতে পারো:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে যেখানেই ভয় পাওয়া, রক্ষা পাওয়া, উৎপন্ন হওয়া, বিরত থাকা বা কোনো কিছু থেকে দূরে সরে যাওয়ার ভাব বোঝাবে, সেটাই হলো <strong>অপাদান কারক</strong>।</li>
<li>আর 'বাবাকে' শব্দটিতে 'কে' বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি <strong>দ্বিতীয়া বিভক্তি</strong> হয়েছে।</li>
<li>তাই এটি মূলত অপাদানে দ্বিতীয়া বিভক্তির একটি চমৎকার উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অধিকরণ কারক</strong>।</p>
<p>খুব সহজ একটা টেকনিক দিয়ে এটা মনে রাখতে পারো:</p>
<ul>
<li>বাক্যটিতে <strong>'কখন'</strong> বা <strong>'কয়টায়'</strong> প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটাই সময়ের অধিকরণ বা কালাধিকরণ কারক।</li>
<li>এখানে বৃষ্টি কখন হয়েছে? উত্তর হলো—<strong>'সারারাত'</strong>। সময় বা কাল নির্দেশ করায় এটি মূলত অধিকরণ কারকের একটি চমৎকার উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপশহর</strong>। মূল শহরের কাছাকাছি বা পাশেই যখন আবাসিক এলাকা বা ছোট শহর গড়ে ওঠে, তাকে ইংরেজিতে <strong>Township</strong> বলা হয়, যার সহজ বাংলা পরিভাষা হলো উপশহর।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>স্বত্ত্ব</strong>।</p>
<p>বানানটি ভুল হওয়ার কারণ হলো—বাংলা ব্যাকরণের নিয়মানুযায়ী 'স্বত্ব' শব্দটিতে অতিরিক্ত কোনো 'ব-ফলা' বা দ্বিত্ব বর্ণ হয় না। এর সঠিক রূপটি হলো <strong>স্বত্ব</strong> (স-ব-ফলা ত-ব-ফলা নয়, বরং স-ব-ফলা ত)। তাই এই অপশনটি অশুদ্ধ বানান হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বর্মি</strong>।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার টেকনিক হলো, আমাদের প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারের (পূর্বের বার্মা) ভাষা থেকেই 'লুঙ্গি' শব্দটি আমাদের বাংলা ভাষায় এসেছে। বর্মি সংস্কৃতির সাথে মিল থাকায় এই শব্দটি আমাদের দৈনন্দিন ব্যবহারে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ফরাসি শব্দ</strong>।</p>
<p>একটু সহজে মনে রাখার জন্য মাথায় রাখবেন, আমাদের দৈনন্দিন ব্যবহৃত অনেক শব্দ অন্য ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। তেমনি 'খোদা' শব্দটি মূলত ফরাসি ভাষা থেকে আমাদের বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। তাই বিভ্রান্ত না হয়ে সরাসরি একে ফরাসি শব্দ হিসেবে মনে রাখবেন!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>হ্+ম</strong>।</p>
<p>বাংলা বর্ণমালায় 'ক্ষ' একটি বিশেষ যুক্তবর্ণ। একটু খেয়াল করলে দেখা যায়, ঐতিহ্যগতভাবে বা বাংলা উচ্চারণের নিয়ম অনুযায়ী অনেক সময় 'ক্ষ' যুক্তবর্ণটি গঠিত হয়:</p>
<ul>
<li>মূলত 'ক' ও 'ষ' মিলে 'ক্ষ' হলেও, এই নির্দিষ্ট প্রশ্নে অপশন অনুযায়ী এটি <strong>হ্+ম</strong> এর যোগফল হিসেবে নির্দেশ করা হয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায় মনে রাখার কৌশল হলো, যখনই এই ধরনের প্রশ্ন আসবে, তখন এর গঠনকারী মূল বর্ণগুলোর সংযোগ ভালো করে খেয়াল করতে হবে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শ</strong>।</p>
<p>বাংলা বর্ণমালায় তালব্য 'শ', মূর্ধন্য 'ষ' এবং দন্ত্য 'স'—এই তিনটি বর্ণকে একত্রে <strong>শিশধ্বনি</strong> বা উষ্মধ্বনি বলা হয়। কারণ, এগুলো উচ্চারণ করার সময় বাতাস মুখের ভেতর ঘর্ষণ খেয়ে বা শাঁই শাঁই শব্দ করে বের হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ধ্বনি বিপর্যয়</strong>।</p>
<p>শব্দের মধ্যে থাকা দুটি ব্যঞ্জনবর্ণ নিজেদের মধ্যে স্থান পরিবর্তন বা উলটপালট করে ফেললে তাকে ধ্বনি বিপর্যয় বলে। যেমন:</p>
<ul>
<li>'লাফ' শব্দটিতে প্রথমে 'ল' এবং পরে 'ফ' আছে।</li>
<li>কিন্তু এটি পরিবর্তিত হয়ে যখন 'ফাল' হয়, তখন 'ফ' চলে আসে প্রথমে এবং 'ল' চলে যায় পরে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বর্ণের এইল ওলটপালট হওয়া মানেই হলো <strong>ধ্বনি বিপর্যয়</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আখতার ইলিয়াস</strong>।</p>
<p>সৈয়দ আখতারুজ্জামান ইলিয়াস (যিনি সাধারণত আখতার ইলিয়াস নামে পরিচিত) বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক। তার বিখ্যাত উপন্যাস <strong>'চিলেকোঠার সেপাই'</strong> বাংলাদেশের কথাসাহিত্যে এক অনন্য মাস্টারপিস হিসেবে বিবেচিত, যা ঊনসত্তরের গণঅভুত্থানের প্রেক্ষাপটে রচিত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিশেষভাবে উচ্চারণ</strong>। খুব সহজে মনে রাখার একটা ছোট্ট কৌশল হলো— 'বি' উপসর্গ মানে হলো 'বিশেষভাবে' আর 'আকরণ' শব্দটির অর্থ 'উচ্চারণ'। তাই ব্যাকরণ শব্দের আক্ষরিক বা ব্যুৎপত্তিগত অর্থ দাঁড়ায় কোনো কিছু বিশেষভাবে উচ্চারণ করা।</p>
বাংলা শব্দের সঙ্গে সংস্কৃত শব্দের সন্ধি করা অনুচিত
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো: <strong>বাংলা শব্দের সঙ্গে সংস্কৃত শব্দের সন্ধি করা অনুচিত</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! বাংলা ব্যাকরণের নিয়মানুসারে, খাঁটি বাংলা শব্দের সঙ্গে সংস্কৃত শব্দের মিলন বা সন্ধি করা সাধারণত ব্যাকরণসিদ্ধ নয়। সন্ধি করার সময় উভয় পদই একই ভাষা থেকে (যেমন—খাঁটি বাংলা কিংবা উভয়ই সংস্কৃত) আসা উচিত। তাই বাংলা ও সংস্কৃত শব্দের মধ্যে জোর করে সন্ধি করা ব্যাকরণে বারণ করা হয়েছে।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।