<p>বিশুদ্ধ পানির pH হলো <strong>7</strong>। এর কারণ হলো বিশুদ্ধ পানি একটি নিরপেক্ষ বা নিউট্রাল পদার্থ।</p>
<ul>
<li>pH স্কেলে <strong>7</strong>-কে নিরপেক্ষ বিন্দু ধরা হয়।</li>
<li>বিশুদ্ধ পানিতে হাইড্রোজেন আয়ন ($H^+$) এবং হাইড্রোক্সিল আয়ন ($OH^-$) এর ঘনমাত্রা সমান থাকে।</li>
<li>এই সমতার কারণেই বিশুদ্ধ পানির pH মান ঠিক <strong>7</strong> হয়।</li>
</ul>
<p>বৈদ্যুতিক ক্ষমতার একক হলো <strong>ওয়াট</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>কোনো বৈদ্যুতিক যন্ত্র প্রতি সেকেন্ডে কী পরিমাণ শক্তি ব্যয় করছে বা কাজ করছে, তাকেই ওই যন্ত্রের ক্ষমতা বলা হয়।</li>
<li>ক্ষমতার গাণিতিক রূপটি হলো: $$P = \frac{W}{t}$$</li>
<li>এখানে, কাজের একক জুল ($J$) এবং সময়ের একক সেকেন্ড ($s$) হলে, ক্ষমতার একক হয় জুল/সেকেন্ড ($J/s$), যা মূলত <strong>ওয়াট ($W$)</strong> নামে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বৈদ্যুতিক যন্ত্রের গায়ে আমরা যে ক্ষমতা দেখি (যেমন: ১০০ ওয়াটের বাল্ব), তা মূলত ওই যন্ত্রের শক্তির ব্যবহারের হার নির্দেশ করে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>এডিসন</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ আধুনিক শব্দ রেকর্ড করার প্রযুক্তির জনক হিসেবে তিনি বিশ্বজুড়ে পরিচিত।</p>
<ul>
<li>১৮৭৭ সালে থমাস আলভা এডিসন প্রথম <strong>ফনোগ্রাম</strong> যন্ত্রটি উদ্ভাবন করেন।</li>
<li>এই যন্ত্রটিই ছিল প্রথম কোনো যন্ত্র যা মানুষের কণ্ঠস্বর রেকর্ড করতে এবং পরবর্তীতে তা পুনরায় শোনাতে পারত।</li>
<li>তার এই যুগান্তকারী আবিষ্কারটিই পরবর্তীতে গ্রামোফোন এবং আধুনিক অডিও প্রযুক্তির ভিত্তি তৈরি করে দেয়।</li>
</ul>
<p>টেলিভিশন আবিষ্কারের কৃতিত্ব দেওয়া হয় <strong>জন এল বেয়ার্ডকে</strong>। তিনি ১৯২৬ সালে প্রথম সফলভাবে টেলিভিশনের মাধ্যমে ছবি সম্প্রচার করে বিশ্বকে চমকে দিয়েছিলেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>টেলিভিশন বা টিভির কথা মনে এলেই মাথায় রাখবেন <strong>জন এল বেয়ার্ড</strong>-এর নাম।</li>
<li>তিনিই প্রথম যান্ত্রিক পদ্ধতিতে চলমান ছবি বা মুভিং ইমেজ প্রদর্শনে সফল হন।</li>
<li>বিজ্ঞানের ইতিহাসে তার এই আবিষ্কারটি আধুনিক বিনোদন জগতের ভিত্তি হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
৬৬৫০
অগ্ন্যাশয় থেকে নির্গত চিনির বিপাক নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন কোনটি?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ইনসুলিন</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>আমাদের অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অফ ল্যাঙ্গারহ্যান্সের বিটা কোষ থেকে <strong>ইনসুলিন</strong> নিঃসৃত হয়।</li>
<li>রক্তে শর্করার (গ্লুকোজ) মাত্রা বেড়ে গেলে ইনসুলিন তা কমিয়ে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনে।</li>
<li>সহজ কথায়, শরীরে চিনির বিপাক বা মেটাবলিজম ঠিক রাখার প্রধান কাজটাই করে এই হরমোন।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ</strong>। কারণটা খুব সহজ—বায়ু কোনো নির্দিষ্ট রাসায়নিক সংকেত দিয়ে তৈরি নয়, বরং এটি বিভিন্ন গ্যাসের একটি প্রাকৃতিক সংমিশ্রণ।</p>
<ul>
<li>বায়ুতে নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড, জলীয় বাষ্প এবং আরও অনেক গ্যাসীয় উপাদান একে অপরের সাথে মিশে থাকে।</li>
<li>যেহেতু এই উপাদানগুলো নির্দিষ্ট কোনো রাসায়নিক অনুপাতে যুক্ত থাকে না এবং এদের আলাদা করা সম্ভব, তাই বিজ্ঞান অনুযায়ী বায়ু একটি <strong>মিশ্রণ</strong>।</li>
<li>মৌলিক বা যৌগিক পদার্থের মতো বায়ুর কোনো নির্দিষ্ট আণবিক সংকেত নেই, যা একে একটি বিশুদ্ধ পদার্থ থেকে আলাদা করে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কমবে</strong>। এর কারণ হলো মহাকর্ষ বলের প্রভাব। কোনো বস্তুর ওজন নির্ভর করে সেই স্থানের অভিকর্ষজ ত্বরণের ($g$) ওপর।</p>
<ul>
<li>পৃথিবীর তুলনায় চাঁদের অভিকর্ষজ ত্বরণ অনেক কম, যা পৃথিবীর প্রায় <strong>$\frac{1}{6}$</strong> ভাগ।</li>
<li>ওজনের সূত্রটি হলো <strong>$W = mg$</strong>, যেখানে $m$ হলো বস্তুর ভর এবং $g$ হলো অভিকর্ষজ ত্বরণ।</li>
<li>যেহেতু চাঁদে $g$-এর মান পৃথিবীর চেয়ে অনেক কম, তাই একই ভরের বস্তুকে চাঁদে নিয়ে গেলে তার ওজনও আনুপাতিক হারে কমে যায়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, চাঁদের আকর্ষণ শক্তি কম হওয়ায় সেখানে বস্তুর ওজনও কমে যায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মিথেন গ্যাস</strong>। কারণ ইউরিয়া সার তৈরির প্রধান কাঁচামাল হলো প্রাকৃতিক গ্যাস, যার মূল উপাদান হলো মিথেন ($CH_4$)।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>ইউরিয়া উৎপাদনে মূলত মিথেন গ্যাস থেকে হাইড্রোজেন সংগ্রহ করা হয়।</li>
<li>এই হাইড্রোজেনের সাথে বাতাসের নাইট্রোজেন যুক্ত করে ইউরিয়া সার তৈরি করা হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: পৃষ্ঠতল কেন্দ্রিক ঘনকাকৃতির</strong> (Face-Centered Cubic বা FCC)।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজভাবে এভাবে মনে রাখতে পারো:</p>
<ul>
<li>সোডিয়াম ক্লোরাইড ($\text{NaCl}$) কেলাসে ক্লোরাইড আয়নগুলো ($\text{Cl}^-$) কেলাসের কোণগুলোতে এবং প্রতিটি পৃষ্ঠের কেন্দ্রে অবস্থান করে, যা একটি <strong>পৃষ্ঠতল কেন্দ্রিক</strong> বা এফসিসি কাঠামো তৈরি করে।</li>
<li>অন্যদিকে, সোডিয়াম আয়নগুলো ($\text{Na}^+$) এই কাঠামোর ফাঁকা স্থান বা অষ্টতলকীয় ফাঁকগুলোতে (Octahedral voids) সুবিন্যস্ত থাকে।</li>
<li>তাই সামগ্রিকভাবে $\text{NaCl}$ কেলাসের গঠনটি একটি নিখুঁত পৃষ্ঠতল কেন্দ্রিক ঘনকাকৃতির রূপ নেয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ট্যাকোমিটার</strong>।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার টেকনিক হলো, উড়োজাহাজ বা যেকোনো ইঞ্জিনের ঘূর্ণন গতি এবং দ্রুতি নিখুঁতভাবে পরিমাপ করার জন্যই মূলত ট্যাকোমিটার ব্যবহার করা হয়। দৈনন্দিন জীবনে বা সাধারণ জ্ঞানে এটি একটি অত্যন্ত পরিচিত যন্ত্র।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>এন্টনি ভন লিউয়েনহুক</strong>।</p>
<p>খুব সহজ কথায়, তিনি প্রথম নিজের তৈরি অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে ব্যাকটেরিয়া এবং প্রোটোজোয়া সার্থকভাবে পর্যবেক্ষণ ও আবিষ্কার করেছিলেন। অণুজীব জগতের এই দারুণ আবিষ্কারের কারণেই তাকে <strong>অণুজীব বিজ্ঞানের জনক</strong> বলা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: পানির উপরিভাগে</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! পানি একটি পোলার অণু। এর অণুগুলোর মাঝে হাইড্রোজেন বন্ধন থাকে। তবে পানির অণুগুলো যখন তরল অবস্থায় থাকে, তখন তাদের মাঝে ফাঁকা স্থান বা আন্তঃআণবিক স্থানগুলোর চেয়ে মুক্ত অক্সিজেন মূলত বায়ুমণ্ডলের সংস্পর্শে থাকা <strong>পানির উপরিভাগেই</strong> সবচেয়ে বেশি পরিমাণে দ্রবীভূত হতে পারে এবং অবস্থান করে। বাতাস থেকে অক্সিজেন সরাসরি পানির ওপরের স্তরের সংস্পর্শে এসে মিশে যায় বলেই উপরিভাগে এর পরিমাণ বেশি থাকে।</p>
৬৬৫৮
গ্রীন হাউস গ্যাসের কোন গ্যাস বর্তমানে বৃদ্ধি পাচ্ছে না ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সিএফসি (CFC)</strong>।</p>
<p>পরিবেশ সুরক্ষার আন্তর্জাতিক চুক্তি তথা 'মন্ট্রিল প্রটোকল'-এর সফল বাস্তবায়নের ফলে বিশ্বব্যাপী ক্ষতিকারক সিএফসি (ক্লোরোফ্লোরোকার্বন) গ্যাসের উৎপাদন ও ব্যবহার কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এর ফলে বর্তমানে বায়ুমণ্ডলে এই গ্যাসটির পরিমাণ আশঙ্কাজনকভাবে আর বৃদ্ধি পাচ্ছে না, বরং দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: সিলভার ব্রোমাইডের</strong>।</p>
<p>ফটোগ্রাফিক প্লেট বা ফিল্মের ওপর আলোর প্রতি সংবেদনশীল একটি আস্তরণ বা ইমালসন ব্যবহার করা হয়। এই কাজে মূলত <strong>সিলভার ব্রোমাইড ($\text{AgBr}$)</strong>-এর রাসায়নিক ধর্মকে কাজে লাগানো হয়, যা আলোর সংস্পর্শে আসলে রাসায়নিকভাবে পরিবর্তিত হয়ে ছবি ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: মস্তিস্ক</strong>।</p>
<p>স্ট্রোক হলো মূলত মস্তিষ্কের একটি রোগ। যখন মস্তিষ্কের কোনো অংশে রক্ত চলাচল হঠাৎ করে বন্ধ হয়ে যায় বা রক্তনালী ছিঁড়ে যায়, তখন মস্তিষ্কের কোষগুলো পর্যাপ্ত অক্সিজেন ও পুষ্টি পায় না। এর ফলে মস্তিষ্কের কোষগুলো নষ্ট হতে শুরু করে এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তাই স্ট্রোক সরাসরি আমাদের মস্তিষ্কের সাথেই জড়িত।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।