<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ঘড়ির কাটার বিপরীতে</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় পৃথিবীর ঘূর্ণন গতির মাধ্যমে।</p>
<ul>
<li>উত্তর গোলার্ধে কোরিওলিস বলের (Coriolis force) প্রভাবে বায়ুপ্রবাহ ডানদিকে বেঁকে যায়।</li>
<li>এই বলের কারণেই ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্র নিম্নচাপের দিকে বাতাস যখন ছুটে আসে, তখন তা সোজাসুজি না গিয়ে বাঁক নিয়ে ঘোরে।</li>
<li>ফলে উত্তর গোলার্ধে ঘূর্ণিঝড় সবসময় <strong>ঘড়ির কাটার বিপরীতে</strong> বা <em>Counter-clockwise</em> দিকে আবর্তিত হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, পৃথিবীর ঘূর্ণনের কারণেই এই বিশেষ ঘূর্ণন প্যাটার্নটি তৈরি হয়, যা উত্তর গোলার্ধের ঘূর্ণিঝড়ের একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য।</p>
৬৭০৭
স্বাভাবিক অবস্থায় একজন মানুষের উপর প্রতি বর্গ ইঞ্চিতে বায়ুর চাপ পড়ে প্রায়-
<p>স্বাভাবিক অবস্থায় সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুমণ্ডলের চাপ সম্পর্কে আমাদের এই তথ্যটি মনে রাখা খুব জরুরি। বায়ুর চাপ পরিমাপের ক্ষেত্রে আমরা জানি যে, প্রতি বর্গ ইঞ্চিতে বায়ুর চাপ প্রায় <strong>১৪.৭ পাউন্ড</strong>।</p>
<p>সহজ হিসাবের সুবিধার্থে আমরা একে প্রায় <strong>১৫ পাউন্ড</strong> হিসেবে ধরে নিই। বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর আদর্শ চাপ হলো প্রায় $14.7 \text{ psi}$ (pounds per square inch)।</li>
<li>গাণিতিক বা সাধারণ হিসাবের ক্ষেত্রে এই মানটিকে পূর্ণসংখ্যায় $15 \text{ psi}$ হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>১৫ পাউন্ড</strong>।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ভূ-ত্বক</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>পৃথিবীর একদম বাইরের শক্ত ও পাতলা স্তরটিই হলো ভূ-ত্বক বা Crust।</li>
<li>আমরা যেখানে বসবাস করি, সেই মাটির উপরের অংশ এবং সমুদ্রের তলদেশ—সবই এই ভূ-ত্বকের অন্তর্ভুক্ত।</li>
<li>সহজ কথায়, পৃথিবীর উপরিভাগের আবরণকে আমরা ভূ-ত্বক বলি, যা মূলত শিলা ও খনিজ পদার্থ দিয়ে গঠিত।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জনশ্রুতি</strong>। বহুব্রীহি সমাস চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এটি এমন একটি সমাস যেখানে সমাসবদ্ধ পদটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, বস্তু বা বিষয়কে না বুঝিয়ে অন্য কোনো অর্থ প্রকাশ করে।</p>
<p><strong>জনশ্রুতি</strong> শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো: <strong>জনগণের দ্বারা শ্রুত (যা)</strong>। এখানে 'জন' বা 'শ্রুতি' কোনোটির অর্থ প্রধান না হয়ে বরং একটি বিশেষ 'কথা' বা 'প্রবাদ' অর্থটি প্রধান হয়ে উঠেছে। তাই এটি বহুব্রীহি সমাসের অন্তর্ভুক্ত।</p>
<ul>
<li>সহজ কথায়, যে সমাসে সমস্যমান পদগুলোর কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে বাইরের অন্য কোনো অর্থ প্রকাশ পায়, সেটিই বহুব্রীহি।</li>
<li>জনশ্রুতি মানে হলো মানুষের মুখে প্রচলিত কথা, যা সরাসরি কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করছে না।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বেদের মেয়ে</strong>। জসীমউদ্দীন মূলত তার পল্লী-প্রকৃতি নির্ভর কাব্যগ্রন্থের জন্য পরিচিত হলেও, তিনি বেশ কিছু চমৎকার নাটকও রচনা করেছেন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>বেদের মেয়ে</strong> জসীমউদ্দীনের লেখা একটি জনপ্রিয় নাটক।</li>
<li>পল্লী কবি জসীমউদ্দীন তার সাহিত্যকর্মে গ্রামবাংলার সাধারণ মানুষের জীবন, সংস্কৃতি এবং লোকজ উপাদানকে দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>তার এই নাট্যকর্মটি বাংলা লোকনাট্যের ধারায় একটি বিশেষ স্থান দখল করে আছে।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় এই প্রশ্নটি দেখলে সরাসরি <strong>বেদের মেয়ে</strong> অপশনটি বেছে নিন। এটি মনে রাখা খুব সহজ কারণ এটি তার অন্যতম আলোচিত নাট্যগ্রন্থ।</p>
৬৭১৩
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে কোন ধর্মপ্রচারক -এর প্রভাব অপরিসীম?
<p>মধ্যযুগের শেষ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর ১৭৬০ সালে মৃত্যুবরণ করেন। সাহিত্যিক ইতিহাস মনে রাখার জন্য এই সালটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিষয়টি সহজে মনে রাখার জন্য নিচের ধাপটি খেয়াল করুন:</p>
<p>অর্থাৎ, তিনি মাত্র ৪৮ বছর বয়সে পরলোকগমন করেন। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তাকে 'রায়গুণাকর' উপাধিতে ভূষিত করা হয় এবং তার মৃত্যুকেই মধ্যযুগের সমাপ্তি হিসেবে গণ্য করা হয়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চার ইয়ারী কথা</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ এই গ্রন্থটি ভ্রমণকাহিনি নয়, বরং এটি প্রমথ চৌধুরীর লেখা একটি বিখ্যাত <strong>গল্পগ্রন্থ</strong>।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>চার ইয়ারী কথা:</strong> এটি চারটি গল্পের সংকলন, যেখানে চার বন্ধুর জীবনের বিভিন্ন অভিজ্ঞতার কথা বলা হয়েছে।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলো (পালামৌ, দৃষ্টিপাত, দেশে বিদেশে) সবই ভ্রমণসাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত, যেখানে লেখক নিজের ভ্রমণ অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিয়েছেন।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় মনে রাখবে, ভ্রমণকাহিনি আর গল্পগ্রন্থের মধ্যে পার্থক্য করতে পারলে এমন প্রশ্ন খুব সহজেই সমাধান করা সম্ভব।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কুসংস্কার</strong>। বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী, 'কু' একটি উপসর্গ, তাই এর সাথে যুক্ত হওয়ার সময় সবসময় হ্রস্ব-উ (ু) কার ব্যবহৃত হয়।</p>
<ul>
<li>'কু' উপসর্গটি সব সময় হ্রস্ব-উ (ু) কার দিয়ে লেখা হয়, যেমন: কু + সংস্কার = কুসংস্কার।</li>
<li>এখানে 'সংস্কার' শব্দটির শুরুতে 'কু' যুক্ত হয়ে একটি নতুন শব্দ গঠন করেছে, তাই বানানে কোনো দীর্ঘ-উ (ূ) কারের প্রয়োজন নেই।</li>
<li>সহজভাবে মনে রাখার উপায় হলো, উপসর্গ হিসেবে 'কু' সব সময় ছোট বা হ্রস্ব হয়।</li>
</ul>
<p>লাওসের সরকারি নাম হলো <strong>The Lao People’s Democratic Republic</strong>। এটি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ লাওস দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র।</p>
<p>সহজে মনে রাখার কিছু টিপস:</p>
<ul>
<li>লাওস একটি সমাজতান্ত্রিক দেশ, তাই নামের শুরুতে <strong>Lao People’s</strong> অংশটি থাকে।</li>
<li>রাষ্ট্রীয় কাঠামো বোঝাতে এর সাথে <strong>Democratic Republic</strong> যুক্ত করা হয়েছে।</li>
<li>পুরো নামটিকে সংক্ষেপে <strong>Lao PDR</strong> বলা হয়, যা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় বা সাধারণ জ্ঞানে যখনই লাওসের সরকারি নাম আসবে, চোখ বন্ধ করে <strong>The Lao People’s Democratic Republic</strong> বেছে নেবেন।</p>
<p>বাংলা বর্ণমালায় বর্গের প্রতিটি বর্গের দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণগুলো হলো <strong>মহাপ্রাণধ্বনি</strong>। এর কারণ হলো, এই বর্ণগুলো উচ্চারণ করার সময় মুখ দিয়ে অনেক বেশি বাতাস বের হয় বা বাতাসের চাপের আধিক্য থাকে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বর্গের প্রতিটি সারির <strong>দ্বিতীয় বর্ণ</strong> (যেমন: খ, ছ, ঠ, থ, ফ) এবং <strong>চতুর্থ বর্ণ</strong> (যেমন: ঘ, ঝ, ঢ, ধ, ভ) উচ্চারণ করতে ফুসফুস থেকে বেশি বাতাসের প্রয়োজন হয়।</li>
<li>এই বাড়তি বাতাসের চাপের কারণেই এদের মহাপ্রাণধ্বনি বলা হয়।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, বর্গের ক্রম অনুযায়ী $2$য় ও $4$র্থ বর্ণগুলোই হলো মহাপ্রাণধ্বনি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দোষী – নির্দোষী</strong>। কারণটি বেশ সহজ এবং ব্যাকরণগত:</p>
<ul>
<li>শব্দ গঠনের নিয়ম অনুযায়ী, 'দোষী' শব্দের বিপরীত শব্দ হলো <strong>'নির্দোষ'</strong>।</li>
<li>'নির্দোষী' বলে বাংলা ভাষায় কোনো শুদ্ধ শব্দ নেই। 'নির্দোষ' নিজেই একটি পূর্ণাঙ্গ শব্দ, তাই এর সাথে বাড়তি 'ই' প্রত্যয় যোগ করার প্রয়োজন পড়ে না।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলো (যেমন: অহিংস – সহিংস, প্রসন্ন – বিষন্ন) ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ শুদ্ধ এবং সঠিক বিপরীত শব্দ জোড়া।</li>
</ul>
<p>তাই মনে রাখবেন, শুদ্ধ প্রয়োগ হলো <strong>দোষী – নির্দোষ</strong>।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।