eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু
MCQ: ৩৪৫১৮ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৬৭৫১

‘সোমত্ত’ শব্দটির উৎপত্তি কোন শব্দ থেকে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সমর্থ
ব্যাখ্যা:
<p>‘সোমত্ত’ শব্দটির সঠিক উৎস হলো <strong>সমর্থ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় শব্দের বিবর্তনের ধারা থেকে:</p>

<ul>
<li>সংস্কৃত শব্দ <strong>সমর্থ</strong> থেকে প্রাকৃতের মাধ্যমে এটি বাংলায় এসেছে।</li>
<li>ভাষার পরিবর্তনের নিয়মে সময়ের সাথে সাথে শব্দের উচ্চারণ ও বানানে পরিবর্তন আসে।</li>
<li>সেই ধারাবাহিকতায় ‘সমর্থ’ শব্দটি পরিবর্তিত হয়ে কথ্য বাংলায় ‘সোমত্ত’ রূপ ধারণ করেছে, যার অর্থ হলো যে ব্যক্তি কোনো কাজ করার যোগ্য বা প্রাপ্তবয়স্ক।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, শব্দের রূপান্তরের এই প্রক্রিয়াটিই ‘সমর্থ’ থেকে ‘সোমত্ত’ শব্দটির জন্ম দিয়েছে।</p>
৬৭৫২

নিঃশ্বাসের স্বল্পতম প্রয়াসে উচ্চারিত ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছকে কী বলে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অক্ষর
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অক্ষর</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>আমরা যখন কথা বলি, তখন ফুসফুস থেকে আসা বাতাসের এক ধাক্কায় যতটুকু অংশ উচ্চারণ করতে পারি, তাকেই ব্যাকরণের ভাষায় <strong>অক্ষর</strong> (Syllable) বলে।</li>
<li>সহজ কথায়, একটি শব্দের যতটুকু অংশ আমরা একবারে বা এক ঝটকায় উচ্চারণ করি, সেটাই একটি অক্ষর।</li>
<li>উদাহরণস্বরূপ, 'কলম' শব্দটিকে ভাঙলে আমরা পাই 'কল' এবং 'ম'। এখানে 'কল' এবং 'ম' হলো আলাদা দুটি অক্ষর, কারণ এগুলো উচ্চারণের সময় আমাদের নিঃশ্বাসের এক একটি ক্ষুদ্র প্রয়াস লাগে।</li>
</ul>

<p>তাই মনে রাখবেন, নিঃশ্বাসের স্বল্পতম প্রয়াসে উচ্চারিত ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছই হলো <strong>অক্ষর</strong>।</p>
৬৭৫৩

‘বাবা ছেলের দীর্ঘায়ু কামনা করলেন’ – এই পরোক্ষ উক্তির প্রত্যক্ষরূপ হবে-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বাবা ছেলেকে বললেন, ‘তুমি দীর্ঘজীবী হও’
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো: <strong>বাবা ছেলেকে বললেন, ‘তুমি দীর্ঘজীবী হও’</strong>।</p>

<p>পরোক্ষ উক্তিকে প্রত্যক্ষ উক্তি করার সময় কিছু সহজ নিয়ম মাথায় রাখলেই হয়:</p>

<ul>
<li><strong>উদ্ধৃতি চিহ্ন:</strong> প্রত্যক্ষ উক্তিতে বক্তার কথা সরাসরি বোঝাতে উদ্ধৃতি চিহ্ন (inverted comma) ব্যবহার করা হয়।</li>
<li><strong>ক্রিয়াপদ:</strong> পরোক্ষ উক্তিতে ‘কামনা করলেন’ থাকলে প্রত্যক্ষ উক্তিতে তা ‘হও’ বা ‘হোক’ জাতীয় আশীর্বাদসূচক বাক্যে রূপান্তরিত হয়।</li>
<li><strong>বাক্যের গঠন:</strong> এখানে ‘তুমি দীর্ঘজীবী হও’ বাক্যটি একটি আশীর্বাদ, যা সরাসরি উদ্ধৃতি চিহ্নের ভেতরে বসলে বাক্যটি সঠিক ও অর্থবহ হয়।</li>
</ul>

<p>তাই, সরাসরি বক্তার কথাটি উদ্ধৃতি চিহ্নের মাধ্যমে প্রকাশ করাই এখানে সবচেয়ে শুদ্ধ পদ্ধতি।</p>
৬৭৫৪

‘গ্রামবার্তা প্রকাশিকা’ পত্রিকাটি কোন স্থান থেকে প্রকাশিত?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়ার কুমারখালী
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কুষ্টিয়ার কুমারখালী</strong>। এই পত্রিকাটি উনিশ শতকের বাংলার সাংবাদিকতার ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নাম।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>কাঙাল হরিনাথ মজুমদার</strong> ১৮৬৩ সালে কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে এই পত্রিকাটি প্রকাশ করেন।</li>
<li>এটি মূলত গ্রামীণ মানুষের দুঃখ-দুর্দশা এবং শোষণের কথা তুলে ধরার জন্য বিখ্যাত ছিল।</li>
<li>তৎকালীন সময়ে মফস্বল এলাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকাগুলোর মধ্যে এটি ছিল সবচেয়ে প্রভাবশালী, তাই কুমারখালীর নামটা মনে রাখলেই আপনার উত্তরটি নিশ্চিত হয়ে যাবে।</li>
</ul>
৬৭৫৫

চর্যাপদের টীকাকারের নাম কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মুনিদত্ত
ব্যাখ্যা:
<p>চর্যাপদের টীকাকারের নাম হলো <strong>মুনিদত্ত</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ চর্যাপদের মূল পদগুলো উদ্ধারের পর সেগুলোর অর্থ ও ব্যাখ্যা সহজ করার জন্য তিনি সংস্কৃত ভাষায় একটি টীকা লিখেছিলেন।</p>

<ul>
<li>চর্যাপদের তিব্বতি অনুবাদক ছিলেন কীর্তিচন্দ্র।</li>
<li>কিন্তু পদগুলোর সংস্কৃত টীকা লিখেছিলেন <strong>মুনিদত্ত</strong>, যার নামানুসারে এই টীকাটি 'মুনিদত্তের টীকা' নামে পরিচিত।</li>
<li>এই টীকাটিই পরবর্তীতে চর্যাপদের প্রকৃত অর্থ ও তাৎপর্য বুঝতে গবেষকদের সবচেয়ে বেশি সাহায্য করেছে।</li>
</ul>
৬৭৫৬

ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের পটভূমিকায় লেখা উপন্যাস কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
চিলেকোঠার সেপাই
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চিলেকোঠার সেপাই</strong>। আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের লেখা এই কালজয়ী উপন্যাসটি মূলত ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে রচিত।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটির মূল চরিত্র 'ওসমান' এবং 'হাড্ডি খিজির'-এর মাধ্যমে তৎকালীন ঢাকার রাজনৈতিক অস্থিরতা ও গণ-আন্দোলনের চিত্র ফুটে উঠেছে।</li>
<li>ঊনসত্তরের উত্তাল দিনগুলোর বাস্তব প্রতিফলন এই উপন্যাসে যেভাবে উঠে এসেছে, তা বাংলা সাহিত্যে অনন্য।</li>
<li>পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই মনে রাখার জন্য <strong>ঊনসত্তর = চিলেকোঠার সেপাই</strong>—এই সূত্রটি মাথায় রাখলেই চলবে।</li>
</ul>
৬৭৫৭

কোন উপসর্গটি ভিন্নার্থে প্রযুক্ত?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
উপভোগ
৬৭৫৮

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কৌতুক নাটক হচ্ছে:

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বৈকুণ্ঠের খাতা
৬৭৫৯

মীর মশাররফ হোসেন রচিত গ্রন্থ হচ্ছে:

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গাজী মিয়াঁর বস্তানী
৬৭৬০

‘বেদান্তগ্রন্থ’ ও ‘বেদান্ত সার’ কার রচনা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
রাজা রামমোহন রায়
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রাজা রামমোহন রায়</strong>।</p>

<p>বিষয়টা মনে রাখা খুব সহজ। রাজা রামমোহন রায়কে বলা হয় 'আধুনিক ভারতের জনক'। তিনি ভারতীয় দর্শন ও ধর্মতত্ত্ব নিয়ে প্রচুর কাজ করেছেন। তাঁর এই দুটি বিখ্যাত গ্রন্থ সম্পর্কে কিছু তথ্য নিচে দেওয়া হলো:</p>

<ul>
<li><strong>বেদান্তগ্রন্থ:</strong> এটি ১৮১৫ সালে প্রকাশিত হয়, যেখানে তিনি উপনিষদের সারমর্ম সহজভাবে তুলে ধরেছিলেন।</li>
<li><strong>বেদান্ত সার:</strong> এটি মূলত বেদান্তগ্রন্থেরই একটি সংক্ষিপ্ত ও সহজ সংস্করণ, যা সাধারণ মানুষের কাছে বেদান্তের মূল দর্শন পৌঁছে দেওয়ার জন্য তিনি লিখেছিলেন।</li>
</ul>

<p>মূলত একেশ্বরবাদ প্রচার এবং হিন্দু ধর্মের কুসংস্কার দূর করার লক্ষ্যেই তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থগুলো রচনা করেছিলেন।</p>
৬৭৬১

মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ‘আগুনের পরশমণি’ কার রচনা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
হুমায়ূন আহমেদ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>হুমায়ূন আহমেদ</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। হুমায়ূন আহমেদের জনপ্রিয় উপন্যাসগুলোর মধ্যে <strong>‘আগুনের পরশমণি’</strong> অন্যতম, যা আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে লেখা। এই উপন্যাসটি নিয়ে তিনি পরবর্তীতে একটি ব্যবসাসফল চলচ্চিত্রও নির্মাণ করেছিলেন।</p>

<ul>
<li>উপন্যাসটির মূল বিষয়বস্তু: ১৯৭১ সালের ঢাকা শহরের অবরুদ্ধ জীবন ও গেরিলা যুদ্ধের চিত্র।</li>
<li>লেখক: হুমায়ূন আহমেদ।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা কালজয়ী এই উপন্যাসের স্রষ্টা হলেন হুমায়ূন আহমেদ।</p>
৬৭৬২

‘খনার বচন’ -এর মূলভাব কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
শুদ্ধ জীবনযাপন রীতি
৬৭৬৩

‘দুরবস্থা’ শব্দটি সন্ধি বিচ্ছেদ করা হলে নিচের কোনটি পাওয়া যায়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
দুঃ + অবস্থা
ব্যাখ্যা:
<p>‘দুরবস্থা’ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>দুঃ + অবস্থা</strong>। এটি মূলত বিসর্গ সন্ধির একটি চমৎকার উদাহরণ। বিষয়টি সহজভাবে বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>

<ul>
<li>বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গের (ঃ) আগে যদি 'অ' বা 'আ' ছাড়া অন্য কোনো স্বরধ্বনি থাকে এবং পরে যদি কোনো স্বরধ্বনি থাকে, তবে বিসর্গটি 'র' (রেফ) হয়ে যায়।</li>
<li>এখানে <strong>দুঃ</strong> শব্দের শেষে বিসর্গ আছে এবং তার আগে 'উ' কার রয়েছে।</li>
<li>পরবর্তী শব্দ <strong>অবস্থা</strong>-এর শুরুতে 'অ' থাকায় বিসর্গটি 'র' এ পরিণত হয়েছে।</li>
<li>অর্থাৎ, <strong>দুঃ + অবস্থা = দুরবস্থা</strong>।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বিসর্গটি উঠে গিয়ে সেখানে একটি 'র' যুক্ত হয়েছে, যা পরবর্তী শব্দের সাথে মিলে 'র' কার বা রেফ হিসেবে উচ্চারিত হচ্ছে।</p>
৬৭৬৪

জীবনানন্দ দাশকে ‘নির্জনতম কবি’ বলে আখ্যায়িত করেন কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বুদ্ধদেব বসু
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বুদ্ধদেব বসু</strong>।</p>

<p>জীবনানন্দ দাশের কবিতার গভীরতা, নির্জনতা এবং বিষণ্ণতার সুরকে প্রথম যিনি গভীরভাবে অনুভব করেছিলেন, তিনি হলেন বুদ্ধদেব বসু। তিনি জীবনানন্দ দাশের কাব্যশৈলী ও মনন বিশ্লেষণ করে তাকে বাংলা সাহিত্যের <strong>‘নির্জনতম কবি’</strong> হিসেবে অভিহিত করেন।</p>

<ul>
<li>বুদ্ধদেব বসু ছিলেন জীবনানন্দ দাশের সমসাময়িক এবং তার কবিতার একজন বড় গুণগ্রাহী।</li>
<li>জীবনানন্দের কাব্যগ্রন্থ ‘ধূসর পাণ্ডুলিপি’ প্রকাশের পর তার কবিতার অনন্য বৈশিষ্ট্যগুলো বুদ্ধদেব বসুর লেখায় স্পষ্টভাবে উঠে আসে।</li>
<li>এই বিশেষ উপাধিটি মূলত জীবনানন্দের কবিতার সেই নিভৃতচারী ও আত্মমগ্ন সত্তাকেই ফুটিয়ে তোলে।</li>
</ul>
৬৭৬৫

‘তাম্বুলিক’ শব্দের সমার্থক নয় কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তামসিক
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>তামসিক</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ‘তাম্বুলিক’ শব্দটির অর্থ হলো যিনি পান চাষ করেন বা পানের ব্যবসা করেন।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>তাম্বুল</strong> শব্দের অর্থ হলো পান। তাই যারা পানের সাথে যুক্ত, তাদেরই বলা হয় তাম্বুলিক।</li>
<li>বারুই, পান-ব্যবসায়ী এবং পর্ণকার—এই তিনটি শব্দই সরাসরি পানের সাথে জড়িত পেশা বা ব্যক্তিকে বোঝায়।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>তামসিক</strong> শব্দটি এসেছে ‘তম’ গুণ থেকে, যা অলসতা বা অন্ধকারের প্রতীক। এর সাথে পানের কোনো সম্পর্ক নেই, তাই এটিই এখানে সঠিক উত্তর।</li>
</ul>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।