<p>‘সোমত্ত’ শব্দটির সঠিক উৎস হলো <strong>সমর্থ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় শব্দের বিবর্তনের ধারা থেকে:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত শব্দ <strong>সমর্থ</strong> থেকে প্রাকৃতের মাধ্যমে এটি বাংলায় এসেছে।</li>
<li>ভাষার পরিবর্তনের নিয়মে সময়ের সাথে সাথে শব্দের উচ্চারণ ও বানানে পরিবর্তন আসে।</li>
<li>সেই ধারাবাহিকতায় ‘সমর্থ’ শব্দটি পরিবর্তিত হয়ে কথ্য বাংলায় ‘সোমত্ত’ রূপ ধারণ করেছে, যার অর্থ হলো যে ব্যক্তি কোনো কাজ করার যোগ্য বা প্রাপ্তবয়স্ক।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের রূপান্তরের এই প্রক্রিয়াটিই ‘সমর্থ’ থেকে ‘সোমত্ত’ শব্দটির জন্ম দিয়েছে।</p>
৬৭৫২
নিঃশ্বাসের স্বল্পতম প্রয়াসে উচ্চারিত ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছকে কী বলে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অক্ষর</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>আমরা যখন কথা বলি, তখন ফুসফুস থেকে আসা বাতাসের এক ধাক্কায় যতটুকু অংশ উচ্চারণ করতে পারি, তাকেই ব্যাকরণের ভাষায় <strong>অক্ষর</strong> (Syllable) বলে।</li>
<li>সহজ কথায়, একটি শব্দের যতটুকু অংশ আমরা একবারে বা এক ঝটকায় উচ্চারণ করি, সেটাই একটি অক্ষর।</li>
<li>উদাহরণস্বরূপ, 'কলম' শব্দটিকে ভাঙলে আমরা পাই 'কল' এবং 'ম'। এখানে 'কল' এবং 'ম' হলো আলাদা দুটি অক্ষর, কারণ এগুলো উচ্চারণের সময় আমাদের নিঃশ্বাসের এক একটি ক্ষুদ্র প্রয়াস লাগে।</li>
</ul>
<p>তাই মনে রাখবেন, নিঃশ্বাসের স্বল্পতম প্রয়াসে উচ্চারিত ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছই হলো <strong>অক্ষর</strong>।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো: <strong>বাবা ছেলেকে বললেন, ‘তুমি দীর্ঘজীবী হও’</strong>।</p>
<p>পরোক্ষ উক্তিকে প্রত্যক্ষ উক্তি করার সময় কিছু সহজ নিয়ম মাথায় রাখলেই হয়:</p>
<ul>
<li><strong>উদ্ধৃতি চিহ্ন:</strong> প্রত্যক্ষ উক্তিতে বক্তার কথা সরাসরি বোঝাতে উদ্ধৃতি চিহ্ন (inverted comma) ব্যবহার করা হয়।</li>
<li><strong>ক্রিয়াপদ:</strong> পরোক্ষ উক্তিতে ‘কামনা করলেন’ থাকলে প্রত্যক্ষ উক্তিতে তা ‘হও’ বা ‘হোক’ জাতীয় আশীর্বাদসূচক বাক্যে রূপান্তরিত হয়।</li>
<li><strong>বাক্যের গঠন:</strong> এখানে ‘তুমি দীর্ঘজীবী হও’ বাক্যটি একটি আশীর্বাদ, যা সরাসরি উদ্ধৃতি চিহ্নের ভেতরে বসলে বাক্যটি সঠিক ও অর্থবহ হয়।</li>
</ul>
<p>তাই, সরাসরি বক্তার কথাটি উদ্ধৃতি চিহ্নের মাধ্যমে প্রকাশ করাই এখানে সবচেয়ে শুদ্ধ পদ্ধতি।</p>
৬৭৫৪
‘গ্রামবার্তা প্রকাশিকা’ পত্রিকাটি কোন স্থান থেকে প্রকাশিত?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কুষ্টিয়ার কুমারখালী</strong>। এই পত্রিকাটি উনিশ শতকের বাংলার সাংবাদিকতার ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নাম।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>কাঙাল হরিনাথ মজুমদার</strong> ১৮৬৩ সালে কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে এই পত্রিকাটি প্রকাশ করেন।</li>
<li>এটি মূলত গ্রামীণ মানুষের দুঃখ-দুর্দশা এবং শোষণের কথা তুলে ধরার জন্য বিখ্যাত ছিল।</li>
<li>তৎকালীন সময়ে মফস্বল এলাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকাগুলোর মধ্যে এটি ছিল সবচেয়ে প্রভাবশালী, তাই কুমারখালীর নামটা মনে রাখলেই আপনার উত্তরটি নিশ্চিত হয়ে যাবে।</li>
</ul>
<p>চর্যাপদের টীকাকারের নাম হলো <strong>মুনিদত্ত</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ চর্যাপদের মূল পদগুলো উদ্ধারের পর সেগুলোর অর্থ ও ব্যাখ্যা সহজ করার জন্য তিনি সংস্কৃত ভাষায় একটি টীকা লিখেছিলেন।</p>
<ul>
<li>চর্যাপদের তিব্বতি অনুবাদক ছিলেন কীর্তিচন্দ্র।</li>
<li>কিন্তু পদগুলোর সংস্কৃত টীকা লিখেছিলেন <strong>মুনিদত্ত</strong>, যার নামানুসারে এই টীকাটি 'মুনিদত্তের টীকা' নামে পরিচিত।</li>
<li>এই টীকাটিই পরবর্তীতে চর্যাপদের প্রকৃত অর্থ ও তাৎপর্য বুঝতে গবেষকদের সবচেয়ে বেশি সাহায্য করেছে।</li>
</ul>
৬৭৫৬
ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের পটভূমিকায় লেখা উপন্যাস কোনটি?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চিলেকোঠার সেপাই</strong>। আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের লেখা এই কালজয়ী উপন্যাসটি মূলত ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে রচিত।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটির মূল চরিত্র 'ওসমান' এবং 'হাড্ডি খিজির'-এর মাধ্যমে তৎকালীন ঢাকার রাজনৈতিক অস্থিরতা ও গণ-আন্দোলনের চিত্র ফুটে উঠেছে।</li>
<li>ঊনসত্তরের উত্তাল দিনগুলোর বাস্তব প্রতিফলন এই উপন্যাসে যেভাবে উঠে এসেছে, তা বাংলা সাহিত্যে অনন্য।</li>
<li>পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই মনে রাখার জন্য <strong>ঊনসত্তর = চিলেকোঠার সেপাই</strong>—এই সূত্রটি মাথায় রাখলেই চলবে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রাজা রামমোহন রায়</strong>।</p>
<p>বিষয়টা মনে রাখা খুব সহজ। রাজা রামমোহন রায়কে বলা হয় 'আধুনিক ভারতের জনক'। তিনি ভারতীয় দর্শন ও ধর্মতত্ত্ব নিয়ে প্রচুর কাজ করেছেন। তাঁর এই দুটি বিখ্যাত গ্রন্থ সম্পর্কে কিছু তথ্য নিচে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li><strong>বেদান্তগ্রন্থ:</strong> এটি ১৮১৫ সালে প্রকাশিত হয়, যেখানে তিনি উপনিষদের সারমর্ম সহজভাবে তুলে ধরেছিলেন।</li>
<li><strong>বেদান্ত সার:</strong> এটি মূলত বেদান্তগ্রন্থেরই একটি সংক্ষিপ্ত ও সহজ সংস্করণ, যা সাধারণ মানুষের কাছে বেদান্তের মূল দর্শন পৌঁছে দেওয়ার জন্য তিনি লিখেছিলেন।</li>
</ul>
<p>মূলত একেশ্বরবাদ প্রচার এবং হিন্দু ধর্মের কুসংস্কার দূর করার লক্ষ্যেই তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থগুলো রচনা করেছিলেন।</p>
৬৭৬১
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ‘আগুনের পরশমণি’ কার রচনা?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>হুমায়ূন আহমেদ</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। হুমায়ূন আহমেদের জনপ্রিয় উপন্যাসগুলোর মধ্যে <strong>‘আগুনের পরশমণি’</strong> অন্যতম, যা আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে লেখা। এই উপন্যাসটি নিয়ে তিনি পরবর্তীতে একটি ব্যবসাসফল চলচ্চিত্রও নির্মাণ করেছিলেন।</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটির মূল বিষয়বস্তু: ১৯৭১ সালের ঢাকা শহরের অবরুদ্ধ জীবন ও গেরিলা যুদ্ধের চিত্র।</li>
<li>লেখক: হুমায়ূন আহমেদ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা কালজয়ী এই উপন্যাসের স্রষ্টা হলেন হুমায়ূন আহমেদ।</p>
<p>‘দুরবস্থা’ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>দুঃ + অবস্থা</strong>। এটি মূলত বিসর্গ সন্ধির একটি চমৎকার উদাহরণ। বিষয়টি সহজভাবে বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গের (ঃ) আগে যদি 'অ' বা 'আ' ছাড়া অন্য কোনো স্বরধ্বনি থাকে এবং পরে যদি কোনো স্বরধ্বনি থাকে, তবে বিসর্গটি 'র' (রেফ) হয়ে যায়।</li>
<li>এখানে <strong>দুঃ</strong> শব্দের শেষে বিসর্গ আছে এবং তার আগে 'উ' কার রয়েছে।</li>
<li>পরবর্তী শব্দ <strong>অবস্থা</strong>-এর শুরুতে 'অ' থাকায় বিসর্গটি 'র' এ পরিণত হয়েছে।</li>
<li>অর্থাৎ, <strong>দুঃ + অবস্থা = দুরবস্থা</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বিসর্গটি উঠে গিয়ে সেখানে একটি 'র' যুক্ত হয়েছে, যা পরবর্তী শব্দের সাথে মিলে 'র' কার বা রেফ হিসেবে উচ্চারিত হচ্ছে।</p>
৬৭৬৪
জীবনানন্দ দাশকে ‘নির্জনতম কবি’ বলে আখ্যায়িত করেন কে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বুদ্ধদেব বসু</strong>।</p>
<p>জীবনানন্দ দাশের কবিতার গভীরতা, নির্জনতা এবং বিষণ্ণতার সুরকে প্রথম যিনি গভীরভাবে অনুভব করেছিলেন, তিনি হলেন বুদ্ধদেব বসু। তিনি জীবনানন্দ দাশের কাব্যশৈলী ও মনন বিশ্লেষণ করে তাকে বাংলা সাহিত্যের <strong>‘নির্জনতম কবি’</strong> হিসেবে অভিহিত করেন।</p>
<ul>
<li>বুদ্ধদেব বসু ছিলেন জীবনানন্দ দাশের সমসাময়িক এবং তার কবিতার একজন বড় গুণগ্রাহী।</li>
<li>জীবনানন্দের কাব্যগ্রন্থ ‘ধূসর পাণ্ডুলিপি’ প্রকাশের পর তার কবিতার অনন্য বৈশিষ্ট্যগুলো বুদ্ধদেব বসুর লেখায় স্পষ্টভাবে উঠে আসে।</li>
<li>এই বিশেষ উপাধিটি মূলত জীবনানন্দের কবিতার সেই নিভৃতচারী ও আত্মমগ্ন সত্তাকেই ফুটিয়ে তোলে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>তামসিক</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ‘তাম্বুলিক’ শব্দটির অর্থ হলো যিনি পান চাষ করেন বা পানের ব্যবসা করেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>তাম্বুল</strong> শব্দের অর্থ হলো পান। তাই যারা পানের সাথে যুক্ত, তাদেরই বলা হয় তাম্বুলিক।</li>
<li>বারুই, পান-ব্যবসায়ী এবং পর্ণকার—এই তিনটি শব্দই সরাসরি পানের সাথে জড়িত পেশা বা ব্যক্তিকে বোঝায়।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>তামসিক</strong> শব্দটি এসেছে ‘তম’ গুণ থেকে, যা অলসতা বা অন্ধকারের প্রতীক। এর সাথে পানের কোনো সম্পর্ক নেই, তাই এটিই এখানে সঠিক উত্তর।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।