<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নির্দেশাত্মক</strong>। কারণটা খুব সহজ—যখন কোনো বাক্যে সরাসরি কোনো তথ্য বা ঘটনার বর্ণনা দেওয়া হয়, তখন তাকে নির্দেশাত্মক বাক্য বলে।</p>
<ul>
<li>বাক্যটিতে বক্তা তার একটি অভিজ্ঞতার কথা সাধারণ বা স্বাভাবিকভাবে বর্ণনা করছেন।</li>
<li>এখানে কোনো আদেশ, অনুরোধ, প্রশ্ন বা আবেগ প্রকাশ করা হয়নি।</li>
<li>যেহেতু বাক্যটি কেবল একটি তথ্য বা বিবৃতি প্রদান করছে, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই একটি নির্দেশাত্মক বাক্য।</li>
</ul>
৬৭৩৭
ধ্বনিতত্ত্ব ও শব্দতত্ত্বকে বাক্যে যথাযথভাবে ব্যবহার করার বিধানের নামই-
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বাক্যতত্ত্ব</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li><strong>ধ্বনি</strong> নিয়ে কাজ করে ধ্বনিতত্ত্ব।</li>
<li><strong>শব্দ</strong> বা পদের গঠন নিয়ে কাজ করে রূপতত্ত্ব।</li>
<li>আর যখন এই শব্দগুলোকে সুশৃঙ্খলভাবে সাজিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ <strong>বাক্য</strong> তৈরি করা হয়, তখন সেই নিয়মগুলো যেখানে আলোচনা করা হয়, তাকেই বলা হয় <strong>বাক্যতত্ত্ব</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের সঠিক ব্যবহার এবং বাক্যের গঠনশৈলী নিয়ে আলোচনার মূল জায়গাটিই হলো বাক্যতত্ত্ব। তাই বাক্যে শব্দের যথাযথ প্রয়োগের বিধান হিসেবে এটিই সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তদ্ধিত প্রত্যয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে বিশেষ্য বা বিশেষণ শব্দের সাথে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়, তাকেই <strong>তদ্ধিত প্রত্যয়</strong> বলে।</li>
<li>এখানে 'প্রচুর' একটি বিশেষণ পদ। এর সাথে 'য' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'প্রাচুর্য' শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
<li>যেহেতু 'প্রচুর' কোনো ধাতু বা ক্রিয়ামূল নয়, তাই এটি কৃৎ প্রত্যয় হওয়ার সুযোগ নেই।</li>
<li>সহজ কথায়, শব্দের সাথে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করলেই তা তদ্ধিত প্রত্যয়ের অন্তর্ভুক্ত হয়।</li>
</ul>
<p>পাঁচালিকার হিসেবে সর্বাধিক খ্যাতি ছিল <strong>দাশরথি রায়</strong>-এর। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি 'দাশু রায়' নামেই বেশি পরিচিত।</p>
<p>কেন তিনি সেরা ছিলেন, তার কিছু সহজ কারণ:</p>
<ul>
<li>তিনি পাঁচালি গানকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন, যা তৎকালীন সাধারণ মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল।</li>
<li>তার রচিত পাঁচালিগুলোতে লৌকিক ও পৌরাণিক কাহিনীর চমৎকার সংমিশ্রণ ঘটত।</li>
<li>তার ভাষার সহজ-সরল ভঙ্গি এবং ছন্দের কারুকাজ শ্রোতাদের সহজেই মুগ্ধ করত, যার ফলে তিনি পাঁচালিকার হিসেবে অপ্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ওঠেন।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মুকুন্দদাস</strong>। তাকে চারণকবি বলা হয় কারণ তিনি ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের সময় নিজের লেখা গান ও যাত্রাপালার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে দেশপ্রেম ও স্বাধীনতার চেতনা ছড়িয়ে দিয়েছিলেন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>মুকুন্দদাস</strong> ছিলেন একজন দেশপ্রেমিক কবি ও নাট্যকার।</li>
<li>তিনি গ্রাম থেকে গ্রামে ঘুরে ঘুরে তার গানের মাধ্যমে মানুষকে জাগিয়ে তুলতেন, তাই তাকে <strong>'চারণকবি'</strong> উপাধিতে ভূষিত করা হয়।</li>
<li>তার রচিত গানগুলো তৎকালীন সময়ে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে মানুষকে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল।</li>
</ul>
৬৭৪২
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘নষ্টনীড়’ গল্পের একটি বিখ্যাত চরিত্র-
<p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ছোটগল্প ‘নষ্টনীড়’-এর প্রধান নারী চরিত্র হলো <strong>চারুলতা</strong>। গল্পটি মূলত চারুলতার একাকীত্ব এবং তার মনের ভেতরের জটিল অনুভূতির ওপর ভিত্তি করে লেখা।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>গল্পের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে আছেন চারুলতা, যিনি তার স্বামী ভূপতির অবহেলায় একাকী সময় কাটাতেন।</li>
<li>এই গল্পের ওপর ভিত্তি করেই সত্যজিৎ রায় কালজয়ী সিনেমা ‘চারুলতা’ নির্মাণ করেছিলেন।</li>
<li>তাই ‘নষ্টনীড়’ বললেই আমাদের চোখের সামনে চারুলতার চরিত্রটিই ভেসে ওঠে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আজি > আইজ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবে:</p>
<ul>
<li><strong>অপিনিহিতি</strong> মানে হলো শব্দের মাঝখানে থাকা 'ই' বা 'উ' কার যদি তার আগের বর্ণের আগে উচ্চারিত হয়।</li>
<li>এখানে মূল শব্দ ছিল 'আজি'। খেয়াল করো, 'জ'-এর সাথে থাকা 'ই' কারটি উচ্চারণের সময় 'জ'-এর আগে চলে এসেছে, ফলে শব্দটি হয়ে গেছে 'আইজ'।</li>
<li>সহজ কথায়, শব্দের ভেতরকার 'ই' বা 'উ' কার যখন আগে লাফ দিয়ে চলে আসে, তখনই তাকে অপিনিহিতি বলে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সুদখোর</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত শব্দ <strong>'কুসীদ'</strong>-এর অর্থ হলো ঋণ বা সুদ।</li>
<li>যে ব্যক্তি সুদের বিনিময়ে টাকা ধার দেয় বা সুদের কারবার করে, তাকেই এক কথায় বলা হয় <strong>কুসীদজীবী</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, যারা সুদের ওপর ভিত্তি করে জীবিকা নির্বাহ করে, তাদেরই আমরা সুদখোর বা কুসীদজীবী বলে থাকি।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আলুনি</strong>। ‘অভাব’ অর্থটি এখানে খুব সহজেই বোঝা যায় যদি আমরা শব্দটিকে ভেঙে দেখি।</p>
<ul>
<li><strong>আলুনি</strong> শব্দটি গঠিত হয়েছে <strong>আ + লুনি</strong> যোগে।</li>
<li>এখানে <strong>আ</strong> উপসর্গটি ‘অভাব’ বা ‘নাই’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়, যার মধ্যে লবণের (লুন) অভাব আছে, তাকেই আমরা বলি <strong>আলুনি</strong>।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, যখন কোনো কিছুর ঘাটতি বা অভাব বোঝাতে শব্দের শুরুতে ‘আ’ যুক্ত হয়, তখন তা অভাববাচক উপসর্গ হিসেবে কাজ করে।</p>
<p>বাংলা ভাষায় প্রথম অভিধান সংকলনের কৃতিত্ব হলো <strong>রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ</strong>-এর। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>১৮১৭ সালে তিনি <strong>'বঙ্গভাষাভিধান'</strong> নামে বাংলা ভাষার প্রথম অভিধানটি প্রকাশ করেন।</li>
<li>বাংলা গদ্যের বিকাশের শুরুর দিকেই তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ কাজটি সম্পন্ন করেছিলেন, যা বাংলা ভাষাকে একটি সুশৃঙ্খল রূপ দিতে সাহায্য করে।</li>
<li>তাই বাংলা অভিধানের ইতিহাসের কথা উঠলেই সবার আগে রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশের নাম আসে।</li>
</ul>
৬৭৪৭
১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ৰমৃত্যুর প্রতিবাদে কোন উপাচার্য পদত্যাগ করেছিলেন?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>১৯৭১ সালের উত্তাল সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী।</li>
<li>সে সময় পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরতা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হত্যার প্রতিবাদে তিনি নৈতিক অবস্থান থেকে উপাচার্যের পদ থেকে পদত্যাগ করেন।</li>
<li>তার এই সাহসী পদক্ষেপটি তৎকালীন সময়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের পক্ষে আন্তর্জাতিক জনমত গঠনে বড় ভূমিকা রেখেছিল।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার জন্য এই নামটির সাথে <strong>'প্রতিবাদ'</strong> ও <strong>'পদত্যাগ'</strong> শব্দ দুটি মনে রাখলেই আপনার উত্তরটি একদম পাকাপোক্ত হয়ে যাবে!</p>
<p>তেভাগা আন্দোলনকেন্দ্রিক বিখ্যাত উপন্যাস হলো <strong>নাঢ়াই</strong>। এই উপন্যাসটি লিখেছেন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক <strong>দেবেশ রায়</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য কিছু সহজ তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>নাঢ়াই</strong> উপন্যাসের মূল উপজীব্য বিষয় হলো উত্তরবঙ্গের তেভাগা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট এবং সেখানকার কৃষকদের জীবনসংগ্রাম।</li>
<li>উপন্যাসটিতে আন্দোলনের তীব্রতা এবং সাধারণ মানুষের লড়াইয়ের চিত্র অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে তেভাগা আন্দোলন নিয়ে লেখা উপন্যাসগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম সেরা কাজ হিসেবে বিবেচিত হয়।</li>
</ul>
৬৭৪৯
কাজী নজরুল ইসলামের মােট ৫টি গ্রন্থ বিভিন্ন সময়ে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক সরকার বাজেয়াপ্ত করে। কোন বইটি প্রথম বাজেয়াপ্ত হয়?
<p>কাজী নজরুল ইসলামের লেখা <strong>যুগবাণী</strong> হলো তাঁর প্রথম বাজেয়াপ্ত হওয়া গ্রন্থ। ব্রিটিশ সরকার ১৯২২ সালে এই বইটি বাজেয়াপ্ত করে।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল অনুসরণ করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>নজরুল ইসলামের ব্রিটিশ বিরোধী চেতনার বহিঃপ্রকাশ ছিল তাঁর লেখাগুলো।</li>
<li><strong>যুগবাণী</strong> প্রবন্ধ সংকলনটি প্রকাশের পরপরই ব্রিটিশ সরকার এর তীব্র রাজনৈতিক বার্তার কারণে এটি নিষিদ্ধ করে দেয়।</li>
<li>এটি ছিল কবির সাহিত্য জীবনে ব্রিটিশ সরকারের প্রথম বড় ধরনের আঘাত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে সরাসরি কথা বলায় ১৯২২ সালেই <strong>যুগবাণী</strong> প্রথম বাজেয়াপ্ত হওয়ার গৌরব অর্জন করে।</p>
৬৭৫০
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালেই এই মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে একটি উপন্যাস রচনা করেছেন, যা ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয়। উপন্যাসটির নাম কী?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১৯৭১</strong>। তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই উপন্যাসটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে লেখা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য কিছু সহজ তথ্য:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটির নাম সরাসরি মুক্তিযুদ্ধের সাল অর্থাৎ <strong>১৯৭১</strong>-এর নামেই রাখা হয়েছে।</li>
<li>এটি মুক্তিযুদ্ধের ঠিক পরপরই অর্থাৎ <strong>১৯৭২</strong> সালে প্রকাশিত হয়, যা তৎকালীন সময়ে বেশ সাড়া ফেলেছিল।</li>
<li>তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর লেখনীর মাধ্যমে এই উপন্যাসে যুদ্ধের ভয়াবহতা ও মানুষের সংগ্রামের চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।