<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>দীনেশরঞ্জন দাশ</strong>। বাংলা সাহিত্যের আধুনিক ধারার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পত্রিকা 'কল্লোল' নিয়ে অনেকেরই দ্বিধা থাকে, তবে বিষয়টি মনে রাখা বেশ সহজ:</p>
<ul>
<li>১৯২৩ সালে কলকাতা থেকে <strong>দীনেশরঞ্জন দাশের</strong> সম্পাদনায় 'কল্লোল' পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এই পত্রিকার হাত ধরেই বাংলা সাহিত্যে 'কল্লোল যুগ' বা আধুনিকতার সূচনা হয়েছিল।</li>
<li>দীনেশরঞ্জন দাশ ছিলেন এই পত্রিকার প্রাণপুরুষ, যিনি তরুণ লেখকদের লেখা প্রকাশের জন্য একটি নতুন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছিলেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কল্লোল মানেই দীনেশরঞ্জন দাশ—এই নামটা মাথায় রাখলে পরীক্ষায় আর ভুল হওয়ার সুযোগ নেই!</p>
৬৭২২
মুহাম্মদ আবদুল হাই রচিত ধ্বনিবিজ্ঞান বিষয়ক গ্রন্থের নাম কী?
<p>মুহাম্মদ আবদুল হাই রচিত বিখ্যাত ধ্বনিবিজ্ঞান বিষয়ক গ্রন্থটি হলো <strong>ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব</strong>। এটি বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ চর্চায় একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও মৌলিক কাজ হিসেবে বিবেচিত হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বইটির নাম মনে রাখতে খেয়াল করুন, লেখক বাংলা ধ্বনির প্রকৃতি ও তার বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণকে একসূত্রে গেঁথেছেন।</li>
<li>তাই বইটির শিরোনামে <strong>ধ্বনিবিজ্ঞান</strong> এবং <strong>বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব</strong>—এই দুটি বিষয়েরই উল্লেখ রয়েছে।</li>
<li>পরীক্ষায় এই নামটির সাথে অন্য কোনো বইয়ের নাম গুলিয়ে ফেলবেন না, কারণ এটিই তার একমাত্র মৌলিক ধ্বনিবিজ্ঞান বিষয়ক গবেষণাধর্মী কাজ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শিরে সংক্রান্তি</strong>। এটি একটি প্রচলিত বাগধারা, যার অর্থ হলো আসন্ন বিপদ বা মাথার ওপর বিপদ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>শিরে</strong> মানে হলো মস্তক বা মাথা।</li>
<li>যখন কোনো বিপদ একদম মাথার ওপর এসে পড়ে, তখন তাকেই বলা হয় <strong>শিরে সংক্রান্তি</strong>।</li>
<li>বাকি অপশনগুলো (চৈত্র, পৌষ বা শিব সংক্রান্তি) মূলত বিশেষ কোনো তিথি বা উৎসবের নাম, এগুলো কোনো বাগধারা নয়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গোলাপ</strong>। কারণ, যে শব্দকে ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে আলাদা কোনো অর্থবোধক অংশ পাওয়া যায় না, তাকেই মৌলিক শব্দ বলে।</p>
<ul>
<li><strong>গোলাপ</strong> শব্দটিকে ভাঙলে 'গো' বা 'লাপ'-এর আলাদা কোনো অর্থ থাকে না। তাই এটি একটি অবিভাজ্য বা মৌলিক শব্দ।</li>
<li>অন্যদিকে, মানব, একাঙ্ক বা ধাতব শব্দগুলো প্রত্যয় বা সন্ধি যোগে গঠিত, তাই এগুলো মৌলিক শব্দ নয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যে শব্দগুলো একদম নিজস্ব এবং অন্য কোনো শব্দের সাহায্য ছাড়াই গঠিত, সেগুলোই মৌলিক শব্দ।</p>
৬৭২৫
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক গ্রন্থসমূহের মধ্যে কোনটি ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্র লেখা?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বাংলা সাহিত্যের কথা</strong>। এটি ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্র লেখা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও মৌলিক গবেষণাধর্মী গ্রন্থ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>বাংলা সাহিত্যের কথা</strong> গ্রন্থটি দুই খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছিল।</li>
<li>ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এই বইটিতে বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগের ইতিহাস অত্যন্ত চমৎকারভাবে তুলে ধরেছেন।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই বইটির নাম এবং লেখকের নাম একসাথে মনে রাখা জরুরি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের নির্ভরযোগ্য তথ্যের জন্য ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর এই বইটি একটি আকর গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত হয়।</p>
৬৭২৬
ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম পত্রিকার সম্পাদকের নাম কী?
<p>ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম সংকলন বা পত্রিকার নাম হলো <strong>'একুশে ফেব্রুয়ারি'</strong>। এই ঐতিহাসিক সংকলনটির সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেছিলেন <strong>হাসান হাফিজুর রহমান</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>ভাষা আন্দোলনের চেতনাকে ধরে রাখতে ১৯৫৩ সালে এই সংকলনটি প্রকাশিত হয়।</li>
<li>হাসান হাফিজুর রহমান ছিলেন সেই সময়ের তরুণ ও প্রগতিশীল লেখক, যিনি সাহসিকতার সাথে এই গুরুত্বপূর্ণ কাজটি সম্পন্ন করেছিলেন।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই মনে রাখবেন: <strong>ভাষা আন্দোলন + প্রথম সংকলন = হাসান হাফিজুর রহমান</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিক্কণ, সূচগ্র, অনুর্ধব</strong>। কারণ এই শব্দগুলোর প্রতিটি বানানেই ভুল রয়েছে। বানানগুলো শুদ্ধ করলে দাঁড়ায়:</p>
<ul>
<li><strong>নিক্কণ</strong>-এর শুদ্ধ রূপ হলো <strong>নিক্বণ</strong> (এখানে 'ক' এর নিচে 'ব' যুক্ত হবে)।</li>
<li><strong>সূচগ্র</strong>-এর শুদ্ধ রূপ হলো <strong>সূচ্যগ্র</strong> (সূচি + অগ্র = সূচ্যগ্র, এখানে য-ফলা যুক্ত হবে)।</li>
<li><strong>অনুর্ধব</strong>-এর শুদ্ধ রূপ হলো <strong>অনূর্বর</strong> (এখানে 'ঊ' কার এবং 'ব' এর ব্যবহার হবে)।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী এই শব্দগুলোতে যে কারচিহ্ন বা যুক্তবর্ণের ভুল রয়েছে, তা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ। তাই এই গুচ্ছটিই সঠিক উত্তর।</p>
<p>‘সমভিব্যাহারে’ শব্দটির সঠিক অর্থ হলো <strong>একযোগে</strong>।</p>
<p>সহজ কথায়, যখন কোনো কাজ বা কোনো কিছুর সাথে অন্য কিছু একই সময়ে বা একসাথে ঘটে, তখন তাকেই সমভিব্যাহারে বলা হয়। এর পেছনের যুক্তিটা বেশ সহজ:</p>
<ul>
<li>‘সম’ মানে সমান বা সাথে।</li>
<li>‘অভিব্যাহার’ মানে হলো সঙ্গ বা সাথে থাকা।</li>
<li>তাই সব মিলিয়ে এর অর্থ দাঁড়ায় কারো সাথে বা কোনো কিছুর সাথে <strong>একযোগে</strong> থাকা বা চলা।</li>
</ul>
<p>ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক যেকোনো কাজে যখন সবাই মিলে একসাথে কোনো কিছু করা হয়, তখন আমরা অনায়াসেই বলতে পারি যে কাজটি ‘সমভিব্যাহারে’ বা ‘একযোগে’ সম্পন্ন হয়েছে।</p>
৬৭২৯
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ সম্পাদিত চর্যাপদ বিষয়ক গ্রন্থের নাম কী?
<p>ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ সম্পাদিত চর্যাপদ বিষয়ক বিখ্যাত গ্রন্থটির নাম হলো <strong>'Buddhist Mystic Songs'</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ চর্যাপদের ওপর গভীর গবেষণা করেছিলেন।</li>
<li>তিনি চর্যাপদকে ইংরেজি ভাষায় অনুবাদ ও সম্পাদনা করেন, যার শিরোনাম দেওয়া হয় <strong>'Buddhist Mystic Songs'</strong>।</li>
<li>এটি মূলত চর্যাপদের তাত্ত্বিক ও ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণের একটি অনন্য দলিল।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, চর্যাপদ নিয়ে তাঁর সম্পাদিত ইংরেজি গ্রন্থটিই হলো এই <strong>'Buddhist Mystic Songs'</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অলুক দ্বন্দ্ব</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:</p>
<ul>
<li>দ্বন্দ্ব সমাসে সাধারণত সমাসবদ্ধ হওয়ার সময় বিভক্তি লোপ পায়। কিন্তু ‘জলে-স্থলে’ শব্দটিতে লক্ষ্য করুন, ‘জলে’ (জলে + এ) এবং ‘স্থলে’ (স্থলে + এ) — উভয় পদেই <strong>‘এ’ বিভক্তি</strong> যুক্ত আছে।</li>
<li>সমাস হওয়ার পরেও যদি বিভক্তিটি অপরিবর্তিত থাকে বা লোপ না পায়, তবে তাকে ব্যাকরণের ভাষায় <strong>অলুক দ্বন্দ্ব</strong> বলা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, যেখানে বিভক্তি ‘অ-লুক’ বা ‘লোপ পায় না’, সেটাই অলুক সমাস।</li>
</ul>
৬৭৩১
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্য প্রকাশিত হয় কত সনে?
<p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ ‘গীতাঞ্জলি’ বাংলা ভাষায় প্রথম প্রকাশিত হয় <strong>১৯১০</strong> সালে। এই কাব্যগ্রন্থটি মূলত রবীন্দ্রনাথের আধ্যাত্মিক চেতনার এক অনন্য সংকলন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় ‘গীতাঞ্জলি’ প্রকাশিত হয়: <strong>১৯১০</strong> সালে।</li>
<li>এর ইংরেজি অনুবাদ ‘Song Offerings’ প্রকাশিত হয়: <strong>১৯১২</strong> সালে।</li>
<li>এই ইংরেজি অনুবাদের জন্যই তিনি নোবেল পুরস্কার পান: <strong>১৯১৩</strong> সালে।</li>
</ul>
<p>অনেকেই ইংরেজি সংস্করণ বা নোবেল প্রাপ্তির সাল নিয়ে গুলিয়ে ফেলেন, তাই মনে রাখবেন মূল বাংলা বইটি প্রকাশের সাল হলো <strong>১৯১০</strong>।</p>
৬৭৩২
‘গোরক্ষ বিজয়’ কাব্য কোন ধর্মমতের কাহিনি অবলম্বনে লেখা?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নাথধর্ম</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ ‘গোরক্ষ বিজয়’ কাব্যটি মূলত নাথগুরুদের অলৌকিক ক্ষমতা এবং তাদের যোগসাধনার ওপর ভিত্তি করে রচিত।</p>
<ul>
<li><strong>নাথধর্মের বৈশিষ্ট্য:</strong> এই কাব্যে নাথযোগী বা সিদ্ধাচার্যদের জীবনধারা এবং তাদের আধ্যাত্মিক শক্তির বর্ণনা দেওয়া হয়েছে।</li>
<li><strong>মূল চরিত্র:</strong> কাব্যের প্রধান চরিত্র গোরক্ষনাথ নিজেই একজন বিখ্যাত নাথগুরু।</li>
<li><strong>সহজ মনে রাখার উপায়:</strong> বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে নাথ সাহিত্যের প্রধান নিদর্শন হিসেবে ‘গোরক্ষ বিজয়’ ও ‘মীনচেতন’—এই দুটি কাব্যই নাথধর্মের প্রচার ও প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই ‘গোরক্ষ বিজয়’ বা নাথ সাহিত্যের কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে <strong>নাথধর্ম</strong> উত্তরটি বেছে নিতে পারেন।</p>
৬৭৩৩
“ডিঙি টেনে বের করতে হবে”। – কোন ধরনের বাক্যের উদাহরণ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ভাববাচ্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় যদি আমরা বাক্যের গঠন লক্ষ্য করি:</p>
<ul>
<li>ভাববাচ্যে সাধারণত ক্রিয়ার অর্থ বা ভাবটিই প্রধান হয়ে ওঠে।</li>
<li>এখানে 'ডিঙি টেনে বের করতে হবে' বাক্যটিতে কোনো নির্দিষ্ট কর্তার চেয়ে কাজটি সম্পন্ন করার প্রয়োজনীয়তার ওপর বেশি জোর দেওয়া হয়েছে।</li>
<li>যখন বাক্যে কর্তার চেয়ে ক্রিয়ার অর্থ বা কাজটিই মুখ্য হয়ে দাঁড়ায় এবং ক্রিয়াটি সাধারণত নামধাতু বা অকর্মক হয়, তখন সেটি ভাববাচ্য হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এই বাক্যে 'ডিঙি টেনে বের করা' একটি দায়বদ্ধতা বা কাজের ধরনকে নির্দেশ করছে, যা ভাববাচ্যের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যে <strong>সমরেশ বসু</strong> ‘কালকূট’ ছদ্মনামে পরিচিত। তিনি মূলত তার গভীর জীবনবোধ এবং সমাজ সচেতনতামূলক উপন্যাসের জন্য এই ছদ্মনামটি ব্যবহার করতেন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>সমরেশ বসু</strong> যখন খুব আবেগপ্রবণ বা জীবনমুখী কোনো উপন্যাস লিখতেন, তখন তিনি ‘কালকূট’ নামটি ব্যবহার করতেন।</li>
<li>তার এই ছদ্মনামে লেখা বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর মধ্যে <strong>‘অমৃত কুম্ভের সন্ধানে’</strong> অন্যতম।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই ছদ্মনামটি থেকে প্রশ্ন আসে, তাই নামটি মনে রাখা খুব জরুরি।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সৈয়দ শামসুল হক</strong>।</p>
<p>এই কাব্যগ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং গুরুত্বপূর্ণ। এটি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল অবলম্বন করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>সৈয়দ শামসুল হকের লেখার হাত ছিল জাদুকরী, তিনি গ্রামীণ জীবন ও মানুষের মনের গভীরের কথা খুব চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলতেন।</li>
<li><strong>"পরানের গহীন ভিতর"</strong> কাব্যগ্রন্থটি মূলত আঞ্চলিক ভাষার ব্যবহারে এক অনন্য সৃষ্টি, যা সৈয়দ শামসুল হকের নিজস্ব শৈলী বা সিগনেচার স্টাইল।</li>
<li>পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি বারবার আসে, তাই কবির নামের সাথে কাব্যগ্রন্থটির নাম একবার মনে মনে মিলিয়ে নিলেই বিষয়টি স্থায়ীভাবে মনে থাকবে।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।