eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৮ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৬৭২১

‘কল্লোল’ পত্রিকার প্রথম সম্পাদকের নাম কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
দীনেশরঞ্জন দাশ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>দীনেশরঞ্জন দাশ</strong>। বাংলা সাহিত্যের আধুনিক ধারার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পত্রিকা 'কল্লোল' নিয়ে অনেকেরই দ্বিধা থাকে, তবে বিষয়টি মনে রাখা বেশ সহজ:</p>

<ul>
<li>১৯২৩ সালে কলকাতা থেকে <strong>দীনেশরঞ্জন দাশের</strong> সম্পাদনায় 'কল্লোল' পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এই পত্রিকার হাত ধরেই বাংলা সাহিত্যে 'কল্লোল যুগ' বা আধুনিকতার সূচনা হয়েছিল।</li>
<li>দীনেশরঞ্জন দাশ ছিলেন এই পত্রিকার প্রাণপুরুষ, যিনি তরুণ লেখকদের লেখা প্রকাশের জন্য একটি নতুন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছিলেন।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, কল্লোল মানেই দীনেশরঞ্জন দাশ—এই নামটা মাথায় রাখলে পরীক্ষায় আর ভুল হওয়ার সুযোগ নেই!</p>
৬৭২২

মুহাম্মদ আবদুল হাই রচিত ধ্বনিবিজ্ঞান বিষয়ক গ্রন্থের নাম কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব
ব্যাখ্যা:
<p>মুহাম্মদ আবদুল হাই রচিত বিখ্যাত ধ্বনিবিজ্ঞান বিষয়ক গ্রন্থটি হলো <strong>ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব</strong>। এটি বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ চর্চায় একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও মৌলিক কাজ হিসেবে বিবেচিত হয়।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বইটির নাম মনে রাখতে খেয়াল করুন, লেখক বাংলা ধ্বনির প্রকৃতি ও তার বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণকে একসূত্রে গেঁথেছেন।</li>
<li>তাই বইটির শিরোনামে <strong>ধ্বনিবিজ্ঞান</strong> এবং <strong>বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব</strong>—এই দুটি বিষয়েরই উল্লেখ রয়েছে।</li>
<li>পরীক্ষায় এই নামটির সাথে অন্য কোনো বইয়ের নাম গুলিয়ে ফেলবেন না, কারণ এটিই তার একমাত্র মৌলিক ধ্বনিবিজ্ঞান বিষয়ক গবেষণাধর্মী কাজ।</li>
</ul>
৬৭২৩

কোনটি বাগধারা বোঝায়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
শিরে সংক্রান্তি
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শিরে সংক্রান্তি</strong>। এটি একটি প্রচলিত বাগধারা, যার অর্থ হলো আসন্ন বিপদ বা মাথার ওপর বিপদ।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>শিরে</strong> মানে হলো মস্তক বা মাথা।</li>
<li>যখন কোনো বিপদ একদম মাথার ওপর এসে পড়ে, তখন তাকেই বলা হয় <strong>শিরে সংক্রান্তি</strong>।</li>
<li>বাকি অপশনগুলো (চৈত্র, পৌষ বা শিব সংক্রান্তি) মূলত বিশেষ কোনো তিথি বা উৎসবের নাম, এগুলো কোনো বাগধারা নয়।</li>
</ul>
৬৭২৪

কোনটি মৌলিক শব্দ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গোলাপ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গোলাপ</strong>। কারণ, যে শব্দকে ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে আলাদা কোনো অর্থবোধক অংশ পাওয়া যায় না, তাকেই মৌলিক শব্দ বলে।</p>

<ul>
<li><strong>গোলাপ</strong> শব্দটিকে ভাঙলে 'গো' বা 'লাপ'-এর আলাদা কোনো অর্থ থাকে না। তাই এটি একটি অবিভাজ্য বা মৌলিক শব্দ।</li>
<li>অন্যদিকে, মানব, একাঙ্ক বা ধাতব শব্দগুলো প্রত্যয় বা সন্ধি যোগে গঠিত, তাই এগুলো মৌলিক শব্দ নয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যে শব্দগুলো একদম নিজস্ব এবং অন্য কোনো শব্দের সাহায্য ছাড়াই গঠিত, সেগুলোই মৌলিক শব্দ।</p>
৬৭২৫

বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক গ্রন্থসমূহের মধ্যে কোনটি ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্র লেখা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বাংলা সাহিত্যের কথা
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বাংলা সাহিত্যের কথা</strong>। এটি ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্র লেখা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও মৌলিক গবেষণাধর্মী গ্রন্থ।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>

<ul>
<li><strong>বাংলা সাহিত্যের কথা</strong> গ্রন্থটি দুই খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছিল।</li>
<li>ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এই বইটিতে বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগের ইতিহাস অত্যন্ত চমৎকারভাবে তুলে ধরেছেন।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই বইটির নাম এবং লেখকের নাম একসাথে মনে রাখা জরুরি।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের নির্ভরযোগ্য তথ্যের জন্য ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর এই বইটি একটি আকর গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত হয়।</p>
৬৭২৬

ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম পত্রিকার সম্পাদকের নাম কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
হাসান হাফিজুর রহমান
ব্যাখ্যা:
<p>ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম সংকলন বা পত্রিকার নাম হলো <strong>'একুশে ফেব্রুয়ারি'</strong>। এই ঐতিহাসিক সংকলনটির সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেছিলেন <strong>হাসান হাফিজুর রহমান</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>ভাষা আন্দোলনের চেতনাকে ধরে রাখতে ১৯৫৩ সালে এই সংকলনটি প্রকাশিত হয়।</li>
<li>হাসান হাফিজুর রহমান ছিলেন সেই সময়ের তরুণ ও প্রগতিশীল লেখক, যিনি সাহসিকতার সাথে এই গুরুত্বপূর্ণ কাজটি সম্পন্ন করেছিলেন।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই মনে রাখবেন: <strong>ভাষা আন্দোলন + প্রথম সংকলন = হাসান হাফিজুর রহমান</strong>।</li>
</ul>
৬৭২৭

নিচের কোন বানানগুচ্ছের সবগুলো বানানই অশুদ্ধ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
নিক্কণ, সূচগ্র, অনুর্ধব
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিক্কণ, সূচগ্র, অনুর্ধব</strong>। কারণ এই শব্দগুলোর প্রতিটি বানানেই ভুল রয়েছে। বানানগুলো শুদ্ধ করলে দাঁড়ায়:</p>

<ul>
<li><strong>নিক্কণ</strong>-এর শুদ্ধ রূপ হলো <strong>নিক্বণ</strong> (এখানে 'ক' এর নিচে 'ব' যুক্ত হবে)।</li>
<li><strong>সূচগ্র</strong>-এর শুদ্ধ রূপ হলো <strong>সূচ্যগ্র</strong> (সূচি + অগ্র = সূচ্যগ্র, এখানে য-ফলা যুক্ত হবে)।</li>
<li><strong>অনুর্ধব</strong>-এর শুদ্ধ রূপ হলো <strong>অনূর্বর</strong> (এখানে 'ঊ' কার এবং 'ব' এর ব্যবহার হবে)।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী এই শব্দগুলোতে যে কারচিহ্ন বা যুক্তবর্ণের ভুল রয়েছে, তা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ। তাই এই গুচ্ছটিই সঠিক উত্তর।</p>
৬৭২৮

‘সমভিব্যাহারে’ শব্দটির অর্থ কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
একযোগে
ব্যাখ্যা:
<p>‘সমভিব্যাহারে’ শব্দটির সঠিক অর্থ হলো <strong>একযোগে</strong>।</p>

<p>সহজ কথায়, যখন কোনো কাজ বা কোনো কিছুর সাথে অন্য কিছু একই সময়ে বা একসাথে ঘটে, তখন তাকেই সমভিব্যাহারে বলা হয়। এর পেছনের যুক্তিটা বেশ সহজ:</p>

<ul>
<li>‘সম’ মানে সমান বা সাথে।</li>
<li>‘অভিব্যাহার’ মানে হলো সঙ্গ বা সাথে থাকা।</li>
<li>তাই সব মিলিয়ে এর অর্থ দাঁড়ায় কারো সাথে বা কোনো কিছুর সাথে <strong>একযোগে</strong> থাকা বা চলা।</li>
</ul>

<p>ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক যেকোনো কাজে যখন সবাই মিলে একসাথে কোনো কিছু করা হয়, তখন আমরা অনায়াসেই বলতে পারি যে কাজটি ‘সমভিব্যাহারে’ বা ‘একযোগে’ সম্পন্ন হয়েছে।</p>
৬৭২৯

ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ সম্পাদিত চর্যাপদ বিষয়ক গ্রন্থের নাম কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
Buddhist Mystic Songs
ব্যাখ্যা:
<p>ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ সম্পাদিত চর্যাপদ বিষয়ক বিখ্যাত গ্রন্থটির নাম হলো <strong>'Buddhist Mystic Songs'</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ চর্যাপদের ওপর গভীর গবেষণা করেছিলেন।</li>
<li>তিনি চর্যাপদকে ইংরেজি ভাষায় অনুবাদ ও সম্পাদনা করেন, যার শিরোনাম দেওয়া হয় <strong>'Buddhist Mystic Songs'</strong>।</li>
<li>এটি মূলত চর্যাপদের তাত্ত্বিক ও ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণের একটি অনন্য দলিল।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, চর্যাপদ নিয়ে তাঁর সম্পাদিত ইংরেজি গ্রন্থটিই হলো এই <strong>'Buddhist Mystic Songs'</strong>।</p>
৬৭৩০

‘জলে-স্থলে’ কী সমাস?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অলুক দ্বন্দ্ব
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অলুক দ্বন্দ্ব</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:</p>

<ul>
<li>দ্বন্দ্ব সমাসে সাধারণত সমাসবদ্ধ হওয়ার সময় বিভক্তি লোপ পায়। কিন্তু ‘জলে-স্থলে’ শব্দটিতে লক্ষ্য করুন, ‘জলে’ (জলে + এ) এবং ‘স্থলে’ (স্থলে + এ) — উভয় পদেই <strong>‘এ’ বিভক্তি</strong> যুক্ত আছে।</li>
<li>সমাস হওয়ার পরেও যদি বিভক্তিটি অপরিবর্তিত থাকে বা লোপ না পায়, তবে তাকে ব্যাকরণের ভাষায় <strong>অলুক দ্বন্দ্ব</strong> বলা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, যেখানে বিভক্তি ‘অ-লুক’ বা ‘লোপ পায় না’, সেটাই অলুক সমাস।</li>
</ul>
৬৭৩১

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্য প্রকাশিত হয় কত সনে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
1910
ব্যাখ্যা:
<p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ ‘গীতাঞ্জলি’ বাংলা ভাষায় প্রথম প্রকাশিত হয় <strong>১৯১০</strong> সালে। এই কাব্যগ্রন্থটি মূলত রবীন্দ্রনাথের আধ্যাত্মিক চেতনার এক অনন্য সংকলন।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় ‘গীতাঞ্জলি’ প্রকাশিত হয়: <strong>১৯১০</strong> সালে।</li>
<li>এর ইংরেজি অনুবাদ ‘Song Offerings’ প্রকাশিত হয়: <strong>১৯১২</strong> সালে।</li>
<li>এই ইংরেজি অনুবাদের জন্যই তিনি নোবেল পুরস্কার পান: <strong>১৯১৩</strong> সালে।</li>
</ul>

<p>অনেকেই ইংরেজি সংস্করণ বা নোবেল প্রাপ্তির সাল নিয়ে গুলিয়ে ফেলেন, তাই মনে রাখবেন মূল বাংলা বইটি প্রকাশের সাল হলো <strong>১৯১০</strong>।</p>
৬৭৩২

‘গোরক্ষ বিজয়’ কাব্য কোন ধর্মমতের কাহিনি অবলম্বনে লেখা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
নাথধর্ম
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নাথধর্ম</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ ‘গোরক্ষ বিজয়’ কাব্যটি মূলত নাথগুরুদের অলৌকিক ক্ষমতা এবং তাদের যোগসাধনার ওপর ভিত্তি করে রচিত।</p>

<ul>
<li><strong>নাথধর্মের বৈশিষ্ট্য:</strong> এই কাব্যে নাথযোগী বা সিদ্ধাচার্যদের জীবনধারা এবং তাদের আধ্যাত্মিক শক্তির বর্ণনা দেওয়া হয়েছে।</li>
<li><strong>মূল চরিত্র:</strong> কাব্যের প্রধান চরিত্র গোরক্ষনাথ নিজেই একজন বিখ্যাত নাথগুরু।</li>
<li><strong>সহজ মনে রাখার উপায়:</strong> বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে নাথ সাহিত্যের প্রধান নিদর্শন হিসেবে ‘গোরক্ষ বিজয়’ ও ‘মীনচেতন’—এই দুটি কাব্যই নাথধর্মের প্রচার ও প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।</li>
</ul>

<p>তাই যখনই ‘গোরক্ষ বিজয়’ বা নাথ সাহিত্যের কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে <strong>নাথধর্ম</strong> উত্তরটি বেছে নিতে পারেন।</p>
৬৭৩৩

“ডিঙি টেনে বের করতে হবে”। – কোন ধরনের বাক্যের উদাহরণ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ভাববাচ্য
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ভাববাচ্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় যদি আমরা বাক্যের গঠন লক্ষ্য করি:</p>

<ul>
<li>ভাববাচ্যে সাধারণত ক্রিয়ার অর্থ বা ভাবটিই প্রধান হয়ে ওঠে।</li>
<li>এখানে 'ডিঙি টেনে বের করতে হবে' বাক্যটিতে কোনো নির্দিষ্ট কর্তার চেয়ে কাজটি সম্পন্ন করার প্রয়োজনীয়তার ওপর বেশি জোর দেওয়া হয়েছে।</li>
<li>যখন বাক্যে কর্তার চেয়ে ক্রিয়ার অর্থ বা কাজটিই মুখ্য হয়ে দাঁড়ায় এবং ক্রিয়াটি সাধারণত নামধাতু বা অকর্মক হয়, তখন সেটি ভাববাচ্য হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, এই বাক্যে 'ডিঙি টেনে বের করা' একটি দায়বদ্ধতা বা কাজের ধরনকে নির্দেশ করছে, যা ভাববাচ্যের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য।</p>
৬৭৩৪

বাংলা সাহিত্যে “কালকূট” নামে পরিচিত কোন লেখক?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সমরেশ বসু
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা সাহিত্যে <strong>সমরেশ বসু</strong> ‘কালকূট’ ছদ্মনামে পরিচিত। তিনি মূলত তার গভীর জীবনবোধ এবং সমাজ সচেতনতামূলক উপন্যাসের জন্য এই ছদ্মনামটি ব্যবহার করতেন।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>সমরেশ বসু</strong> যখন খুব আবেগপ্রবণ বা জীবনমুখী কোনো উপন্যাস লিখতেন, তখন তিনি ‘কালকূট’ নামটি ব্যবহার করতেন।</li>
<li>তার এই ছদ্মনামে লেখা বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর মধ্যে <strong>‘অমৃত কুম্ভের সন্ধানে’</strong> অন্যতম।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই ছদ্মনামটি থেকে প্রশ্ন আসে, তাই নামটি মনে রাখা খুব জরুরি।</li>
</ul>
৬৭৩৫

“পরানের গহীন ভিতর” কাব্যের কবি কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ শামসুল হক
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সৈয়দ শামসুল হক</strong>।</p>

<p>এই কাব্যগ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং গুরুত্বপূর্ণ। এটি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল অবলম্বন করতে পারেন:</p>

<ul>
<li>সৈয়দ শামসুল হকের লেখার হাত ছিল জাদুকরী, তিনি গ্রামীণ জীবন ও মানুষের মনের গভীরের কথা খুব চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলতেন।</li>
<li><strong>"পরানের গহীন ভিতর"</strong> কাব্যগ্রন্থটি মূলত আঞ্চলিক ভাষার ব্যবহারে এক অনন্য সৃষ্টি, যা সৈয়দ শামসুল হকের নিজস্ব শৈলী বা সিগনেচার স্টাইল।</li>
<li>পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি বারবার আসে, তাই কবির নামের সাথে কাব্যগ্রন্থটির নাম একবার মনে মনে মিলিয়ে নিলেই বিষয়টি স্থায়ীভাবে মনে থাকবে।</li>
</ul>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।