eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৮ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৬৮৪১

সুশাসনের পূর্বশর্ত কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মত প্রকাশের স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা:
<p>সুশাসনের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হলো <strong>মত প্রকাশের স্বাধীনতা</strong>। এটি কেন সঠিক, তা খুব সহজে বোঝা যায়:</p>

<ul>
<li>একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নাগরিকরা যখন নির্ভয়ে তাদের মতামত প্রকাশ করতে পারেন, তখনই সরকারের কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়।</li>
<li>মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকলে সাধারণ মানুষ রাষ্ট্রের ভুলত্রুটিগুলো ধরিয়ে দিতে পারে, যা সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরাসরি ভূমিকা রাখে।</li>
<li>এটি নাগরিকদের সচেতন করে তোলে এবং রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় তাদের অংশগ্রহণকে অর্থবহ করে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, জনগণের কণ্ঠস্বর যখন অবাধ থাকে, তখনই রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে সুশাসন বজায় রাখা সম্ভব হয়। তাই সুশাসনের পূর্বশর্ত হিসেবে মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।</p>
৬৮৪২

‘জ্ঞান হয় পুণ্য’-এই উক্তিটি কার?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সক্রেটিস
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সক্রেটিস</strong>।</p>

<p>সক্রেটিসের দর্শনের মূল ভিত্তিই ছিল জ্ঞান। তিনি বিশ্বাস করতেন, মানুষ যদি কোনো বিষয়ে সঠিক জ্ঞান অর্জন করতে পারে, তবে সে কখনোই ভুল বা অনৈতিক কাজ করবে না। তার মতে, অজ্ঞতাই হলো সব পাপের মূল। তাই তিনি খুব সহজভাবে বলতেন, <strong>‘জ্ঞানই পুণ্য’</strong> (Knowledge is Virtue)। অর্থাৎ, কেউ যদি সত্যিকার অর্থে ভালো কী তা জানে, তবে সে অবশ্যই ভালো কাজই করবে।</p>
৬৮৪৩

সুশাসনের মূলভিত্তি-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আইনের শাসন
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আইনের শাসন</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায়—একটি রাষ্ট্রে সুশাসন তখনই নিশ্চিত হয়, যখন সেখানে আইনের চোখে সবাই সমান থাকে।</p>

<ul>
<li><strong>আইনের শাসন</strong> মানে হলো দেশের আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য হবে।</li>
<li>যখন কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী আইনের ঊর্ধ্বে থাকে না, তখনই সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়।</li>
<li>সুশাসনের মূল লক্ষ্যই হলো স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, যা একমাত্র আইনের শাসনের মাধ্যমেই সম্ভব।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, আইনের শাসন ছাড়া সুশাসন কল্পনা করা অসম্ভব, কারণ এটিই রাষ্ট্র পরিচালনার মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।</p>
৬৮৪৪

‘ইতরবিশেষ’ বলতে বোঝায় –

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
পার্থক্য
ব্যাখ্যা:
<p>‘ইতরবিশেষ’ শব্দটির সঠিক অর্থ হলো <strong>পার্থক্য</strong>। বাংলা ভাষায় যখন দুটি জিনিসের মধ্যে সামান্য বা সূক্ষ্ম কোনো তফাত বোঝাতে হয়, তখন আমরা এই শব্দটি ব্যবহার করি।</p>

<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>ইতর</strong> মানে সাধারণত নিচ বা সামান্য কিছু।</li>
<li><strong>বিশেষ</strong> মানে আলাদা বা পার্থক্য।</li>
<li>তাই যখন কোনো কিছুর মধ্যে সামান্যতম পার্থক্য বা ব্যবধান বোঝানো হয়, তখন তাকেই বলা হয় <strong>ইতরবিশেষ</strong>।</li>
</ul>
৬৮৪৫

নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির দৃষ্টান্ত কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গো+অক্ষ = গবাক্ষ
ব্যাখ্যা:
<p>নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি হলো সেই সন্ধি, যা ব্যাকরণের সাধারণ কোনো নিয়ম মেনে চলে না। এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গো + অক্ষ = গবাক্ষ</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায় হলো:</p>

<ul>
<li>সাধারণত সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী 'ও' কারের পর স্বরবর্ণ থাকলে 'অব' হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু এখানে 'গবাক্ষ' শব্দটি কোনো নিয়ম না মেনেই গঠিত হয়েছে।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণে এমন কিছু শব্দ আছে যা কোনো নিয়ম মানে না, এদেরই 'নিপাতনে সিদ্ধ' বলা হয়।</li>
<li>পরীক্ষায় বারবার আসা এমন কয়েকটি শব্দ হলো: <strong>গবাক্ষ, কুলটা, মার্তণ্ড, প্রৌঢ়, শুদ্ধোদন</strong>।</li>
</ul>

<p>তাই যখনই দেখবেন কোনো শব্দ ব্যাকরণের সাধারণ নিয়মের বাইরে গিয়ে গঠিত হয়েছে, চোখ বন্ধ করে সেটিকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি হিসেবে চিহ্নিত করবেন।</p>
৬৮৪৬

‘চঁদের অমাবস্যা’ উপন্যাসের যুবক-শিক্ষকের নাম –

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আরেফ আলী
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আরেফ আলী</strong>। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত উপন্যাস ‘চাঁদের অমাবস্যা’র মূল চরিত্র বা নায়ক হলেন এই আরেফ আলী।</p>

<p>উপন্যাসটি পড়ার সময় বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র আরেফ আলী একজন আদর্শবান যুবক-শিক্ষক।</li>
<li>উপন্যাসের কাহিনী আবর্তিত হয় তার নৈতিক দ্বন্দ্ব এবং সত্যের মুখোমুখি হওয়ার লড়াইকে কেন্দ্র করে।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই চরিত্রটির নাম জানতে চাওয়া হয়, তাই মনে রাখার জন্য <strong>আরেফ আলী</strong> নামটি মাথায় গেঁথে নিন।</li>
</ul>
৬৮৪৭

‘মরণ রে তুঁহু মম শ্যাম সমান।’-পঙ্ ক্তিটির রচয়িতা-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা:
<p>‘মরণ রে তুঁহু মম শ্যাম সমান’—এই বিখ্যাত পঙ্‌ক্তিটির রচয়িতা হলেন <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>‘ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী’</strong>-তে এই পঙ্‌ক্তিটি পাওয়া যায়।</li>
<li>এখানে কবি মৃত্যুকে ভয়ের কিছু না ভেবে তাকে পরম বন্ধু বা প্রিয়তমের (শ্যাম) সাথে তুলনা করেছেন।</li>
<li>সহজ কথায়, মৃত্যুর মাঝে তিনি এক ধরণের প্রশান্তি ও মিলনের সুর খুঁজে পেয়েছেন, যা রবীন্দ্রনাথের দর্শনের একটি বড় অংশ।</li>
</ul>
৬৮৪৮

‘আনোয়ারা’ উপন্যাসের রচয়িতার নাম –

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
নজিবর রহমান
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নজিবর রহমান</strong>। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে ‘আনোয়ারা’ একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও কালজয়ী উপন্যাস। এই উপন্যাসটি রচনার মাধ্যমে তিনি তৎকালীন মুসলিম সমাজজীবনের চিত্র অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</p>

<p>মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>লেখক:</strong> নজিবর রহমান সাহিত্যরত্ন।</li>
<li><strong>প্রকাশকাল:</strong> ১৯১৪ সালে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
<li><strong>মূল বৈশিষ্ট্য:</strong> এটি মূলত একটি সামাজিক ও পারিবারিক উপন্যাস, যা সেই সময়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিল।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যখনই ‘আনোয়ারা’ উপন্যাসের কথা আসবে, তখনই মনে রাখবেন এটি <strong>নজিবর রহমান</strong>-এর অমর সৃষ্টি।</p>
৬৮৪৯

নিচের কোনটি যৌগিক বাক্য?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ছেলেটি চঞ্চল তবে মেধাবী
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ছেলেটি চঞ্চল তবে মেধাবী</strong>। কারণ যৌগিক বাক্য চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এর গঠন।</p>

<ul>
<li>যৌগিক বাক্যে দুই বা ততোধিক স্বাধীন বাক্য বা খণ্ডবাক্য থাকে।</li>
<li>এই খণ্ডবাক্যগুলো সাধারণত <strong>ও, এবং, কিন্তু, অথবা, তবে</strong>—এই ধরনের অব্যয় দিয়ে যুক্ত থাকে।</li>
<li>এখানে 'ছেলেটি চঞ্চল' এবং 'সে মেধাবী'—এই দুটি আলাদা বাক্যকে <strong>তবে</strong> অব্যয়টি দিয়ে যুক্ত করা হয়েছে, তাই এটি একটি যৌগিক বাক্য।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যখনই দেখবেন দুটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য কোনো সংযোজক অব্যয় দিয়ে জোড়া লাগানো আছে, তখনই চোখ বন্ধ করে সেটিকে যৌগিক বাক্য হিসেবে ধরে নিতে পারেন।</p>
৬৮৫০

ধ্বনি পরিবর্তনের নিয়মে কোনটি বর্ণ-বিপর্যয়-এর দৃষ্টান্ত?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
পিচাশ
৬৮৫১

‘অর্ধচন্দ্র’ কথাটির অর্থ –

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গলাধাক্কা দেওয়া
ব্যাখ্যা:
<p>‘অর্ধচন্দ্র’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো <strong>গলাধাক্কা দেওয়া</strong>। এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত বাগধারা, যা মূলত কাউকে অপমান করে বা জোরপূর্বক বের করে দেওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</p>

<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>শাব্দিক অর্থ:</strong> আক্ষরিক অর্থে অর্ধচন্দ্র মানে চাঁদের অর্ধেক বা অর্ধবৃত্তাকার আকৃতি।</li>
<li><strong>প্রয়োগ:</strong> কিন্তু বাগধারা হিসেবে এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন অর্থ বহন করে। যখন কাউকে হাত দিয়ে ঘাড় ধরে বা ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া হয়, তখন হাতের আকৃতি অনেকটা অর্ধচন্দ্রের মতো দেখায়। এই দৃশ্য থেকেই মূলত ‘গলাধাক্কা দেওয়া’ অর্থে এই বাগধারাটির উৎপত্তি হয়েছে।</li>
</ul>

<p>তাই পরীক্ষার খাতায় বা সাধারণ আলোচনায় ‘অর্ধচন্দ্র’ দেখলে সরাসরি <strong>গলাধাক্কা দেওয়া</strong> অপশনটি বেছে নেবেন। এটি মনে রাখা খুবই সহজ!</p>
৬৮৫২

‘হরতাল’ কোন ভাষা থেকে আগত শব্দ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গুজরাট
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গুজরাটি</strong>। ‘হরতাল’ শব্দটি মূলত গুজরাটি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>‘হরতাল’ শব্দটি গুজরাটি শব্দ <em>'হরতাল'</em> (har-tal) থেকে এসেছে।</li>
<li>এখানে <em>'হর'</em> অর্থ হলো 'প্রত্যেক' বা 'সব' এবং <em>'তাল'</em> অর্থ হলো 'তালা'।</li>
<li>সহজ কথায়, সব দোকান বা কারখানায় তালা লাগিয়ে দেওয়াকেই হরতাল বলা হয়।</li>
</ul>

<p>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অনেক বিদেশি শব্দের মধ্যে এটি একটি পরিচিত শব্দ, যা মূলত গুজরাটি থেকে সরাসরি গৃহীত হয়েছে।</p>
৬৮৫৩

কোনটি ‘জিগীষা’র সম্প্রসারিত প্রকাশ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
জয় করিবার ইচ্ছা
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জয় করিবার ইচ্ছা</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ শব্দটির মূল অর্থ বিশ্লেষণ করলেই এর রহস্য পরিষ্কার হয়ে যায়।</p>

<ul>
<li><strong>জিগীষা</strong> শব্দটি এসেছে 'জিগীষু' থেকে, যার মূল ধাতু হলো 'জি' (জয় করা)।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো কিছু জয় করার প্রবল আকাঙ্ক্ষা বোঝানো হয়, তখন তাকে এক কথায় <strong>জিগীষা</strong> বলা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, জয় করার ইচ্ছাই হলো জিগীষা।</li>
</ul>

<p>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য শুধু এইটুকু মাথায় রাখুন: <strong>জিগীষা = জয় করার ইচ্ছা</strong>।</p>
৬৮৫৪

নিচের কোনটি তৎসম শব্দ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ধূলি
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ধূলি</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ তৎসম শব্দ চেনার কিছু দারুণ কৌশল আছে।</p>

<ul>
<li>তৎসম শব্দগুলো সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।</li>
<li>সাধারণত যেসব শব্দের বানানে <strong>'ঋ'</strong>-কার, <strong>'ষ'</strong>, <strong>'ণ'</strong> বা যুক্তবর্ণের ব্যবহার থাকে, সেগুলো তৎসম হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।</li>
<li><strong>ধূলি</strong> শব্দটিতে <strong>'ধূ'</strong>-এর সাথে যে কারটি আছে, তা সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম মেনে এসেছে, তাই এটি একটি খাঁটি তৎসম শব্দ।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যেসব শব্দ দেখলে মনে হয় এগুলো প্রাচীন সংস্কৃত শ্লোক বা শাস্ত্রীয় বইয়ে ব্যবহার করা হয়, সেগুলোই তৎসম শব্দ। আর <strong>ধূলি</strong> ঠিক সেই ক্যাটাগরিতেই পড়ে।</p>
৬৮৫৫

নিচের কোনটি বাংলা ‘ধাতু’র দৃষ্টান্ত?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কহ্
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কহ্</strong>। বাংলা ব্যাকরণে ধাতু বলতে বোঝায় ক্রিয়াপদের মূল অংশকে, যা বিশ্লেষণ করা যায় না।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত মৌলিক ধাতুগুলোকে সাধারণত সংস্কৃত থেকে আগত বা খাঁটি বাংলা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।</li>
<li><strong>কহ্</strong> হলো একটি খাঁটি বাংলা ধাতু, যা থেকে 'কহা' বা 'বলার' মতো বিভিন্ন ক্রিয়াপদ তৈরি হয়।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলো মূলত সংস্কৃত ধাতু বা অন্য ভাষার প্রভাবপুষ্ট, কিন্তু বাংলা ব্যাকরণের মৌলিক ধাতুর তালিকায় 'কহ্' একটি আদর্শ উদাহরণ।</li>
</ul>

<p>তাই মনে রাখবেন, যখনই কোনো ক্রিয়াপদকে ভেঙে তার মূল অংশ বের করবেন, তখন <strong>কহ্</strong>-এর মতো শব্দগুলোই হবে মূল ধাতু।</p>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।