<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মধ্যযুগের শুরুতে</strong>। খনার বচন মূলত কৃষিভিত্তিক লোকগাথা, যা আমাদের গ্রামীণ জনজীবনে আবহমান কাল ধরে চলে আসছে। ইতিহাসবিদদের মতে, এই বচনগুলো বাংলা সাহিত্যের বিকাশের সাথে সাথে <strong>মধ্যযুগের শুরুর দিকে</strong> ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায় এবং সমৃদ্ধি লাভ করে।</p>
<ul>
<li><strong>সময়কাল:</strong> খনার বচনগুলো মূলত খ্রিষ্টীয় ৮০০ থেকে ১২০০ অব্দের মধ্যবর্তী সময়ে বা মধ্যযুগের প্রারম্ভিক পর্যায়ে বেশি প্রচলিত হয়ে ওঠে।</li>
<li><strong>মূল কারণ:</strong> তৎকালীন কৃষিপ্রধান সমাজে চাষাবাদ, আবহাওয়া এবং দৈনন্দিন জীবনযাত্রার নির্দেশিকা হিসেবে এগুলো সাধারণ মানুষের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়েছিল, যা মধ্যযুগের শুরুর দিকেই একটি পূর্ণাঙ্গ রূপ পায়।</li>
</ul>
৭০৭
কোন কবির মৃত্যুর মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে মধ্যযুগের সমাপ্তি ঘটে?
<p>বাংলা সাহিত্যে মধ্যযুগের সমাপ্তি নির্দেশক কবি হলেন <strong>ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>ভারতচন্দ্র ছিলেন মধ্যযুগের সর্বশেষ এবং অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি।</li>
<li>তার মৃত্যুর বছরটি হলো <strong>১৭৬০ সাল</strong>, যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে মধ্যযুগের সমাপ্তি এবং আধুনিক যুগের সূচনালগ্ন হিসেবে চিহ্নিত।</li>
<li>তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>অন্নদামঙ্গল</strong> মধ্যযুগীয় সাহিত্যের ধারার শেষ উজ্জ্বল নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ১৭৬০ সালের পর থেকেই বাংলা সাহিত্যে নতুন ধারার প্রভাব শুরু হয়, তাই ভারতচন্দ্রকেই মধ্যযুগের শেষ কবি বলা হয়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>দীনেশচন্দ্র সেন</strong>। বাংলা লোকসাহিত্যকে সমৃদ্ধ ও সংগৃহীত করার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>দীনেশচন্দ্র সেনকে বলা হয় <strong>'বঙ্গভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাস'</strong>-এর অন্যতম প্রধান গবেষক।</li>
<li>তিনি ময়মনসিংহের লোকগাথা সংগ্রহ করে বিশ্বদরবারে পৌঁছে দিয়েছিলেন।</li>
<li>তাঁর বিখ্যাত সংকলন <strong>'মৈমনসিংহ গীতিকা'</strong> ও <strong>'পূর্ববঙ্গ গীতিকা'</strong> লোকসাহিত্যের ভাণ্ডারকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, লোকসাহিত্যের কথা মনে এলেই দীনেশচন্দ্র সেনের নাম সবার আগে আসে, কারণ তিনি গ্রামবাংলার হারিয়ে যাওয়া লোককথাগুলোকে বইয়ের পাতায় অমর করে রেখেছেন।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কালিদাস খন্ড</strong>। ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যটি মূলত রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমলীলা নিয়ে রচিত এবং এটি মোট ১৩টি খন্ডে বিভক্ত। এই খন্ডগুলোর মধ্যে রয়েছে জন্ম খন্ড, তাম্বুল খন্ড, দান খন্ড, নৌকা খন্ড, ভার খন্ড, ছত্র খন্ড, বৃন্দাবন খন্ড, কালীয়দমন খন্ড, যমুনা খন্ড, হার খন্ড, বাণ খন্ড, বংশী খন্ড এবং রাধাবিরহ খন্ড।</p>
<ul>
<li>‘কালিদাস খন্ড’ নামে কোনো খন্ড এই কাব্যের অন্তর্ভুক্ত নয়।</li>
<li>বড়ু চণ্ডীদাসের এই বিখ্যাত কাব্যের খন্ডগুলো মনে রাখার সহজ উপায় হলো খন্ডগুলোর নামের তালিকাটি একবার ভালো করে দেখে নেওয়া।</li>
<li>পরীক্ষায় বিভ্রান্ত করার জন্য প্রায়ই এমন অপশন দেওয়া হয় যা মূল কাব্যের খন্ডের নামের সাথে মেলে না।</li>
</ul>
<p>আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো <strong>সাতনরী হার</strong>। এটি তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম হিসেবে পরিচিত।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>সাতনরী হার</strong> কাব্যগ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যে তার এক অনন্য সৃষ্টি।</li>
<li>তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে 'কখনো রঙ কখনো সুর' এবং 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি'।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই তার এই কাব্যগ্রন্থটি থেকে প্রশ্ন আসে, তাই এটি মনে রাখা জরুরি।</li>
</ul>
৭১১
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থের নাম--
<p>বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থটির নাম হলো <strong>অসমাপ্ত আত্মজীবনী</strong>। এটি মূলত তার জেলজীবনের ডায়েরি থেকে সংকলিত একটি অসাধারণ দলিল।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>এই বইটি ২০১২ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
<li>বইটিতে বঙ্গবন্ধুর জন্ম, শৈশব, শিক্ষা জীবন এবং রাজনৈতিক সংগ্রামের শুরুর দিকের অনেক অজানা তথ্য উঠে এসেছে।</li>
<li>এটি কেবল একটি বই নয়, বরং বাংলাদেশের ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ দলিল।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই নামটি মনে রাখা খুবই জরুরি। আশা করি, এখন থেকে এটি আর ভুল হবে না!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Death is preferable to dishonour</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ইংরেজি গ্রামারের একটি ছোট নিয়ম আমাদের মনে রাখতে হবে:</p>
<ul>
<li>ইংরেজি ভাষায় <strong>preferable</strong> শব্দটি নিজেই একটি তুলনামূলক অর্থ প্রকাশ করে।</li>
<li>তাই এর সাথে কখনোই <strong>more</strong> বা <strong>most</strong> ব্যবহার করা যায় না।</li>
<li>আবার, <strong>preferable</strong>-এর পরে সব সময় <strong>to</strong> বসে, <strong>than</strong> নয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, তুলনা বোঝাতে আমরা সাধারণত <strong>than</strong> ব্যবহার করি, কিন্তু <strong>preferable</strong>-এর ক্ষেত্রে এই নিয়মটি ব্যতিক্রম। তাই সঠিক গঠনটি হবে: <strong>Death + is + preferable + to + dishonour</strong>।</p>
৭১৩
’মাথা খাও’ ভুলিওনা কেয়ো মনে করে, মাথা কাও বলতে বুঝায়-
<p>’মাথা খাও’ বা ’মাথা খাওয়া’ বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ মাথা খেয়ে ফেলা নয়, বরং এটি একটি বিশেষ শপথ বা দিব্যি দেওয়ার উপায়। কাউকে কোনো কাজ করতে অনুরোধ করার সময় বা কোনো কথা মনে করিয়ে দেওয়ার সময় আমরা যখন বলি 'মাথা খাও', তখন এর মাধ্যমে মূলত প্রিয়জনের জীবনের দোহাই দেওয়া হয়।</p>
<p>সহজ কথায়:</p>
<ul>
<li>এটি একটি আবেগপূর্ণ অনুরোধ বা শপথ।</li>
<li>এর মাধ্যমে কাউকে কোনো কাজ করতে বাধ্য করা বা গুরুত্ব বোঝাতে <strong>মাথার দিব্যি</strong> দেওয়া হয়।</li>
<li>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>মাখার দিব্যি</strong>।</li>
</ul>
<p>বাংলাপিডিয়া প্রকাশের মূল উদ্যোক্তা হলো <strong>বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলাদেশের জাতীয় জ্ঞানকোষ হিসেবে পরিচিত 'বাংলাপিডিয়া' তৈরির বিশাল কর্মযজ্ঞটি বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির তত্ত্বাবধানেই সম্পন্ন হয়েছে।</li>
<li>২০০৩ সালে যখন এটি প্রথম প্রকাশিত হয়, তখন এর মূল পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করেছিল এই প্রতিষ্ঠানটিই।</li>
<li>গবেষণা ও তথ্য সংরক্ষণের ক্ষেত্রে এশিয়াটিক সোসাইটির দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যের কারণেই এই গুরুত্বপূর্ণ কাজটি তাদের মাধ্যমেই সফলভাবে সম্ভব হয়েছে।</li>
</ul>
৭১৫
বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি, পৃথিবীর মুখ দেখিতে চাই না আর - কার লেখা?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জীবনানন্দ দাস</strong>।</p>
<p>এই বিখ্যাত পঙক্তিটি জীবনানন্দ দাসের 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। এর পেছনের সহজ যুক্তিগুলো হলো:</p>
<ul>
<li>জীবনানন্দ দাসকে বলা হয় <strong>রূপসী বাংলার কবি</strong>, কারণ তিনি তাঁর কবিতায় বাংলার প্রকৃতি ও রূপকে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দিয়েছেন।</li>
<li>এই লাইনটির মাধ্যমে কবি বোঝাতে চেয়েছেন যে, বাংলার রূপ এতই মায়াবী ও সুন্দর যে, এর চেয়ে বেশি কিছু দেখার বা পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা তাঁর আর নেই।</li>
<li>তাঁর কবিতার মূল বৈশিষ্ট্যই হলো বাংলার গ্রাম, নদী, মাঠ ও প্রকৃতির প্রতি গভীর ভালোবাসা, যা এই পঙক্তিটিতে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
</ul>
৭১৬
নোবের পুরষ্কার প্রবর্তকের মূল আবিষ্কার প্রধানত কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ধ্বংসের জন্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, আলফ্রেড নোবেল মূলত <strong>ডিনামাইট</strong> আবিষ্কার করেছিলেন।</p>
<ul>
<li>ডিনামাইট আবিষ্কারের মূল উদ্দেশ্য ছিল খনি খনন বা রাস্তা তৈরির মতো উন্নয়নমূলক কাজ সহজ করা।</li>
<li>কিন্তু সময়ের সাথে সাথে এই শক্তিশালী বিস্ফোরকটি যুদ্ধের ময়দানে ব্যাপক <strong>ধ্বংসযজ্ঞ</strong> চালানোর কাজে ব্যবহৃত হতে শুরু করে।</li>
<li>এই ধ্বংসাত্মক ব্যবহারের কারণেই আলফ্রেড নোবেল অনুতপ্ত হয়েছিলেন এবং পরবর্তীতে মানবতার কল্যাণে কাজ করার জন্য তার সমস্ত সম্পদ দিয়ে 'নোবেল পুরস্কার' প্রবর্তনের উইল করে যান।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় লেখক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় তার বিভিন্ন রম্য রচনা ও গল্পের জন্য এই ছদ্মনামটি ব্যবহার করতেন।</p>
<ul>
<li><strong>নীল লোহিত</strong> নামটি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের সাহিত্যিক পরিচয়ের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।</li>
<li>তার লেখা বিখ্যাত 'নীল লোহিতের ডায়েরি' বা এই সিরিজের অন্যান্য গল্পগুলো পাঠকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার সহজ উপায় হলো—<strong>সুনীল</strong> নামের সাথে <strong>নীল</strong> শব্দের মিল খুঁজে নেওয়া।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কমা</strong>। সম্বোধনের পর কমা ব্যবহার করার নিয়মটি খুবই সহজ। যখন আমরা কাউকে সরাসরি ডেকে বা সম্বোধন করে কিছু বলি, তখন সেই সম্বোধন পদের ঠিক পরেই সামান্য বিরতি দিতে হয়। এই বিরতি বোঝাতেই আমরা কমা ব্যবহার করি।</p>
<p>বিষয়টি আরও পরিষ্কারভাবে বুঝতে নিচের উদাহরণটি দেখুন:</p>
<ul>
<li><strong>রহিম,</strong> এদিকে এসো।</li>
<li><strong>মা,</strong> আমি পড়তে বসছি।</li>
</ul>
<p>এখানে 'রহিম' বা 'মা' হলো সম্বোধন পদ। এদের পরে কমা বসানোয় বাক্যটি পড়তে সুবিধা হয় এবং অর্থের স্পষ্টতা বজায় থাকে। তাই সম্বোধনের ক্ষেত্রে কমা ব্যবহার করাই ব্যাকরণসম্মত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দাড়ি</strong>। বিষয়টি খুবই সহজ, কারণ বাংলা ব্যাকরণে বাক্যের সমাপ্তি বোঝাতে আমরা দাড়ি ব্যবহার করি।</p>
<ul>
<li>বাক্যের অর্থ যখন পুরোপুরি শেষ হয়, তখন আমরা দাড়ি (।) চিহ্নটি বসাই।</li>
<li>একে ইংরেজিতে <strong>Full Stop</strong> বা <strong>Period</strong> বলা হয়।</li>
<li>অন্যান্য বিরাম চিহ্নের তুলনায় দাড়ি বাক্যের পূর্ণ বিরতি নির্দেশ করে, তাই একে পূর্ণচ্ছেদ বলা হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>লোকের মুখে মুখে প্রচলিত কাহিনী, গান, ছড়া ইত্যাদিকে</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li><strong>লোকসাহিত্য</strong> মানেই হলো সাধারণ মানুষের সৃষ্টি।</li>
<li>এর কোনো নির্দিষ্ট লেখক থাকে না, বরং এটি বংশপরম্পরায় মানুষের মুখে মুখে চলে আসে।</li>
<li>আমাদের দাদি-নানির কাছে শোনা রূপকথার গল্প, ছড়া, ধাঁধা বা লোকসংগীত—সবই এই লোকসাহিত্যের অংশ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যে সাহিত্য কোনো বইয়ে লেখা থেকে নয়, বরং মানুষের মুখে মুখে বেঁচে থাকে এবং এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্মে ছড়িয়ে পড়ে, তাকেই আমরা লোকসাহিত্য বলি।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।