<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রমথ চৌধুরী</strong>। বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষারীতিকে জনপ্রিয় করার পেছনে এই পত্রিকার অবদান সবচেয়ে বেশি।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>সবুজপত্র</strong> পত্রিকাটি ১৯১৪ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এর প্রধান সম্পাদক ছিলেন <strong>প্রমথ চৌধুরী</strong>, যিনি বাংলা সাহিত্যে 'বীরবল' ছদ্মনামে পরিচিত।</li>
<li>এই পত্রিকার মাধ্যমেই বাংলা গদ্যে চলিত ভাষার ব্যবহার একটি শক্তিশালী ও মার্জিত রূপ পায়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১৯১৪ সালে</strong>। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে ‘সবুজপত্র’ পত্রিকা একটি মাইলফলক, যা প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় প্রথম প্রকাশিত হয়।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>সময়কাল:</strong> পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯১৪ সালের মে মাসে (বৈশাখ, ১৩২১ বঙ্গাব্দ)।</li>
<li><strong>গুরুত্ব:</strong> এই পত্রিকার মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষারীতি বা ‘সবুজপত্র গোষ্ঠী’র জয়যাত্রা শুরু হয়।</li>
<li><strong>মনে রাখার কৌশল:</strong> রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গীতাঞ্জলি’র জন্য নোবেল পাওয়ার পরের বছরই (১৯১৪) এই আধুনিক ধারার পত্রিকার আত্মপ্রকাশ ঘটে।</li>
</ul>
৭৩৮
‘সবুজপত্র’ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে কী হিসেবে পরিচিত?
<p>‘সবুজপত্র’ বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একটি <strong>বিশেষ উল্লেখযোগ্য সাহিত্য পত্রিকা</strong> হিসেবে পরিচিত। ১৯১৪ সালে প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় এটি প্রথম প্রকাশিত হয়।</p>
<p>সহজ কথায় মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>পত্রিকাটির গুরুত্ব:</strong> এটি বাংলা সাহিত্যে ‘চলতি ভাষা’ বা চলিত রীতির প্রবর্তনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেছিল।</li>
<li><strong>সম্পাদনা:</strong> প্রমথ চৌধুরী এই পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা গদ্যের রূপ বদলে দিয়েছিলেন।</li>
<li><strong>মূল বৈশিষ্ট্য:</strong> এটি কেবল একটি পত্রিকা ছিল না, বরং বাংলা ভাষার আধুনিকায়নের একটি শক্তিশালী মাধ্যম ছিল।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার জন্য মনে রাখবেন, যখনই ‘সবুজপত্র’ আসবে, তখনই চোখ বন্ধ করে একে একটি <strong>সাহিত্য পত্রিকা</strong> হিসেবে দাগিয়ে দেবেন।</p>
৭৩৯
প্রমথ চৌধুরীর ‘বীরবলী’ রীতির প্রচার মাধ্যম হিসাবে কোন পত্রিকা ভূমিকা রাখে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সবুজপত্র</strong>। প্রমথ চৌধুরীর প্রবর্তিত ‘বীরবলী’ বা চলিত রীতির গদ্যকে জনপ্রিয় ও প্রতিষ্ঠিত করার পেছনে এই পত্রিকার অবদান সবচেয়ে বেশি।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ কৌশল:</p>
<ul>
<li><strong>সবুজপত্র</strong> পত্রিকাটি ১৯১৪ সালে প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে গদ্যের ভাষা হিসেবে সাধু রীতির বদলে চলিত রীতির সার্থক ও বলিষ্ঠ প্রয়োগ শুরু হয় এই পত্রিকার মাধ্যমেই।</li>
<li>তৎকালীন সময়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরসহ অনেক বড় মাপের লেখক এই পত্রিকায় লিখতেন, যা চলিত ভাষাকে সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তোলে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা গদ্যের আধুনিকায়নের ইতিহাসে <strong>সবুজপত্র</strong> হলো চলিত রীতির প্রধান বাহন।</p>
৭৪০
বাংলা সাহিত্যে কথারীতির প্রচার মাধ্যম হিসাবে কোন পত্রিকা ভূমিকা রাখে?
<p>বাংলা সাহিত্যে কথারীতির বা চলিত ভাষার প্রচারে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে <strong>সবুজপত্র</strong> পত্রিকা। এর পেছনের কারণটা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li><strong>প্রমথ চৌধুরী</strong> ১৯১৪ সালে এই পত্রিকাটি সম্পাদনা শুরু করেন।</li>
<li>তিনি বাংলা গদ্যে সাধু ভাষার কৃত্রিমতা দূর করে মুখের ভাষার সাবলীল রূপকে প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন।</li>
<li>সবুজপত্রের মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির ব্যবহার একটি শক্তিশালী ও মানসম্মত রূপ পায়, যা পরবর্তীতে পুরো বাংলা গদ্যের ধারা বদলে দেয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, চলিত ভাষাকে সাহিত্যের উচ্চাসনে বসানোর পেছনে <strong>সবুজপত্র</strong> ছিল এক বিপ্লবের নাম।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা সাহিত্য ও সাংবাদিকতার ইতিহাসে 'সওগাত' পত্রিকাটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নাম। এই পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা এবং আজীবন সম্পাদক ছিলেন মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন। ১৯১৮ সালে কলকাতা থেকে তিনি পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশ করেন।</p>
<ul>
<li><strong>পত্রিকার নাম:</strong> সওগাত</li>
<li><strong>প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক:</strong> মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন</li>
<li><strong>প্রকাশকাল:</strong> ১৯১৮ সাল</li>
</ul>
<p>সাহিত্যিকদের উৎসাহিত করা এবং নতুন লেখকদের সুযোগ করে দেওয়ার ক্ষেত্রে মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের এই পত্রিকাটির অবদান অবিস্মরণীয়। তাই যেকোনো পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি এলে চোখ বন্ধ করে মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের নাম মনে রাখলেই চলবে।</p>
৭৪২
মাসিক ‘সওগাত’ পত্রিকা ইংরেজি কোন সালে প্রথম প্রকাশিত হয়?
<p>বাংলা সাহিত্য ও সাংবাদিকতার ইতিহাসে 'সওগাত' একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নাম। এই পত্রিকাটির শুরুর প্রেক্ষাপটটি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন ১৯১৮ সালের ডিসেম্বরে মাসিক 'সওগাত' পত্রিকাটির প্রথম সংখ্যা প্রকাশ করেন।</li>
<li>কলকাতা থেকে প্রকাশিত এই পত্রিকাটি তৎকালীন মুসলিম সমাজের সাহিত্যচর্চা ও জাগরণে বিশাল ভূমিকা রেখেছিল।</li>
<li>সহজভাবে মনে রাখার জন্য সালটি এভাবে মাথায় রাখতে পারেন: ১৯১৮ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার পরপরই এই পত্রিকার যাত্রা শুরু হয়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা সাহিত্য ও সাংবাদিকতার ইতিহাসে 'সওগাত' পত্রিকাটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নাম। এই পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা এবং দীর্ঘদিনের সম্পাদক ছিলেন মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন। তিনি ১৯১৮ সালে কলকাতা থেকে এই পত্রিকাটি প্রকাশ করেন।</p>
<ul>
<li><strong>প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক:</strong> মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন।</li>
<li><strong>প্রকাশকাল:</strong> ১৯১৮ সাল।</li>
<li><strong>গুরুত্ব:</strong> তৎকালীন মুসলিম সমাজ ও সাহিত্যে নবজাগরণ সৃষ্টিতে এই পত্রিকার ভূমিকা ছিল অপরিসীম।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, 'সওগাত' নামটির সাথে মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে, তাই এটি মনে রাখা খুব সহজ!</p>
৭৪৪
‘মোসলেম ভারত’ নামক সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন-
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মোজাম্মেল হক</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা সাহিত্য ও সাংবাদিকতার ইতিহাসে মোজাম্মেল হক একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। তিনি ১৯১৮ সালে কলকাতা থেকে <strong>'মোসলেম ভারত'</strong> নামক বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকাটি সম্পাদনা ও প্রকাশ করেন। এই পত্রিকাটি তৎকালীন মুসলিম সাহিত্যিকদের লেখালেখির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করত।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আঙুর</strong>। ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর সাহিত্যিক অবদানের মধ্যে শিশুদের জন্য প্রকাশিত এই পত্রিকাটি বেশ পরিচিত।</p>
<ul>
<li>ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ১৯২০ সালে শিশুদের জন্য <strong>'আঙুর'</strong> নামক একটি মাসিক পত্রিকা সম্পাদনা ও প্রকাশ করেন।</li>
<li>শিশুদের জ্ঞান ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশের কথা মাথায় রেখেই তিনি এই পত্রিকাটি পরিচালনা করতেন।</li>
</ul>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর নাম শুনলে শিশুদের জন্য সম্পাদিত পত্রিকা হিসেবে <strong>'আঙুর'</strong> নামটি মাথায় রাখলেই চলবে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কল্লোল</strong>। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এই পত্রিকাটি একটি নতুন যুগের সূচনা করেছিল।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>কল্লোল</strong> পত্রিকাটি ১৯২৩ সালে দীনেশরঞ্জন দাসের সম্পাদনায় প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে 'কল্লোল যুগ' বা 'কল্লোল গোষ্ঠী' বলতে মূলত এই সময়কাল থেকেই আধুনিক ধারার সূচনাকে বোঝানো হয়।</li>
<li>সালটি মনে রাখতে এভাবে ভাবতে পারেন: ১৯২৩ সালে বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার যে জোয়ার বা <strong>কল্লোল</strong> উঠেছিল, তা আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।</li>
</ul>
৭৪৭
কাজী নজরুল ইসলাম নামের সাথে জড়িত ‘ধূমকেতু’ কোন ধরনের প্রকাশনা?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পত্রিকা</strong>। কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যিক জীবনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হলো এই ‘ধূমকেতু’ পত্রিকা।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের তথ্যগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>১৯২২ সালে নজরুল নিজেই এই পত্রিকাটির সম্পাদনা শুরু করেন।</li>
<li>এটি ছিল একটি অর্ধ-সাপ্তাহিক পত্রিকা, যা তৎকালীন ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছিল।</li>
<li>নজরুলের বিখ্যাত কবিতা ‘আনন্দময়ীর আগমনে’ এই পত্রিকাতেই প্রকাশিত হয়েছিল, যার জন্য তাকে কারাবরণ করতে হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ‘ধূমকেতু’ কোনো বই বা গল্পের নাম নয়, বরং এটি ছিল নজরুলের নিজের হাতে গড়া একটি তেজদীপ্ত <strong>পত্রিকা</strong>।</p>
৭৪৮
কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত ‘ধুমকেতু’ কতসালে প্রথম প্রকাশিত হয়?
<p>কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত পত্রিকা ‘ধুমকেতু’ প্রথম প্রকাশিত হয় <strong>১৯২২</strong> সালে। এই সালটি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ নজরুল ইসলামের সাহিত্যিক জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাঁক ছিল এই সময়টি।</p>
<ul>
<li>‘ধুমকেতু’ পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয় <strong>১২ আগস্ট, ১৯২২</strong> সালে।</li>
<li>এটি ছিল একটি অর্ধ-সাপ্তাহিক পত্রিকা, যা তৎকালীন ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল।</li>
<li>নজরুল এই পত্রিকার মাধ্যমেই তার বিদ্রোহী সত্তাকে আরও জোরালোভাবে প্রকাশ করেছিলেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ১৯২২ সালটি নজরুলের সাংবাদিকতা ও রাজনৈতিক চেতনার এক অনন্য মাইলফলক।</p>
৭৪৯
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন পত্রিকাটিতে অভিনন্দন বাণী দিয়েছিলেন?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ধূমকেতু</strong>। এর পেছনের ইতিহাসটা বেশ মজার এবং সহজ।</p>
<ul>
<li>বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম ১৯২২ সালে <strong>ধূমকেতু</strong> পত্রিকা প্রকাশ করেন।</li>
<li>এই পত্রিকার প্রথম সংখ্যাটি বের হওয়ার সময় নজরুল অত্যন্ত শ্রদ্ধার সাথে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাছে একটি আশীর্বাদ বা অভিনন্দন বাণী চেয়েছিলেন।</li>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তখন নজরুলকে উদ্দেশ্য করে লিখেছিলেন, "আয় চলে আয় রে ধূমকেতু, আঁধারে বাঁধ অগ্নিসেতু।"</li>
<li>রবীন্দ্রনাথের এই বাণীর মাধ্যমেই পত্রিকাটির যাত্রা শুরু হয়েছিল, যা বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য ঘটনা হয়ে আছে।</li>
</ul>
৭৫০
‘দৈনিক নবযুগ’ এর ১৯২০ সালের প্রথম ওপ্রধান সম্পাদক কে ছিলেন?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মুজাফ্ফর আহম্মদ</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। ১৯২০ সালে যখন 'দৈনিক নবযুগ' পত্রিকাটি প্রকাশিত হয়, তখন এর মূল উদ্যোক্তা এবং প্রধান সম্পাদক ছিলেন মুজাফ্ফর আহম্মদ। এই পত্রিকার মাধ্যমেই তিনি তৎকালীন রাজনৈতিক ও সামাজিক সচেতনতা তৈরির কাজ শুরু করেছিলেন।</p>
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।