<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নবযুগ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ কাজী নজরুল ইসলাম এবং মুজাফফর আহমদ ১৯২০ সালে এই পত্রিকাটি প্রকাশের মাধ্যমে তাদের সাংবাদিকতা ও রাজনৈতিক চিন্তার মেলবন্ধন ঘটিয়েছিলেন।</p>
<ul>
<li><strong>নবযুগ</strong> ছিল মূলত একটি সান্ধ্য দৈনিক পত্রিকা।</li>
<li>এই পত্রিকার মাধ্যমে তারা তৎকালীন ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন ও শোষিত মানুষের কথা তুলে ধরতেন।</li>
<li>নজরুল ও মুজাফফর আহমদের যৌথ সম্পাদনায় পত্রিকাটি সেই সময়ে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছিল।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, নজরুল ও মুজাফফর আহমদের নাম শুনলেই মাথায় রাখবেন ১৯২০ সালের সেই বিখ্যাত পত্রিকাটির কথা, যা হলো <strong>নবযুগ</strong>।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>১৯২০ সালে প্রকাশিত <strong>‘দৈনিক নবযুগ’</strong> পত্রিকাটির সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেছিলেন বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম।</li>
<li>সে সময় তিনি শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হকের সাথে যৌথভাবে এই পত্রিকার সম্পাদনা করতেন।</li>
<li>ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের সময় সাধারণ মানুষের কথা তুলে ধরতে এই পত্রিকাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, নজরুল ইসলামের সাংবাদিকতা জীবনের শুরুর দিকের অন্যতম উল্লেখযোগ্য কাজ হলো এই ‘নবযুগ’ পত্রিকা সম্পাদনা করা।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>লাঙ্গল</strong>। কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্ম ও সাংবাদিকতা নিয়ে পড়াশোনা করলে এই তথ্যটি খুব সহজেই মনে রাখা যায়।</p>
<ul>
<li>১৯২৫ সালে কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদনায় <strong>'লাঙ্গল'</strong> পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এটি মূলত একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা ছিল, যা তৎকালীন সময়ে শোষিত ও বঞ্চিত মানুষের কথা তুলে ধরত।</li>
<li>নজরুলের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>'সাম্যবাদী'</strong>-এর অনেক কবিতা এই পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, নজরুল যখনই কোনো পত্রিকা সম্পাদনা করেছেন, তার মধ্যে <strong>লাঙ্গল</strong> পত্রিকাটি তাঁর বিদ্রোহী সত্তা ও সাম্যবাদী চেতনার এক অনন্য নিদর্শন।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>লোকায়ত</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ ঢাকা থেকে প্রকাশিত সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক পত্রিকাগুলোর মধ্যে <strong>লোকায়ত</strong> বেশ পরিচিত একটি নাম।</p>
<ul>
<li>ঢাকা থেকে প্রকাশিত সাময়িকীগুলোর তালিকা খেয়াল করলে দেখা যায়, <strong>লোকায়ত</strong> নিয়মিতভাবে ঢাকা থেকে প্রকাশিত হতো।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলো মূলত কলকাতা থেকে প্রকাশিত হতো, তাই ঢাকা কেন্দ্রিক প্রশ্নের ক্ষেত্রে <strong>লোকায়ত</strong>-ই একমাত্র সঠিক পছন্দ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ঢাকার সাহিত্যচর্চার ইতিহাসের সাথে <strong>লোকায়ত</strong> পত্রিকাটির নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে।</p>
<p>‘সমকাল’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন <strong>সিকান্দার আবু জাফর</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পত্রিকা।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>সিকান্দার আবু জাফর</strong> ১৯৫৭ সালে ‘সমকাল’ পত্রিকাটির প্রকাশনা শুরু করেন।</li>
<li>ষাটের দশকের আধুনিক বাংলা সাহিত্য ও প্রগতিশীল চিন্তাধারা বিকাশে এই পত্রিকাটির ভূমিকা ছিল অপরিসীম।</li>
<li>তিনি শুধু একজন সম্পাদকই ছিলেন না, বরং একাধারে কবি, নাট্যকার ও গীতিকার হিসেবেও বাংলা সাহিত্যে তার অবদান অনস্বীকার্য।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার প্রশ্নের ক্ষেত্রে ‘সমকাল’ পত্রিকার নাম দেখলেই সরাসরি <strong>সিকান্দার আবু জাফর</strong>-কে উত্তর হিসেবে বেছে নেবেন।</p>
<p>সিকান্দার আবু জাফর সম্পাদিত পত্রিকাটির নাম হলো <strong>সমকাল</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী পত্রিকা।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>সমকাল</strong> পত্রিকাটির প্রকাশকাল ১৯৫৭ সাল।</li>
<li>সিকান্দার আবু জাফর নিজেই এই পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন।</li>
<li>ষাটের দশকের বাংলা সাহিত্য ও প্রগতিশীল চিন্তাধারা বিকাশে এই পত্রিকাটির ভূমিকা ছিল অপরিসীম।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সাহিত্যিক ও সম্পাদক হিসেবে সিকান্দার আবু জাফরের নাম শুনলেই <strong>সমকাল</strong> পত্রিকার কথা মাথায় রাখা সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সমকাল</strong>। বাংলা সাহিত্য ও সাংবাদিকতার ইতিহাসে এই পত্রিকাটি অত্যন্ত প্রভাবশালী হওয়ার পেছনে কিছু বিশেষ কারণ রয়েছে:</p>
<ul>
<li><strong>সাহিত্যিক মান:</strong> সমকাল পত্রিকা তৎকালীন সময়ের প্রগতিশীল লেখক ও কবিদের লেখার প্রধান প্ল্যাটফর্ম হয়ে উঠেছিল।</li>
<li><strong>সাংস্কৃতিক প্রভাব:</strong> এটি কেবল একটি পত্রিকা ছিল না, বরং বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির বিকাশে এটি একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে কাজ করেছে।</li>
<li><strong>দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব:</strong> পত্রিকাটির সম্পাদকীয় নীতি এবং মানসম্মত প্রবন্ধ ও কবিতার কারণে এটি পাঠক মহলে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়, যা একে অন্যান্য সাময়িকী থেকে আলাদা করে তোলে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সমকাল তার সময়কার বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চাকে যেভাবে ধারণ করেছিল, তা অন্য কোনো সাময়িকীর পক্ষে সেভাবে সম্ভব হয়নি। তাই এটিই সবচেয়ে প্রভাবশালী হিসেবে বিবেচিত হয়।</p>
৭৫৮
ঢাকায় বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের মুখপত্ররূপে প্রকাশিত পত্রিকাটির নাম কী?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শিখা</strong>। বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল কুসংস্কারমুক্ত ও মুক্তচিন্তার সমাজ গঠন করা। এই আদর্শকে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য ১৯২৭ সালে ঢাকা থেকে <strong>'শিখা'</strong> পত্রিকা প্রকাশিত হয়।</p>
<ul>
<li>এই পত্রিকার মূল স্লোগান ছিল <strong>"জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব"</strong>।</li>
<li>আবুল হুসেন ও কাজী আব্দুল ওদুদ ছিলেন এই আন্দোলনের প্রধান পুরোধা, যারা শিখা পত্রিকার মাধ্যমে তৎকালীন রক্ষণশীল সমাজের বিরুদ্ধে যুক্তিবাদী চিন্তার মশাল জ্বালিয়েছিলেন।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কাঙ্গাল হরিণাথ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>১৮৬৩ সালে কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে কাঙ্গাল হরিণাথ মজুমদার এই পত্রিকাটি প্রকাশ করেন।</li>
<li>এই পত্রিকার মূল উদ্দেশ্য ছিল তৎকালীন গ্রামীণ সমাজের অন্যায়, অবিচার এবং নীলকরদের অত্যাচারের কথা সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরা।</li>
<li>কাঙ্গাল হরিণাথকে গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ বলা হয়, তাই ‘গ্রামবার্তা প্রকাশিকা’ নামটির সাথে তাঁর নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, গ্রামীণ মানুষের কণ্ঠস্বর হিসেবে পরিচিত এই পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন কাঙ্গাল হরিণাথ।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গ্রামবার্তা প্রকাশিকা</strong>। কাঙাল হরিণাথ মজুমদার ছিলেন একজন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও সমাজসেবক, যিনি গ্রামীণ মানুষের দুঃখ-দুর্দশা ও শোষণের কথা তুলে ধরার জন্য ১৮৬৩ সালে এই পত্রিকাটি প্রকাশ করেন।</p>
<ul>
<li><strong>সম্পাদক:</strong> কাঙাল হরিণাথ (হরিণাথ মজুমদার)।</li>
<li><strong>মূল লক্ষ্য:</strong> তৎকালীন গ্রামীণ সমাজের অন্যায়, অবিচার ও নীলকরদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে জনমত গঠন করা।</li>
<li><strong>গুরুত্ব:</strong> এটি ছিল উনিশ শতকের বাংলার অন্যতম প্রভাবশালী পত্রিকা, যা সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর হিসেবে পরিচিত ছিল।</li>
</ul>
৭৬১
সাপ্তাহিক ‘বেগম’ পত্রিকা ইংরেজি কোন সালে প্রথম প্রকাশিত হয়?
<p>সাপ্তাহিক ‘বেগম’ পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় <strong>১৯৪৭ সালে</strong>। এই পত্রিকাটির ইতিহাস বেশ চমৎকার, যা মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয় <strong>১৯৪৭ সালের ২০ জুলাই</strong>।</li>
<li>এটি কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়েছিল এবং এর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন <strong>নুরুন্নাহার বেগম</strong>।</li>
<li>পরবর্তীতে দেশভাগের পর ১৯৫০ সালে পত্রিকাটির দপ্তর ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়।</li>
</ul>
<p>নারীদের জাগরণ ও সাহিত্যচর্চায় এই পত্রিকার ভূমিকা অপরিসীম, তাই সালটি মনে রাখা আমাদের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ।</p>
৭৬২
বাংলাদেশে (বিভাগোত্তর পূর্ব বাংলায়) মহিলাদের সম্পাদনায় প্রথশ প্রকাশিত পত্রিকার সম্পাদকের নাম কি?
<p>বাংলাদেশে বা তৎকালীন পূর্ব বাংলায় নারীদের দ্বারা সম্পাদিত প্রথম পত্রিকা হলো <strong>'বেগম'</strong>। আর এই ঐতিহাসিক পত্রিকার সফল সম্পাদকের নাম হলো <strong>নূরজাহান বেগম</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য কিছু সহজ তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>পত্রিকার নাম:</strong> বেগম।</li>
<li><strong>প্রকাশকাল:</strong> ১৯৪৭ সালের ২০ জুলাই।</li>
<li><strong>সম্পাদক:</strong> নূরজাহান বেগম, যিনি দীর্ঘ সময় ধরে এই পত্রিকার হাল ধরেছিলেন এবং নারী জাগরণে অসামান্য অবদান রেখেছিলেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, নারীদের কণ্ঠস্বরকে জনসমক্ষে তুলে ধরতে নূরজাহান বেগমের এই উদ্যোগটি ছিল তৎকালীন সময়ে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ। তাই সঠিক উত্তরটি হলো <strong>নূরজাহান বেগম</strong>।</p>
<p>‘চতুরঙ্গ’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন <strong>হুমায়ুন কবির</strong>। এই পত্রিকাটি বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির জগতে বেশ গুরুত্বপূর্ণ একটি নাম।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>প্রতিষ্ঠা:</strong> হুমায়ুন কবির ১৯৩৮ সালে এই পত্রিকাটি কলকাতা থেকে প্রকাশ করেন।</li>
<li><strong>বৈশিষ্ট্য:</strong> এটি মূলত একটি সাহিত্য ও দর্শন বিষয়ক পত্রিকা ছিল, যা সেই সময়ের বুদ্ধিজীবী মহলে বেশ সমাদৃত হয়।</li>
<li><strong>মনে রাখার কৌশল:</strong> ‘চতুরঙ্গ’ মানে চার অঙ্গ বা চারটি দিক। হুমায়ুন কবিরের বহুমুখী প্রতিভার সাথে এই পত্রিকার নাম বেশ মানানসই, তাই এভাবে মনে রাখা সহজ।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>উত্তরাধিকার</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত সাহিত্য ও গবেষণাধর্মী পত্রিকাগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম প্রধান একটি নাম।</p>
<ul>
<li><strong>উত্তরাধিকার</strong> পত্রিকাটি বাংলা একাডেমীর নিজস্ব প্রকাশনা হিসেবে নিয়মিত প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এটি মূলত বাংলা সাহিত্য, সংস্কৃতি এবং গবেষণামূলক প্রবন্ধের একটি সমৃদ্ধ সংকলন।</li>
<li>বাংলা একাডেমীর অন্যান্য পরিচিত প্রকাশনার পাশাপাশি এই পত্রিকাটি সাহিত্যিকদের কাছে বেশ সমাদৃত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা একাডেমীর প্রাতিষ্ঠানিক মুখপত্র বা সাহিত্য পত্রিকার কথা উঠলেই <strong>উত্তরাধিকার</strong>-এর নাম সবার আগে আসে।</p>
৭৬৫
বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত ষান্মাসিক পত্রিকা কোনটি
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ধান শালিকের দেশ</strong>। বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত এই পত্রিকাটি মূলত শিশু-কিশোরদের জন্য একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ষান্মাসিক সাহিত্য পত্রিকা।</p>
<ul>
<li><strong>ধান শালিকের দেশ</strong> পত্রিকাটি বাংলা একাডেমীর একটি নিয়মিত প্রকাশনা।</li>
<li>এটি বছরে দুইবার বা ষান্মাসিক ভিত্তিতে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>শিশু-কিশোরদের সৃজনশীলতা ও মনন বিকাশে এই পত্রিকাটি দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।