<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মাকড়সা</strong>। খুব সহজভাবে মনে রাখার উপায় হলো, বাংলা সাহিত্যে বা ব্যাকরণে <strong>‘ঊর্ণনাভ’</strong> শব্দটি সরাসরি মাকড়সাকে নির্দেশ করে। এর কারণ হলো মাকড়সা তার নিজের দেহ থেকে সুতা বা জাল তৈরি করতে পারে, আর ‘ঊর্ণা’ শব্দের অর্থ হলো পশম বা সুতা। তাই এই বিশেষ নামের মাধ্যমে মূলত মাকড়সাটিকে বোঝানো হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়</strong>।</p>
<p>তাঁর কালজয়ী উপন্যাস <strong>'দুর্গেশনন্দিনী'</strong> (১৮৬৫ সালে প্রকাশিত) বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস। এর মাধ্যমেই বাংলা উপন্যাসের প্রকৃত ধারা ও আধুনিক যুগের সূচনা ঘটেছিল। তাই বাংলা আধুনিক উপন্যাসের প্রবর্তক বা জনক হিসেবে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কেই সবচেয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।</p>
৭৪১৩
কিন্তু আরম্ভের পূর্বেও আরম্ভ আছে।সন্ধ্যা বেলায় দীপ জ্বালার আগে সকাল বেলায় সলতে পাকানো” বাক্যদ্বয় কোন রচনা থেকে উদ্ধৃত?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>যোগাযোগ</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত এই উপন্যাসটির শুরুতেই অত্যন্ত সুন্দর ও গভীর এই কথাগুলো বলা হয়েছে। মূলত যেকোনো বড় কাজ বা ঘটনার পেছনে যে সুদীর্ঘ প্রস্তুতি ও নেপথ্য ইতিহাস থাকে, লেখক সেটাই এই রূপকধর্মী বাক্যের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছেন। তাই প্রশ্নোক্ত উদ্ধৃতিটি দেখলেই চোখ বন্ধ করে বলে দেওয়া যায় এটি 'যোগাযোগ' উপন্যাসের অংশ।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>একটি কালো মেয়ের কথা</strong>। এটি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক রাবেয়া খাতুনের লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় উপন্যাস।</p>
<p>সহজে মনে রাখার কিছু কৌশল:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটি মূলত বাংলাদেশের মহান <strong>মুক্তিযুদ্ধের</strong> প্রেক্ষাপটে রচিত।</li>
<li>গল্পের মূল উপজীব্য হলো যুদ্ধের সময়কার সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রাম ও মানবিক বিপর্যয়ের চিত্র।</li>
<li>পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য মনে রাখতে পারো, এটি মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা বাংলা সাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দেশভাগ</strong>।</p>
<p>মাহমুদুল হকের বিখ্যাত উপন্যাস 'কালো বরফ'-এর মূল প্রেক্ষাপট হলো ১৯৪৭ সালের ঐতিহাসিক দেশভাগ। এই উপন্যাসে দেশভাগের ফলে মানুষের জীবনে নেমে আসা চরম ট্র্যাজেডি, বাস্তুহারা হওয়ার বেদনা এবং আত্মপরিচয়ের সংকট অত্যন্ত সুন্দর ও বাস্তবসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার</strong>। ঊনবিংশ শতাব্দীতে প্রকাশিত বিখ্যাত ‘ঢাকা প্রকাশ’ পত্রিকাটির প্রথম সম্পাদক ছিলেন তিনি। এই পত্রিকাটি বাংলার journalistic ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল এবং এর সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করে কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার সাহিত্য অঙ্গনে বিশেষ পরিচিতি লাভ করেন।</p>
৭৪১৭
“সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারাদিন আমি যেন ভালো হয়ে চলি” চরণ দুটির রচয়িতা কে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মদনমোহন তর্কালঙ্কার</strong>।</p>
<p>ছোটবেলার পাঠশালায় কিংবা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ্যবইয়ে আমরা সবাই এই বিখ্যাত ছড়াটি পড়েছি। নীতিশিক্ষা ও আদর্শ গঠনের ওপর লেখা এই অমর পঙক্তিমালাটি শিশুসাহিত্যিক মদনমোহন তর্কালঙ্কারের রচনা। তাঁর রচিত 'শিশুকশিক্ষা' গ্রন্থ থেকেই মূলত এই চরণগুলো নেওয়া হয়েছে, যা আজও আমাদের শৈশবের স্মৃতি ও নৈতিক মূল্যবোধের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে।</p>
<p>চর্যাপদে মূলত <strong>বৌদ্ধধর্মের</strong> সহজিয়া মতবাদের কথা ফুটে উঠেছে। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>চর্যাপদ হলো বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন, যা মূলত বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যদের সাধন সংগীত।</li>
<li>এখানে বৌদ্ধধর্মের <strong>সহজযান</strong> বা <strong>বজ্রযান</strong> শাখার তত্ত্ব, সাধনপদ্ধতি এবং দার্শনিক মতবাদ রূপকের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে।</li>
<li>এই পদগুলোতে লৌকিক জীবনের চিত্র থাকলেও এর মূল ভিত্তি ছিল বৌদ্ধ ধর্মের আধ্যাত্মিক সাধনা।</li>
</ul>
<p>তাই চর্যাপদের মূল উপজীব্য বিষয় হিসেবে বৌদ্ধধর্মই ঐতিহাসিকভাবে স্বীকৃত।</p>
<p>শরতের শিশির বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো <strong>সুসময়ের বন্ধু</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। শরতের শিশির বেশিক্ষণ স্থায়ী হয় না, রোদ উঠলেই তা মিলিয়ে যায়। ঠিক তেমনি, যারা কেবল ভালো সময়ে পাশে থাকে কিন্তু বিপদের সময় তাদের আর খুঁজে পাওয়া যায় না, তাদেরই আমরা 'শরতের শিশির' বলে থাকি। অর্থাৎ, এদের বন্ধুত্ব বা উপস্থিতি খুবই ক্ষণস্থায়ী।</p>
<ul>
<li><strong>মূল ধারণা:</strong> শরতের শিশির = ক্ষণস্থায়ী উপস্থিতি।</li>
<li><strong>প্রয়োগ:</strong> স্বার্থপর বা সুযোগসন্ধানী বন্ধুদের ক্ষেত্রে এই বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>বাংলা ব্যাকরণ ও শব্দার্থের ক্ষেত্রে <strong>"প্রোষিতভর্তৃকা"</strong> শব্দটি বেশ পরিচিত। এখানে সঠিক উত্তর হলো: <strong>যে বিবাহিতা নারী পিত্রালয়ে অবস্থান করে।</strong></p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের সহজ কৌশলটি খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>প্রোষিত</strong> শব্দের অর্থ হলো যা কোথাও পাঠানো হয়েছে বা দূরে আছে।</li>
<li><strong>ভর্তৃকা</strong> শব্দটি এসেছে 'ভর্তা' বা স্বামী থেকে।</li>
<li>সহজ কথায়, যে নারী তার স্বামীর বাড়ি ছেড়ে বর্তমানে পিত্রালয়ে বা বাবার বাড়িতে অবস্থান করছেন, তাকেই এক কথায় <strong>প্রোষিতভর্তৃকা</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষার জন্য এই শব্দটি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ এটি পারিবারিক অবস্থার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। তাই যখনই এই শব্দটি দেখবেন, মনে রাখবেন এটি মূলত একজন বিবাহিত নারীর বাবার বাড়িতে থাকার অবস্থাকেই নির্দেশ করে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কাহপাদ</strong>। চর্যাপদের পদকারদের মধ্যে লুইপাদ, শান্তিপাদ এবং ভুসুকুপাদ বা অন্যান্য পাদ্গণ প্রাচীন যুগের (চর্যাপদের সময়কার) কবি হলেও 'রমনীপাদ' বা এ জাতীয় নামের কেউ চর্যাপদের আদি কবিদের তালিকায় নেই। চর্যাপদের মোট পদকার বা কবি সংখ্যা নিয়ে সামান্য মতভেদ থাকলেও, নামগুলোর ক্ষেত্রে একটু খেয়াল করলেই বোঝা যায় অপশনগুলোর মধ্যে কে এই ঐতিহাসিকভাবে স্বীকৃত চর্যাপদের কবিদের অন্তর্ভুক্ত নন।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ময়মনসিংহ গীতিকা</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li><strong>পুঁথি সাহিত্য:</strong> মধ্যযুগের এই ধারার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো আরবি, ফারসি বা হিন্দুস্থানি শব্দের মিশ্রণে রচিত আখ্যানকাব্য। ইউসুফ জুলেখা, পদ্মাবতী বা লাইলী মজনুর মতো কাব্যগুলো এই ধারারই প্রতিনিধিত্ব করে।</li>
<li><strong>ময়মনসিংহ গীতিকা:</strong> এটি মূলত লোকসাহিত্যের একটি অমূল্য সম্পদ। এটি কোনো পুঁথি সাহিত্যের অংশ নয়, বরং এটি লোকগাথা বা লোকসংগীতের সংকলন, যা মূলত গ্রামীণ মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত ছিল।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, পুঁথি সাহিত্য যেখানে ফারসি ও আরবি ঐতিহ্যের প্রভাবপুষ্ট, সেখানে ময়মনসিংহ গীতিকা সম্পূর্ণভাবে বাংলার লোকজ সংস্কৃতির নিজস্ব ধারা।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়</strong>।</p>
<p>এই বিখ্যাত উক্তিটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কালজয়ী উপন্যাস <strong>'কপালকুণ্ডলা'</strong> থেকে নেওয়া হয়েছে। উপন্যাসটির শুরুতে যখন নবকুমার সমুদ্রতীরে পথ হারিয়ে ফেলেছিলেন, তখন কপালকুণ্ডলা তাকে উদ্দেশ্য করে এই কথাটি বলেছিলেন।</p>
<ul>
<li><strong>উপন্যাস:</strong> কপালকুণ্ডলা</li>
<li><strong>লেখক:</strong> বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়</li>
<li><strong>প্রেক্ষাপট:</strong> সমুদ্রতীরে পথ হারানো নবকুমারকে কপালকুণ্ডলার প্রথম সম্ভাষণ।</li>
</ul>
<p>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এটি অন্যতম জনপ্রিয় এবং পরিচিত একটি সংলাপ, যা মূলত কপালকুণ্ডলা চরিত্রের রহস্যময়তা ও গাম্ভীর্যকে ফুটিয়ে তোলে।</p>
<p>‘অচিন’ শব্দটিতে ‘অ’ উপসর্গটি <strong>নঞর্থক</strong> বা না-বাচক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। বাংলা ব্যাকরণে যখন কোনো শব্দের শুরুতে ‘অ’ যুক্ত হয়ে তার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাকে নঞর্থক উপসর্গ বলা হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>‘চিন’ মানে যা পরিচিত।</li>
<li>এর আগে ‘অ’ যুক্ত হয়ে ‘অচিন’ হয়েছে, যার অর্থ ‘যা চেনা নয়’ বা ‘অপরিচিত’।</li>
<li>এখানে ‘অ’ শব্দটি মূলত ‘না’ বা ‘অভাব’ বোঝাচ্ছে, তাই ব্যাকরণের ভাষায় একে <strong>নঞর্থক</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।