<p>যে ভূমিতে ফসল জন্মায় না, তাকে এক কথায় বলা হয় <strong>ঊষর</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li><strong>ঊষর</strong> শব্দটির আক্ষরিক অর্থই হলো এমন ভূমি যা অনুর্বর বা যেখানে চাষাবাদ করা সম্ভব নয়।</li>
<li>সাধারণত লবণাক্ত বা শুষ্ক মাটির কারণে যখন কোনো জমিতে ফসল ফলানো যায় না, তখন সেই বিশেষ অবস্থাকে বোঝাতে আমরা <strong>ঊষর</strong> শব্দটি ব্যবহার করি।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় এই প্রশ্নটি দেখলে সরাসরি <strong>ঊষর</strong> উত্তরটি বেছে নিতে পারেন, কারণ এটিই এই পরিস্থিতির সবচেয়ে সঠিক ও মানসম্মত শব্দ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিপরীত</strong>।</p>
<p>খুব সহজভাবে মনে রাখার কৌশল হলো— ‘মান’ শব্দের অর্থ সম্মান বা মর্যাদা। এর আগে যখন ‘অপ’ উপসর্গটি যুক্ত হয়ে ‘অপমান’ শব্দ তৈরি হয়, তখন তা সম্মানের ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ অর্থাৎ অসম্মান প্রকাশ করে। তাই এখানে ‘অপ’ উপসর্গটি বিপরীত অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আল-মাহমুদ</strong>। বাংলা সাহিত্যের আধুনিক ধারার অন্যতম প্রধান কবি আল-মাহমুদ তাঁর কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ ‘সোনালী কাবিন’-এর জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।</p>
<p>এই বিষয়টি মনে রাখার জন্য কিছু সহজ তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>সোনালী কাবিন</strong> বাংলা সাহিত্যের একটি আধুনিক সনেট গুচ্ছ।</li>
<li>এটি ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং কবি আল-মাহমুদকে বাংলা কবিতার ইতিহাসে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়।</li>
<li>পরীক্ষায় বারবার আসা এই প্রশ্নটি মনে রাখতে ‘আল-মাহমুদ’ এবং ‘সোনালী কাবিন’ শব্দ দুটিকে একসাথে মাথায় গেঁথে নিন।</li>
</ul>
৭৪৪৪
বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত ত্রৈমাসিক সাহিত্য পত্রিকার নাম—
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>উত্তরাধিকার</strong>। বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত এই সাহিত্য পত্রিকাটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং এটি নিয়মিতভাবে বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা ও গবেষণামূলক লেখা প্রকাশ করে থাকে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য:</p>
<ul>
<li><strong>বাংলা একাডেমী</strong> আমাদের জাতীয় প্রতিষ্ঠান।</li>
<li>তাদের মুখপত্র বা সাহিত্য পত্রিকার নাম হিসেবে <strong>উত্তরাধিকার</strong> নামটি বিশেষভাবে পরিচিত।</li>
<li>এটি মূলত সাহিত্যের মানসম্মত চর্চা ও প্রসারের লক্ষ্যে নিয়মিত প্রকাশিত হয়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আলালের ঘরের দুলাল</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। প্যারীচাঁদ মিত্রের লেখা বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস হলো 'আলালের ঘরের দুলাল'। এই উপন্যাসের প্রধান আকর্ষণই হলো এর চরিত্রগুলো। কেন এই উত্তরটি সঠিক, তার কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li><strong>ঠক চাচা</strong> চরিত্রটি এই উপন্যাসের অন্যতম প্রধান এবং জনপ্রিয় একটি চরিত্র।</li>
<li>উপন্যাসটিতে তৎকালীন সমাজের ভণ্ডামি ও কুসংস্কারকে ফুটিয়ে তুলতে লেখক ঠক চাচার মতো চরিত্রকে দারুণভাবে ব্যবহার করেছেন।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এই চরিত্রটি তার চাতুর্য এবং সংলাপের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই 'ঠক চাচা'র কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে ধরে নেবেন এটি <strong>আলালের ঘরের দুলাল</strong> উপন্যাসেরই অংশ।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১৮৭২ সালে</strong>। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচনকারী এই পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৭২ সালের এপ্রিল মাসে (বৈশাখ ১২৭৯ বঙ্গাব্দ)।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বঙ্কিমচন্দ্রের কালজয়ী এই পত্রিকাটি প্রকাশের সালটি হলো <strong>১৮৭২</strong>।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের বিকাশে এই সালটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই পত্রিকা থেকেই বাংলা প্রবন্ধ ও উপন্যাসের ধারায় এক বড় পরিবর্তন আসে।</li>
</ul>
<p>সাধু ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্য মূলত <strong>ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপের</strong> মধ্যেই সীমাবদ্ধ। এই পার্থক্যটি বোঝার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>ক্রিয়াপদের রূপ:</strong> সাধু ভাষায় ক্রিয়াপদ পূর্ণাঙ্গ থাকে (যেমন: করিতেছি, চলিল), কিন্তু চলিত ভাষায় তা সংক্ষিপ্ত ও সহজ হয় (যেমন: করছি, চলল)।</li>
<li><strong>সর্বনাম পদের রূপ:</strong> সাধু ভাষায় সর্বনাম পদগুলো বেশ গুরুগম্ভীর হয় (যেমন: তাহার, কাহারা), অন্যদিকে চলিত ভাষায় এগুলো ছোট ও সাবলীল (যেমন: তার, কারা)।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সাধু ভাষা যেখানে ব্যাকরণগতভাবে সুনির্ধারিত ও দীর্ঘ রূপ অনুসরণ করে, চলিত ভাষা সেখানে ক্রিয়াপদ ও সর্বনামের সংক্ষিপ্ত ও গতিশীল রূপ ব্যবহার করে ভাষাকে সহজবোধ্য করে তোলে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সিকানদার আবু জাফর</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে 'সমকাল' একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী পত্রিকা ছিল, যা ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত হয়। এই পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক সিকানদার আবু জাফর। তিনি দীর্ঘ সময় অত্যন্ত দক্ষতার সাথে পত্রিকাটির সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেছিলেন।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কালীপ্রসন্ন ঘোষ</strong>। উনবিংশ শতাব্দীর এই বিশিষ্ট বাঙালি সাহিত্যিক ও চিন্তাবিদ তাঁর গভীর ও মননশীল রচনার জন্য পরিচিত।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>কালীপ্রসন্ন ঘোষ</strong> মূলত তাঁর প্রবন্ধ ও চিন্তামূলক রচনার জন্য বিখ্যাত।</li>
<li>তাঁর লেখা ‘প্রভাত চিন্তা’, ‘নিভৃত চিন্তা’ এবং ‘নিশীত চিন্তা’ গ্রন্থগুলো বাংলা সাহিত্যে চিন্তাশীল প্রবন্ধের ধারায় এক অনন্য সংযোজন।</li>
<li>এই বইগুলোর নামের মধ্যেই একটি দার্শনিক ভাবগাম্ভীর্য আছে, যা তাঁর লেখনীর প্রধান বৈশিষ্ট্য।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য শুধু এই নামগুলোর সাথে <strong>কালীপ্রসন্ন ঘোষ</strong>-কে মিলিয়ে নিলেই হবে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রমথ চৌধুরী</strong>।</p>
<p>এই বিখ্যাত উক্তিটি প্রমথ চৌধুরীর <strong>'বইপড়া'</strong> প্রবন্ধ থেকে নেওয়া হয়েছে। উক্তিটির পেছনের মূল ভাবনাটি খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>প্রমথ চৌধুরী মনে করতেন, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার চেয়ে নিজের চেষ্টায় অর্জিত জ্ঞানই আসল।</li>
<li>একজন মানুষ তখনই প্রকৃত শিক্ষিত হন, যখন তিনি বই পড়ার মাধ্যমে নিজের বুদ্ধিবৃত্তিকে জাগ্রত করেন।</li>
<li>তাই তিনি বলেছেন, সুশিক্ষিত হওয়ার জন্য নিজের আগ্রহ ও স্ব-উদ্যোগই সবচেয়ে বড় শিক্ষক।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বই পড়ার অভ্যাসই মানুষকে স্বশিক্ষিত করে তোলে, আর এই দর্শনের প্রবক্তা হলেন প্রমথ চৌধুরী।</p>
<p>শুদ্ধ বানানটি হলো <strong>মুহুর্মুহু</strong>। এই বানানটি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল মাথায় রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>শব্দটির মূল অংশ হলো 'মুহুর' এবং 'মুহু'।</li>
<li>এখানে উভয় ক্ষেত্রেই 'ম'-এর সাথে <strong>রসুকার (ু)</strong> ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>'মুহুর' অংশের 'র'-এর ওপর একটি <strong>রেফ (র্)</strong> বসবে, যা পরবর্তী 'মুহু' অংশের আগে উচ্চারিত হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বানানটি লেখার সময় খেয়াল রাখবেন যেন কোনো দীর্ঘকার (ূ) ব্যবহার না হয়। সব জায়গায় রসুকার ব্যবহার করলেই বানানটি একদম নির্ভুল হয়ে যাবে।</p>
<p>দ্যুলোক শব্দের সঠিক সন্ধি-বিচ্ছেদ হলো <strong>দিব্ + লোক</strong>। এটি মূলত সংস্কৃত সন্ধির নিয়মে গঠিত হয়েছে। বিষয়টি সহজভাবে বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী, 'দিব্' শব্দের সাথে 'লোক' যুক্ত হলে সন্ধির নিয়মে 'ব্' বর্ণটি 'উ' কারে রূপান্তরিত হয়।</li>
<li>অর্থাৎ, <strong>দিব্ + লোক = দ্যুলোক</strong>।</li>
<li>এখানে 'ব্' এর সাথে 'ল' যুক্ত হয়ে 'দ্যু' ধ্বনিটি তৈরি করে, যা উচ্চারণগতভাবে সহজ ও শুদ্ধ।</li>
</ul>
<p>তাই মনে রাখার সহজ উপায় হলো, 'দ্যু' অংশটি আসলে 'দিব্' ধাতু থেকে এসেছে। এই ছোট কৌশলটি মনে রাখলেই আপনি যেকোনো সময় নির্ভুলভাবে এটি দাগাতে পারবেন।</p>
<p>বিশেষ্য থেকে বিশেষণ তৈরির নিয়মটি খুব সহজ। এখানে ‘ইচ্ছা’ শব্দটি একটি বিশেষ্য পদ, যা কোনো কিছুর আকাঙ্ক্ষা বা অভিপ্রায় বোঝায়। যখন আমরা এই বিশেষ্যটির সাথে ‘ময়’ প্রত্যয় যোগ করি, তখন এটি একটি গুণবাচক শব্দে পরিণত হয়।</p>
<ul>
<li><strong>ইচ্ছা</strong> (বিশেষ্য) + <strong>ময়</strong> (প্রত্যয়) = <strong>ইচ্ছাময়</strong> (বিশেষণ)।</li>
<li>‘ইচ্ছাময়’ শব্দটি কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর এমন অবস্থাকে বোঝায় যা ইচ্ছা দ্বারা পূর্ণ বা ইচ্ছার অধীন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো বিশেষ্য পদের শেষে ‘ময়’ যুক্ত করে যখন আমরা তার বৈশিষ্ট্য বা গুণ প্রকাশ করি, তখন সেটি বিশেষণ হয়ে যায়। তাই এখানে ‘ইচ্ছাময়’ শব্দটিই সঠিক বিশেষণ।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।