<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১৯৭৯-৮০</strong>। বাংলাদেশ তার কূটনৈতিক দক্ষতার মাধ্যমে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের অবস্থান তৈরি করে নিয়েছিল।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের তথ্যগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে অস্থায়ী সদস্য হিসেবে বাংলাদেশের প্রথম মেয়াদ ছিল ১৯৭৯ থেকে ১৯৮০ সাল পর্যন্ত।</li>
<li>এই সময়ে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিল।</li>
<li>পরবর্তীতে বাংলাদেশ আরও একবার, অর্থাৎ ২০০০-২০০১ মেয়াদে নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয়েছিল।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলাদেশের প্রথমবার নিরাপত্তা পরিষদে যাওয়ার সময়কালটি ছিল <strong>১৯৭৯-৮০</strong>।</p>
<p><strong>উদ্বাসন</strong> শব্দটির অর্থ হলো নিজের ভিটেমাটি বা বাসভূমি থেকে জোরপূর্বক বিতাড়িত হওয়া। সহজ কথায়, যখন কোনো মানুষ তার আদি নিবাস ছেড়ে অন্য কোথাও আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়, সেই পরিস্থিতিকেই উদ্বাসন বলা হয়।</p>
<ul>
<li><strong>উত্ + বস + অন:</strong> এই সন্ধি বিচ্ছেদটি খেয়াল করলে দেখা যায়, 'উত্' মানে উপরে বা দূরে এবং 'বস' মানে বাস করা। অর্থাৎ, নিজের জায়গা থেকে দূরে সরে যাওয়া বা বসতি হারানোই হলো উদ্বাসন।</li>
<li>সাধারণত যুদ্ধ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে মানুষ যখন তার স্থায়ী ঠিকানা হারায়, তখন তাকে <strong>উদ্বাস্তু</strong> বলা হয়, আর এই পুরো প্রক্রিয়াটিই হলো <strong>উদ্বাসন</strong>।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>লোকায়ত জীবন-সংস্কৃতি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বুঝতে নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করো:</p>
<ul>
<li>'কিত্তনখেলা' নাটকটি মূলত আমাদের গ্রামীণ জনপদের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা এবং তাদের নিজস্ব সংস্কৃতির ওপর ভিত্তি করে লেখা।</li>
<li>এই নাটকে লোকজ উৎসব, আচার-অনুষ্ঠান এবং গ্রামীণ মানুষের সহজ-সরল জীবনবোধকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।</li>
<li>যেহেতু নাটকের মূল উপজীব্যই হলো সাধারণ মানুষের লোকায়ত চর্চা, তাই এটি লোকায়ত জীবন-সংস্কৃতির এক অনন্য দলিল।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, আমাদের মাটির কাছাকাছি থাকা মানুষের জীবন ও সংস্কৃতির যে রূপ, সেটাই এই নাটকের প্রাণ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সিংহাসন</strong>। মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস চেনার উপায় খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>যে সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝখানের পদটি সমস্ত পদে গিয়ে লোপ পায় বা হারিয়ে যায়, তাকেই মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে।</li>
<li>এখানে ব্যাসবাক্য হলো: <strong>সিংহ চিহ্নিত আসন</strong>।</li>
<li>সমস্ত পদ তৈরির সময় মাঝখানের <strong>চিহ্নিত</strong> শব্দটি বাদ পড়ে গিয়ে তৈরি হয়েছে <strong>সিংহাসন</strong>।</li>
</ul>
<p>বাক্যের দুটি অংশ হলো <strong>উদ্দেশ্য</strong> এবং <strong>বিধেয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>উদ্দেশ্য:</strong> বাক্যে যার সম্পর্কে কিছু বলা হয়, তাকে উদ্দেশ্য বলে। যেমন: "রহিম বই পড়ছে" — এখানে 'রহিম' হলো উদ্দেশ্য।</li>
<li><strong>বিধেয়:</strong> উদ্দেশ্য সম্পর্কে যা কিছু বলা হয়, তাকে বিধেয় বলে। উপরের উদাহরণে 'বই পড়ছে' অংশটি হলো বিধেয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাক্যের যে অংশে কর্তা থাকে তা হলো উদ্দেশ্য, আর বাকি অংশটুকু হলো বিধেয়। এই দুটি অংশ মিলেই একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য গঠিত হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নৈয়ায়িক</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো বিশেষ শাস্ত্র বা বিদ্যা সম্পর্কে যিনি গভীর জ্ঞান রাখেন, তাকে সেই শাস্ত্রের সাথে সম্পর্কিত বিশেষ নামে ডাকা হয়।</p>
<ul>
<li><strong>ন্যায়</strong> শাস্ত্রের সাথে যুক্ত বা এই শাস্ত্র যিনি জানেন, তাকে এক কথায় বলা হয় <strong>নৈয়ায়িক</strong>।</li>
<li>শব্দ গঠনের দিক থেকে 'ন্যায়' শব্দের সাথে 'ইক' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নৈয়ায়িক শব্দটি তৈরি হয়েছে, যার অর্থ হলো ন্যায় শাস্ত্রের পণ্ডিত বা বিশেষজ্ঞ।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় বা সাধারণ আলোচনায় এই ধরনের প্রশ্ন এলে সরাসরি <strong>নৈয়ায়িক</strong> শব্দটি মনে রাখলেই চলবে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পদ্মাবতী</strong>। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি আলাওল তাঁর অমর সৃষ্টি 'পদ্মাবতী' কাব্যের জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য কিছু সহজ তথ্য:</p>
<ul>
<li>আলাওল ছিলেন আরাকান রাজসভার কবি।</li>
<li>তিনি হিন্দি কবি মালিক মুহম্মদ জায়সীর 'পদুমাবত' অবলম্বনে এই কাব্যটি রচনা করেন।</li>
<li>এটি বাংলা সাহিত্যের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার একটি অনন্য নিদর্শন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, আলাওলের নাম শুনলেই মাথায় প্রথম যে কাব্যটির নাম আসা উচিত, তা হলো <strong>পদ্মাবতী</strong>। এটি তাঁর পাণ্ডিত্য এবং কাব্যশৈলীর এক অসাধারণ উদাহরণ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>যন্ত্রনা</strong>। কারণ বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী এই শব্দটি ভুল।</p>
<ul>
<li>শব্দটি হবে <strong>যাতনা</strong>।</li>
<li>মূলত 'যন্ত্র' শব্দের সাথে 'না' যুক্ত হয়ে 'যন্ত্রণা' (মূর্ধন্য-ণ ব্যবহার করে) শব্দটি গঠিত হয়।</li>
<li>'যন্ত্রনা' বানানে দন্ত্য-ন ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সঠিক বানানটি হলো <strong>যন্ত্রণা</strong>। তাই অপশনে থাকা 'যন্ত্রনা' শব্দটি ভুল বা অশুদ্ধ।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চর্যাপদ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>সান্ধ্য ভাষা</strong> বলতে বোঝায় এমন এক ধরনের রূপক বা সংকেতময় ভাষা, যা সরাসরি অর্থ প্রকাশ না করে গভীর আধ্যাত্মিক ইঙ্গিত দেয়।</li>
<li>চর্যাপদের কবিরা তাদের সাধন-ভজনের তত্ত্বগুলো সাধারণ মানুষের চোখের আড়ালে রাখার জন্য এই বিশেষ ভাষা ব্যবহার করেছিলেন।</li>
<li>সহজ কথায়, চর্যাপদের প্রতিটি পদের ভেতরেই এই রহস্যময় বা সান্ধ্য ভাষার প্রয়োগ রয়েছে, যা একে বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম ও অনন্য নিদর্শনে পরিণত করেছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পারত্রিক</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>ঐহিক</strong> শব্দটির অর্থ হলো যা এই ইহলোক বা পৃথিবী সম্পর্কিত।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>পারত্রিক</strong> শব্দটির অর্থ হলো যা পরলোক বা অন্য কোনো জগত সম্পর্কিত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ইহলোক বা বর্তমান জীবনের বিপরীত হিসেবে পরলোক বা পরকালকে বোঝাতে আমরা <strong>ঐহিক</strong>-এর বিপরীতে <strong>পারত্রিক</strong> শব্দটি ব্যবহার করি। তাই শব্দার্থের দিক থেকে এটিই সবচেয়ে সঠিক।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রমথ চৌধুরী</strong>। বাংলা সাহিত্যের চলিত ভাষারীতিকে জনপ্রিয় করার ক্ষেত্রে এই পত্রিকার ভূমিকা ছিল অপরিসীম।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>সবুজপত্র</strong> পত্রিকাটি ১৯১৪ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এর প্রধান উদ্যোক্তা ও সম্পাদক ছিলেন প্রমথ চৌধুরী, যিনি 'বীরবল' ছদ্মনামে লিখতেন।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষার প্রবর্তনে এই পত্রিকা একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করেছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা</strong>। এটি শহীদ আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের লেখা একটি কালজয়ী উপন্যাস।</p>
<p>কেন এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হিসেবে পরিচিত, তার সহজ কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li>এই উপন্যাসে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং এর আগের ও পরের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।</li>
<li>উপন্যাসটির মূল উপজীব্য হলো মুক্তিযুদ্ধের সময়কার সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রাম, আশা-আকাঙ্ক্ষা এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার বাস্তব চিত্র।</li>
<li>শহীদ আখতারুজ্জামান ইলিয়াস তার এই লেখায় তৎকালীন বাংলাদেশের সমাজবাস্তবতাকে এমনভাবে তুলে ধরেছেন, যা মুক্তিযুদ্ধকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময়কার রাজনৈতিক ও সামাজিক জটিলতা বুঝতে এই উপন্যাসটি একটি অনন্য দলিল।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।