<p>জিয়া সার কারখানায় উৎপাদিত প্রধান সারের নাম হলো <strong>ইউরিয়া</strong>। এই কারখানাটি মূলত প্রাকৃতিক গ্যাসকে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করে ইউরিয়া সার উৎপাদন করে থাকে।</p>
<ul>
<li>জিয়া সার কারখানা বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ সার উৎপাদন কেন্দ্র।</li>
<li>এখানে প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান মিথেন ($CH_4$) থেকে অ্যামোনিয়া ($NH_3$) তৈরি করা হয়।</li>
<li>পরবর্তীতে সেই অ্যামোনিয়া ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের ($CO_2$) বিক্রিয়ায় ইউরিয়া ($NH_2CONH_2$) সার প্রস্তুত করা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, প্রাকৃতিক গ্যাসের সহজলভ্যতাকে কাজে লাগিয়ে এখানে বাণিজ্যিকভাবে ইউরিয়া সার উৎপাদন করা হয়, যা আমাদের কৃষিখাতে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে।</p>
<p>এই কালজয়ী গানটির গীতিকার হলেন <strong>মরহুম নজরুল ইসলাম বাবু</strong>। গানটি আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময়কার অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং আবেগঘন একটি দেশাত্মবোধক গান।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>গানটির সুরকার ছিলেন আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল।</li>
<li>গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছিলেন সাবিনা ইয়াসমিন।</li>
<li>গীতিকার নজরুল ইসলাম বাবু এই একটি গানের মাধ্যমেই বাংলা সংগীতে অমর হয়ে আছেন।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই গীতিকার হিসেবে <strong>নজরুল ইসলাম বাবু</strong>-র নামটা মনে রাখলেই চলবে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কৃষ্ণকান্তের উইল</strong>। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কালজয়ী এই উপন্যাসের অন্যতম প্রধান এবং আকর্ষণীয় চরিত্র হলো রোহিনী।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>রোহিনী চরিত্রটি বঙ্কিমচন্দ্রের সৃষ্ট বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জটিল ও মানবিক একটি চরিত্র।</li>
<li>উপন্যাসের মূল কাহিনি আবর্তিত হয়েছে গোবিন্দলাল, ভ্রমর এবং এই রোহিনীকে কেন্দ্র করেই।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই মনে রাখার জন্য 'কৃষ্ণকান্তের উইল' এবং 'রোহিনী' নাম দুটি একসাথে মনে রাখাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।</li>
</ul>
৭৪২৯
বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতে কোন বিষয়টি প্রধান ভাবে আছে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বাংলার প্রকৃতির কথা</strong>। আমাদের জাতীয় সঙ্গীতের প্রতিটি চরণে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর অত্যন্ত মমতা ও নিপুণতায় বাংলার রূপ-সৌন্দর্যকে ফুটিয়ে তুলেছেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>সঙ্গীতের শুরুতেই বলা হয়েছে 'আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি'—এখানে 'সোনার বাংলা' বলতে মূলত বাংলার শস্য-শ্যামলা মাঠ, আকাশ, বাতাস এবং প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যকে বোঝানো হয়েছে।</li>
<li>গানের প্রতিটি লাইনে বাংলার আকাশ, বাতাস, বনভূমি এবং ফসলের মাঠের যে বর্ণনা দেওয়া হয়েছে, তা সরাসরি আমাদের প্রকৃতির রূপকেই তুলে ধরে।</li>
<li>তাই এই সঙ্গীতের মূল উপজীব্য বিষয় হলো বাংলার চিরচেনা প্রকৃতি।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নশ্বর</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>'নশ্বর' শব্দটি মূলত এমন কিছুকে বোঝায় যার বিনাশ বা ধ্বংস অনিবার্য।</li>
<li>যেহেতু প্রশ্নানুসারে কোনো কিছু 'চিরস্থায়ী নয়' বা যার স্থায়িত্ব নেই, তাই ব্যাকরণগত ও ভাবার্থের দিক থেকে একে 'নশ্বর' বলাটাই সবচেয়ে যথাযথ।</li>
<li>সহজ কথায়, যা আজ আছে কিন্তু কাল থাকবে না বা যার শেষ আছে, তাকেই আমরা এক কথায় <strong>নশ্বর</strong> বলি।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সোনারগাঁ</strong>। মুঘল আমলে সুবে বাংলার প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক গুরুত্বের কারণে সোনারগাঁ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কেন্দ্র ছিল।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ কৌশল:</p>
<ul>
<li>মুঘল সুবাদার ও সম্রাটদের শাসনামলে বাংলার অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক প্রাণকেন্দ্র হিসেবে সোনারগাঁয়ের খ্যাতি ছিল বিশ্বজোড়া।</li>
<li>ঐতিহাসিকভাবে মুঘলরা তাদের শাসনব্যবস্থাকে সুসংহত করতে সোনারগাঁকে কৌশলগত রাজধানী হিসেবে ব্যবহার করেছিল।</li>
<li>সোনারগাঁয়ের ভৌগোলিক অবস্থান এবং নদীপথের সহজলভ্যতা মুঘলদের শাসনকাজ পরিচালনার জন্য ছিল সবচেয়ে সুবিধাজনক।</li>
</ul>
<p>তাই মুঘল আমলে সুবে বাংলার রাজধানী হিসেবে সোনারগাঁয়ের নামই ঐতিহাসিকভাবে স্বীকৃত।</p>
৭৪৩৩
‘অবমূল্যায়ন’ ও ‘অবদান’ শব্দ দুটিতে ‘অব’ উপসর্গটি সম্পর্কে কোন মন্তব্যটি ঠিক?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দুটি শব্দে উপসর্গটির অর্থ দু’রকম</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় যদি আমরা শব্দ দুটির গঠন ও অর্থ বিশ্লেষণ করি:</p>
<ul>
<li><strong>অবমূল্যায়ন:</strong> এখানে ‘অব’ উপসর্গটি <em>হীনতা</em> বা <em>নিচু</em> অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। অর্থাৎ, কোনো কিছুর মূল্য কমিয়ে দেখা বা গুরুত্বহীন করা।</li>
<li><strong>অবদান:</strong> এখানে ‘অব’ উপসর্গটি <em>বিশেষ</em> বা <em>সম্যক</em> অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। অর্থাৎ, কোনো কাজে নিজের বিশেষ অংশগ্রহণ বা দান।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, একই ‘অব’ উপসর্গ হলেও প্রেক্ষাপট অনুযায়ী এদের অর্থের বিশাল পার্থক্য তৈরি হয়েছে। তাই এই শব্দ দুটিতে উপসর্গটি ভিন্ন ভিন্ন অর্থ বহন করছে।</p>
৭৪৩৪
“জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব।” এ উক্তিটি কোন পত্রিকার প্রতি সংখ্যায় লেখা থাকত?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শিখা</strong>। এই বিখ্যাত উক্তিটি মূলত 'শিখা' পত্রিকার মূলমন্ত্র বা আদর্শ হিসেবে ব্যবহৃত হতো।</p>
<ul>
<li><strong>শিখা</strong> পত্রিকা ছিল বিশ শতকের শুরুর দিকের একটি প্রগতিশীল সাহিত্য পত্রিকা।</li>
<li>এই পত্রিকার মাধ্যমে তৎকালীন সমাজে মুক্তচিন্তা ও বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার প্রসার ঘটানো হতো।</li>
<li>পত্রিকাটির প্রতিটি সংখ্যার প্রচ্ছদে বা শুরুর পাতায় এই উক্তিটি মুদ্রিত থাকত, যা পাঠকদের কুসংস্কারমুক্ত ও যুক্তিবাদী হতে উৎসাহিত করত।</li>
</ul>
৭৪৩৫
‘মানুষেরই মাঝে স্বর্গ-নরক, মানুষেতে সুরাসুর’-এ পংক্তিটি কার রচনা?
<p>‘মানুষেরই মাঝে স্বর্গ-নরক, মানুষেতে সুরাসুর’—বিখ্যাত এই পংক্তিটি আমাদের জাতীয় কবি <strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong>-এর লেখা। এটি তাঁর বিখ্যাত <strong>‘মানুষ’</strong> কবিতার একটি অংশ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li>কবিতাটির মূল ভাব হলো মানুষের চেয়ে বড় কিছু নেই।</li>
<li>নজরুল ইসলাম তাঁর লেখনীর মাধ্যমে সবসময় মানুষের জয়গান গেয়েছেন।</li>
<li>এই পংক্তিটি তাঁর সাম্যবাদী চেতনার এক অনন্য বহিঃপ্রকাশ, যা আজও আমাদের মানবিক হতে শেখায়।</li>
</ul>
<p>সাধু ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্যটা আসলে খুব সহজ। আমরা যখন কথা বলি বা লিখি, তখন মূলত <strong>ক্রিয়াপদ</strong> এবং <strong>সর্বনাম পদের</strong> রূপ দেখেই বুঝে ফেলি ভাষাটি সাধু নাকি চলিত।</p>
<p>বিষয়টি পরিষ্কার করার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>ক্রিয়াপদ:</strong> সাধু ভাষায় ক্রিয়াপদ পূর্ণাঙ্গ রূপ ধারণ করে (যেমন: করিতেছি, চলিল), কিন্তু চলিত ভাষায় তা সংক্ষিপ্ত ও সহজ হয়ে যায় (যেমন: করছি, চলল)।</li>
<li><strong>সর্বনাম পদ:</strong> সাধু ভাষায় সর্বনামের রূপ থাকে দীর্ঘ (যেমন: তাহার, কাহারা), যা চলিত ভাষায় ছোট হয়ে যায় (যেমন: তার, কারা)।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এই দুই ধরনের পদের রূপগত পরিবর্তনের কারণেই সাধু ও চলিত ভাষার মধ্যে প্রধান পার্থক্য তৈরি হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপগত ভিন্নতায়</strong>।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ভাই গিরীশচন্দ্র সেন</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ তিনি ছিলেন ইতিহাসের একজন অনন্য ব্যক্তিত্ব।</p>
<ul>
<li><strong>ভাই গিরীশচন্দ্র সেন</strong> ১৮৮১ থেকে ১৮৮৬ সালের মধ্যে দীর্ঘ প্রচেষ্টায় পবিত্র কুরআনের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাংলা অনুবাদ সম্পন্ন করেন।</li>
<li>তিনি মূলত ব্রাহ্মসমাজের একজন প্রচারক ছিলেন, কিন্তু ধর্মীয় নিরপেক্ষতা ও গভীর পাণ্ডিত্যের কারণে তিনি এই বিশাল কাজটি সম্পন্ন করতে সক্ষম হন।</li>
<li>তার এই অনুবাদটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে পরিচিত, যা সাধারণ মানুষের কাছে কুরআনের বাণী পৌঁছে দিতে সাহায্য করেছিল।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মোহাম্মদ নাসিরুদ্দিন</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা সাহিত্য ও সাংবাদিকতার ইতিহাসে মোহাম্মদ নাসিরুদ্দিনের নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে।</p>
<ul>
<li><strong>সওগাত</strong> পত্রিকাটি ১৯১৮ সালে কলকাতা থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এর প্রতিষ্ঠাতা ও আজীবন সম্পাদক ছিলেন মোহাম্মদ নাসিরুদ্দিন।</li>
<li>বাংলা মুসলিম সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিতে এই পত্রিকার ভূমিকা ছিল অপরিসীম।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সওগাত পত্রিকার নাম শুনলেই মোহাম্মদ নাসিরুদ্দিনের নাম মনে রাখাটাই সবচেয়ে কার্যকর কৌশল।</p>
৭৪৪০
“সুন্দর হে, দাও দাও সুন্দর জীবন। হউক দূর অকল্যাণ সকল অশোভন”। — চরণ দুইটি কার লেখা?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শেখ ফজলুল করিম</strong>। এই বিখ্যাত পঙক্তিটি তাঁর লেখা 'প্রার্থনা' কবিতার অংশ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>শেখ ফজলুল করিম মূলত তাঁর সহজ-সরল ও নীতিমূলক কবিতার জন্য পরিচিত।</li>
<li>এই কবিতাটি আমাদের পাঠ্যবইয়ে নৈতিক শিক্ষার অংশ হিসেবে অনেক আগে থেকেই জনপ্রিয়।</li>
<li>পরীক্ষায় এই লাইনগুলো প্রায়ই আসে, তাই কবির নামটা একবার মনে গেঁথে নিলে আর ভুল হওয়ার সুযোগ নেই।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।