<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১৭৯৯ সালে</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>লর্ড ওয়েলেসলি ভারতে ব্রিটিশ শাসনকে আরও শক্তিশালী করতে এবং ফরাসিদের প্রভাব ঠেকাতে এই কঠোর সেন্সর ব্যবস্থা চালু করেছিলেন।</li>
<li>মূলত সংবাদপত্রের ওপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ আরোপ করার জন্যই <strong>১৭৯৯ সালে</strong> এই আইনটি কার্যকর করা হয়।</li>
<li>ইতিহাসের পাতায় এটি 'সেন্সরশিপ অফ প্রেস অ্যাক্ট' নামে পরিচিত, যা সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর প্রথম বড় ধরনের আঘাত ছিল।</li>
</ul>
<p>বাঙালি পরিচালিত প্রথম পত্রিকা হলো <strong>বাঙ্গালা গেজেট</strong>। এটি ১৮১৮ সালে গঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্য কর্তৃক প্রকাশিত হয়েছিল।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>প্রতিষ্ঠাতা:</strong> গঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্য।</li>
<li><strong>সময়কাল:</strong> ১৮১৮ সাল।</li>
<li><strong>গুরুত্ব:</strong> এটিই ছিল প্রথম বাংলা সংবাদপত্র যা কোনো বাঙালি সম্পাদনা ও প্রকাশ করেছিলেন, তাই এটি ইতিহাসের পাতায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</li>
</ul>
<p>অনেকে ভুল করে জেমস অগাস্টাস হিকির 'বেঙ্গল গেজেট'-এর সাথে গুলিয়ে ফেলেন, কিন্তু মনে রাখবেন হিকির পত্রিকাটি ছিল ইংরেজি ভাষায় এবং সেটি ছিল ভারতের প্রথম সংবাদপত্র। অন্যদিকে, বাঙালির হাত ধরে প্রকাশিত প্রথম বাংলা সংবাদপত্র হলো <strong>বাঙ্গালা গেজেট</strong>।</p>
<p>ঈশ্বরগুপ্তের ‘সংবাদ প্রভাকর’ পত্রিকাটির প্রকাশকাল হলো <strong>১৮৩১ সাল</strong>। এটি বাংলা সাংবাদিকতার ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ১৮৩১ সালে সাপ্তাহিক পত্রিকা হিসেবে ‘সংবাদ প্রভাকর’ প্রথম প্রকাশ করেন।</li>
<li>পরবর্তীতে ১৮৩৯ সালে এটি দৈনিক পত্রিকায় রূপান্তরিত হয়।</li>
<li>যেহেতু প্রশ্নটি পত্রিকাটির প্রথম প্রকাশের সময়কাল সম্পর্কে, তাই সঠিক উত্তরটি হলো <strong>১৮৩১</strong>।</li>
</ul>
<p>এভাবে সালগুলো মনে রাখলে পরীক্ষার হলে বিভ্রান্তি হওয়ার সুযোগ থাকে না।</p>
<p>‘ভারতী’ পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন <strong>দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>। ১৮৭৭ সালে এই পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয়। পত্রিকাটির সম্পাদনার দায়িত্ব তিনি অত্যন্ত দক্ষতার সাথে পালন করেছিলেন, যা তৎকালীন বাংলা সাহিত্য ও সাংবাদিকতায় এক নতুন মাত্রা যোগ করে।</p>
<p>সহজ কথায় মনে রাখার উপায় হলো, ঠাকুর পরিবারের সাহিত্যচর্চার অন্যতম প্রধান মুখ ছিলেন দ্বিজেন্দ্রনাথ, আর সেই ধারারই একটি গুরুত্বপূর্ণ ফসল হলো এই ‘ভারতী’ পত্রিকা।</p>
৭৮৫
বিশ্বের আলোচিত কোন ঘটনার সময় ‘সবুজপত্র’ প্রকাশিত হয়?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরুর বছর</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় বিখ্যাত বাংলা পত্রিকা <strong>‘সবুজপত্র’</strong> প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯১৪ সালে। আর ঠিক এই বছরেই বিশ্বজুড়ে শুরু হয়েছিল ভয়াবহ <strong>প্রথম বিশ্বযুদ্ধ</strong>।</p>
<p>মুসলমান সম্পাদিত প্রথম সাময়িক পত্র হলো <strong>সমাচার সভারাজেন্দ্র</strong>। ১৮৩১ সালে শেখ আলিমুল্লাহর সম্পাদনায় এই পত্রিকাটি প্রকাশিত হয়।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য কিছু সহজ তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>সময়কাল:</strong> ১৮৩১ সাল।</li>
<li><strong>সম্পাদক:</strong> শেখ আলিমুল্লাহ।</li>
<li><strong>গুরুত্ব:</strong> এটিই ছিল বাংলা ভাষায় মুসলমান সম্পাদিত প্রথম কোনো সাময়িক পত্রিকা, যা তৎকালীন সময়ে মুসলিম সমাজের চিন্তাধারা ও সমাজ সচেতনতা তৈরিতে ভূমিকা রেখেছিল।</li>
</ul>
৭৮৭
কোন পত্রিকাটি পূর্ববঙ্গ (বাংলাদেশ) থেকে প্রকাশিত হতো?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কোহিনুর</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ এই পত্রিকাটি ছিল তৎকালীন পূর্ববঙ্গের সাহিত্য ও সংস্কৃতির এক অনন্য ধারক।</p>
<ul>
<li><strong>কোহিনুর</strong> পত্রিকাটি ১৯০৩ সালে রাজবাড়ী জেলার পাংশা থেকে প্রকাশিত হতো।</li>
<li>এর সম্পাদক ছিলেন রওশন আলী চৌধুরী।</li>
<li>তৎকালীন সময়ে পূর্ববঙ্গ থেকে প্রকাশিত মুসলিম সম্পাদিত পত্রিকাগুলোর মধ্যে এটি ছিল অত্যন্ত প্রভাবশালী এবং জনপ্রিয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ভৌগোলিক অবস্থান এবং ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে <strong>কোহিনুর</strong>-ই হলো সেই পত্রিকা যা পূর্ববঙ্গ থেকে নিয়মিত প্রকাশিত হতো।</p>
<p>‘কল্লোল’ পত্রিকাটি মোট <strong>সাত বছর</strong> চলমান ছিল। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে আধুনিকতার ধারক হিসেবে পরিচিত এই পত্রিকাটি ১৯২৩ সালে প্রথম প্রকাশিত হয় এবং ১৯৩০ সালে এর প্রকাশনা বন্ধ হয়ে যায়।</p>
<p>সহজ কথায়, ১৯২৩ থেকে ১৯৩০ সাল পর্যন্ত নিয়মিত প্রকাশের মাধ্যমে পত্রিকাটি বাংলা সাহিত্যে এক নতুন যুগের সূচনা করেছিল, যার স্থায়িত্ব ছিল ঠিক সাত বছর।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>এঁরা প্রত্যেকেই</strong>। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে 'কল্লোল' পত্রিকা এক নতুন যুগের সূচনা করেছিল, আর এই পত্রিকার সাথে উল্লিখিত তিনজন সাহিত্যিকই ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন।</p>
<ul>
<li><strong>অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত</strong> ছিলেন কল্লোল যুগের অন্যতম প্রধান লেখক এবং এই পত্রিকার আদর্শ প্রচারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।</li>
<li><strong>মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়</strong> তাঁর সাহিত্যিক জীবনের শুরুর দিকে কল্লোল গোষ্ঠীর ভাবধারার সাথে যুক্ত ছিলেন।</li>
<li><strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong> তাঁর বিদ্রোহী কবিতা ও লেখনীর মাধ্যমে কল্লোল পত্রিকার পাতাকে সমৃদ্ধ করেছিলেন এবং এই গোষ্ঠীর সাথে তাঁর গভীর সখ্যতা ছিল।</li>
</ul>
<p>মূলত, বিশ শতকের বিশের দশকে বাংলা সাহিত্যে যে আধুনিকতার হাওয়া লেগেছিল, তার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল এই 'কল্লোল' পত্রিকা এবং এই তিন দিকপাল সাহিত্যিকই সেই আন্দোলনের প্রাণপুরুষ ছিলেন।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শিখা</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ।</p>
<ul>
<li><strong>শিখা</strong> পত্রিকাটির প্রকাশকাল ছিল ১৯২৭ সাল এবং এটি ঢাকা থেকেই প্রকাশিত হতো।</li>
<li>তৎকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুসলিম শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে গঠিত 'মুসলিম সাহিত্য সমাজ'-এর মুখপত্র হিসেবে এটি ব্যাপক পরিচিতি পায়।</li>
<li>এই পত্রিকার মূল স্লোগান ছিল 'জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব'।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই <strong>শিখা</strong> পত্রিকা, যা ঢাকার সাহিত্য অঙ্গনকে সেই সময়ে দারুণভাবে প্রভাবিত করেছিল।</p>
৭৯১
কবি জসীমউদদীনের জন্ম সালে কোন পত্রিকাটি প্রকাশিত হয়?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নবনূর</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>কবি জসীমউদ্দীন ১৯০৩ সালে ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।</li>
<li>ঠিক একই বছর অর্থাৎ <strong>১৯০৩</strong> সালে সৈয়দ এমদাদ আলী সম্পাদিত <strong>নবনূর</strong> পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
<li>সাহিত্যিক সাল-তারিখ মনে রাখার জন্য কবির জন্মসাল এবং পত্রিকার প্রকাশের সাল মিলিয়ে পড়লে তা দীর্ঘস্থায়ী হয়।</li>
</ul>
৭৯২
“আনন্দময়ীর আগমনে’ কবিতাটি কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ধূমকেতু</strong>। কাজী নজরুল ইসলামের লেখা এই বিখ্যাত কবিতাটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত তার নিজস্ব পত্রিকা <strong>'ধূমকেতু'</strong>-তে প্রথম ছাপা হয়েছিল।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>কবিতাটির বিষয়বস্তু ছিল ব্রিটিশবিরোধী চেতনা ও বিপ্লব।</li>
<li>নজরুল সেই সময়ে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার জন্য নিজেই <strong>'ধূমকেতু'</strong> পত্রিকা বের করেছিলেন।</li>
<li>তাই এই অগ্নিঝরা কবিতাটি সেই পত্রিকার মাধ্যমেই সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে গিয়েছিল।</li>
</ul>
৭৯৩
‘আয় চলে আয়, রে ধূমকেতু, আঁধারে বাধ অগ্নিকেতু’। ধূমকেতু পত্রিকা সম্পর্কে এই উক্তিটি কোন লেখকের?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদনায় প্রকাশিত 'ধূমকেতু' পত্রিকাটির জন্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই আশীর্বাণীটি লিখেছিলেন। তিনি নজরুলকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন এবং তাঁর বিদ্রোহী সত্তাকে সম্মান জানিয়েই এই বিখ্যাত পঙক্তিটি লিখেছিলেন।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১৯৩০ সালে</strong>। বাংলা সাহিত্যের আধুনিক ধারার অন্যতম প্রধান পত্রিকা ‘কল্লোল’ নিয়ে কিছু সহজ তথ্য মনে রাখলেই বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে:</p>
<ul>
<li>‘কল্লোল’ পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৩ সালে।</li>
<li>পত্রিকাটি মূলত তৎকালীন তরুণ লেখকদের নতুন ধারার সাহিত্য প্রকাশের একটি প্ল্যাটফর্ম ছিল।</li>
<li>দীর্ঘ সাত বছর নিয়মিত প্রকাশের পর, নানা প্রতিকূলতা ও আর্থিক সংকটের কারণে ১৯৩০ সালে এর প্রকাশনা স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যায়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ১৯২৩ থেকে ১৯৩০—এই সাত বছরই ছিল কল্লোল যুগের মূল সময়কাল। তাই ১৯৩০ সালটিই এর সমাপ্তি বছর হিসেবে মনে রাখা সবচেয়ে সহজ।</p>
৭৯৫
শনিবারের চিঠিতে কাকে কটাক্ষ করে ‘গাজী আব্বাস বিটকেল’ বলা হতো?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কাজী নজরুল ইসলামকে</strong>।</p>
<p>বিষয়টি বেশ মজার এবং সাহিত্যিক বিতর্কের অংশ। তৎকালীন সময়ে 'শনিবারের চিঠি' পত্রিকা তাদের ব্যঙ্গাত্মক রচনার জন্য বেশ পরিচিত ছিল। তারা বিভিন্ন সাহিত্যিকদের নিয়ে নানা রকম উপহাসমূলক নাম ব্যবহার করত। সেই ধারায় কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী সত্তা এবং তার কাব্যশৈলীকে ব্যঙ্গ করে তারা তাকে <strong>'গাজী আব্বাস বিটকেল'</strong> নামে অভিহিত করত। এটি মূলত সেই সময়ের সাহিত্যিক রেষারেষি ও সমালোচনার একটি বহিঃপ্রকাশ ছিল।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।