<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দ্বিজ মাধব</strong>। বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের চণ্ডীমঙ্গল কাব্যধারার অন্যতম প্রধান কবি দ্বিজ মাধবকে তাঁর রচনার সাবলীলতা ও সহজিয়া স্বভাবের জন্য <strong>'স্বভাব কবি'</strong> উপাধিতে ভূষিত করা হয়। তাঁর কাব্যে সাধারণ মানুষের জীবনচিত্র অত্যন্ত সুন্দর ও সহজভাবে ফুটে উঠেছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপরি + উপরি</strong>।</p>
<p>সন্ধিটি খুব সহজেই মনে রাখার নিয়ম:</p>
<ul>
<li>এখানে প্রথম পদের শেষে থাকা ই-কার (<string>ই</string>) এবং দ্বিতীয় পদের শুরুতে থাকা (<string>উ</string>) মিলে জ-ফলা (<string>য</string>) ও উ-কার (<string>ু</string>) তৈরি হয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়, <string>উপরি</string> শব্দের সাথে আরেকটি <string>উপরি</string> যুক্ত হয়েই মূলত <string>উপর্যুপরি</string> শব্দটি গঠিত হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অনুরোধ</strong>। কারণ 'উপদেশ' বা কোনো কিছু বিনীতভাবে করতে বলা বা চাওয়া বোঝাতেই মূলত 'অনুরোধ' শব্দটি ব্যবহার করা হয়। সহজ কথায়, কারও কাছে কোনো কিছু পাওয়ার জন্য বা করার জন্য বিনীত নিবেদনকেই অনুরোধ বলা হয়।</p>
৭৯৩৯
প্রথমে উপসর্গ ও পরে কৃদন্ত পদযোগে এবং অব্যয় এর সঙ্গে নামপদযোগে সৃষ্ট হয়-
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রাদী সমাস</strong>। খুব সহজে মনে রাখার একটা দারুণ উপায় হলো—বাংলা ব্যাকরণে যে সমাসে প্র, পরা, অপ ইত্যাদি উপসর্গ বা অব্যয়ের পরে কৃদন্ত বা নামপদ যুক্ত হয়ে নতুন অর্থ তৈরি করে, তাকেই প্রাদী সমাস বলা হয়।</p>
<ul>
<li>প্রথমে <strong>উপসর্গ</strong> এবং পরে <strong>কৃদন্ত পদ</strong> যুক্ত হওয়া।</li>
<li>অথবা <strong>অব্যয়</strong> এর সঙ্গে <strong>নামপদ</strong> এর যোগফল।</li>
<li>এই দুটো শর্ত একসঙ্গে মিলে প্রাদী সমাস গঠন করে।</li>
</ul>
<p>তাই প্রশ্ন দেখামাত্রই চোখ বন্ধ করে এই শর্টকাট নিয়মে উত্তরটা দাগিয়ে দেওয়া যায়!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অলুক তৎপুরুষ</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজে এভাবে মনে রাখতে পারো:</p>
<ul>
<li><strong>কলুর</strong> শব্দটিতে বিভক্তি যুক্ত আছে (ষষ্ঠী বিভক্তির <strong>'র'</strong>)।</li>
<li>ব্যাসবাক্য করলে হয়: <strong>কলুর বলদ = কলুর (ষষ্ঠী বিভক্তি) বলদ</strong>।</li>
<li>সমাস করার পরও যখন পূর্বপদের বিভক্তি (এখানে 'র') লোপ পায় না, তখন তাকে <strong>অলুক তৎপুরুষ সমাস</strong> বলে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: রূপক কর্মধারয়</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! যখন উপমান ও উপমেয়ের মধ্যে অভিন্নতা বা মিল কল্পনা করা হয় এবং মাঝখানে কোনো দৃশ্যমান পার্থক্য থাকে না, তখন তাকে রূপক কর্মধারয় সমাস বলে।</p>
<ul>
<li>এখানে 'প্রাণ' হলো উপমেয় এবং 'পাখি' হলো উপমান।</li>
<li>প্রাণ ও পাখির মধ্যে অভিন্ন কল্পনা করে এর ব্যাসবাক্য হয়: <strong>প্রাণ রূপ পাখি = প্রাণপাখি</strong>।</li>
<li>যেহেতু মাঝখানে 'রূপ' শব্দটি রয়েছে এবং অদৃশ্য বা কাল্পনিক মিল বোঝানো হয়েছে, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই রূপক কর্মধারয় সমাস।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপমিত কর্মধারয়</strong>। খুব সহজেই চেনার একটা দারুণ উপায় আছে:</p>
<ul>
<li>সাধারণ বস্তু বা ব্যক্তির সাথে যখন কল্পিত কোনো সুন্দর বস্তুর তুলনা করা হয় এবং ব্যাসবাক্যের মাঝে 'ন্যায়' বা 'মতো' থাকে, তখন সেটি উপমিত কর্মধারয় সমাস হয়।</li>
<li>এখানে মুখকে চন্দ্র বা চাঁদের সাথে তুলনা করা হয়েছে (মুখ চন্দ্রের ন্যায় = চন্দ্রমুখ), তাই এটি নির্দ্বিধায় উপমিত কর্মধারয় সমাস।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অলুক তৎপুরুষ</strong>। কারণটা খুবই সহজ!</p>
<ul>
<li>'কলুর বলদ' ব্যাসবাক্য করলে হয়—<strong>কলুর বলদ</strong>।</li>
<li>এখানে 'কলুর' শব্দে র বিভক্তি যুক্ত আছে এবং সমাস করার পরও সেই বিভক্তিটি (র) কিন্তু লোভ পায়নি বা উঠে যায়নি।</li>
<li>যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকেই <strong>অলুক তৎপুরুষ</strong> সমাস বলে।</li>
</ul>
৭৯৪৪
প্রাণ রূপ পাখি = প্রাণপাখি- এটি কোন কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: রূপক</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! যখন উপমান (তুলনীয় বস্তু) ও উপমেয়ের ( যাকে তুলনা করা হচ্ছে) মধ্যে অভিন্ন বা একাকার রূপ কল্পনা করা হয়, তখন তাকে রূপক কর্মধারয় সমাস বলে। এখানে 'প্রাণ' (উপমেয়) এবং 'পাখি' (উপমান)-এর মধ্যে একটি অভিন্ন কল্পনার প্রকাশ ঘটেছে, যার ব্যাসবাক্য হলো 'প্রাণ রূপ পাখি' অর্থাৎ 'প্রাণপাখি'। তাই এটি নিশ্চিতভাবেই রূপক কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রাতিপাদিক</strong>। খুব সহজে মনে রাখার টেকনিক হলো—</p>
<ul>
<li>শব্দমূল বা যে শব্দগুলোর সাথে কোনো বিভক্তি যুক্ত থাকে না, সেগুলোকে ব্যাকরণে প্রাতিপাদিক বলা হয়।</li>
<li>যেমন: 'হাত', 'বই', 'কলম'—এগুলো হলো প্রাতিপাদিক। এদের সাথে বিভক্তি যোগ হয়ে পদে পরিণত হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপমিত</strong>।</p>
<p>খুব সহজে চেনার উপায় হলো—যেখানে সাধারণ ব্যক্তির সাথে কোনো বিশেষ বা খ্যাতনামা বস্তুর তুলনা করা হয় এবং উপমেয় (পুরুষ) ও উপমান (সিংহ)-এর মধ্যে তুলনা বুঝিয়ে সাধারণ ধর্ম (পুরুষত্ব বা বীরত্ব) উহ্য থাকে, তাকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে। এখানে পুরুষ সিংহের মতো—এই বাক্যে পুরুষ হলো উপমেয় এবং সিংহ হলো উপমান। যেহেতু তুলনা করার পর সাধারণ গুণবাচক পদটি উল্লেখ থাকে না, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই উপমিত কর্মধারয় সমাস।</p>
৭৯৪৭
তৎসম শব্দের সঙ্গে দেশীয় শব্দের প্রয়োগ কোন দোষে দুষ্ট?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: গুরুচণ্ডালী দোষে</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! বাংলা ভাষায় কথা বলার বা লেখার সময় একটা নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হয়। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, তৎসম (সংস্কৃত) শব্দের সঙ্গে দেশী বা তদ্ভব শব্দ পাশাপাশি ব্যবহার করা একেবারেই নিষেধ। এই ভুলটার একটা নির্দিষ্ট নাম আছে, আর সেটাই হলো <strong>গুরুচণ্ডালী দোষ</strong>।</p>
<ul>
<li>তৎসম শব্দের সঙ্গে দেশী শব্দের মিলন ঘটলেই তাকে গুরুচণ্ডালী দোষ বলা হয়।</li>
<li>যেমন: 'শবদাহ' (তৎসম) এর জায়গায় 'মরা পোড়ানো' (দেশী) ব্যবহার করলে এই দোষ ঘটে।</li>
<li>তাই সুন্দর ও শুদ্ধ বাংলা লেখার জন্য এই মিশ্রণ এড়িয়ে চলা জরুরি।</li>
</ul>
৭৯৪৮
বাক্যে প্রয়োজনের অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহার করলে কোন দোষ ঘটে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বাহুল্যতা বা বাহুল্য দোষ</strong>।</p>
<p>খুব সহজ কথায়, কোনো বাক্যে মনের ভাব প্রকাশের জন্য যতটুকু শব্দের প্রয়োজন, তার চেয়ে বেশি বা অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহার করলে তাকে বাহুল্য দোষ বলা হয়। যেমন—'সব সব ছাত্ররা' না বলে শুধু 'সব ছাত্র' বললেই চলে। অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহার করলে বাক্যের সৌন্দর্য নষ্ট হয়, তাই এটি ব্যাকরণে একটি বড় ত্রুটি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপমান কর্মধারয়</strong>। খুব সহজ একটা ট্রিক দিয়ে বিষয়টি মনে রাখতে পারো:</p>
<ul>
<li>সাধারণ গুণবাচক শব্দের সাথে উপমেয় (যার সাথে তুলনা করা হয় না, যাকে তুলনা করা হয়) পদের যে সমাস হয়, সেটাই উপমান কর্মধারয়।</li>
<li>এখানে 'কাজল' হলো উপমান (যার সাথে তুলনা করা হয়েছে) এবং 'কালো' হলো সাধারণ গুণ।</li>
<li>ব্যাসবার্যটি হলো— 'কাজলের ন্যায় কালো'। সাধারণ গুণের তুলনা বোঝাতেই এখানে উপমান কর্মধারয় সমাস হয়েছে।</li>
</ul>
৭৯৫০
উপমান ও উপমেয়ের মধ্যে অভেদ কল্পনা করা বুঝায় কোন সমাসে ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রূপক কর্মধারয়</strong>।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার টেকনিক হলো—</p>
<ul>
<li>ব্যাসবাক্যে যখন উপমান (তুলনীয় বস্তু) ও উপমেয় ( যাকে তুলনা করা হচ্ছে)-এর মধ্যে কোনো পার্থক্য বা তুলনা না বুঝিয়ে সরাসরি <strong>অভেদ বা মিল</strong> কল্পনা করা হয়, তখন তাকে রূপক কর্মধারয় সমাস বলে।</li>
<li>যেমন: বিষাদ রূপ সিন্ধু = বিষাদসিন্ধু। এখানে বিষাদ ও সিন্ধুর মধ্যে অভেদ বা একাকার করে ফেলা বোঝানো হয়েছে।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।