<p>ড. আনিসুজ্জামানের গবেষণালব্ধ তথ্য অনুযায়ী, উনিশ শতকে মুসলমান সম্পাদিত সাময়িক পত্রিকার সংখ্যা ছিল <strong>১৪০টি</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>উনিশ শতকের বাঙালি মুসলমান সমাজ ও তাদের সাহিত্যিক জাগরণের প্রেক্ষাপটে এই সংখ্যাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</li>
<li>ড. আনিসুজ্জামানের বিখ্যাত গ্রন্থ <strong>'মুসলিম মানস ও বাংলা সাহিত্য'</strong>-তে তিনি এই পরিসংখ্যানটি তুলে ধরেছেন।</li>
<li>ঐ সময়ে প্রকাশিত পত্রিকার সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন মত থাকলেও, তার সুনির্দিষ্ট গবেষণায় এই <strong>১৪০</strong> সংখ্যাটিই স্বীকৃত।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ওপরের তিনজনই</strong>। প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় প্রকাশিত বিখ্যাত পত্রিকা 'সবুজপত্র' বাংলা সাহিত্যের চলিত ভাষারীতি প্রবর্তনে এক বৈপ্লবিক ভূমিকা পালন করেছিল। এই পত্রিকার সাথে যুক্ত ছিলেন তৎকালীন সময়ের শ্রেষ্ঠ সব চিন্তাবিদ ও সাহিত্যিকরা।</p>
<ul>
<li><strong>অতুলচন্দ্র গুপ্ত</strong> ছিলেন সবুজপত্রের অন্যতম প্রধান লেখক, যিনি তাঁর তীক্ষ্ণ বুদ্ধিদীপ্ত রচনার জন্য পরিচিত ছিলেন।</li>
<li><strong>ধূর্জটি প্রসাদ মুখোপাধ্যায়</strong> তাঁর সমাজতাত্ত্বিক ও সাহিত্যিক দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে সবুজপত্রের পাতাকে সমৃদ্ধ করেছিলেন।</li>
<li><strong>সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়</strong> ভাষাতাত্ত্বিক গবেষণার পাশাপাশি সবুজপত্রের আদর্শ প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এই তিন গুণী ব্যক্তিই ছিলেন সবুজপত্র গোষ্ঠীর অবিচ্ছেদ্য অংশ, যারা বাংলা গদ্যের আধুনিক রূপায়ণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।</p>
৮২৮
কোন পত্রিকাটি রবীন্দ্র প্রভাব থেকে বাইরে আসার চেষ্টা করেছিলেন?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কল্লোল, কালিকলম ও প্রগতি</strong>—এই তিনটিই। বাংলা সাহিত্যে রবীন্দ্রযুগের প্রভাব কাটিয়ে নতুন ধারার আধুনিকতা আনার ক্ষেত্রে এই তিনটি পত্রিকার ভূমিকা ছিল অপরিসীম।</p>
<ul>
<li><strong>কল্লোল:</strong> ১৯২৩ সালে প্রকাশিত এই পত্রিকাটি রবীন্দ্র-বলয় থেকে বেরিয়ে এসে নতুন ধারার সাহিত্য সৃষ্টির প্রধান কেন্দ্র হয়ে ওঠে।</li>
<li><strong>কালিকলম:</strong> ১৯২৬ সালে প্রকাশিত এই পত্রিকাটি কল্লোলের মতোই আধুনিক ও বাস্তবধর্মী সাহিত্যের প্রসারে কাজ করেছে।</li>
<li><strong>প্রগতি:</strong> ১৯২৭ সালে প্রকাশিত এই পত্রিকাটি বুদ্ধদেব বসু ও অজিত দত্তের সম্পাদনায় রবীন্দ্র-প্রভাবমুক্ত আধুনিক মননশীল সাহিত্য চর্চায় বিশেষ অবদান রাখে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বিশ শতকের বিশের দশকে এই তিনটি পত্রিকা সম্মিলিতভাবে বাংলা সাহিত্যে এক নতুন যুগের সূচনা করেছিল, যা রবীন্দ্রনাথের রোমান্টিক ধারার বাইরে গিয়ে বাস্তববাদী ও আধুনিক সাহিত্যের পথ প্রশস্ত করে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মোঃ নাসিরউদ্দীন</strong>।</p>
<p>বিষয়টা মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা সাহিত্য ও সাংবাদিকতার ইতিহাসে ‘সওগাত’ একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী পত্রিকা। এই পত্রিকাটির প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন। তিনি মূলত নারী জাগরণ এবং মুসলিম সমাজের সাহিত্যচর্চাকে এগিয়ে নিতে এই পত্রিকাটি প্রকাশ করেছিলেন।</p>
<p>পরীক্ষার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, তাই নামটি মনে রাখতে পারেন এভাবে— ‘সওগাত’ মানে উপহার, আর এই উপহারটি আমাদের দিয়েছিলেন মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রমথ চৌধুরী</strong>। বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষারীতিকে জনপ্রিয় করার পেছনে এই পত্রিকার অবদান সবচেয়ে বেশি।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য এই ছোট তথ্যটি মাথায় রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>সবুজপত্র</strong> পত্রিকাটি ১৯১৪ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এর প্রধান সম্পাদক ছিলেন <strong>প্রমথ চৌধুরী</strong>, যিনি 'বীরবল' ছদ্মনামে লিখতেন।</li>
<li>বাংলা গদ্যে চলিত ভাষার প্রবর্তন ও বিকাশে এই পত্রিকা একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করেছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রামেন্দু মজুমদার</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। নাট্যচর্চা ও থিয়েটার বিষয়ক গবেষণায় রামেন্দু মজুমদারের অবদান অনস্বীকার্য। তিনি দীর্ঘ সময় ধরে <strong>'থিয়েটার'</strong> পত্রিকার সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এই পত্রিকাটিকে বাংলা নাট্যচর্চার অন্যতম প্রধান মুখপত্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তাই যখনই থিয়েটার পত্রিকার কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে রামেন্দু মজুমদারের নাম মনে রাখলেই হবে।</p>
৮৩২
নারী সমাজের উন্নতির জন্য 'নারী শক্তি' নামে পত্রিকাটির প্রকাশক কে ছিলেন?
<p>নারী সমাজের জাগরণ ও উন্নতির লক্ষ্যে প্রকাশিত 'নারী শক্তি' পত্রিকাটির প্রকাশক ছিলেন <strong>ডা. লুৎফর রহমান</strong>। তিনি মূলত একজন সমাজ সংস্কারক এবং লেখক হিসেবে পরিচিত ছিলেন, যিনি তাঁর লেখনীর মাধ্যমে তৎকালীন সমাজের কুসংস্কার দূর করতে এবং নারী শিক্ষার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।</p>
<ul>
<li><strong>পত্রিকার নাম:</strong> নারী শক্তি</li>
<li><strong>প্রকাশক:</strong> ডা. লুৎফর রহমান</li>
<li><strong>মূল লক্ষ্য:</strong> নারী সমাজের সচেতনতা বৃদ্ধি ও সামাজিক উন্নয়ন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ডা. লুৎফর রহমান তাঁর প্রগতিশীল চিন্তাধারার অংশ হিসেবেই এই পত্রিকাটি প্রকাশ করেছিলেন, যা সেই সময়ে নারীদের অধিকার ও মর্যাদা সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিতে কাজ করেছে।</p>
৮৩৩
'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা সাংবাদিকতার ইতিহাসে তাঁর নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে।</p>
<ul>
<li><strong>১৮৩১ সালে</strong> ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত 'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকাটি প্রকাশ করেন।</li>
<li>শুরুতে এটি সাপ্তাহিক পত্রিকা হিসেবে যাত্রা শুরু করলেও, পরে ১৮৩৯ সালে এটি দৈনিক পত্রিকায় রূপান্তরিত হয়।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি 'যুগসন্ধিক্ষণের কবি' হিসেবেও পরিচিত, তাই তাঁর সম্পাদিত এই পত্রিকাটি তৎকালীন সময়ে অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সংবাদ প্রভাকর মানেই ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত—এই তথ্যটি মনে রাখলে পরীক্ষায় খুব সহজেই উত্তরটি দাগিয়ে ফেলা সম্ভব।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সবুজপত্র</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় প্রকাশিত <strong>সবুজপত্র</strong> একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী ও বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা।</p>
<ul>
<li>১৯১৪ সালে এই পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষারীতি প্রচলনে এই পত্রিকার ভূমিকা ছিল সবচেয়ে বেশি।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলো মূলত উপন্যাস বা ভ্রমণকাহিনি, কিন্তু পত্রিকা হিসেবে <strong>সবুজপত্র</strong>-এর নামই সবচেয়ে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ধূমকেতু</strong>। কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত এই পত্রিকাটি মূলত একটি সাময়িক পত্রিকা হিসেবেই পরিচিত ছিল।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>ধূমকেতু</strong> ১৯২২ সালে প্রকাশিত একটি বিখ্যাত পত্রিকা।</li>
<li>এটি তৎকালীন সময়ে ব্রিটিশবিরোধী চেতনা ও সাহিত্যিক জাগরণ তৈরিতে বড় ভূমিকা রেখেছিল।</li>
<li>সাময়িক পত্রিকা বলতে সাধারণত এমন প্রকাশনাকে বোঝায় যা নির্দিষ্ট সময় অন্তর (যেমন সাপ্তাহিক বা পাক্ষিক) প্রকাশিত হয়, আর ধূমকেতু সেই ধারারই একটি অনন্য উদাহরণ।</li>
</ul>
৮৩৬
শের-এ বাংলা এ. কে. ফজলুল হকের পরিচালনায় দৈনিক 'নবযুগ' পত্রিকা ১৯৪১ সালে নবপর্যায়ে প্রকাশিত হয়। পত্রিকাটির প্রধান সম্পাদক কে ছিলেন?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>১৯৪১ সালে যখন দৈনিক 'নবযুগ' পত্রিকা নতুন করে প্রকাশিত হয়, তখন এর প্রধান সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম।</li>
<li>এর আগে ১৯২০ সালে যখন পত্রিকাটি প্রথমবার প্রকাশিত হয়েছিল, তখনও তিনি এর সাথে যুক্ত ছিলেন।</li>
<li>তাই ১৯৪১ সালের নবপর্যায়ের কথা বললে সরাসরি কাজী নজরুল ইসলামের নামটাই মাথায় রাখতে হবে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, 'নবযুগ' এবং কাজী নজরুল ইসলাম—এই দুটি নাম একে অপরের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।</p>
৮৩৭
'সওগাত' পত্রিকার প্রথম সম্পাদকের নাম চিহ্নিত করুন?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মোঃ নাসিরউদ্দীন</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা সাহিত্য ও সাংবাদিকতার ইতিহাসে <strong>'সওগাত'</strong> পত্রিকা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নাম। এই বিখ্যাত পত্রিকাটি ১৯১৮ সালে কলকাতা থেকে প্রথম প্রকাশিত হয় এবং এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম সম্পাদক ছিলেন মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন। তিনি দীর্ঘ সময় ধরে এই পত্রিকার সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করে বাংলা সাহিত্যে নতুন লেখকদের উঠে আসার পথ প্রশস্ত করেছিলেন।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>উত্তরাধিকার</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত নিয়মিত সাহিত্য সাময়িকীগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম জনপ্রিয় একটি নাম।</p>
<ul>
<li>বাংলা একাডেমীর নিজস্ব প্রকাশনা হিসেবে <strong>উত্তরাধিকার</strong> দীর্ঘদিন ধরে বাংলা সাহিত্য ও গবেষণামূলক প্রবন্ধ প্রকাশের কাজ করে আসছে।</li>
<li>এটি মূলত একটি মাসিক সাহিত্য পত্রিকা হিসেবে পরিচিত, যা সাহিত্যপ্রেমীদের কাছে বেশ সমাদৃত।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা একাডেমীর প্রকাশনা নিয়ে প্রশ্ন আসে, তাই এই নামটি মনে রাখলে খুব সহজেই উত্তর দেওয়া সম্ভব।</li>
</ul>
৮৩৯
শ্রীরামপুর মিশনারীদের চেষ্টায় কোন সাপ্তাহিক পত্রিকা প্রকাশিত হয়?
<p>শ্রীরামপুর মিশনারীদের চেষ্টায় প্রকাশিত প্রথম সাপ্তাহিক পত্রিকা হলো <strong>সমাচার দর্পণ</strong>। এই পত্রিকাটি ১৮১৮ সালের ২৩ মে জন ক্লার্ক মার্শম্যানের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়েছিল।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>সময়কাল:</strong> ১৮১৮ সাল।</li>
<li><strong>মূল উদ্যোক্তা:</strong> উইলিয়াম কেরি, মার্শম্যান ও ওয়ার্ড (শ্রীরামপুর ত্রয়ী)।</li>
<li><strong>গুরুত্ব:</strong> এটিই ছিল বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম সাপ্তাহিক সংবাদপত্র, যা তৎকালীন সমাজ ও শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছিল।</li>
</ul>
৮৪০
বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষারীতির প্রথম মুখপাত্র কোনটি?
<p>বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষারীতির প্রথম মুখপাত্র হলো <strong>সবুজপত্র</strong>। প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় ১৯১৪ সালে এই পত্রিকাটি প্রকাশিত হয়।</p>
<p>কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ, তা খুব সহজে বুঝে নিন:</p>
<ul>
<li><strong>সবুজপত্র</strong> বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষারীতিকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য একটি সাহসী পদক্ষেপ ছিল।</li>
<li>তৎকালীন সময়ে সাধু ভাষার আধিপত্য থাকলেও, এই পত্রিকার মাধ্যমেই চলিত ভাষা সাহিত্যিক মর্যাদা পায়।</li>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরসহ সেই সময়ের বড় বড় লেখকরা এই পত্রিকায় চলিত ভাষায় লিখতে শুরু করেন, যা বাংলা গদ্যের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, চলিত ভাষার আধুনিক রূপ ও প্রাণশক্তিকে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার মূল কারিগর ছিল এই <strong>সবুজপত্র</strong>।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।