<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপভোগ</strong>। উপসর্গ সাধারণত শব্দের আগে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে।</p>
<ul>
<li>'উপ' উপসর্গটি বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়, যেমন—সামান্য, ক্ষুদ্র, গৌণ, সদৃশ ইত্যাদি।</li>
<li>তবে <strong>উপভোগ</strong> শব্দটিতে 'উপ' উপসর্গটি বিশেষ বা উৎকর্ষ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, যা সাধারণ 'ভোগ' থেকে আলাদা একটি অর্থ প্রকাশ করে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মুখোমুখি</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! যে বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ উভয়ই মিলে কোনো ক্রিয়ার পারস্পরিক বা পরস্পর বোঝায়, তাকে <strong>ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস</strong> বলে।</p>
<ul>
<li>মুখোমুখি শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো— <strong>মুখে মুখে যে লড়াই বা সাক্ষাৎ</strong>।</li>
<li>এখানে 'মুখ' শব্দের পারস্পরিক বোঝাপড়া বা ক্রিয়া প্রকাশ পাচ্ছে, যা ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাসের স্পষ্ট উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>হাতপাখা</strong>। কারণ এটি একটি সমাসবদ্ধ শব্দ, যার ব্যাসবাক্য হলো 'হাতে চালার পাখা' বা 'হাতের পাখা' (মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস)। দুটি বা ততোধিক পদ মিলে যখন একটি নতুন অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাকে সমাস বলে। অন্যদিকে, বাকি শব্দগুলো সমাসের সাহায্যে গঠিত নয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্যক্ত</strong>।</p>
<p>খুব সহজভাবে মনে রাখতে পারেন, 'গুপ্ত' শব্দের অর্থ হলো যা লুকিয়ে রাখা হয়েছে বা গোপন। আর এর ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে 'ব্যক্ত' শব্দটি, যার অর্থ হলো যা প্রকাশ করা হয়েছে। তাই যেকোনো গোপন বিষয়ের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে 'ব্যক্ত' ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>বাংলা বর্ণমালায় শব্দের ক্রম মনে রাখা খুব সহজ! এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option C: উন্নদ্ধ</strong>।</p>
<ul>
<li>প্রথমে সব শব্দের কমন অংশ <strong>'উন্'</strong> বাদ দিয়ে পরের বর্ণগুলো মেলাতে হবে।</li>
<li>এখানে অপশনগুলোর দ্বিতীয় বর্ণগুলো হলো: <strong>ম</strong> (উন্মত), <strong>য়</strong> (উন্নয়ন), <strong>ধ</strong> (উন্নদ্ধ) এবং <strong>স</strong> (উন্নস)।</li>
<li>বর্ণমালার ক্রমানুসারে ব্যঞ্জনবর্ণগুলো সাজালে <strong>'ধ'</strong> বর্ণটি আগে আসে (ত-থ-দ-ধ-ন)। তাই অভিধানে 'উন্নদ্ধ' শব্দটি সবার আগে বসবে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অবনত</strong>।</p>
<p>খুব সহজভাবে মনে রাখার কৌশল হলো—</p>
<ul>
<li>'উন্নীত' শব্দের অর্থ হলো যা ওপরে উঠেছে বা উন্নত করা হয়েছে।</li>
<li>এর ঠিক বিপরীত অবস্থা বা অর্থ প্রকাশ করে <strong>অবনত</strong> শব্দটি, যার অর্থ নিচে নেমে গেছে বা নিচু।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উন্নয়ন</strong>।</p>
<p>খুব সহজেই এটি চেনার উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>যে শব্দ দিয়ে কোনো কিছুর ভাব, কাজ বা নাম বোঝায়, সেটাই বিশেষ্য পদ।</li>
<li>'উন্নয়ন' শব্দটি 'উন্নত' বিশেষণের বিশেষ্য রূপ, যার অর্থ অগ্রগমিত বা বিকাশ।</li>
<li>বাকি অপশনগুলো মূলত কোনো না কোনো গুণ বা অবস্থাকে বোঝায়, তাই সেগুলো বিশেষণ পদ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>(Option A) একগুঁয়ে</strong>।</p>
<p>সহজে চেনার উপায় হলো— 'এক গুঁয়ে যাতে' অর্থাৎ যার এক গুঁয়ে বা জেদ আছে তাকে একগুঁয়ে বলা হয়। এই শব্দটিতে পূর্বপদ বা পরপদ কোনোটিরই অর্থ না বুঝিয়ে সম্পূর্ণ নতুন একটি অর্থ (যে সহজে কথা শোনে না বা জেদি) প্রকাশ পাচ্ছে। আর বহুব্রীহি সমাসের প্রধান শর্তই হলো সমাসবদ্ধ পদটি দ্বারা অন্য কোনো পদকে বোঝানো।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অষ্টাদশ শতকে</strong>।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে মধ্যযুগের শেষভাগে এসে পুঁথি সাহিত্য দারুণ জনপ্রিয়তা লাভ করে। বিশেষ করে আলাওল, দৌড় কাজী বকুলের মতো লেখকদের হাত ধরে এবং পরবর্তী সময়ে এই ধারার ব্যাপক বিকাশ ও প্রসার ঘটে মূলত <strong>অষ্টাদশ শতকে</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষ ভাগে</strong>।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে কবিগান ও পুঁথিসাহিত্যের মতো জনপ্রিয় ধারাগুলোর মূল বিকাশ ঘটেছিল মূলত <strong>অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষ ভাগে</strong>। এই সময়ে সাধারণ মানুষের মনের ভাব ও লোকসংস্কৃতির প্রকাশ হিসেবে এসব ধারার ব্যাপক প্রসার ঘটে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উৎ + নয়ন</strong>।</p>
<p>ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম অনুযায়ী, ত্ বা দ্-এর পরে যদি ন বা ম থাকে, তবে ত্ বা দ্ পরিবর্তিত হয়ে তাদের নিজ নিজ বর্গের পঞ্চম বর্ণে (অর্থাৎ ন-এ) পরিণত হয়।</p>
<ul>
<li>নিয়মটি হলো: <strong>ত্ + ন = ন্ন</strong></li>
<li>সেই অনুযায়ী, <strong>উৎ + নয়ন</strong> মিলে তৈরি হয় <strong>উন্নয়ন</strong>।</li>
</ul>
<p>খুব সহজেই মনে রাখার উপায় হলো, 'উন্নয়ন' শব্দটি ভাঙলে প্রথমে 'উৎ' উপসর্গ এবং পরে 'নয়ন' পাওয়া যায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিকৃতি</strong>।</p>
<p>খুব সহজভাবে মনে রাখার উপায় হলো, কোনো কিছুর স্বাভাবিক বা আসল রূপের ঠিক উল্টো বা নষ্ট হয়ে যাওয়া রূপটিকে বলা হয় <strong>বিকৃতি</strong>। যেমন—প্রকৃতির স্বাভাবিক রূপের পরিবর্তন বা অসঙ্গতি বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option B: ঔদ্ভত্য</strong>।</p>
<p>শব্দার্থ ও বানান বিচারে 'বিনয়' শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক এবং শুদ্ধ রূপটি হলো 'ঔদ্ভত্য'। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক বানানটি মনে রাখলেই পরীক্ষার হলে খুব সহজে উত্তরটি দাগানো সম্ভব।</p>
৭৯৯৫
‘পথিক তুমি পথ হারাইয়াছ?’ উদ্ধৃতাংশটুকু কোন গ্রন্থের?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: কপালকুণ্ডলা</strong>।</p>
<p>বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত রোমান্টিক উপন্যাস <strong>'কপালকুণ্ডলা'</strong>-র একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও পরিচিত সংলাপ হলো "পথিক তুমি পথ হারাইয়াছ?"। উপন্যাসের শুরুতে সপ্তগ্রামের উপকূলে সমুদ্রের কাছে পথভ্রান্ত নবকুমারকে উদ্দেশ্য করে প্রমত্ত নদীর তীরে সন্ন্যাসিনীর সঙ্গে থাকা কপালকুণ্ডলা এই কথাটি বলেছিল। বাংলা সাহিত্যে এই সংলাপটি ক্লাসিক হিসেবে পরিচিত।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।