<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপমিত কর্মধারয়</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজে এভাবে মনে রাখতে পারো—</p>
<ul>
<li>যেখানে সাধারণ বস্তু বা ব্যক্তির সাথে কোনো কাল্পনিক বা উপস্থিত বিষয়ের তুলনা করা হয় এবং সাধারণ গুণবাচক পজিশনটি মাঝখানে উহ্য থাকে, সেটাই উপমিত কর্মধারয়।</li>
<li>যেমন— অরুণ (সূর্য) এর মতো রাঙা = <strong>অরুণরাঙা</strong>। এখানে অরুণের সাথে রাঙার তুলনা করা হয়েছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপমতি কর্মধারয়</strong>।</p>
<p>খুব সহজে চেনার উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>এখানে উপমেয় (চন্দ্র বা মুখ?) অর্থাৎ যার সাথে তুলনা করা হচ্ছে (মুখ) এবং যার তুলনা দেওয়া হচ্ছে (চন্দ্র)—দুটোই উপস্থিত আছে।</li>
<li>সাধারণ ধর্ম (কী গুণ মিলিয়ে তুলনা করা হচ্ছে, যেমন: সুন্দর) উহ্য থাকে এবং তুলনা করার ক্ষেত্রে উপমেয়কে উপমানের সাথে তুলনা করে একটি অভিনিন্ন সম্পর্ক বোঝানো হয়।</li>
<li>চন্দ্র মুখ যার = চন্দ্রমুখ। উপমেয় ও উপমানের মাঝে 'মতো' বা 'ন্যায়' মাঝখানে না বসে শেষে বসে, তাই এটি উপমতি কর্মধারয় সমাস।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মধ্যপদলোপী কর্মধারয়</strong>। কারণ, এই সমাসের ব্যাসবাক্য হলো <strong>'পোলা মিশ্রিত অন্ন'</strong>। এখানে মাঝের <strong>'মিশ্রিত'</strong> পদটি সম্পূর্ণ লোপ পেয়ে নতুন শব্দ <strong>'পলান্ন'</strong> তৈরি হয়েছে। কর্মধারয় সমাসে যদি ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ বা পদগুলো উহ্য বা উধাও হয়ে যায়, তবে তাকে চোখ বন্ধ করে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলা যায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপমান কর্মধারয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজে মনে রাখার ছোট্ট একটা টেকনিক আছে:</p>
<ul>
<li>বাক্যে তুলনা করার ক্ষেত্রে সাধারণ গুণ বা ধর্মের কথা উল্লেখ থাকলে এবং সাধারণ বস্তু ও উপমেয় বস্তু সামনে থাকলে সেটি <strong>উপমান কর্মধারয়</strong> হয়।</li>
<li>এখানে 'কাজল' হলো উপমান (যার সাথে তুলনা করা হয়েছে) এবং 'কালো' হলো সাধারণ গুণ। </li>
<li>যেহেতু তুলনাটি চিরসত্য বা স্বাভাবিক বিষয়ের মতো বোঝায়, তাই এটি সরাসরি উপমান কর্মধারয় সমাস হয়ে যায়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রূপক ও উপমান</strong>। সমাস দুটি খুব সহজে চেনার নিয়ম হলো:</p>
<ul>
<li><strong>রক্তপতাকা</strong>: এর ব্যাসবাক্য হলো 'রক্ত বা লোহিত যে পতাকা'। এখানে পতাকার সাথে রক্তের রূপ বা কল্পনার তুলনা করা হয়েছে, তাই এটি <strong>রূপক কর্মধারয় সমাস</strong>।</li>
<li><strong>রক্তলাল</strong>: এর ব্যাসবাক্য হলো 'রক্তের ন্যায় লাল'। এখানে লাল রঙের সাথে রক্তের সাধারণ তুলনা বোঝানো হয়েছে এবং সাধারণ ধর্মবাচক পদ (লাল) উপস্থিত আছে, তাই এটি <strong>উপমান কর্মধারয় সমাস</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপমান</strong>। সমাসটি খুব সহজে চেনার একটা দারুণ উপায় আছে।</p>
<ul>
<li><strong>উপমান</strong> মানে হলো তুলনাবাচক সাধারণ বস্তু। এখানে 'অরুণ' (সূর্য) হলো একটি আসল বস্তু বা মানদণ্ড, আর তার মতো রাঙা (লাল) হলো তার সাধারণ গুণ।</li>
<li>ব্যাসবাক্যে যখন সাধারণ ধর্মবাচক পদের সাথে উপমেয় পদের তুলনা বোঝায় এবং যার সাথে তুলনা করা হচ্ছে (উপমান) তা যদি বাস্তবে সত্যি হয়, তবে তা <strong>উপমান কর্মধারয়</strong> হয়।</li>
<li>যেহেতু সূর্য বা অরুণ সত্যি সত্যিই লাল বা রাঙা হতে পারে, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই উপমান কর্মধারয় সমাস।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রূপক</strong> কর্মধারয় সমাস। খুব সহজে চেনার উপায় হলো—যেসব সমাসে উপমান (তুলনীয় বস্তু) ও উপমেয়ের ( যাকে তুলনা করা হচ্ছে) মধ্যে অভিন্ন বা মেলবন্ধন কল্পনা করা হয় এবং ব্যাসবাক্যে মাঝখানে 'রূপ' শব্দটি থাকে, সেটাই রূপক কর্মধারয় সমাস।</p>
<p>যেমন—<strong>'বিষাদসিন্ধু'</strong> এর ব্যাসবাক্য হলো <strong>বিষাদ রূপ সিন্ধু</strong>। এখানে বিষাদ (দুঃখ) এবং সিন্ধু (সাগর) দুটি ভিন্ন বিষয় হলেও দু'টিকে এক করে ফেলা হয়েছে। ঠিক একইভাবে, মন রূপ মজিদ = মনমাজিদিন, ক্রোধ রূপ আগুন = ক্রোধানল—এগুলো সবই রূপক কর্মধারয় সমাসের দারুণ উদাহরণ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপভাষা</strong>।</p>
<p>একটু সহজ করে মনে রাখার কৌশল হলো, ভাষা বিজ্ঞানের পরিভাষায় বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের মুখের ভাষাকে এবং তার বিশেষ বৈচিত্র্যকে <strong>উপভাষা</strong> হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এটি মূল ভাষারই একটি আঞ্চলিক রূপ, যা নির্দিষ্ট এলাকার মানুষের দৈনন্দিন কথ্যভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</p>
৭৯৬০
উপপদের সঙ্গে কৃদন্ত পদের যে সমাস হয় তাকে কোন সমাস বলে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপপদ তৎপুরুষ</strong>। কারণটা একদম সহজ:</p>
<ul>
<li>কৃৎ বা কৃদন্ত পদের সঙ্গে যখন তার আগের পদের (উপপদের) সমাস হয়, তখন তাকে এক কথায় <strong>উপপদ তৎপুরুষ সমাস</strong> বলা হয়।</li>
<li>সহজ কথায় মনে রাখার ট্রিক হলো—বেশিরভাগ উপপদ তৎপুরুষ সমাসের ব্যাসবাক্যের শেষে <strong>'যে'</strong> বা <strong>'যিনি'</strong> থাকে এবং সমস্ত পদে কৃদন্ত পদের প্রয়োগ দেখা যায়। যেমন: পঙ্কে জন্ম যার = পঙ্কজ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপপদ তৎপুরুষ</strong> সমাস।</p>
<p>খুব সহজে চেনার উপায়:</p>
<ul>
<li>যে তৎপুরুষ সমাসের পূর্বপদটি কৃদন্ত পদ (অর্থাৎ কৃৎ suffix যুক্ত পদ) এবং তা কৃৎ-প্রত্যয়ান্ত পদের সাথে সমাসবদ্ধ হয়, তাকে উপপদ তৎপুরুষ বলে।</li>
<li>'জলদ' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো: <strong>জল দেয় যে</strong>। </li>
<li>এখানে 'জল' হলো উপপদ এবং 'দ' (যা দা ধাতু থেকে এসেছে) হলো কৃদন্ত পদ। উপপদের সাথে কৃদন্ত পদের এই মিলনের কারণেই এটি নিশ্চিতভাবেই উপপদ তৎপুরুষ সমাস।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: নঞ্ তৎপুরুষ</strong>।</p>
<p>খুব সহজেই মনে রাখার উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>যে সমাসে পূর্বপদে 'না', 'ন', 'নাই' বা 'অ' জাতীয় না-বাচক অব্যয় থাকে এবং তা দিয়ে কোনো কিছুর অস্বীকৃতি বা অভাব বোঝায়, তাকে <strong>নঞ্ তৎপুরুষ সমাস</strong> বলে।</li>
<li>'নাতিদীর্ঘ' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো: <strong>ন অতি দীর্ঘ</strong> = নাতিদীর্ঘ।</li>
<li>এখানে 'ন' (না-বাচক অব্যয়) যোগে দীর্ঘ নয়—এমন অর্থ প্রকাশ পেয়েছে, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই নঞ্ তৎপুরুষ সমাস।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: প্রাদি তৎপুরুষ</strong>।</p>
<p>খুব সহজেই মনে রাখার শর্টকাট কৌশল হলো—প্র, পরা, অপ, প্রতি ইত্যাদি উপসর্গ যদি বিশেষ বিশেষ কৃদন্ত পদের পূর্বে বসে সমাস গঠন করে, তবে তাকে প্রাদি তৎপুরুষ সমাস বলে। 'উপাচার্য' শব্দটিতে 'উপ' উপসর্গটি ব্যবহৃত হয়েছে, যা প্রাদি সমাসের নিয়ম অনুযায়ী গঠিত। তাই এটি প্রাদি তৎপুরুষ সমাসের সঠিক উদাহরণ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপপদ তৎপুরুষ</strong>।</p>
<ul>
<li>কৃৎ প্রত্যয়যুক্ত পদের (যেমন: কর) সাথে তার আগের পদের (যেমন: নীল) যে সমাস হয়, তাকে <strong>উপপদ তৎপুরুষ সমাস</strong> বলে।</li>
<li>বাক্যটির ব্যাসবাক্য হলো: <strong>নীলকে যে ওড়ে (বা করে)</strong>।</li>
<li>যেহেতু কৃৎ-এর সাথে উপপদের মিলনে এই সমাস গঠিত হয়েছে, তাই এটি খুব সহজেই উপপদ তৎপুরুষ সমাস হিসেবে চেনা যায়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: অলুক</strong>। কারণটা খুব সহজ!</p>
<p>যে সমাসে ব্যাসবাক্যের সমস্যমান পদের বিভক্তিগুলো সমস্ত পদেও ঠিকঠাক বজায় থাকে বা লোপ পায় না, তাকেই ব্যাকরণের ভাষায় <strong>অলুক সমাস</strong> বলা হয়। যেমন—'ঘেঁটে ঘ' বা 'গায়ে পডা'। এখানে বিভক্তিগুলো গায়েই থেকে যায়, হারিয়ে যায় না। তাই এটি অলুক সমাস।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।