<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিত্য সমাসে</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! কিছু সমাস আছে যেগুলো নিজেদের নিয়মেই গঠিত হয় এবং এদের কোনো নির্দিষ্ট <strong>ব্যাসবাক্য</strong> থাকে না। ব্যাসবাক্য করতে গেলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয় বা অর্থ বদলে যায়। যেমন— 'অন্য গ্রাম = গ্রামান্তর'। তাই বাংলা ব্যাকরণে যে সমাসের কোনো ব্যাসবাক্য হয় না, তাকে চোখ বন্ধ করে নিত্য সমাস দাগিয়ে দিতে পারো।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্মধারয় সমাস</strong>।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার শর্টকাট:</p>
<ul>
<li>‘মৌমাছি’ শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো <strong>‘মৌ সংগ্রহকারী মাছি’</strong>।</li>
<li>যে সমাসে পদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝায় এবং মাঝের ‘সংগ্রহকারী’ উহ্য থাকে, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।</li>
<li>এখানে মৌ (মধু) সংগ্রহ করে যে মাছি, তাকেই এককথায় মৌমাছি বলা হয়েছে। তাই এটি কর্মধারয় সমাসের চমৎকার একটি উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: দ্বিগু সমাস</strong>।</p>
<p>খুব সহজেই সমাসটি চেনার কৌশল হলো:</p>
<ul>
<li>শতাব্দী মানে হলো 'শত অব্দের (বছর) সমাহার'।</li>
<li>যেসব সমাসে পূর্বপদটি সংখ্যাবাচক হয় এবং সমস্ত পদে সমাহার বা মিলন বোঝায়, তাকেই <strong>দ্বিগু সমাস</strong> বলে।</li>
<li>এখানে 'শত' সংখ্যাটি অব্দ বা বছরের সমাহার বুঝিয়েছে, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই দ্বিগু সমাস।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিত্য সমাস</strong>। কারণ যে সমাসের সমস্তপদ বা সমাসবদ্ধ পদটির কোনো ব্যাসবাক্য হয় না বা ব্যাসবাক্য করতে গেলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে।</p>
<p>খুব সহজেই চেনার উপায়:</p>
<ul>
<li>‘দর্শনমাত্র’ শব্দটির ব্যাসবাক্য হয়: কেবল দর্শন।</li>
<li>যেসব শব্দে 'কেবল', 'মাত্র', 'অন্য' ইত্যাদি শব্দ দিয়ে ব্যাসবাক্য করতে হয়, চোখ বন্ধ করে সেগুলোকে নিত্য সমাস দাগিয়ে দেওয়া যায়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অব্যয়ীভাব সমাস</strong>। খুব সহজে চেনার উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>যে সমাসে পূর্বপদে কোনো অব্যয় (যেমন: উপ, প্রতি, a, বি ইত্যাদি) যুক্ত হয়ে অব্যয়ের অর্থই প্রধানভাবে বোঝায়, তাকে <strong>অব্যয়ীভাব সমাস</strong> বলে।</li>
<li>এখানে 'উপ' একটি অব্যয়, যা 'কুল-এর সমীপ' বা সামীপ্য অর্থে ‘উপকূল’ শব্দটি তৈরি করেছে। তাই এটি নিশ্চিতভাবেই অব্যয়ীভাব সমাস।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অব্যয়ীভাব সমাস</strong>। খুব সহজে মনে রাখার টেকনিক হলো—</p>
<ul>
<li>পূর্বপদে যদি কোনো উপসর্গ বা অব্যয় (যেমন: বে-, আ-, নি-, প্রতি-) যুক্ত থাকে এবং সমস্তপদটি যদি অব্যয়ের অর্থকেই প্রধান করে তোলে, তবে সেটি অব্যয়ীভাব সমাস হয়।</li>
<li>‘বেহায়া’ শব্দটিতে ‘বে’ একটি উপসর্গ বা অব্যয় যা হায়ার (লজ্জার) অভাব অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
<li>তাই নিয়ম অনুযায়ী এটি সরাসরি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্মধারয় সমাস</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! ‘বিষবৃক্ষ’ শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো— <strong>বিষ যে বৃক্ষ</strong>। এখানে 'বিষ' বিশেষ্য পদ এবং 'বৃক্ষ' বিশেষ্য পদ মিলে একটি অভিন্ন সত্তাকে বোঝাচ্ছে, যেখানে বিষ রূপ বৃক্ষ বা বিষের মতো বৃক্ষ না বুঝিয়ে এমন একটি গাছকে বোঝানো হয়েছে যা বিষাক্ত। উপমান বা উপমিত কর্মধারয় না হয়ে সাধারণ নিয়মে বিশেষ্য ও বিশেষ্য পদে মিলে যখন অভিন্নতা প্রকাশ পায়, তখন সেটি সাধারণ কর্মধারয় সমাস হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অব্যয়ীভাব সমাস</strong>। খুব সহজে মনে রাখার একটা দারুণ উপায় হলো—</p>
<ul>
<li>যেসব শব্দে 'অনু', 'আ', 'প্রতি', 'উপ', 'নি' বা 'যথা' এর মতো উপসর্গ বা অব্যয় আগে বসে কোনো নতুন অর্থ তৈরি করে এবং সমস্তপদটি অব্যয়ের অর্থই প্রকাশ করে, সেগুলো সাধারণত অব্যয়ীভাব সমাস হয়।</li>
<li>এখানে 'অনু' উপসর্গটি 'প্রেরণা' শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে <strong>‘অনুপ্রেরণা’</strong> (পশ্চাৎপ্রেরণা বা অনুকূল প্রেরণা) শব্দটি গঠন করেছে।</li>
<li>তাই এটি চোখ বন্ধ করে অব্যয়ীভাব সমাসের চমৎকার একটি উদাহরণ।</li>
</ul>
৮৪৪০
যেসব সমাসের প্রচুর উদাহরণ পাওয়া যায় না, তাকে কি বলে ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অপ্রধান সমাস</strong>। খুব সহজ কথায়, যেসব সমাসের গঠন বা ব্যবহার বাংলায় খুব একটা বেশি দেখা যায় না এবং যাদের উদাহরণের সংখ্যাও বেশ সীমিত, তাদেরকেই ব্যাকরণের ভাষায় অপ্রধান সমাস বলা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অব্যয়ীভাব</strong>।</p>
<p>খুব সহজ একটা টেকনিক মাথায় রাখলে এটা একদম পানিভাতের মতো সহজ হয়ে যায়:</p>
<ul>
<li><strong>আ</strong> উপসর্গটি যখন কোনো শব্দের শুরুতে 'ঈষৎ', 'অল্প' বা 'বিনা' অর্থে বসে কোনো শব্দ তৈরি করে, তখন চোখ বন্ধ করে সেটাকে <strong>অব্যয়ীভাব সমাস</strong> দাগিয়ে দেওয়া যায়।</li>
<li>এখানে 'আনত' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো 'ঈষৎ নত'।</li>
<li>যেহেতু এখানে 'আ' উপসর্গটি 'ঈষৎ' বা সামান্য অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে এবং পূর্বপদের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়েছে, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই অব্যয়ীভাব সমাস।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্মধারয়</strong> সমাস।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজে মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li>যেখানে বিশেষণ বা বিশেষ্য পদের সাথে অন্য কোনো পদ মিলে একটি নতুন অর্থ প্রকাশ করে এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকে, সেখানেই কর্মধারয় সমাস হয়।</li>
<li>এখানে, 'নীল' হলো বিশেষণ (রঙ) এবং 'অম্বর' হলো বিশেষ্য পদ (আকাশ বা বস্ত্র)।</li>
<li>ব্যাসবাক্যটি হলো: <strong>নীল যে অম্বর</strong>।</li>
<li>যেহেতু এখানে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে একটি বস্তু বা বিষয়কে বোঝানো হয়েছে, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই কর্মধারয় সমাস।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বহুব্রীহী</strong>।</p>
<p>সহজ কথায় মনে রাখার টেকনিক:</p>
<ul>
<li>'আশীবষি' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো 'আষীতে (বিষে) বিষ যার'।</li>
<li>যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে সম্পূর্ণ নতুন একটি অর্থ প্রকাশ করে, তাকে <strong>বহুব্রীহী সমাস</strong> বলে।</li>
<li>এখানে 'আশী' অর্থ দাঁত এবং 'বিষ' অর্থ বিষ। কিন্তু সমস্তপদ 'আশীবষি' দিয়ে সাপকে বোঝানো হয়েছে। তাই এটি বহুব্রীহী সমাস।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপমিত কর্মধারয়</strong> সমাস।</p>
<p>খুব সহজে চেনার উপায়:</p>
<ul>
<li>যেখানে সাধারণ গুণবিশিষ্ট দুটি পদের মধ্যে তুলনা বোঝায় এবং সাধারণ গুণবাচক শব্দটি উহ্য থাকে, তাকে উপমিত কর্মধারয় বলে।</li>
<li>এখানে ‘সিংহ’ হলো উপমান (যার সাথে তুলনা করা হয়েছে) এবং ‘পুরুষ’ হলো উপমেয় ( যাকে তুলনা করা হয়েছে)।</li>
<li>ব্যাসবাক্য করলে হয়— 'পুরুষ সিংহের ন্যায়'। </li>
<li>তুলনা করার ক্ষেত্রে যখন উপমেয় পদটি প্রথমে বসে এবং সাধারণ গুণবাচক ধর্ম উহ্য থাকে, তখন চোখ বন্ধ করে তা উপমিত কর্মধারয় দাগিয়ে ফেলা যায়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দ্বন্দ্ব</strong> সমাস।</p>
<p>খুব সহজভাবে চেনার উপায় হলো— 'পোকা-মাকড়' শব্দটিতে 'পোকা' এবং 'মাকড়' উভয় পদের অর্থই সমানভাবে প্রধান পেয়েছে। যে সমাসে উভয় পদের অর্থ প্রধান থাকে এবং ব্যাসবাক্যে 'ও' বা 'এবং' ব্যবহৃত হয় (যেমন: পোকা ও মাকড়), তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। তাই এটি নিশ্চিতভাবেই দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।