<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দ্বন্দ্ব</strong>। কারণ খুব সহজ একটা নিয়ম মাথায় রাখলেই এটা চেনা যায়—যে সমাসে পদের অর্থের প্রাধান্য থাকে এবং দুটি পদের মিলনে একটি জোড়া বোঝায়, সেটাই দ্বন্দ্ব সমাস।</p>
<p>'দম্পতি' শব্দটিকে ভাঙলে আমরা পাই <strong>"জায়া ও পতি"</strong>। এখানে 'জায়া' (স্ত্রী) এবং 'পতি' (স্বামী) উভয় পদের অর্থই সমানভাবে গুরুত্ব পেয়েছে এবং একসাথে মিলে একটি দম্পতি বা জোড়াকে বোঝাচ্ছে। তাই এটি দ্বন্দ্ব সমাসের খুব সুন্দর একটি উদাহরণ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তৎপুরুষ</strong>।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার শর্টকাট:</p>
<ul>
<li>ব্যাসবাক্যে যদি 'যে' বা 'যিনি' থাকে এবং এর মাধ্যমে বিশেষ্য ও বিশেষণের মেলবন্ধন বোঝায়, তখন সেটি তৎপুরুষ সমাসের নিয়ম অনুযায়ী সাধিত হয়।</li>
<li>এখানে 'নীল' (বিশেষণ) এবং 'অম্বর' (বিশেষ্য)-এর মিলনে সমাসবদ্ধ পদটি গঠিত হয়েছে, যা তৎপুরুষ সমাসের অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রূপক</strong> কর্মধারয় সমাস।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজে এভাবে মনে রাখতে পারো:</p>
<ul>
<li>যেখানে উপমেয় (যার সাথে তুলনা করা হচ্ছে, যেমন: চাঁদ) এবং উপমান (যাকে তুলনা করা হচ্ছে, যেমন: মুখ)-এর মধ্যে অভিন্ন বা একই রকম কল্পনা করা হয়, সেটাই <strong>রূপক কর্মধারয় সমাস</strong>।</li>
<li>এখানে চাঁদ ও মুখ দুটি আলাদা জিনিস না বুঝিয়ে একটি অভিন্ন সত্তা হিসেবে বোঝানো হয়েছে, যার ব্যাসবাক্য হলো— <strong>চাঁদ রূপ মুখ = চাঁদমুখ</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বহুব্রীহি</strong>।</p>
<p>সহজ একটা শর্টকাট মনে রেখো— 'সহোদর' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো 'সমান উদর যার' বা 'একই উদরের সন্তান'। এখানে সমস্ত পদটি না বুঝিয়ে অন্য কোনো অর্থ বা বিশেষ সম্পর্ককে বোঝাচ্ছে। যখন কোনো সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে সম্পূর্ণ নতুন বা অন্য কোনো অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাকে <strong>বহুব্রীহি সমাস</strong> বলে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বহুব্রীহি</strong>।</p>
<p>খুব সহজ একটা টেকনিক মাথায় রাখলে এমন শব্দগুলোর সমাস সহজে চেনা যায়। 'আশীবিষ' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো <strong>'আষীতে (দাঁতে) বিষ যার'</strong>। এখানে সমাসবদ্ধ পদটি (আশীবিষ) পূর্বপদ বা পরপদ কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে সম্পূর্ণ নতুন একটি অর্থ (সাপ) প্রকাশ করছে।</p>
<p>যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনোটির অর্থ প্রধান না হয়ে একটি নতুন অর্থ বোঝায়, তাকেই <strong>বহুব্রীহি সমাস</strong> বলে। তাই চোখ বন্ধ করে এটি বহুব্রীহি সমাস দাগিয়ে দেওয়া যায়!</p>
৮৪৫১
যে সমাসে পদগুলি নিত্য সমাসবদ্ধ থাকে, ব্যাসবাক্যের প্রয়োজন হয় না, তাহাকে কোন সমাস বলে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: নিত্য সমাস</strong>।</p>
<p>বিষয়টা মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>যে সমাসে পদগুলো সবসময় সমাসবদ্ধ অবস্থাতেই থাকে এবং কোনো ব্যাসবাক্যের প্রয়োজন হয় না, তাকেই <strong>নিত্য সমাস</strong> বলে।</li>
<li>যেমন: 'অন্য গ্রাম' = 'গ্রামান্তর'। এখানে আলাদা করে ব্যাসবাক্য লাগে না, পদগুলো নিজেই নিজের অর্থ প্রকাশ করে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্মধারয়</strong>।</p>
<p>সহজ কথায় চেনার উপায়:</p>
<ul>
<li>ব্যাসবাক্যটি যদি এমন হয় যেখানে বিশেষ্য ও বিশেষণ মিলে একটি বস্তু বা বিষয়কে বোঝায় এবং অর্থ প্রধান থাকে, তবে তা কর্মধারয় সমাস হয়।</li>
<li>এখানে 'হারিয়ে যাওয়া' হলো মণির একটি অবস্থা বা বৈশিষ্ট্য, আর 'মণি' হলো মূল বিশেষ্য পদ।</li>
<li>তাই 'হারিয়েছে যে মণি'—এই ব্যাসবাক্য অনুযায়ী এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের নিয়মে <strong>কর্মধারয়</strong> সমাস হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: দ্বন্দ্ব</strong>।</p>
<p>খুব সহজ একটা ট্রিক দিয়ে মনে রাখতে পারো:</p>
<ul>
<li>'আমরা' শব্দটি মূলত এসেছে <strong>"আমি ও তুমি ও সে"</strong> — এই ব্যাসবাক্য থেকে।</li>
<li>যে সমাসে সমস্ত পদে প্রতিটি পদের অর্থের সমান গুরুত্ব থাকে এবং এবং, ও, আর ইত্যাদি সংযোজক অব্যয় লুপ্ত হয়, তাকে <strong>দ্বন্দ্ব সমাস</strong> বলে।</li>
<li>এখানে 'আমি', 'তুমি' এবং 'সে'—সবগুলো পদ মিলে এক সাথে 'আমরা' হয়েছে, তাই এটি দ্বন্দ্ব সমাস।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: প্রাদি</strong>।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার টেকনিক হলো—বাংলা ব্যাকরণে যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদে <strong>'প্র', 'পরা', 'অপ'</strong> ইত্যাদি উপসর্গ থাকে এবং পদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝায়, তাকে প্রাদি সমাস বলে। যেমন: 'প্র ভাত' = প্রভাত (এখানে প্র উপসর্গ যোগে প্রাদি সমাস হয়েছে)।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপপদ তৎপুরুষ</strong>। খুব সহজেই চেনার দারুণ একটি শর্টকাট কৌশল আছে:</p>
<ul>
<li>যেসব পদের শেষে সাধারণত <strong>'জ'</strong> (যার অর্থ জন্মে), <strong>'দ'</strong> (যার অর্থ দেয়), বা <strong>'চর'</strong> (যার অর্থ চরে বেড়ায়) যুক্ত থাকে এবং সমস্ত পদটি একটি বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলোই উপপদ তৎপুরুষ সমাস।</li>
<li>যেমন— 'পঙ্কে জন্মে যা' = <strong>পঙ্কজ</strong> (পদ্মফুল)। এখানে 'পঙ্কে' হলো উপপদ এবং 'জ' কৃৎপ্রকৃতি।</li>
<li>তাই দেখলেই চিনে ফেলবেন যে এটি মূলত উপপদ তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দ্বন্দ্ব</strong> সমাস।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার শর্টকাট কৌশল হলো:</p>
<ul>
<li>যে সমস্ত পদে একই শব্দের সামান্য পরিবর্তনের মাধ্যমে জোড়া শব্দ বা অর্থ প্রকাশ পায়, সেগুলো দ্বন্দ্ব সমাস হয়।</li>
<li>এখানে 'তাল' ও 'তমাল' দুটি আলাদা ও অর্থপূর্ণ বিশেষ্য পদ মিলে একটি জোড়া বা সমষ্টি বুঝিয়েছে, যার ব্যাসবাক্য হলো <strong>'তাল ও তমাল'</strong>।</li>
<li>উভয় পদের অর্থের প্রধান্য থাকায় এটি সহজেই দ্বন্দ্ব সমাস হিসেবে চিহ্নিত হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপপদ তৎপুরুষ</strong>।</p>
<p>খুব সহজে চেনার উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>যে তৎপুরুষ সমাসের পূর্বপদটি কৃদন্ত পদ এবং পরপদটি বিশেষ্য হয়, তাকে উপপদ তৎপুরুষ বলে।</li>
<li>'জলচর'-এর ব্যাসবাক্য হলো: <strong>জলে চরে যা</strong>। এখানে 'চর' হলো কৃদন্ত পদ (যা 'চর' ধাতু থেকে এসেছে) এবং 'জল' হলো তার উপপদ।</li>
<li>তাই এটি নিয়ম অনুযায়ী সরাসরি উপপদ তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্মধারয়</strong>।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার শর্টকাট টেকনিক হলো—ব্যাসবাক্যের মাঝখানে যদি 'যাওয়ার' বা এ জাতীয় কোনো সংযোগকারী শব্দ থাকে এবং তা দিয়ে যদি একটি বিশেষ অর্থ প্রকাশ পায়, তবে তা সাধারণত কর্মধারয় সমাস হয়। এখানে 'প্রাণ যাওয়ার ভয়'—এই পুরো ব্যাসবাক্যে ভয়ের মূল উৎস বা কারণ বোঝানো হয়েছে, যা কর্মধারয় সমাসের নিয়মের সাথে মিলে যায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: কর্মধারয়</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! ব্যাসবাক্যটি হলো 'শশকের ন্যায় ব্যস্ত'। এখানে উপমান ও উপমেয়ের তুলনা বা মিল বোঝানো হয়েছে। কর্মধারয় সমাসের নিয়ম অনুযায়ী, যেখানে সাধারণ ধর্মবাচক পদের সাথে উপমান বা উপমেয় পদের তুলনা করা হয়, তাকে উপমিত বা রূপক কর্মধারয় সমাস বলা হয়। তাই 'শশব্যস্ত' শব্দটি সঠিক নিয়মে <strong>কর্মধারয়</strong> সমাসের অন্তর্ভুক্ত।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।