<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>যৌগিক</strong>। কারণটি খুব সহজ—যেসব শব্দের অর্থ তার প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের অর্থের অনুগামী হয়, তাদেরই যৌগিক শব্দ বলে।</p>
<ul>
<li>'মিতালি' শব্দটি বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায়: <strong>মিতা + আলি</strong>।</li>
<li>এখানে 'মিতা' মানে বন্ধু এবং 'আলি' প্রত্যয়টি যুক্ত হয়ে 'বন্ধুত্ব' বা 'মিত্রতা' অর্থ প্রকাশ করছে।</li>
<li>যেহেতু শব্দটি ভাঙলে এর মূল অর্থ বা প্রকৃতির সাথে মিল পাওয়া যায়, তাই এটি একটি যৌগিক শব্দ।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সর্বনাম</strong>। বিষয়টি একদম সহজ!</p>
<p>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, বিশেষ্য পদের পরিবর্তে যে শব্দ ব্যবহৃত হয়, তাকেই সর্বনাম বলে। ‘আমরা’ শব্দটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম নয়, বরং বক্তা বা একাধিক ব্যক্তিকে বোঝাতে নামের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়েছে। তাই এটি একটি সর্বনাম পদ।</p>
<ul>
<li><strong>বিশেষ্য:</strong> কোনো কিছুর নাম (যেমন: রহিম, ঢাকা)।</li>
<li><strong>সর্বনাম:</strong> নামের বদলে যা বসে (যেমন: আমি, তুমি, আমরা)।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখনই কোনো নামের বদলে নিজেকে বা অন্য কাউকে বোঝাতে কোনো শব্দ ব্যবহার করবেন, সেটিই সর্বনাম। তাই ‘আমরা’ শব্দটি নিঃসন্দেহে সর্বনাম।</p>
৮৪৭৮
‘সুন্দর মাত্রই একটা আকর্ষণ শক্তি আছে।’ বাক্যে সুন্দর শব্দটি কোন পদ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: বিশেষ্য</strong>।</p>
<p>বাক্যটিতে <strong>'সুন্দর'</strong> শব্দটি কোনো দোষ, গুণ বা অবস্থার নাম হিসেবে বসেছে। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো কিছুর নাম বোঝালে সেটি সবসময় <strong>বিশেষ্য পদ</strong> হয়। এখানে 'সুন্দর' বলতে সুন্দরের ভাব বা সৌন্দর্যকে বোঝানো হয়েছে, তাই এটি বিশেষ্য।</p>
৮৪৭৯
‘সন্তানের প্রতি মাতৃস্নেহ আন্তরিক।’ নিম্নরেখ পদের নাম -
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিশেষণ</strong>।</p>
<p>বাক্যটিতে <strong>'আন্তরিক'</strong> শব্দটি দিয়ে মাতৃস্নেহের বিশেষ গুণ বা বৈশিষ্ট্য বোঝানো হয়েছে। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যে শব্দ দিয়ে কোনো দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা প্রকাশ করা হয়, তাকে বিশেষণ পদ বলে। এখানে স্নেহ কেমন?— তা বুঝিয়ে দিতে 'আন্তরিক' শব্দটি ব্যবহার করায় এটি স্পষ্টতই একটি বিশেষণ পদ।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>উদ্দেশ্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>বাক্যে যার সম্পর্কে বা যাকে নিয়ে কোনো কিছু বলা হয়, তাকেই ব্যাকরণের ভাষায় <strong>উদ্দেশ্য</strong> বলা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, বাক্যের কর্তা বা যাকে কেন্দ্র করে পুরো বাক্যটি গঠিত হয়, সেটিই উদ্দেশ্য।</li>
<li>উদাহরণস্বরূপ, "<strong>রহিম</strong> বই পড়ছে" — এখানে রহিম সম্পর্কে বলা হচ্ছে, তাই রহিম হলো উদ্দেশ্য।</li>
</ul>
৮৪৮১
যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি ধাতু বা শব্দের পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে তাকে কী বলা হয়?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: প্রত্যয়</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ করে এভাবে মনে রাখতে পারো:</p>
<ul>
<li>শব্দ বা ধাতুর পরে নতুন কোনো বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত হয়ে যখন নতুন শব্দ তৈরি করে, তখন তাকে ব্যাকরণের ভাষায় <strong>প্রত্যয়</strong> বলে।</li>
<li>যেমন: ঢাকা + আই = ঢাকাই (এখানে 'আই' হলো প্রত্যয়)।</li>
<li>তাই সঠিক উত্তরটি চিহ্নিত করার জন্য শুধু মনে রেখো—ধাতু বা শব্দের <em>পরে</em> যুক্ত হয় <strong>প্রত্যয়</strong>।</li>
</ul>
৮৪৮২
ধাতুর সঙ্গে পুরুষ ও কালবাচক বিভক্তি যোগ করলে কোন পদ হয় ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ক্রিয়া</strong>।</p>
<p>খুব সহজ কথায়, কোনো ধাতু বা মূল শব্দের সঙ্গে যখন পুরুষ (যেমন: আমি, তুমি, সে) এবং কাল (যেমন: বর্তমান, অতীত, ভবিষ্যৎ) নির্দেশক বিভক্তি যুক্ত হয়ে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝায়, তখন তাকে ব্যাকরণের ভাষায় <strong>ক্রিয়া পদ</strong> বলা হয়। যেমন— 'পড়' ধাতুটির সঙ্গে 'ছ' বিভক্তি যুক্ত হয়ে তৈরি হয় 'পড়ছ', যা একটি সম্পূর্ণ ক্রিয়াপদ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অব্যয়</strong>।</p>
<p>বাংলা ব্যাকরণে পদের মধ্যে বিশেষ্য, বিশেষণ এবং ক্রিয়াপদের সাথে নিয়ম অনুযায়ী সন্ধি সাধিত হয়। কিন্তু <strong>অব্যয় পদের</strong> সাথে সাধারণত কোনো পদের সন্ধি হয় না। অব্যয় পদগুলো সবসময় অপরিবর্তিত ও স্বাধীনভাবে বাকೆಯಲ್ಲಿ ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>উপসর্গকে <strong>অব্যয়</strong> জাতীয় শব্দাংশ বলা হয়। এর কারণ খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>উপসর্গ নিজে কোনো স্বাধীন শব্দ হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হতে পারে না।</li>
<li>এগুলো শব্দের শুরুতে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে, কিন্তু এদের নিজস্ব কোনো রূপান্তর বা পরিবর্তন (লিঙ্গ, বচন বা কারক অনুযায়ী) হয় না।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যে শব্দের কোনো পরিবর্তন বা ব্যয় হয় না, তাকেই <strong>অব্যয়</strong> বলা হয়। যেহেতু উপসর্গ অপরিবর্তনীয়, তাই এটি অব্যয় জাতীয় শব্দাংশ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অব্যয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>অনুসর্গ হলো এমন এক ধরনের শব্দ যা বাক্যের বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে বসে বিভক্তির মতো কাজ করে।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, অনুসর্গগুলো স্বতন্ত্রভাবে ব্যবহৃত হতে পারে না এবং এদের নিজস্ব কোনো রূপান্তর বা পরিবর্তন হয় না।</li>
<li>যেহেতু এদের কোনো লিঙ্গ, বচন বা বিভক্তি পরিবর্তন হয় না, তাই বাংলা ব্যাকরণে অনুসর্গকে মূলত <strong>অব্যয়</strong> পদ হিসেবেই গণ্য করা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, অনুসর্গ বাক্যে বসে পদের সাথে সম্পর্ক তৈরি করে কিন্তু নিজে অপরিবর্তনীয় থাকে, আর এই অপরিবর্তনীয় বৈশিষ্ট্যই একে অব্যয়ের অন্তর্ভুক্ত করেছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্মধারয় সমাস</strong>।</p>
<p>খুব সহজে চেনার উপায়:</p>
<ul>
<li>'মুজিববর্ষ' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো <strong>মুজিব নামক বর্ষ</strong>।</li>
<li>যেখানে বিশেষ্য বা বিশেষণের সাথে পরপদের তুলনা বা অভিন্নতা বোঝায়, সেটাই কর্মধারয় সমাস। এখানে 'মুজিব' এবং 'বর্ষ' অভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>দ্বিগু</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>'তেপান্তর' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো <strong>তিন প্রান্তরের সমাহার</strong>।</li>
<li>যে সমাসে পূর্বপদটি সংখ্যাবাচক হয় এবং সমস্ত পদটি দ্বারা কোনো সমাহার বা মিলন বোঝায়, তাকেই <strong>দ্বিগু সমাস</strong> বলে।</li>
<li>এখানে 'তে' বা 'তিন' একটি সংখ্যাবাচক শব্দ এবং এটি তিনটি প্রান্তরের সমষ্টি বা সমাহার বোঝাচ্ছে, তাই এটি দ্বিগু সমাস।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অবৈতনিক</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>Honorary</strong> শব্দটি সাধারণত এমন কোনো পদ বা সম্মানের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যেখানে কোনো বেতন বা পারিশ্রমিক নেওয়া হয় না।</li>
<li>সহজ কথায়, যখন কেউ কোনো দায়িত্ব কেবল সম্মানের খাতিরে পালন করেন এবং বিনিময়ে কোনো টাকা-পয়সা নেন না, তখন তাকেই বলা হয় <strong>অবৈতনিক</strong> বা Honorary।</li>
<li>তাই পরীক্ষার খাতায় বা বাস্তব জীবনে এই শব্দটি দেখলে সরাসরি 'অবৈতনিক' বা 'বিনা বেতনে' বিষয়টি মাথায় রাখলেই চলবে।</li>
</ul>
<p>যে নারীর স্বামী ও পুত্র নেই, তাকে এক কথায় বলা হয় <strong>অবীরা</strong>। বাংলা ব্যাকরণের শব্দসংক্ষেপ বা এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>অ</strong> মানে এখানে অভাব বা নেই বোঝানো হয়েছে।</li>
<li><strong>বীর</strong> বলতে এখানে স্বামী বা পুত্রকে নির্দেশ করা হয়।</li>
<li>অর্থাৎ, যার জীবনে স্বামী বা পুত্র—এই দুইয়েরই অভাব রয়েছে, তিনিই হলেন <strong>অবীরা</strong>।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।