<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ষষ্ঠী তৎপুরুষ</strong>। বিষয়টি বোঝা খুবই সহজ:</p>
<ul>
<li>তৎপুরুষ সমাসের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায়।</li>
<li>যখন কোনো সমাসে পূর্বপদের সাথে <strong>'র'</strong> বা <strong>'এর'</strong> বিভক্তি যুক্ত থাকে এবং সমাস করার সময় তা লোপ পায়, তখন তাকে ষষ্ঠী তৎপুরুষ বলা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, বিভক্তির নাম অনুযায়ীই সমাসের নাম হয়। তাই পূর্বপদে ষষ্ঠী বিভক্তি (র/এর) লোপ পেলে সেটি নিশ্চিতভাবেই <strong>ষষ্ঠী তৎপুরুষ</strong>।</li>
</ul>
৮৪৬২
কর্মে পরস্পর বুঝাতে দুটি কৃদন্ত বিশেষণ পদে কোন সমাস হয় ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্মধারয়</strong>।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার শর্ટકટ:</p>
<ul>
<li>বাক্যে যখন কর্মে পরস্পর বোঝাতে দুটি কৃদন্ত বিশেষণ পদ একসঙ্গে বসে কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাকে ব্যতিহার কর্মধারয় সমাস বলা হয়।</li>
<li>যেমন— 'হাতে হাতে যে যুদ্ধ' = হাতাহাতি, বা 'লাঠিতে লাঠিতে যে লড়াই' = লাঠালাঠি।</li>
<li>তাই পদ দুটির এই বিশেষ সম্পর্ক দেখলেই চোখ বন্ধ করে কর্মধারয় সমাস দাগিয়ে দেওয়া যায়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দ্বন্দ্ব</strong> সমাস।</p>
<p>এর কারণ খুব সহজ — যে সমাসে উভয় পদের অর্থের সমান গুরুত্ব থাকে, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। <strong>'দম্পতি'</strong> শব্দটি বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায় <strong>'পায় ও পত্নী'</strong> (বা পতি ও পত্নী)। এখানে স্বামী ও স্ত্রী উভয়ের অর্থই সমানভাবে প্রকাশ পেয়েছে এবং মাঝখানে 'ও' সংযোজক অব্যয় লুপ্ত হয়েছে। তাই এটি দ্বন্দ্ব সমাসের একটি বিশেষ রূপ।</p>
৮৪৬৫
যে সমাসে পদগুলি নিত্য সমাসবদ্ধ থাকে, ব্যাসবাক্যের প্রয়োজন হয় না, তাকে কোন সমাস বলে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: নিত্য সমাস</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! যে সমাসে সমস্যমান পদগুলো সবসময় সমাসবদ্ধ অবস্থাতেই থাকে এবং কোনো ব্যাসবাক্যের প্রয়োজন হয় না—যেমন: <em>'অন্য গ্রাম = গ্রামান্তর'</em>, তাকেই আমরা <strong>নিত্য সমাস</strong> বলি। এই সমাসের ক্ষেত্রে আলাদা করে ব্যাসবাক্য তৈরি করার নিয়ম নেই, তাই এটি দেখলেই খুব সহজে চিনে ফেলা যায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দ্বন্দ্ব সমাস</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ দ্বন্দ্ব সমাসে সাধারণত দুটি পদেরই অর্থ প্রধান থাকে এবং ব্যাসবাক্য করার সময় 'ও', 'এবং' বা 'আর' অব্যয় ব্যবহৃত হয়।</p>
<ul>
<li>'খবরবার্তা' শব্দটিকে ভাঙলে আমরা পাই: <strong>খবর ও বার্তা</strong>।</li>
<li>এখানে 'খবর' এবং 'বার্তা'—উভয় পদের অর্থই সমানভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে।</li>
<li>যেহেতু ব্যাসবাক্যে 'ও' অব্যয়টি যুক্ত হয়েছে এবং উভয় পদের অর্থ প্রধান, তাই এটি চোখ বন্ধ করে দ্বন্দ্ব সমাস।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দ্বন্দ্ব সমাস</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>দ্বন্দ্ব সমাসের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এখানে দুটি পদেরই অর্থ সমানভাবে প্রাধান্য পায়।</li>
<li>'ঘরেবাইরে' শব্দটিকে ভাঙলে আমরা পাই 'ঘরে ও বাইরে'।</li>
<li>যেহেতু এখানে 'ঘর' এবং 'বাইরে'—উভয় পদের অর্থই সমান গুরুত্বপূর্ণ এবং মাঝখানে 'ও' অব্যয়টি লুকিয়ে আছে, তাই এটি দ্বন্দ্ব সমাসের অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখন দুটি বিপরীত বা সমজাতীয় পদের মিলন ঘটে এবং উভয় পদের অর্থই প্রকাশ পায়, তখন চোখ বন্ধ করে তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে দেওয়া যায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দ্বন্দ্ব</strong>।</p>
<p>খুব সহজ একটা টেকনিক মনে রেখো—যে সমস্ত সমাসে দুটি পদেরই অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে এবং ব্যাসবাক্যে 'ও', 'এবং', 'কিংবা' ব্যবহৃত হয়, সেটাই দ্বন্দ্ব সমাস।</p>
<ul>
<li>'টাকা-পয়সা' শব্দটিকে ভাঙলে পাওয়া যায়—<strong>টাকা ও পয়সা</strong>।</li>
<li>এখানে 'টাকা' এবং 'পয়সা' দুটো পদের অর্থই সমানভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে।</li>
<li>যেহেতু মাঝখানে 'ও' উহ্য আছে এবং উভয় পদের মিলন ঘটেছে, তাই চোখ বন্ধ করে এটি <strong>দ্বন্দ্ব সমাস</strong> দাগিয়ে দেওয়া যায়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অলুক তৎপুরুষ</strong>। সমাসের নিয়ম অনুযায়ী, যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক সমাস বলে।</p>
<p>খুব সহজে চেনার উপায়:</p>
<ul>
<li>'চোখের বালি' কথাটিতে 'চোখের' পদের সাথে র/এর বিভক্তি যুক্ত আছে।</li>
<li>সমাস করার পরও সেই বিভক্তিটি (চোখের) অপরিবর্তিত থাকে, অর্থাৎ লোপ পায় না।</li>
<li>যেহেতু বিভক্তি লোপ পায় না এবং এটি তৎপুরুষ সমাসের অর্থ প্রকাশ করে, তাই এটি <strong>অলুক তৎপুরুষ</strong> সমাস।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নিত্য সমাস</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>যেসব সমাসে সমস্যমান পদগুলো নিত্য সমাসবদ্ধ থাকে এবং ব্যাসবাক্য করার জন্য অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, তাদের নিত্য সমাস বলে।</li>
<li>'বিরানব্বই' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো <strong>দুই ও নব্বই</strong>।</li>
<li>এখানে 'দুই' এবং 'নব্বই' পদ দুটি মিলে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যাবাচক শব্দ তৈরি করেছে, যা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী নিত্য সমাসের অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখন কোনো শব্দকে ভাঙলে অন্য কোনো পদের সাহায্য নিয়ে ব্যাসবাক্য তৈরি করতে হয়, তখন চোখ বন্ধ করে সেটিকে <strong>নিত্য সমাস</strong> হিসেবে ধরে নিতে পারেন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্মধারয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় যদি আমরা সমাসের গঠনটা দেখি:</p>
<ul>
<li>যখন কোনো সমাসে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝায়, তখন তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।</li>
<li>এখানে 'নীল' হলো একটি বিশেষণ (রঙ) এবং 'আকাশ' হলো একটি বিশেষ্য।</li>
<li>ব্যাসবাক্যটি হলো: <strong>নীল যে আকাশ = নীলাকাশ</strong>।</li>
<li>যেহেতু এখানে নীল রঙের আকাশকে বোঝানো হচ্ছে এবং বিশেষ্যের গুণ প্রকাশ পাচ্ছে, তাই এটি নিঃসন্দেহে কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কৃদন্ত পদ</strong>। কারণটা খুব সহজ—</p>
<ul>
<li>ক্রিদমূল বা ধাতুর সাথে যখন <strong>কৃৎ প্রত্যয়</strong> যুক্ত হয়, তখন যে নতুন পদটি তৈরি হয় তাকে ব্যাকরণের ভাষায় <strong>কৃদন্ত পদ</strong> বলা হয়।</li>
<li>যেমন: 'কৃ' ধাতু + 'তব্য' = 'কর্তব্য', যা একটি কৃদন্ত পদ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিশেষণ পদ</strong>।</p>
<p>নঞ বহুব্রীহি সমাস চেনার খুব সহজ একটা কৌশল আছে। যে বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদে 'নঞ' বা না-বোধক অব্যয় (যেমন: অ, না, নি ইত্যাদি) বসে কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে এবং সমস্তপদটি দিয়ে কোনো কিছুর বিশেষ বা গুণ বোঝায়, তাকে নঞ বহুব্রীহি সমাস বলে।</p>
<ul>
<li>যেমন: 'নাই জ্ঞান যার' = অজ্ঞান। এখানে 'অজ্ঞান' শব্দটি দিয়ে বিশেষ কোনো গুণ বা অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে।</li>
<li>তেমনি 'না চোষা যা' = অচোষা।</li>
</ul>
<p>তাই সবসময় মনে রাখবে, নঞ বহুব্রীহি সমাস সাধিত পদটি মূলত একটি <strong>বিশেষণ পদ</strong> হিসেবে কাজ করে।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।