<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বৈমাত্রেয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>সহোদর</strong> বলতে বোঝায় একই মায়ের গর্ভজাত সন্তান বা আপন ভাই।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>বৈমাত্রেয়</strong> শব্দটি এসেছে 'বিমাতা' থেকে, যার অর্থ হলো ভিন্ন মায়ের সন্তান বা সৎ ভাই।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, আপন ভাই বা সহোদরের বিপরীত সম্পর্কটিই হলো বৈমাত্রেয়। তাই ব্যাকরণগতভাবে বিপরীত শব্দ হিসেবে এটিই সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অনা</strong>। বাংলা ভাষায় মোট ২১টি খাঁটি বাংলা উপসর্গ রয়েছে, যার মধ্যে 'অনা' অন্যতম। এটি সাধারণত বিশেষ্য বা বিশেষণের আগে বসে শব্দের নতুন অর্থ তৈরি করে। যেমন: 'অনাদর' বা 'অনাবৃষ্টি' শব্দগুলোতে 'অনা' উপসর্গটি অভাব বা নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করছে।</p>
<p>সহজ মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>বাংলা উপসর্গগুলো মূলত সংস্কৃত উপসর্গ থেকে আলাদা।</li>
<li>'অনা' একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ যা শব্দের শুরুতে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে।</li>
<li>অন্যান্য বাংলা উপসর্গের মধ্যে রয়েছে: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আব, ক, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, শ, স, সু, হা ইত্যাদি।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বাগ্মী</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে এক কথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে, যিনি খুব সুন্দর ও সাবলীলভাবে বক্তৃতা দিতে পারেন, তাকেই বলা হয় <strong>বাগ্মী</strong>।</li>
<li>অনেকে হয়তো 'সুবক্তা' বা 'বাকপটু' শব্দগুলোর সাথে গুলিয়ে ফেলেন, কিন্তু শুদ্ধ বা প্রমিত বাংলা ভাষায় বক্তৃতা দেওয়ার বিশেষ দক্ষতাকে বোঝাতে <strong>বাগ্মী</strong> শব্দটিই সবচেয়ে উপযুক্ত ও গ্রহণযোগ্য।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বক্তৃতার শিল্পে পারদর্শী ব্যক্তিই হলেন বাগ্মী।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অনল</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ‘আগুন’ শব্দের আভিধানিক অর্থ বা সমার্থক শব্দ হিসেবে ‘অনল’ বহুল ব্যবহৃত একটি শব্দ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু টিপস:</p>
<ul>
<li>আগুনকে আমরা অগ্নি, অনল, পাবক, হুতাশন বা দহনও বলে থাকি।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই শব্দগুলো থেকে প্রশ্ন আসে, তাই ‘অনল’ শব্দটি আগুনের সমার্থক হিসেবে মাথায় গেঁথে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অনল</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা সাহিত্যে আগুনের অনেকগুলো প্রতিশব্দ থাকলেও 'অনল' শব্দটি বেশ পরিচিত এবং বহুল ব্যবহৃত।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>অনল</strong> মানেই হলো আগুন বা অগ্নি।</li>
<li>কবিতা বা গদ্যে আগুনের তীব্রতা বোঝাতে কবি-সাহিত্যিকরা প্রায়ই 'অনল' শব্দটি ব্যবহার করেন।</li>
<li>অন্যান্য শব্দের তুলনায় এটি আগুনের সমার্থক হিসেবে সবচেয়ে বেশি প্রচলিত।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় 'আগুন' বা 'অগ্নি'র সমার্থক শব্দ হিসেবে চোখ বন্ধ করে <strong>অনল</strong> বেছে নিতে পারেন!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অনল</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ‘আগুন’ শব্দের সমার্থক শব্দ হিসেবে আমরা সাধারণত অগ্নি, অনল, পাবক বা দহনকে চিনে থাকি।</p>
<ul>
<li><strong>অনল</strong> শব্দটি সরাসরি আগুনের একটি প্রতিশব্দ হিসেবে বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত।</li>
<li>সাহিত্যে বা সাধারণ কথোপকথনে আগুনের তীব্রতা বোঝাতে ‘অনল’ শব্দটি বেশ জনপ্রিয়।</li>
<li>সহজ কথায়, আগুনের সমার্থক শব্দ মনে রাখার জন্য ‘অগ্নি-অনল-পাবক’ এই তিনটি শব্দ একসাথে মনে রাখলে যেকোনো পরীক্ষায় খুব দ্রুত উত্তর দেওয়া সম্ভব।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রাচীন</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>'অর্বাচীন' শব্দের অর্থ হলো যা নতুন বা আধুনিক।</li>
<li>এর বিপরীত বা উল্টো অর্থ বোঝাতে আমরা এমন শব্দ খুঁজি যা পুরনো বা অনেক আগের সময়কে নির্দেশ করে।</li>
<li>তাই 'অর্বাচীন'-এর ঠিক বিপরীত শব্দ হিসেবে <strong>প্রাচীন</strong> শব্দটিই সবচেয়ে উপযুক্ত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, নতুন বা আধুনিকের বিপরীত যেমন পুরনো হয়, তেমনি অর্বাচীনের বিপরীত হলো প্রাচীন।</p>
<p>‘আভরণ’ শব্দের সঠিক অর্থ হলো <strong>অলংকার</strong>। সহজভাবে মনে রাখার জন্য এটি একটি তৎসম শব্দ, যার আভিধানিক অর্থ হলো যা দিয়ে নিজেকে সাজানো হয় বা ভূষিত করা হয়।</p>
<p>সহজ কিছু টিপস:</p>
<ul>
<li>আভরণ মানেই হলো গয়না বা ভূষণ।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে বা কাব্যিক ভাষায় সুন্দর কোনো কিছুকে সাজাতে বা অলংকৃত করতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>তাই যখনই ‘আভরণ’ শব্দটি দেখবেন, সরাসরি ‘অলংকার’ বা ‘গয়না’র সাথে মিলিয়ে নেবেন।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অনুকার অব্যয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>যখন কোনো কিছুর স্বাভাবিক বা কাল্পনিক ধ্বনি বা শব্দের অনুকরণে কোনো শব্দ তৈরি হয়, তাকেই আমরা অনুকার অব্যয় বলি।</li>
<li>যেমন: মেঘের ডাক 'কড়কড়', বাতাসের শব্দ 'সাঁই সাঁই', বা বৃষ্টির শব্দ 'ঝমঝম'।</li>
<li>যেহেতু 'কড়কড়' শব্দটি একটি বিশেষ ধ্বনি বা শব্দের অনুকরণে সৃষ্টি হয়েছে, তাই এটি চোখ বন্ধ করে অনুকার অব্যয়।</li>
</ul>
<p>বড়ু চণ্ডীদাসের প্রকৃত নাম হলো <strong>অনন্ত</strong>। বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যের রচয়িতা হিসেবে তিনি পরিচিত।</p>
<ul>
<li>প্রাচীন পুঁথিপত্র ও গবেষণায় দেখা যায়, কবি নিজেকে ভণিতায় <strong>অনন্ত বড়ু চণ্ডীদাস</strong> হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন।</li>
<li>এখানে 'বড়ু' শব্দটি মূলত একটি উপাধি বা পদবি হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, যা তৎকালীন সময়ে উচ্চশিক্ষিত বা ব্রাহ্মণদের ক্ষেত্রে প্রচলিত ছিল।</li>
<li>তাই কবির আসল নাম বা নামপদ হলো <strong>অনন্ত</strong>।</li>
</ul>
৮৬২১
ধাতুর পরে সাধারণত কোন প্রত্যয় যুক্ত করে ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য গঠন করা হয় ?
<p>ধাতুর সাথে <strong>অন</strong> প্রত্যয় যুক্ত করে ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য গঠন করা হয়। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সাথে যখন আমরা <strong>অন</strong> প্রত্যয় যোগ করি, তখন সেটি একটি কাজের নাম বা বিশেষ্য পদে পরিণত হয়।</li>
<li>যেমন: <strong>চল্</strong> (ধাতু) + <strong>অন</strong> = <strong>চলন</strong>।</li>
<li>আবার, <strong>পঠ্</strong> (ধাতু) + <strong>অন</strong> = <strong>পঠন</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে <strong>চলন</strong> বা <strong>পঠন</strong> শব্দগুলো কোনো নির্দিষ্ট কাজের নাম বোঝাচ্ছে, তাই এগুলো ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য। ব্যাকরণের এই নিয়মটি মনে রাখলে যেকোনো ধাতুর সাথে <strong>অন</strong> প্রত্যয় যোগ করে সহজেই নতুন শব্দ তৈরি করা সম্ভব।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অধ্যায়ন</strong>।</p>
<p>বানানটি শুদ্ধ করলে হয় <strong>অধ্যয়ন</strong>। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী 'অধি' উপসর্গের সাথে 'অয়ন' যুক্ত হলে সন্ধির নিয়মে য-ফলা যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়, যেখানে 'অধ্যয়ন' রূপটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়। তাই প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'অধ্যায়ন' বানানটি অশুদ্ধ এবং এর সঠিক রূপটি হলো 'অধ্যয়ন'।</p>
<p>সঠিক বানানটি হলো <strong>অধ্যাবসায়</strong>।</p>
<p>বানানটি মনে রাখার জন্য নিচের সহজ নিয়মটি খেয়াল করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>শব্দটি গঠিত হয়েছে <strong>অধি + অবসায়</strong> সন্ধি বিচ্ছেদের মাধ্যমে।</li>
<li>এখানে 'অধি' এর সাথে 'অবসায়' যুক্ত হওয়ার সময় ই-কারটি 'য' ফলা হয়ে যায়, তাই এটি <strong>অধ্যাবসায়</strong> হয়।</li>
<li>অনেকে ভুল করে 'অধ্যবাসায়' লিখে ফেলেন, কিন্তু সঠিক বানানে 'ব' এর সাথে কোনো আকার হবে না।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এটি একটি বিশেষ্য পদ যার অর্থ হলো কোনো কাজে লেগে থাকার মানসিকতা বা অধ্যবসায়। তাই সবসময় <strong>অধ্যাবসায়</strong> বানানটিই শুদ্ধ হিসেবে ব্যবহার করবেন।</p>
৮৬২৪
‘যে তোমার পুত্র নহে তারো ... আছে।’ শূন্যস্থানে প্রচলিত শব্দটি চিহ্নিত করুন?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: পিতা</strong>।</p>
<p>এই লাইনটি একটি জনপ্রিয় প্রবাদ বা প্রবচন থেকে নেওয়া হয়েছে। প্রবাদটি হলো— <em>“যে তোমার পুত্র নহে তারো পিতা আছে”</em>। এর মাধ্যমে মূলত বড়দের সম্মান করা এবং অন্যের বাবা বা অভিভাবক হিসেবে বয়োজ্যেষ্ঠদের প্রতি মুরুব্বিআনা বজায় রাখার শিক্ষা দেওয়া হয়। তাই শূন্যস্থানে 'পিতা' শব্দটিই নিখুঁতভাবে মিলে যায়।</p>
৮৬২৫
আকাশে তো আমি রাখি নাই মোর উড়িবার ইতিহাস।- এই বাক্যে ‘আকাশে’ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তির উদাহরণ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অধিকরণে সপ্তমী</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>কারক নির্ণয়:</strong> কোনো কিছু কোথায় বা কোন স্থানে ঘটছে তা বোঝালে সেটি <strong>অধিকরণ কারক</strong> হয়। এখানে ‘আকাশে’ শব্দটি দিয়ে একটি স্থান বা আধারকে বোঝানো হয়েছে, তাই এটি অধিকরণ কারক।</li>
<li><strong>বিভক্তি নির্ণয়:</strong> শব্দের শেষে ‘এ’ বিভক্তি যুক্ত আছে। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, শব্দের শেষে ‘এ’, ‘য়’ বা ‘তে’ থাকলে সেটি <strong>সপ্তমী বিভক্তি</strong> হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যেহেতু ‘আকাশে’ একটি স্থান বোঝাচ্ছে এবং এর শেষে ‘এ’ বিভক্তি আছে, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই <strong>অধিকরণে সপ্তমী</strong>।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।