<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ক্রিয়াবিশেষণ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>বাক্যটিতে ‘যাবে’ হলো একটি ক্রিয়াপদ।</li>
<li>‘না’ শব্দটি এখানে ক্রিয়াটি কখন বা কীভাবে সম্পন্ন হবে, তা নির্দেশ করছে।</li>
<li>যেহেতু ‘না’ শব্দটি ক্রিয়ার কাজকে বিশেষিত করছে বা নিষেধবাচক ভাব প্রকাশ করছে, তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এটি <strong>ক্রিয়াবিশেষণ</strong> হিসেবে গণ্য হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখন কোনো শব্দ ক্রিয়ার ধরন বা অবস্থা বোঝায়, তখন তাকে আমরা ক্রিয়াবিশেষণ বলি। এখানে ‘যাবে না’—এই পুরো অংশটিই ক্রিয়ার নেতিবাচক অবস্থা প্রকাশ করছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সন্ধি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ধ্বনি বা বর্ণের মিলনকে <strong>সন্ধি</strong> বলা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, যখন দুটি শব্দ পাশাপাশি বসে এবং তাদের উচ্চারণের সুবিধার জন্য মিলন ঘটে, তখন তাকে সন্ধি বলে।</li>
<li>যেমন: <strong>বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়</strong>। এখানে 'আ' এবং 'আ' মিলে একটি 'আ' হয়েছে, যা সন্ধির একটি চমৎকার উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>তাই মনে রাখবেন, ধ্বনির মিলন মানেই হলো সন্ধি!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>উপসর্গ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>উপসর্গ</strong> সবসময় শব্দের শুরুতে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে। যেমন: 'হার' শব্দের আগে 'প্র' যোগ করলে হয় 'প্রহার', যার অর্থ সম্পূর্ণ বদলে যায়।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যেসব অব্যয় বা শব্দাংশ শব্দের আগে বসে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরিবর্তন ঘটায়, তাদেরই উপসর্গ বলে।</li>
<li>সহজ কথায়, শব্দের শুরুতে যুক্ত হয়ে নতুন অর্থ তৈরি করার ক্ষমতা কেবল উপসর্গেরই আছে।</li>
</ul>
৮৫৬৯
পরি, প্রতি, প্র প্রভৃতি কোন প্রকার উপসর্গের উদাহরণ ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তৎসম উপসর্গ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে মূলত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে 'পরি', 'প্রতি', 'প্র', 'অনু', 'অব', 'নি' ইত্যাদি হলো সংস্কৃত বা <strong>তৎসম উপসর্গ</strong>।</li>
<li>সহজ ট্রিক হলো, এই উপসর্গগুলো সাধারণত সংস্কৃত শব্দ বা তৎসম শব্দের সাথেই বেশি ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণে মোট ২০টি তৎসম উপসর্গ রয়েছে। এই তালিকার শুরুতেই 'প্র' এবং 'প্রতি' এর মতো শব্দগুলো থাকে, তাই এগুলো দেখলেই চিনে ফেলা যায় যে এগুলো তৎসম উপসর্গের অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>উপসর্গ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li><strong>উপসর্গ</strong> সবসময় শব্দের শুরুতে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে। যেমন: 'হার' শব্দের আগে 'প্র' যোগ করলে হয় 'প্রহার', যার অর্থ সম্পূর্ণ বদলে যায়।</li>
<li>সহজ ট্রিক: <strong>উপ</strong> মানে হলো সামনে বা আগে। তাই যে শব্দাংশ শব্দের সামনে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে, তাকেই উপসর্গ বলে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের শুরুতে যুক্ত হয়ে অর্থের পরিবর্তন ঘটানোই হলো উপসর্গের প্রধান কাজ।</p>
৮৫৭১
বাক্যের ক্রিয়ার সাথে অন্যান্য পদের যে সম্পর্ক তাকে কি বলে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কারক</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>বাক্যে যখন কোনো ক্রিয়াপদ থাকে, তখন সেই ক্রিয়ার সাথে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের যে সরাসরি সম্পর্ক তৈরি হয়, তাকেই ব্যাকরণের ভাষায় <strong>কারক</strong> বলা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, ক্রিয়াকে <strong>"কে"</strong> বা <strong>"কী"</strong> দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটাই কারক।</li>
<li>উদাহরণস্বরূপ: "রহিম বই পড়ছে" — এখানে 'পড়ছে' হলো ক্রিয়া। কে পড়ছে? রহিম। এই যে ক্রিয়ার সাথে রহিমের সম্পর্ক, এটাই কারক।</li>
</ul>
<p>তাই মনে রাখবেন, বাক্যের ক্রিয়াপদই হলো কারক নির্ণয়ের মূল চাবিকাঠি।</p>
<p>‘অবলীলা’ শব্দটির সঠিক অর্থ হলো <strong>খেলাধুলা</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>‘অবলীলা’ শব্দটি গঠিত হয়েছে ‘অ’ (না) + ‘লীলা’ (খেলা) এই অংশ দিয়ে।</li>
<li>এর অর্থ হলো কোনো কাজ খুব সহজে বা খেলার ছলে করে ফেলা।</li>
<li>যেহেতু ‘লীলা’ শব্দের মূল অর্থই হলো খেলা বা ক্রীড়া, তাই এর সাথে সামঞ্জস্য রেখে সঠিক উত্তরটি হলো <strong>খেলাধুলা</strong>।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কৃদন্তপদ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li><strong>কৃৎ প্রত্যয়</strong> হলো সেই প্রত্যয়, যা ধাতুর সাথে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে।</li>
<li>যখন কোনো ধাতুর সাথে কৃৎ প্রত্যয় যুক্ত হয়, তখন সেই পুরো শব্দটিকে ব্যাকরণের ভাষায় বলা হয় <strong>কৃদন্তপদ</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, <strong>ধাতু + কৃৎ প্রত্যয় = কৃদন্তপদ</strong>।</li>
</ul>
<p>যেমন: 'চল্' ধাতুর সাথে 'অন্ত' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে হয় 'চলন্ত', যা একটি কৃদন্তপদ। তাই কৃৎ প্রত্যয় দিয়ে গঠিত যেকোনো শব্দ দেখলেই নির্দ্বিধায় তাকে কৃদন্তপদ হিসেবে চিহ্নিত করতে পারেন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অনুক্ত</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>'অনু' উপসর্গটি সাধারণত কোনো কিছুর অভাব বা নেতিবাচক অর্থে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>'উক্ত' শব্দের অর্থ হলো যা বলা হয়েছে।</li>
<li>তাই 'উক্ত'-এর আগে 'অনু' যোগ করলে শব্দটি দাঁড়ায় <strong>অনুক্ত</strong>, যার সহজ অর্থ হলো যা বলা হয়নি বা যা অব্যক্ত রয়ে গেছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো কিছু মুখে উচ্চারণ করা না হলে বা লিখে প্রকাশ করা না হলে তাকে এক কথায় <strong>অনুক্ত</strong> বলা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শুদ্ধিপত্র</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>ইংরেজি শব্দ <strong>Corrigendum</strong> এসেছে ল্যাটিন শব্দ <em>corrigere</em> থেকে, যার অর্থ হলো সংশোধন করা।</li>
<li>সাধারণত কোনো বই বা দাপ্তরিক নথিতে ছাপার ভুল বা কোনো তথ্য ভুল থাকলে, পরে তা সংশোধন করে যে আলাদা পাতা বা অংশ জুড়ে দেওয়া হয়, তাকেই বলা হয় <strong>শুদ্ধিপত্র</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, কোনো ভুল সংশোধন করার জন্য যে বাড়তি কাগজ বা তালিকা দেওয়া হয়, সেটিই হলো Corrigendum।</li>
</ul>
<p>‘অনুতাপ’ শব্দটির সঠিক ব্যাসবাক্য হলো <strong>তাপের ক্ষুদ্র</strong>। এটি মূলত একটি কর্মধারয় সমাস।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>এখানে ‘অনু’ উপসর্গটি ‘ক্ষুদ্র’ বা ‘পশ্চাৎ’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
<li>যখন কোনো তাপ বা উত্তাপ খুব সামান্য বা ক্ষুদ্র আকারে প্রকাশ পায়, তখন তাকে ‘অনুতাপ’ বলা হয়।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, বিশেষ্য পদের সাথে বিশেষণের মিলনে যখন ক্ষুদ্রতা বোঝায়, তখন ব্যাসবাক্যটি এভাবে গঠিত হয়।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় মনে রাখার জন্য শুধু এইটুকু খেয়াল রাখবেন: <strong>অনু = ক্ষুদ্র</strong>। অর্থাৎ, তাপের ক্ষুদ্র রূপই হলো অনুতাপ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অনুরক্ত</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>'বিরক্ত' শব্দটির অর্থ হলো কোনো কিছুতে অনাগ্রহী হওয়া বা বিরূপ মনোভাব পোষণ করা।</li>
<li>অন্যদিকে, 'অনুরক্ত' শব্দের অর্থ হলো কোনো কিছুর প্রতি গভীর টান, ভালোবাসা বা আসক্তি থাকা।</li>
<li>যেহেতু বিরক্ত হওয়া মানে দূরে সরে যাওয়া বা ভালো না লাগা, তাই এর ঠিক বিপরীত অবস্থা হলো কোনো কিছুর প্রতি অনুরাগী বা অনুরক্ত হওয়া।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বিরক্তির উল্টো পিঠই হলো অনুরাগ বা আসক্তি, তাই এখানে <strong>অনুরক্ত</strong> শব্দটিই সবচেয়ে উপযুক্ত বিপরীত শব্দ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অনুমান</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>বাক্যটিতে ‘সে নাকি আসবে না’ বলতে বক্তা নিশ্চিতভাবে কিছু বলছেন না, বরং অন্যের কথা শুনে বা পরিস্থিতি বিবেচনা করে একটি ধারণা বা আন্দাজ করছেন।</li>
<li>ব্যাকরণ অনুযায়ী, যখন কোনো কিছু নিশ্চিত না হয়ে কেবল ধারণা বা আন্দাজ করা বোঝায়, তখন ‘না’ অব্যয়টি <strong>অনুমান</strong> অর্থে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, এখানে বক্তা নিজের একটি ধারণার কথা প্রকাশ করছেন, তাই এটি অনুমান।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।