<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বর্ণনাতীত</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>‘অনিবর্চনীয়’ শব্দটিকে ভাঙলে পাওয়া যায়: <strong>অ + নিবর্চনীয়</strong>।</li>
<li>এখানে ‘নিবর্চনীয়’ মানে হলো যা বর্ণনা করা যায় বা যা প্রকাশযোগ্য।</li>
<li>আর সামনে ‘অ’ যুক্ত হওয়ায় এটি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে, অর্থাৎ যা ভাষায় প্রকাশ করা বা বর্ণনা করা সম্ভব নয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যে বিষয় বা বস্তুকে কোনোভাবেই ভাষায় বর্ণনা করা যায় না, তাকেই এক কথায় <strong>অনিবর্চনীয়</strong> বলা হয়। তাই এর সঠিক অর্থ হলো বর্ণনাতীত।</p>
৮৫৯৭
'কে জানে দেশে আবার সুদিন আসবে কিনা' এ বাক্যেটি কী প্রকাশ করে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অনিশ্চয়তা</strong>। কারণ বাক্যটিতে "কে জানে" এবং "কিনা" শব্দগুলোর মাধ্যমে ভবিষ্যতে সুদিন আসার বিষয়টি নিশ্চিত নয়—এমন একটি ভাব প্রকাশ পেয়েছে। অর্থাৎ, ঘটনাটি ঘটবে কি ঘটবে না সে বিষয়ে মনের মধ্যে একটা সংশয় বা নির্দিষ্ট কোনো ভবিষ্যৎ না থাকার অনুভূতি কাজ করছে, যা স্পষ্টতই অনিশ্চয়তাকে নির্দেশ করে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রসূন</strong>। কারণটি খুব সহজ:</p>
<ul>
<li><strong>প্রসূন</strong> শব্দের অর্থ হলো ফুল বা পুষ্প। এটি বাতাস বা বায়ুর সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।</li>
<li>অন্যদিকে, বায়ু, পবন এবং অনিল—এই তিনটি শব্দই বাতাসের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাতাস বোঝাতে আমরা সাধারণত বায়ু, পবন, অনিল, সমীর বা হাওয়া ব্যবহার করি, কিন্তু প্রসূন মানে ফুল, তাই এটিই এখানে আলাদা।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: প্রাচীন</strong>।</p>
<p>খুব সহজ কথায়, <strong>'অর্বাচিন'</strong> শব্দটির অর্থ হলো নতুন, আধুনিক বা সাম্প্রতিক সময়ে জন্ম নিয়েছে এমন কেউ। অন্যদিকে, <strong>'প্রাচীন'</strong> শব্দটির অর্থ হলো খুব পুরনো বা আদি আমলের। তাই অর্থগত দিক থেকে একটি অপরটির ঠিক বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে।</p>
<p>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশী উপসর্গের সঠিক সংখ্যা নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়, তাই এর সঠিক উত্তর হলো <strong>অনির্ণেয়</strong>।</p>
<p>এর কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ভাষা থেকে শব্দ যুক্ত হচ্ছে।</li>
<li>ফারসি, আরবি, ইংরেজি বা হিন্দি—এমন নানা ভাষার অসংখ্য শব্দ বাংলা ভাষায় মিশে গেছে, যার ফলে নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যায় এদের আটকে রাখা যায় না।</li>
<li>ব্যাকরণবিদদের মতে, বিদেশী উপসর্গের ব্যবহার এতই ব্যাপক এবং পরিবর্তনশীল যে, এদের কোনো সুনির্দিষ্ট তালিকা বা সংখ্যা নির্ধারণ করা সম্ভব নয়।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় বা সাধারণ আলোচনায় যখনই এই প্রশ্নটি আসে, তখন <strong>অনির্ণেয়</strong> উত্তরটিই সবচেয়ে যুক্তিযুক্ত এবং সঠিক হিসেবে গণ্য হয়।</p>
৮৬০২
কোনো ভাবেই যা নিবারণ করা যায় না’ - এক কথায় কী হবে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অনিবার্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>'নি' উপসর্গটি সাধারণত নিষেধ বা নিবারণ অর্থে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>যেহেতু প্রশ্নটিতে বলা হয়েছে যা কোনোভাবেই নিবারণ করা যায় না, তাই এর সাথে 'অনিবার্য' শব্দটি সরাসরি মিলে যায়।</li>
<li>সহজ কথায়, যা ঘটবেই বা যাকে আটকানো সম্ভব নয়, তাকেই আমরা এক কথায় <strong>অনিবার্য</strong> বলি।</li>
</ul>
৮৬০৩
কথায় বর্ণনা করা যায় না ‘ এ বাক্যের সংক্ষিপ্ত রূপ কী?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অবর্ণনীয়</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>‘বর্ণনা’ শব্দের সাথে ‘অ’ উপসর্গ যোগ করলে হয় ‘অবর্ণনীয়’, যার অর্থ যা বর্ণনা করা যায় না।</li>
<li>সহজ কথায়, কোনো কিছু যা ভাষায় প্রকাশ করা বা বর্ণনা করা অসম্ভব, তাকে এক কথায় <strong>অবর্ণনীয়</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
<p>ব্যাকরণের এই নিয়মটি মনে রাখলে যেকোনো পরীক্ষায় এমন প্রশ্ন খুব দ্রুত সমাধান করা সম্ভব।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ঐচ্ছিক</strong>। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, বিশেষ্য পদকে যখন বিশেষণে রূপান্তর করা হয়, তখন শব্দের মূল অর্থের সাথে সামঞ্জস্য রেখে প্রত্যয় যোগ করতে হয়।</p>
<ul>
<li>'ইচ্ছা' শব্দটি একটি বিশেষ্য পদ, যার অর্থ হলো কোনো কিছুর আকাঙ্ক্ষা বা অভিপ্রায়।</li>
<li>যখন আমরা কোনো বিষয়কে 'ইচ্ছাধীন' বা 'ইচ্ছার ওপর নির্ভরশীল' বোঝাতে চাই, তখন ব্যাকরণগতভাবে এর সঠিক বিশেষণ রূপটি হয় <strong>ঐচ্ছিক</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, যা বাধ্যতামূলক নয় বরং নিজের ইচ্ছার ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, তাকেই আমরা <strong>ঐচ্ছিক</strong> বলি।</li>
</ul>
<p>বিশেষণ গঠনে <strong>অন্ত</strong> প্রত্যয়টি খুব কার্যকরভাবে ব্যবহৃত হয়। মূলত কোনো বিশেষ্য পদের সাথে এই প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সেটিকে গুণবাচক বা বিশেষণ পদে রূপান্তর করে। বিষয়টি সহজভাবে বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li><strong>অন্ত</strong> প্রত্যয়টি সাধারণত সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে নতুন বিশেষণ তৈরি করে।</li>
<li>উদাহরণস্বরূপ, 'চল' ধাতুর সাথে <strong>অন্ত</strong> প্রত্যয় যুক্ত করলে হয় <strong>চলন্ত</strong>, যা একটি বিশেষণ।</li>
<li>একইভাবে, 'জীব' শব্দের সাথে <strong>অন্ত</strong> যুক্ত হয়ে তৈরি হয় <strong>জীবন্ত</strong>, যা কোনো কিছুর অবস্থা বা গুণ প্রকাশ করে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখনই কোনো শব্দের শেষে <strong>অন্ত</strong> যুক্ত হয়ে সেটি কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর অবস্থা বা বৈশিষ্ট্য বোঝায়, তখনই আমরা তাকে বিশেষণ হিসেবে গণ্য করি।</p>
<p>ভাববাচ্য বিশেষ্য গঠনে <strong>আই</strong> প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ, কারণ যখন কোনো ক্রিয়াবাচক শব্দের শেষে 'আই' যুক্ত হয়, তখন তা একটি বিশেষ্য বা ভাব প্রকাশ করে।</p>
<p>এখানে মূল ক্রিয়া বা ধাতুর সাথে <strong>আই</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কোনো কাজের ভাব বা অবস্থা বোঝায়, যা ব্যাকরণের ভাষায় ভাববাচ্য বিশেষ্য হিসেবে গণ্য হয়।</p>
<p>বাংলা ভাষার মূল উৎস হলো <strong>অনার্য ভাষা</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বুঝতে হলে আমাদের ভাষার বিবর্তনের দিকে তাকাতে হবে:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষা সরাসরি কোনো একটি ভাষা থেকে আসেনি, বরং এটি দীর্ঘ সময়ের বিবর্তনের ফসল।</li>
<li>প্রাচীনকালে ভারতীয় উপমহাদেশে আর্যদের আগমনের আগে যে জনগোষ্ঠী বসবাস করত, তাদের ভাষাকেই বলা হয় অনার্য ভাষা।</li>
<li>ভাষাবিদদের মতে, বাংলা ভাষার মূল ভিত্তি বা আদি উৎস হিসেবে এই অনার্য ভাষা বা অস্ট্রিক ভাষাগোষ্ঠীর প্রভাব সবচেয়ে বেশি।</li>
<li>পরবর্তীতে এই ভাষার ওপর সংস্কৃত ও প্রাকৃত ভাষার প্রভাব পড়লেও, বাংলা ভাষার গভীরে অনার্য ভাষার শব্দ ও গঠনশৈলী মিশে আছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা ভাষার আদি ও অকৃত্রিম ভিত্তি হলো সেই অনার্য ভাষা, যা হাজার বছর ধরে বিবর্তিত হয়ে আজকের আধুনিক বাংলা রূপ পেয়েছে।</p>
৮৬০৮
‘যা বিনা যত্নে উৎপন্ন হয়েছে’ এর বাক্য সংকোচন কী হবে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অযত্নসম্ভূত</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>‘যা বিনা যত্নে উৎপন্ন হয়েছে’—এই পুরো কথাটিকে এক কথায় প্রকাশ করলে হয় <strong>অযত্নসম্ভূত</strong>।</li>
<li>এখানে ‘অযত্ন’ মানে হলো কোনো প্রকার যত্ন ছাড়া এবং ‘সম্ভূত’ মানে হলো যা উৎপন্ন বা জাত হয়েছে।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো কিছু প্রাকৃতিকভাবে বা বিনা পরিশ্রমে তৈরি হলে তাকে ‘সম্ভূত’ শব্দ দিয়ে প্রকাশ করাটাই সবচেয়ে যথাযথ।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় এই ধরনের প্রশ্ন দেখলে সরাসরি <strong>অযত্নসম্ভূত</strong> দাগিয়ে দেবেন। এটিই সবচেয়ে শুদ্ধ এবং মার্জিত রূপ।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অনাবৃষ্টি</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ এখানে মূল শব্দের সাথে উপসর্গ যুক্ত হয়ে নতুন অর্থ তৈরি হয়েছে।</p>
<ul>
<li><strong>অনাবৃষ্টি</strong> শব্দটি বিশ্লেষণ করলে আমরা পাই: <strong>অনা</strong> + <strong>বৃষ্টি</strong>।</li>
<li>এখানে <strong>অনা</strong> একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ, যা 'না' বা 'অভাব' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
<li>বৃষ্টির অভাব বা বৃষ্টির অনুপস্থিতি বোঝাতে এই উপসর্গটি যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের শুরুতে যখন কোনো অব্যয় বা উপসর্গ যুক্ত হয়ে নতুন কোনো অর্থ প্রকাশ করে, তখনই তাকে উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দ বলা হয়। এখানে 'অনা' উপসর্গটি ঠিক সেই কাজটিই করেছে।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।