<p>‘আবির্ভাব’ শব্দের সঠিক বিপরীত শব্দ হলো <strong>তিরোভাব</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li><strong>আবির্ভাব</strong> মানে হলো কোনো কিছুর প্রকাশ পাওয়া বা আগমন ঘটা।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>তিরোভাব</strong> মানে হলো কোনো কিছুর বিলীন হয়ে যাওয়া বা অদৃশ্য হওয়া।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো কিছু আসা বা উপস্থিত হওয়া যদি আবির্ভাব হয়, তবে তার বিপরীত অবস্থা অর্থাৎ হারিয়ে যাওয়া বা অদৃশ্য হওয়াকেই আমরা তিরোভাব বলি। তাই শব্দ দুটির অর্থ একে অপরের ঠিক উল্টো।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>খণ্ডিত</strong>। এটি খুব সহজেই বোঝা যায় কারণ শব্দটির গঠন বিশ্লেষণ করলেই এর রহস্য বেরিয়ে আসে।</p>
<ul>
<li><strong>খণ্ডিত</strong> শব্দটি গঠিত হয়েছে <strong>খণ্ড + ইত</strong> প্রত্যয় যোগে।</li>
<li>এখানে <strong>ইত</strong> হলো একটি সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়, যা বিশেষ্য বা বিশেষণ পদের সাথে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে।</li>
<li>সহজ কথায়, মূল শব্দের সাথে যখন কোনো বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত হয়ে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে, তখনই তাকে প্রত্যয়সাধিত শব্দ বলা হয়। <strong>খণ্ডিত</strong> শব্দটিতে এই নিয়মটি স্পষ্টভাবে কাজ করছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বরাদ্দ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ প্রশাসনিক বা দাপ্তরিক কাজে কোনো নির্দিষ্ট কাজের জন্য অর্থ বা সম্পদ ভাগ করে দেওয়াকে ইংরেজিতে 'Allocation' বলা হয়, যার বাংলা পরিভাষা হলো বরাদ্দ।</p>
<ul>
<li><strong>Allocation</strong> মানে হলো কোনো নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য বা খাতের জন্য সম্পদ বা অর্থ নির্দিষ্ট করে রাখা।</li>
<li>বাংলায় এই অর্থটি প্রকাশ করতে <strong>বরাদ্দ</strong> শব্দটিই সবচেয়ে উপযুক্ত এবং বহুল ব্যবহৃত।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অনুতাপ</strong>। অব্যয়ীভাব সমাস চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো শব্দের শুরুতে কোনো উপসর্গ বা অব্যয় যোগ হওয়া।</p>
<ul>
<li><strong>অনুতাপ</strong> শব্দটি গঠিত হয়েছে 'অনু' উপসর্গ যোগে, যার অর্থ হলো পশ্চাৎ বা পরে।</li>
<li>অব্যয়ীভাব সমাসে সাধারণত পূর্বপদের অর্থের প্রাধান্য থাকে এবং এটি কোনো উপসর্গ (যেমন: অনু, আ, উপ, প্রতি, নি) দিয়ে শুরু হয়।</li>
<li>যেহেতু 'অনুতাপ' শব্দটি 'অনু' উপসর্গ দিয়ে শুরু হয়েছে এবং এটি পশ্চাৎ বা অনুগমন অর্থ প্রকাশ করছে, তাই এটি অব্যয়ীভাব সমাসের একটি নিখুঁত উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রার্থনাসূচক</strong>। কারণটা খুব সহজ—যখন কোনো বাক্যের মাধ্যমে মনের কোনো ইচ্ছা, আকাঙ্ক্ষা বা প্রার্থনা প্রকাশ করা হয়, তখন তাকে প্রার্থনাসূচক বাক্য বলে।</p>
<p>সহজে চেনার উপায়:</p>
<ul>
<li>বাক্যটিতে কারো জন্য শুভকামনা বা কোনো কিছু পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পেয়েছে।</li>
<li>'যেন' বা 'করুক' জাতীয় শব্দগুলো সাধারণত প্রার্থনাসূচক বাক্যে বেশি ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>এখানে 'বাংলাদেশ জয়লাভ করুক' বা 'বাংলাদেশ যেন জয়লাভ করে'—এই ধরনের কথাগুলো মূলত একটি শুভকামনা বা প্রার্থনা, তাই এটি নিঃসন্দেহে প্রার্থনাসূচক বাক্য।</li>
</ul>
৮৫৮৮
‘যেহেতু তুমি বেশী নম্বর পেয়েছ, সুতরাং তুমি প্রথম হবে’ কোন ধরনের বাক্য?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জটিল বাক্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের ওপর অন্য এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য নির্ভর করে, তাকেই জটিল বাক্য বলে।</li>
<li>এই বাক্যে <strong>'যেহেতু'</strong> এবং <strong>'সুতরাং'</strong>-এর মতো সাপেক্ষ সর্বনাম বা অব্যয়ের ব্যবহার রয়েছে।</li>
<li>সাধারণত যে বাক্যে 'যেহেতু-সেহেতু', 'যদি-তবে', বা 'যে-সে' জাতীয় জোড়া শব্দ থাকে, সেগুলো চোখ বন্ধ করে জটিল বাক্য হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এখানে প্রথম অংশটি (যেহেতু তুমি বেশী নম্বর পেয়েছ) দ্বিতীয় অংশের ওপর নির্ভরশীল, তাই এটি একটি জটিল বাক্য।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আনত</strong>। অব্যয়ীভাব সমাসে 'আ' উপসর্গটি যখন 'ঈষৎ' বা 'সামান্য' অর্থে ব্যবহৃত হয়, তখন তাকে ঈষৎ অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস বলে।</p>
<ul>
<li>এখানে <strong>আনত</strong> শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো <strong>ঈষৎ নত</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, কোনো কিছু যখন পুরোপুরি নত না হয়ে কিছুটা বা সামান্য নত বোঝায়, তখন তাকে এক কথায় <strong>আনত</strong> বলা হয়।</li>
<li>এখানে 'আ' উপসর্গটি 'ঈষৎ' বা 'সামান্য' ভাব প্রকাশ করছে, তাই এটি অব্যয়ীভাব সমাসের একটি চমৎকার উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপকূল</strong>। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো কিছুর নিকট বা সমীপে বোঝাতে শব্দের শুরুতে 'উপ' উপসর্গটি যুক্ত হয়।</p>
<ul>
<li>'কূল' শব্দের অর্থ হলো তীর বা কিনারা।</li>
<li>যখন আমরা বলি 'কূলের সমীপে', তখন এর সংক্ষিপ্ত রূপ হয় <strong>উপকূল</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, তীরের কাছাকাছি বা তীরের সংলগ্ন এলাকাকে বোঝাতেই এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</li>
</ul>
<p>তাই সমাস বা বাক্যাংশ সংক্ষেপণের ক্ষেত্রে 'কূলের সমীপে' = <strong>উপকূল</strong> মনে রাখা একদম সহজ!</p>
৮৫৯১
‘তুমি তো ভারি সুন্দর ছবি আঁক!'—বাক্যটিতে কোন প্রকারের অব্যয় পদ ব্যবহৃত হয়েছে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অনন্বয়ী অব্যয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>বাক্যে ব্যবহৃত <strong>'তো'</strong> পদটি এখানে কোনো পদের সাথে সরাসরি সম্পর্ক তৈরি করছে না, বরং এটি মনের ভাব বা বিশেষ আবেগ প্রকাশ করছে।</li>
<li>যেসব অব্যয় বাক্যের অন্য পদের সাথে কোনো সম্পর্ক না রেখে কেবল মনের ভাব, বিস্ময়, ঘৃণা বা সম্মতি প্রকাশ করে, তাদেরই <strong>অনন্বয়ী অব্যয়</strong> বলা হয়।</li>
<li>যেহেতু এখানে 'তো' শব্দটি বাক্যের অর্থের সাথে মিশে গিয়ে একটি বিশেষ জোর বা আবেগ তৈরি করছে, তাই এটি অনন্বয়ী অব্যয়ের অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অনুকার</strong>। বিষয়টি খুব সহজ—যখন কোনো কিছুর স্বাভাবিক বা কাল্পনিক ধ্বনি বা আওয়াজকে বোঝাতে শব্দ ব্যবহার করা হয়, তখন তাকে ব্যাকরণের ভাষায় অনুকার অব্যয় বলা হয়।</p>
<ul>
<li>নদীর পানির প্রবাহের যে বিশেষ শব্দ বা ধ্বনি, তাকেই আমরা <strong>কল কল</strong> হিসেবে প্রকাশ করি।</li>
<li>যেহেতু 'কল কল' শব্দটি কোনো কিছুর ধ্বনি বা অনুকরণ বোঝাচ্ছে, তাই এটি নির্দ্বিধায় অনুকার অব্যয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো কিছুর শব্দের অনুকরণে তৈরি শব্দই হলো অনুকার অব্যয়।</p>
<p>‘অন্বেষণ’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>অনু + এষণ</strong>। সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী বিষয়টি খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>এখানে 'অনু' শব্দের শেষের <strong>উ</strong> কার এবং 'এষণ' শব্দের শুরুর <strong>এ</strong> মিলে <strong>'ওয়ে'</strong> (ব + এ) তৈরি হয়েছে।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন <strong>উ</strong> বা <strong>ঊ</strong>-এর পরে অন্য কোনো স্বরবর্ণ থাকে, তখন <strong>উ/ঊ</strong> পরিবর্তিত হয়ে <strong>ব</strong> হয়ে যায়।</li>
<li>অর্থাৎ: <strong>উ + এ = ওয়ে</strong>।</li>
</ul>
<p>এই নিয়মটি অনুসরণ করেই <strong>অনু + এষণ = অন্বেষণ</strong> শব্দটি গঠিত হয়েছে। মনে রাখার সহজ উপায় হলো, শব্দের শুরুতে যদি 'অন্ব' বা 'অন্বয়' জাতীয় কিছু থাকে, তবে সেখানে সাধারণত <strong>অনু</strong> উপসর্গটিই থাকে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অনু + এষণ</strong>। সন্ধি বিচ্ছেদের নিয়মটি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>এখানে সন্ধির নিয়মটি হলো: <strong>উ + এ = অন্বে</strong>।</li>
<li>শব্দের শুরুতে 'অনু' (উ-কারান্ত) এবং পরে 'এষণ' (এ-কার দিয়ে শুরু) যুক্ত হয়ে 'অন্বেষণ' গঠিত হয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়, যখন 'উ' বা 'ঊ'-এর পরে ভিন্ন স্বরবর্ণ আসে, তখন 'উ/ঊ' বদলে <strong>ব</strong> হয়ে যায়। তাই 'অনু' এর 'উ' পরিবর্তিত হয়ে 'ব' হয়েছে এবং 'এ' কারটি যুক্ত হয়ে 'বে' হয়েছে।</li>
<li>বানানের ক্ষেত্রে খেয়াল রাখবেন, 'এষণ' শব্দে সবসময় <strong>মূর্ধন্য-ণ (ণ)</strong> ব্যবহৃত হয়, দন্ত্য-ন (ন) নয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সত্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ‘অলীক’ শব্দটির অর্থ হলো যা মিথ্যা, অবাস্তব বা কল্পনাপ্রসূত।</p>
<p>সহজ কথায় মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>অলীক</strong> মানে যা বাস্তবে নেই বা ভিত্তিহীন।</li>
<li>এর বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে এমন শব্দ হলো <strong>সত্য</strong>, যা বাস্তব এবং প্রমাণিত।</li>
</ul>
<p>তাই যেকোনো পরীক্ষায় ‘অলীক’ শব্দের বিপরীত শব্দ হিসেবে চোখ বন্ধ করে <strong>সত্য</strong> বেছে নিতে পারেন।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।