<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অতীত</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:</p>
<ul>
<li><strong>অভ্যুত্থান</strong>, <strong>অগ্ন্যুৎপাত</strong> এবং <strong>অত্যুচ্চ</strong>—এই তিনটি শব্দই মূলত 'ই' বা 'উ' কারান্ত উপসর্গের সাথে সন্ধি হয়ে গঠিত হয়েছে, যেখানে য-ফলা বা ব-ফলার প্রভাব স্পষ্ট।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>অতীত</strong> শব্দটি গঠিত হয়েছে <strong>অতি + ইত</strong> এই নিয়মে। এখানে 'অতি' উপসর্গের 'ই' এবং পরের 'ই' মিলে দীর্ঘ ঈ-কার ($ই + ই = ঈ$) তৈরি করেছে।</li>
<li>বাকি শব্দগুলোতে সাধারণত য-সন্ধি বা অন্য নিয়ম কাজ করলেও, 'অতীত' শব্দটিতে দীর্ঘ স্বরসন্ধির নিয়মটি কাজ করেছে, যা একে অন্যদের থেকে আলাদা করে দেয়।</li>
</ul>
<p>‘হাতে দুর্বা গজানো’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো <strong>আলসেমির লক্ষণ</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>যখন কেউ দীর্ঘ সময় কোনো কাজ না করে অলসভাবে বসে থাকে, তখন তার হাতের ওপর ঘাস বা দুর্বা জন্মানোর মতো অবস্থা তৈরি হয়।</li>
<li>মূলত কোনো ব্যক্তি যদি দীর্ঘকাল কোনো পরিশ্রম না করে হাত গুটিয়ে বসে থাকেন, তবেই তাকে ব্যঙ্গ করে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>তাই অলসতা বা দীর্ঘদিনের কর্মহীনতাকে বোঝাতেই এই বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অবেলা</strong>। কারণটি বেশ সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় উপসর্গগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে: খাঁটি বাংলা, সংস্কৃত এবং বিদেশি।</li>
<li><strong>অবেলা</strong> শব্দটি গঠিত হয়েছে 'অ' উপসর্গ এবং 'বেলা' মূল শব্দের সমন্বয়ে।</li>
<li>এখানে ব্যবহৃত <strong>'অ'</strong> একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ, যা অভাব বা না-বাচক অর্থ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলোতে ব্যবহৃত উপসর্গগুলো মূলত সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ থেকে এসেছে, তাই সেগুলো খাঁটি বাংলা উপসর্গের তালিকায় পড়ে না।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আবগারি শুল্ক</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>Excise duty</strong> বা আবগারি শুল্ক হলো এমন এক ধরনের পরোক্ষ কর, যা দেশের ভেতরে উৎপাদিত পণ্যের ওপর আরোপ করা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, কোনো পণ্য যখন দেশের ভেতরেই তৈরি হয়, তখন সরকার সেই উৎপাদনের ওপর যে কর ধার্য করে, তাকেই বাংলায় <strong>আবগারি শুল্ক</strong> বলা হয়।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলো এখানে প্রাসঙ্গিক নয়, কারণ 'অতিরিক্ত কর' বা 'অর্পিত দায়িত্ব' শব্দগুলো কর ব্যবস্থার সুনির্দিষ্ট কোনো পরিভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অতি অনিষ্ট</strong>। শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ করলে আমরা পাই <strong>অতি + অহিত = অত্যহিত</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>অতি</strong> মানে হলো অতিরিক্ত বা খুব বেশি।</li>
<li><strong>অহিত</strong> মানে হলো ক্ষতি বা অমঙ্গল।</li>
<li>সুতরাং, দুটির সমন্বয়ে <strong>অত্যহিত</strong> বলতে বোঝায় এমন কোনো ক্ষতি যা অত্যন্ত ভয়াবহ বা বড় ধরণের অনিষ্ট।</li>
</ul>
<p>বাংলা ব্যাকরণের সন্ধি নিয়ম অনুযায়ী, 'ই' বা 'ঈ'-এর পরে ভিন্ন স্বরবর্ণ থাকলে 'ই' বা 'ঈ' স্থানে 'য' হয়। সেই নিয়মেই <strong>অতি + অহিত</strong> মিলে <strong>অত্যহিত</strong> শব্দটি গঠিত হয়েছে।</p>
৮৬৭৭
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর 'কস্যচিৎ উপযুক্ত ভাইপো সহচরস্য' নামে কোন গ্রন্থটি রচনা করেন?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রত্নপরীক্ষা</strong>। বিদ্যাসাগর মশাই যখন কোনো বিশেষ ছদ্মনামে লিখতেন, তখন তার পেছনে মজার কোনো কারণ থাকত।</p>
<ul>
<li>বিদ্যাসাগর তার <strong>'রত্নপরীক্ষা'</strong> গ্রন্থটি প্রকাশের সময় <strong>'কস্যচিৎ উপযুক্ত ভাইপো সহচরস্য'</strong> ছদ্মনামটি ব্যবহার করেছিলেন।</li>
<li>এই ছদ্মনামটি মূলত তৎকালীন সমাজ ও সমালোচকদের ব্যঙ্গ করার জন্য তিনি বেছে নিয়েছিলেন, যা তার রচনার ধারালো ও বুদ্ধিদীপ্ত স্বভাবের পরিচয় দেয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অতি + অধিক</strong>। সন্ধি বিচ্ছেদের নিয়মটি খুব সহজ, নিচে দেখে নাও:</p>
<ul>
<li>'অত্যধিক' শব্দটি ভাঙলে আমরা পাই: <strong>অতি + অধিক</strong>।</li>
<li>এখানে সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, পূর্ব পদের শেষে থাকা <strong>ই</strong>-কার এবং পর পদের শুরুতে থাকা <strong>অ</strong> মিলে <strong>য</strong>-ফলা তৈরি হয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়: $ই + অ = য$।</li>
<li>এই নিয়মটি অনুসরণ করেই 'অতি' এবং 'অধিক' যুক্ত হয়ে 'অত্যধিক' শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অতি + অন্ত</strong>। সন্ধি বিচ্ছেদের এই নিয়মটি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>এখানে <strong>অতি</strong> শব্দের শেষে 'ই' কার আছে এবং <strong>অন্ত</strong> শব্দের শুরুতে 'অ' আছে।</li>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, 'ই' বা 'ঈ'-এর পরে যদি অন্য কোনো স্বরবর্ণ থাকে, তবে 'ই/ঈ' পরিবর্তিত হয়ে <strong>'য'</strong>-এ পরিণত হয়।</li>
<li>অর্থাৎ, $ই + অ = য$।</li>
<li>এই নিয়মেই 'অতি' এর 'ই' এবং 'অন্ত' এর 'অ' মিলে 'য' তৈরি করে, ফলে শব্দটি হয়ে যায় <strong>অত্যন্ত</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখনই কোনো শব্দের মাঝে 'য'-ফলা দেখবেন, তখন সেখানে 'ই' কার দিয়ে সন্ধি বিচ্ছেদ করার চেষ্টা করবেন—এটাই হলো সবচেয়ে কার্যকর কৌশল!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চতুঃ + অঙ্গ = চতুরঙ্গ</strong>। বিষয়টি বেশ সহজ, চলুন দেখে নেওয়া যাক কেন এটি সঠিক:</p>
<ul>
<li>বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গের আগে যদি 'অ' থাকে এবং পরে যদি 'অ' বা বর্গের তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম বর্ণ অথবা অন্তঃস্থ বর্ণ থাকে, তবে বিসর্গটি 'র' হয়ে যায়।</li>
<li>এখানে <strong>চতুঃ</strong> শব্দের শেষে বিসর্গ এবং তার আগে 'উ' থাকলেও, সন্ধির বিশেষ নিয়মে বিসর্গটি 'র' এ পরিণত হয়েছে।</li>
<li>অর্থাৎ, $চতুঃ + অঙ্গ = চতুরঙ্গ$। এখানে বিসর্গটি 'র' হয়ে 'অঙ্গ'-এর 'অ'-এর সাথে যুক্ত হয়ে পূর্ণরূপ পেয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বিসর্গ সন্ধির এই রূপান্তরটি ব্যাকরণের নিয়ম মেনে একদম নির্ভুলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অঘা</strong>। বাংলা ভাষায় খাঁটি বাংলা উপসর্গ মোট ২১টি, যার মধ্যে 'অঘা' একটি অন্যতম উপসর্গ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়টি খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>বাংলা উপসর্গগুলো মূলত সংস্কৃত উপসর্গ থেকে আলাদা।</li>
<li>'অঘা' শব্দটি সাধারণত বিশেষ্য বা বিশেষণের আগে বসে শব্দের অর্থ বাড়িয়ে দেয় বা বিশেষ কোনো ভাব প্রকাশ করে (যেমন: অঘারাম, অঘা-পাগলা)।</li>
<li>বাকি অপশনগুলো (অপি, প্রতি, অতি) মূলত সংস্কৃত উপসর্গ, যা তৎসম শব্দের সাথে ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অতি + অন্ত</strong>। সন্ধি বিচ্ছেদের এই নিয়মটি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>যখন কোনো শব্দের শুরুতে 'ই' বা 'ঈ' কার থাকে এবং তার সাথে অন্য কোনো স্বরবর্ণ যুক্ত হয়, তখন 'ই' বা 'ঈ' বদলে গিয়ে 'য' (ফলা) হয়ে যায়।</li>
<li>এখানে 'অতি' শব্দের শেষে থাকা 'ই' এবং 'অন্ত' শব্দের শুরুতে থাকা 'অ' মিলে সন্ধি হয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়:
$$ই + অ = য$$
</li>
<li>তাই, অতি + অন্ত মিলে তৈরি হয় অত্যন্ত।</li>
</ul>
<p>এই টেকনিকটি মনে রাখলে আপনি খুব সহজেই ই-কার যুক্ত সন্ধিগুলো সমাধান করতে পারবেন!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পরিপক্ক</strong>। বানানটি ভুল হওয়ার কারণ খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী, 'পরিপক্ক' শব্দটিতে 'ক' এর সাথে যুক্ত বর্ণটি হবে <strong>ক্ক</strong> (ক+ক)।</li>
<li>অনেকে ভুল করে এখানে 'প' এর জায়গায় 'ক' বা অন্য কোনো বর্ণ ব্যবহার করেন, কিন্তু শুদ্ধ রূপটি হলো <strong>পরিপক্ক</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, শব্দটির শেষে দুটি 'ক' যুক্ত হয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ রূপ তৈরি করে, যা বানানরীতির সঠিক প্রয়োগ।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।