<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অবিসংবাদী</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>'অবিসংবাদী' শব্দটির উৎপত্তি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এখানে 'বিসংবাদ' মানে হলো বিতর্ক বা মতভেদ।</li>
<li>যেহেতু 'অ' উপসর্গটি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে, তাই 'অবিসংবাদী' মানে দাঁড়ায় যার মধ্যে কোনো বিতর্ক বা বিরোধ নেই।</li>
<li>সহজ কথায়, যে বিষয়টি নিয়ে সবাই একমত এবং কোনো দ্বিমত নেই, সেটিই হলো <strong>অবিসংবাদী</strong>।</li>
</ul>
<p>'কথামৃত' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ করলে আমরা পাই: <strong>কথা + অমৃত = কথামৃত</strong>। এখানে সন্ধির নিয়মটি খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>'কথা' শব্দের শেষে একটি <strong>আ-কার</strong> ($া$) আছে।</li>
<li>'অমৃত' শব্দের শুরুতে একটি <strong>অ-কার</strong> ($অ$) আছে।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, আ-কারের সাথে অ-কার মিলে একটি <strong>আ-কার</strong> ($া$) তৈরি হয়।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, $আ + অ = আ$—এই সূত্র মেনেই শব্দটি গঠিত হয়েছে। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>আ-কারের পর অ-কার যুক্ত হয়ে</strong>।</p>
<p>‘অনুপম’ শব্দটির অর্থ হলো যার কোনো উপমা বা তুলনা হয় না, অর্থাৎ যা অত্যন্ত সুন্দর বা চমৎকার। এই প্রেক্ষাপটে সঠিক উত্তর হলো <strong>মনোরম</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>অনুপম</strong> মানে হলো যা দেখতে বা শুনতে খুব সুন্দর বা চিত্তাকর্ষক।</li>
<li><strong>মনোরম</strong> শব্দের অর্থও হলো যা মনকে হরণ করে বা খুব সুন্দর।</li>
<li>তাই সমার্থক শব্দ হিসেবে ‘মনোরম’ এখানে সবচেয়ে মানানসই।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বকনা</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ লিঙ্গ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে পুরুষবাচক শব্দের বিপরীতে স্ত্রীবাচক শব্দ ব্যবহার করা হয়।</p>
<ul>
<li>'এঁড়ে' শব্দটি মূলত পুরুষ বাছুর বা ষাঁড় জাতীয় প্রাণীকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>এর বিপরীত লিঙ্গ বা স্ত্রীবাচক রূপ হলো 'বকনা', যা স্ত্রী বাছুরকে নির্দেশ করে।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, বিপরীত শব্দ নির্বাচনের সময় লিঙ্গগত সামঞ্জস্য বজায় রাখাই হলো সবচেয়ে সঠিক পদ্ধতি।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অনুক্ত</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>‘উক্ত’ শব্দের অর্থ হলো যা বলা হয়েছে।</li>
<li>এর আগে ‘অনু’ উপসর্গটি যোগ করলে শব্দটি হয় ‘অনুক্ত’, যার অর্থ দাঁড়ায় যা এখনো বলা হয়নি বা যা বলা হয়নি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো কিছু বলার বাকি থাকলে বা না বলে থাকলে তাকে এক কথায় <strong>অনুক্ত</strong> বলা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রত্নাকর</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ শব্দগুলোর অর্থ বিশ্লেষণ করলেই পার্থক্যটা ধরা পড়ে:</p>
<ul>
<li><strong>আদিত্য</strong>, <strong>প্রভাকর</strong> এবং <strong>অংশুমালী</strong>—এই তিনটি শব্দই মূলত সূর্যের সমার্থক শব্দ।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>রত্নাকর</strong> শব্দের অর্থ হলো সমুদ্র বা রত্নের আধার।</li>
</ul>
<p>যেহেতু রত্নাকর শব্দটি সূর্যকে বোঝায় না, তাই এটিই এখানে বেমানান।</p>
<p>সহজ কথায় মনে রাখার উপায় হলো, পর্বত স্থির বা অচল থাকে, তাই একে 'অচল' বা 'অদ্রি' বলা হয়। শব্দটির ব্যুৎপত্তিগত অর্থ বিশ্লেষণ করলে বিষয়টি আরও পরিষ্কার হয়:</p>
<ul>
<li><strong>অ</strong> মানে 'না' এবং <strong>দ্রি</strong> মানে 'যা নড়ে'। অর্থাৎ, যা নড়াচড়া করে না বা স্থির থাকে, সেটিই হলো পর্বত।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে এবং ব্যাকরণে পাহাড় বা পর্বত বোঝাতে 'অদ্রি', 'শৈল', 'গিরি' বা 'ভূধর' শব্দগুলো সমার্থক হিসেবে নিয়মিত ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় 'পর্বত' শব্দটির প্রতিশব্দ হিসেবে চোখ বন্ধ করে <strong>অদ্রি</strong> বেছে নিতে পারেন।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অংশু</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ 'অংশু' শব্দের অর্থ হলো আলো বা কিরণ, যা কন্যার সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।</p>
<p>অন্যদিকে, কন্যাকে বোঝাতে আমরা সাধারণত নিচের শব্দগুলো ব্যবহার করি:</p>
<ul>
<li><strong>আত্মজা:</strong> নিজের শরীর থেকে জাত বা জন্ম নেওয়া।</li>
<li><strong>স্বজা:</strong> নিজের থেকে উৎপন্ন বা আপন বংশজাত।</li>
<li><strong>সুতা:</strong> কন্যা বা দুহিতার একটি প্রচলিত প্রতিশব্দ।</li>
</ul>
<p>তাই, যেহেতু 'অংশু' শব্দটি আলোর উৎস বা রশ্মি বোঝায়, তাই এটি কন্যার সমার্থক শব্দ হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অবস্থাবাচক</strong>। কারণটা খুব সহজ!</p>
<p>বিশেষণ পদ যখন কোনো বিশেষ্যের অবস্থা, দশা বা পরিস্থিতি বোঝায়, তখন তাকে অবস্থাবাচক বিশেষণ বলে। এখানে 'তাজা' শব্দটি মাছের একটি বিশেষ অবস্থা বা দশা নির্দেশ করছে। মাছটি বাসি নাকি তাজা—এই অবস্থাটিই এখানে প্রধান, তাই এটি অবস্থাবাচক বিশেষণ।</p>
<ul>
<li><strong>তাজা</strong> = মাছের বর্তমান অবস্থা।</li>
<li>যেহেতু এটি মাছের গুণ নয় বরং তার অবস্থা প্রকাশ করছে, তাই এটি নিশ্চিতভাবে <strong>অবস্থাবাচক</strong>।</li>
</ul>
<p>‘অত্যধিক’ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>অতি + অধিক</strong>। এটি মূলত সন্ধির একটি সহজ নিয়ম মেনে চলে। বিষয়টি নিচে সহজভাবে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li>এখানে প্রথম শব্দের শেষে থাকা 'ই' কার (অতি) এবং পরের শব্দের শুরুতে থাকা 'অ' (অধিক) মিলে 'য' (য-ফলা) তৈরি করেছে।</li>
<li>নিয়মটি হলো: $ই + অ = য$।</li>
<li>অর্থাৎ, $অতি + অধিক = অত্যধিক$।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখনই কোনো শব্দের মাঝে 'য-ফলা' দেখবেন এবং তার আগের বর্ণে 'ই' বা 'ঈ' কার থাকবে, তখন সেটিকে ভেঙে 'ই' কার ও পরের অংশটুকু আলাদা করে দিলেই সন্ধি বিচ্ছেদ হয়ে যায়।</p>
৮৭২৭
কোন দুটি স্বরের মিলিত ধ্বনিতে 'ঔ' ধ্বনি সৃষ্টি হয় ?
<p>বাংলা বর্ণমালায় 'ঔ' একটি যৌগিক স্বরধ্বনি। এটি মূলত দুটি স্বরবর্ণের সমন্বয়ে গঠিত। বিষয়টি সহজভাবে মনে রাখার উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>'ঔ' ধ্বনিটি উচ্চারণের সময় আমরা প্রথমে 'ও' এবং পরে 'উ' ধ্বনির একটি দ্রুত মিশ্রণ পাই।</li>
<li>অর্থাৎ, গাণিতিক বা ধ্বনিতাত্ত্বিক বিন্যাসে এটি দাঁড়ায়: <strong>ও + উ = ঔ</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, 'ও' এবং 'উ' এই দুটি স্বরধ্বনি মিলে 'ঔ' তৈরি হয়, যা উচ্চারণের সময় আমাদের মুখ ও জিহ্বার অবস্থানের পরিবর্তনের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়ে ওঠে।</p>
<p>‘অলংকার’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>অলম্ + কার</strong>। এটি মূলত ব্যঞ্জনসন্ধির একটি নিয়ম মেনে চলে। নিয়মটি খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যদি ‘ম’ কারের পরে ‘ক’ বর্গীয় বর্ণ (ক, খ, গ, ঘ, ঙ) থাকে, তবে ‘ম’ স্থানে প্রায়ই অনুস্বার (ং) বসে।</li>
<li>এখানে <strong>অলম্</strong> শব্দের শেষে থাকা ‘ম’ এবং <strong>কার</strong> শব্দের শুরুতে থাকা ‘ক’ মিলে সন্ধি হয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়, ম-এর সাথে ক-এর মিলনে এখানে অনুস্বার তৈরি হয়েছে, তাই এটি <strong>অলম্ + কার = অলংকার</strong>।</li>
</ul>
<p>মনে রাখার সহজ কৌশল হলো, ‘অলম্’ একটি অব্যয় পদ, যার সাথে ‘কার’ যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে। তাই সন্ধি বিচ্ছেদের সময় ‘অলম্’ অংশটি আলাদা করলেই সঠিক উত্তরটি পাওয়া যায়।</p>
<p>‘আশ্চর্য’ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>আ + চর্য</strong>। এটি মূলত সংস্কৃত ব্যাকরণের একটি বিশেষ নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে।</p>
<ul>
<li>এখানে সন্ধিটি হয়েছে মূলত <strong>আ</strong> এবং <strong>চর্য</strong>-এর মিলনে।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো পদের শুরুতে 'আ' থাকে এবং তার সাথে 'চর্য' যুক্ত হয়, তখন সেটি সন্ধিবদ্ধ হয়ে 'আশ্চর্য' রূপ ধারণ করে।</li>
<li>সহজ কথায়, শব্দটিকে ভেঙে দেখলে আমরা পাই: <strong>আ + চর্য = আশ্চর্য</strong>।</li>
</ul>
<p>মনে রাখার সহজ উপায় হলো, শব্দটির গঠন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় এটি একটি বিশেষ সন্ধি, যেখানে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই দুটি অংশ সরাসরি যুক্ত হয়েছে। তাই সঠিক উত্তরটি হবে <strong>আ + চর্য</strong>।</p>
<p>বাংলা বর্ণমালায় <strong>'অ'</strong>-কে নিলীন বর্ণ বলা হয়। এর কারণটা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণগুলো উচ্চারণের সময় সব সময় একটি স্বরবর্ণের সাহায্য নেয়।</li>
<li>ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যখন অন্য কোনো স্বরবর্ণ যুক্ত থাকে না, তখন সেখানে <strong>'অ'</strong> ধ্বনিটি লুকিয়ে বা বিলীন অবস্থায় থাকে।</li>
<li>যেমন, 'ক' বর্ণটি উচ্চারণ করলে আমরা পাই $ক + অ = ক$।</li>
<li>যেহেতু 'অ' অন্য বর্ণের সাথে মিশে গিয়ে নিজের অস্তিত্ব লুকিয়ে ফেলে, তাই একে <strong>নিলীন বর্ণ</strong> বা লীন বর্ণ বলা হয়।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।