<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অগ্রহায়ণ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত কিছু শব্দ সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই এসেছে, এগুলোকেই আমরা তৎসম শব্দ বলি।</p>
<ul>
<li><strong>অগ্রহায়ণ</strong> শব্দটি সংস্কৃত 'অগ্রহায়ণ' থেকেই সরাসরি বাংলায় এসেছে।</li>
<li>এর বানানে বা উচ্চারণে কোনো রূপান্তর ঘটেনি, তাই এটি একটি খাঁটি তৎসম শব্দ।</li>
<li>সহজ কথায়, যে শব্দগুলো দেখলে মনে হয় এগুলো সংস্কৃত শ্লোক বা শাস্ত্রীয় বইয়ে ব্যবহার করা হয়, সেগুলোই সাধারণত তৎসম শব্দ হয়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অনুজ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ শব্দের অর্থের দিকে তাকালেই এর উত্তর পাওয়া যায়।</p>
<ul>
<li><strong>অগ্রজ</strong> শব্দের অর্থ হলো যে আগে জন্মেছে বা বড় ভাই।</li>
<li>এর বিপরীত শব্দ হিসেবে আমরা এমন কাউকে খুঁজি যে পরে জন্মেছে বা ছোট ভাই।</li>
<li>সেই হিসেবে <strong>অনুজ</strong> শব্দের অর্থ হলো যে পরে জন্মেছে বা ছোট ভাই।</li>
</ul>
<p>তাই ব্যাকরণগতভাবে অগ্রজ এর বিপরীত শব্দ হিসেবে অনুজই সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অগ্নি+উৎপাত</strong>। সন্ধি বিচ্ছেদের নিয়ম অনুযায়ী বিষয়টি খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, 'ই' বা 'ঈ' কারের পর যদি ভিন্ন স্বরবর্ণ (এখানে 'উ') থাকে, তবে 'ই' বা 'ঈ' কারের স্থলে 'য' (ফলা) হয়।</li>
<li>এখানে <strong>অগ্নি</strong> শব্দের শেষে থাকা 'ই' কার এবং <strong>উৎপাত</strong> শব্দের শুরুতে থাকা 'উ' মিলে সন্ধিবদ্ধ হয়ে <strong>অগ্নুৎপাত</strong> শব্দটি তৈরি হয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়, শব্দটির মূল গঠন বিশ্লেষণ করলে আমরা পাই: <strong>অগ্নি + উৎপাত = অগ্নুৎপাত</strong>।</li>
</ul>
৮৭০৪
‘যা সহজে অতিক্রম করা যায় না’ এর বাক্য সংকোচন কোনটি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দুরতিক্রম্য</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>‘যা সহজে অতিক্রম করা যায় না’—এই পুরো কথাটিকে এক কথায় প্রকাশ করলে হয় <strong>দুরতিক্রম্য</strong>।</li>
<li>এখানে ‘দুঃ’ উপসর্গটি ‘কষ্ট’ বা ‘সহজে না হওয়া’ অর্থ প্রকাশ করে।</li>
<li>তাই যা অতিক্রম করা কঠিন বা সহজে সম্ভব নয়, তাকেই আমরা এক কথায় বলি <strong>দুরতিক্রম্য</strong>।</li>
</ul>
<p>চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কাহিনী মূলত <strong>তিন খণ্ডে</strong> বিভক্ত। মধ্যযুগের এই বিখ্যাত মঙ্গলকাব্যটি সাজানো হয়েছে চমৎকার একটি কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে:</p>
<ul>
<li><strong>আখেটিক খণ্ড:</strong> এখানে ব্যাধ কালকেতুর শিকার ও জীবনসংগ্রামের কাহিনী বর্ণিত হয়েছে।</li>
<li><strong>বণিক খণ্ড:</strong> এই অংশে শ্রীমন্ত সদাগরের বাণিজ্যযাত্রা ও নানা বিপত্তির বর্ণনা রয়েছে।</li>
<li><strong>দেব খণ্ড:</strong> এটি কাব্যের শেষ অংশ, যেখানে দেব-দেবীর মাহাত্ম্য ও কাহিনীর সমাপ্তি টানা হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তী তাঁর এই কালজয়ী কাব্যকে এই তিনটি প্রধান ভাগে ভাগ করে কাহিনী এগিয়ে নিয়েছেন। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>তিন খণ্ডে</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নথি</strong>। কারণ বিষয়টি খুব সহজ—পারিভাষিক শব্দ বলতে সেই সব শব্দকে বোঝায়, যা কোনো নির্দিষ্ট শাস্ত্র বা বিষয়ের ভাব প্রকাশের জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে।</p>
<ul>
<li><strong>নথি</strong> শব্দটি ইংরেজি 'File' শব্দের পরিভাষা হিসেবে বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে।</li>
<li>প্রশাসনিক বা দাপ্তরিক কাজে 'File' বোঝাতে আমরা সরাসরি 'নথি' শব্দটি ব্যবহার করি, যা একটি সুনির্দিষ্ট পারিভাষিক রূপ।</li>
<li>অন্যান্য শব্দগুলো (যেমন: কলেজ, রেডিও, অক্সিজেন) সরাসরি বিদেশি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে, কিন্তু এগুলো পারিভাষিক শব্দ নয়।</li>
</ul>
৮৭০৭
কোন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে শান্তি নিকেতনে গিয়ে ডি লিট উপাধি প্রদান করে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়</strong>। বিষয়টি বেশ চমৎকার এবং ঐতিহাসিক। ১৯৩৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে সম্মানসূচক <strong>ডি লিট (D. Litt)</strong> উপাধি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তখন শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন, তাই তিনি ঢাকা গিয়ে উপাধি গ্রহণ করতে পারেননি।</li>
<li>বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাঁর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে শান্তিনিকেতনে গিয়েই তাঁকে এই উপাধি প্রদান করে।</li>
<li>এটি ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে কোনো কবিকে দেওয়া প্রথম সম্মানসূচক ডি লিট উপাধি।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দস্তখত</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ 'স্বাক্ষর' শব্দটির আভিধানিক অর্থ হলো নিজের নাম লেখা বা কোনো নথিতে নিজের নাম লিখে সম্মতি প্রদান করা।</p>
<ul>
<li>সহজ কথায়, কোনো দলিলে বা কাগজে নিজের নাম লিখে যে চিহ্ন দেওয়া হয়, তাকেই আমরা <strong>দস্তখত</strong> বা স্বাক্ষর বলে থাকি।</li>
<li>দৈনন্দিন জীবনে আমরা যখন কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজে নিজের নাম লিখে নিশ্চিত করি, সেটিই মূলত দস্তখত।</li>
</ul>
<p>বাংলা ব্যাকরণে স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে বলা হয় <strong>কার</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>স্বরবর্ণ যখন ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়ে বসে, তখন তার পূর্ণরূপ ব্যবহার না করে একটি সংক্ষিপ্ত চিহ্ন ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>যেমন: 'আ' এর সংক্ষিপ্ত রূপ হলো 'া' (আ-কার), 'ই' এর রূপ 'ি' (ই-কার) ইত্যাদি।</li>
<li>এই চিহ্নগুলোই মূলত <strong>কার</strong> নামে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে স্বরবর্ণের মিলনের সময় যে সংক্ষিপ্ত চিহ্ন ব্যবহৃত হয়, সেটাই হলো <strong>কার</strong>।</p>
<p>'অমাবস্যা' উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন <strong>অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত</strong>। বাংলা সাহিত্যের কল্লোল যুগের অন্যতম প্রধান এই লেখক তাঁর শক্তিশালী লেখনীর মাধ্যমে বাস্তবধর্মী অনেক উপন্যাস উপহার দিয়েছেন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত মূলত তাঁর বাস্তববাদী দৃষ্টিভঙ্গি এবং চমৎকার গদ্যশৈলীর জন্য পরিচিত।</li>
<li>তাঁর সাহিত্যকর্মের তালিকায় 'অমাবস্যা' একটি উল্লেখযোগ্য নাম, যা পাঠক মহলে বেশ সমাদৃত।</li>
<li>পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই লেখকের নামের সাথে উপন্যাসের নাম মিলিয়ে মনে রাখাটা বুদ্ধিমানের কাজ।</li>
</ul>
৮৭১১
কর্মে যাহার ক্লান্তি নাই' এই বাক্যাংশের সংক্ষিপ্ত রুপ কি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অক্লান্তকর্মী</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>'কর্মে যাহার ক্লান্তি নাই'—এই পুরো বাক্যাংশটি একজন ব্যক্তিকে নির্দেশ করছে, যার কাজের প্রতি কোনো ক্লান্তি নেই।</li>
<li>এখানে 'ক্লান্তি নাই' এর জন্য আমরা <strong>অক্লান্ত</strong> শব্দটি ব্যবহার করি।</li>
<li>যেহেতু বাক্যাংশটিতে 'কর্ম' বা কাজের কথা উল্লেখ আছে, তাই এর সাথে 'কর্মী' শব্দটি যুক্ত হয়ে পূর্ণাঙ্গ রূপ পায় <strong>অক্লান্তকর্মী</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যিনি অক্লান্তভাবে কাজ করে যান, তিনিই হলেন অক্লান্তকর্মী।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অক্কা পাওয়া</strong>। বাগধারাটির অর্থ মারা যাওয়া বা মৃত্যুবরণ করা।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>অক্কা পাওয়া</strong> বাগধারাটি সাধারণত কোনো ব্যক্তির মৃত্যু বা প্রাণত্যাগ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>এটি একটি প্রচলিত ও কথ্য রীতি, যা অনেক সময় ব্যঙ্গাত্মক বা সাধারণ অর্থেও ব্যবহৃত হয়ে থাকে।</li>
<li>অন্যান্য বাগধারার তুলনায় এটি সরাসরি মৃত্যুর সাথে সম্পর্কিত হওয়ায় এটিই এখানে সঠিক।</li>
</ul>
<p>‘কেতা দুরস্ত’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো <strong>পরিপাটি</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>‘কেতা’ মানে হলো চালচলন বা ফ্যাশন, আর ‘দুরস্ত’ মানে হলো ঠিকঠাক বা নিখুঁত।</li>
<li>অর্থাৎ, যার চালচলন বা পোশাক-আশাক একদম পরিপাটি বা সুবিন্যস্ত, তাকেই আমরা ‘কেতা দুরস্ত’ বলে থাকি।</li>
<li>সহজ কথায়, কোনো কিছু যখন খুব গুছিয়ে বা পরিচ্ছন্নভাবে করা হয়, তখন এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।