<p>‘অলংকারের ঝংকার’ এর সঠিক বাক্য সংকোচন হলো <strong>শিঞ্জন</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>যখন আমরা কোনো অলংকার বা গয়না নাড়াচাড়া করি, তখন যে মৃদু ও মধুর শব্দ তৈরি হয়, তাকেই এক কথায় বলা হয় <strong>শিঞ্জন</strong>।</li>
<li>এটি মূলত অলংকারের ধ্বনি বা নূপুরের শব্দের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত একটি চমৎকার শব্দ।</li>
</ul>
৮৬৮৭
যার বংশ পরিচয় এবং স্বভাব কেউই জানে না’ - বাক্যটির বাক্যসংকোচন নিচের কোনটি?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অজ্ঞাতকুলশীল</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>এখানে <strong>'অজ্ঞাত'</strong> মানে হলো যা জানা নেই বা অজানা।</li>
<li>আর <strong>'কুলশীল'</strong> বলতে বংশ পরিচয় এবং স্বভাব বা চরিত্রকে বোঝায়।</li>
<li>তাই যার বংশ পরিচয় বা স্বভাব সম্পর্কে কারো কোনো ধারণা নেই, তাকে এক কথায় বলা হয় <strong>অজ্ঞাতকুলশীল</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যার কুল (বংশ) এবং শীল (স্বভাব) সম্পর্কে কেউ জানে না, সেই হলো অজ্ঞাতকুলশীল। এটি বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পারিভাষিক শব্দ যা পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অজ্ঞাত</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ শব্দার্থের দিক থেকে দেখলে বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যায়:</p>
<ul>
<li><strong>বিদিত</strong> শব্দের অর্থ হলো যা জানা আছে বা যা সবার কাছে পরিচিত।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>অজ্ঞাত</strong> শব্দের অর্থ হলো যা জানা নেই বা যা অজানা।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো কিছু জানা থাকা (বিদিত) এবং কোনো কিছু জানা না থাকা (অজ্ঞাত) একে অপরের বিপরীত। তাই পরীক্ষার খাতায় এই ধরনের প্রশ্ন এলে সরাসরি বিপরীত অর্থটি খুঁজে বের করলেই উত্তর পাওয়া যায়।</p>
<p>'Null and void' শব্দগুচ্ছটি সাধারণত আইন বা কোনো চুক্তির ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। এর সহজ অর্থ হলো এমন কিছু যা এখন আর কার্যকর নয় বা যার কোনো আইনি ভিত্তি নেই।</p>
<p>সহজ কথায় এর ব্যাখ্যা হলো:</p>
<ul>
<li><strong>Null</strong> মানে হলো শূন্য বা যার কোনো অস্তিত্ব নেই।</li>
<li><strong>Void</strong> মানে হলো বাতিল বা অকার্যকর।</li>
</ul>
<p>তাই যখন কোনো চুক্তি বা নিয়ম 'Null and void' হয়ে যায়, তখন সেটি পুরোপুরি <strong>অকেজো</strong> বা বাতিল বলে গণ্য হয়। অর্থাৎ, এর কোনো আইনি ক্ষমতা বা গুরুত্ব আর অবশিষ্ট থাকে না।</p>
<p>বাঘের ডাককে এক কথায় <strong>গর্জন</strong> বলা হয়। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাঘ যখন ডাকে, তখন তার গলার আওয়াজ অত্যন্ত গম্ভীর এবং শক্তিশালী হয়, যাকে আমরা গর্জন হিসেবে চিনি।</p>
<ul>
<li>বাঘের ডাকের তীব্রতা ও ভয়ের উদ্রেক করার ক্ষমতা থেকেই এই বিশেষ শব্দটি এসেছে।</li>
<li>অন্যান্য প্রাণীর ডাকের মতো বাঘের ডাকের ক্ষেত্রেও বাংলা ভাষায় এই নির্দিষ্ট শব্দটিই ব্যাকরণগতভাবে স্বীকৃত।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মাইকেল মধুসূদন দত্ত</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ। মাইকেল মধুসূদন দত্ত নিজেই নিজেকে নিয়ে গর্ব করে এই শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন। এর পেছনের কারণগুলো হলো:</p>
<ul>
<li>তিনি ছিলেন দত্ত বংশের সন্তান, তাই তিনি নিজেকে <strong>‘দত্তকুলোদ্ভব’</strong> বা দত্ত বংশে জন্মগ্রহণকারী হিসেবে পরিচয় দিতে পছন্দ করতেন।</li>
<li>তার বিখ্যাত সনেট <strong>‘আত্মবিলাপ’</strong>-এ তিনি এই শব্দটি ব্যবহার করে নিজের বংশপরিচয় তুলে ধরেছিলেন।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে সনেট প্রবর্তনের সময় তিনি তার সৃজনশীলতায় এই বিশেষ অভিধাটি ব্যবহার করে অমর হয়ে আছেন।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই ‘দত্তকুলোদ্ভব’ শব্দটি দেখবেন, চোখ বন্ধ করে মাইকেল মধুসূদন দত্তকে বেছে নিতে পারেন!</p>
৮৬৯২
Select the approprite mening of hte word. Hospitable
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অতিথিপরায়ণ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>ইংরেজি শব্দ <strong>Hospitable</strong> এসেছে 'Hospitality' বা আতিথেয়তা থেকে।</li>
<li>যখন কেউ অতিথিদের খুব যত্ন করে বা সাদরে গ্রহণ করে, তখন তাকে ইংরেজিতে <strong>Hospitable</strong> বলা হয়।</li>
<li>বাংলায় এই গুণের অর্থই হলো <strong>অতিথিপরায়ণ</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যারা বাড়িতে আসা মেহমানদের আদর-আপ্যায়ন করতে পছন্দ করেন, তাদের বর্ণনা করতেই এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>‘অচিন’ শব্দটিতে ‘অ’ উপসর্গটি <strong>নঞর্থক</strong> অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। বাংলা ব্যাকরণে ‘অ’ উপসর্গটি যখন কোনো শব্দের শুরুতে বসে তার বিপরীত বা অভাব বোঝায়, তখন তাকে নঞর্থক উপসর্গ বলা হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>‘চিন’ মানে যা পরিচিত।</li>
<li>এর আগে ‘অ’ যুক্ত হয়ে ‘অচিন’ বা যা পরিচিত নয়, এমন অর্থ প্রকাশ করছে।</li>
<li>অর্থাৎ, এখানে ‘অ’ দিয়ে না-বাচক বা <strong>নঞর্থক</strong> ভাবটি ফুটে উঠেছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চারুচন্দ্র চক্রবর্তী</strong>। বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনামের ব্যবহার বেশ জনপ্রিয়, আর জরাসন্ধ নামটি মূলত চারুচন্দ্র চক্রবর্তীরই সৃষ্টি।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য একটি ছোট কৌশল মাথায় রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>জরাসন্ধ</strong> নামটি শুনলে মনে হতে পারে এটি কোনো পৌরাণিক চরিত্র, কিন্তু বাস্তব জীবনে এটি চারুচন্দ্র চক্রবর্তীর সাহিত্যিক পরিচয়।</li>
<li>তিনি মূলত তার বিখ্যাত উপন্যাস <strong>'লৌহকপাট'</strong>-এর জন্য পাঠকদের কাছে জরাসন্ধ নামেই বেশি পরিচিত।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় বারবার আসা এই প্রশ্নটি মনে রাখার জন্য শুধু এইটুকু মনে রাখলেই হবে যে, জরাসন্ধ মানেই চারুচন্দ্র চক্রবর্তী।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়</strong>।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনাম মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল হলো লেখক ও তাঁর বিখ্যাত রচনার সাথে নামটিকে মিলিয়ে নেওয়া। 'যাযাবর' ছদ্মনামটি মূলত বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়ের। তাঁর বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনি <strong>'দৃষ্টিপাত'</strong>-এর মাধ্যমেই তিনি এই ছদ্মনামে ব্যাপক পরিচিতি পান।</p>
<p>মনে রাখার টিপস:</p>
<ul>
<li><strong>বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়</strong> = <strong>যাযাবর</strong>।</li>
<li>তাঁর লেখা বিখ্যাত বই <strong>'দৃষ্টিপাত'</strong>-এর প্রচ্ছদ বা লেখকের নামের জায়গায় সবসময় 'যাযাবর' নামটিই দেখা যায়, যা খুব সহজেই মনে রাখা সম্ভব।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অনাহত</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>'আঘাত' শব্দের সাথে 'অন' উপসর্গ যুক্ত হয়ে তৈরি হয়েছে 'অনাহত'।</li>
<li>সহজ কথায়, যা কোনো আঘাত বা আঘাতের প্রভাব পায়নি, তাকেই এক কথায় বলা হয় <strong>অনাহত</strong>।</li>
<li>এটি মূলত 'ন' (না) + 'আহত' = 'অনাহত' এই সন্ধি বা সমাসজাত প্রক্রিয়ায় গঠিত হয়েছে, যার অর্থ হলো যে আঘাতপ্রাপ্ত হয়নি।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অবনী</strong>। কারণটি বেশ সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:</p>
<ul>
<li>‘পবর্ত’ বা পাহাড়ের সমার্থক শব্দগুলো সাধারণত এমন হয় যা স্থির বা উঁচু কিছু বোঝায়, যেমন: ভূধর, অদ্রি বা অচল।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>অবনী</strong> শব্দের অর্থ হলো পৃথিবী বা ধরিত্রী।</li>
<li>যেহেতু অবনী দিয়ে মাটিকে বোঝানো হয়, তাই এটি কোনোভাবেই পাহাড় বা পর্বতের সমার্থক হতে পারে না।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, পাহাড়ের সাথে পৃথিবীর কোনো সম্পর্ক নেই, তাই অবনীই এখানে আলাদা শব্দ।</p>
<p>‘দস্তখত’ একটি ফারসি শব্দ, যার সহজ বাংলা অর্থ হলো <strong>স্বাক্ষর</strong>। কোনো দলিলে বা কাগজে নিজের নাম লিখে সম্মতি বা অনুমোদন জানানোকেই দস্তখত করা বলা হয়।</p>
<ul>
<li><strong>দস্ত</strong> মানে হলো হাত।</li>
<li><strong>খত</strong> মানে হলো লেখা।</li>
<li>অর্থাৎ, নিজের হাতের লেখা বা নিজের নাম লিখে কোনো কিছু নিশ্চিত করাই হলো <strong>স্বাক্ষর</strong>।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় বা সাধারণ কথাবার্তায় দস্তখত বলতে আমরা সরাসরি স্বাক্ষরকেই বুঝি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দুহিতা</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>‘কন্যা’ শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো নিজের মেয়ে বা সন্তান।</li>
<li>‘দুহিতা’ শব্দটি এসেছে ‘দুহ্’ ধাতু থেকে, যার অর্থ হলো যে দুগ্ধ দোহন করে বা যে পরিবারের সেবা করে।</li>
<li>সহজ কথায়, কন্যা এবং দুহিতা একে অপরের সমার্থক শব্দ। তাই যেকোনো জায়গায় কন্যা বোঝাতে দুহিতা শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</li>
</ul>
<p>'Graphic' শব্দটির সঠিক বাংলা পরিভাষা হলো <strong>নকশা</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>'Graphic' শব্দটি সাধারণত কোনো দৃশ্যমান চিত্র, নকশা বা শিল্পকলা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>বাংলায় কোনো কিছুকে শৈল্পিক বা কাঠামোগত রূপ দেওয়ার প্রক্রিয়াকেই আমরা <strong>নকশা</strong> বলে থাকি।</li>
<li>তাই গ্রাফিক ডিজাইন বা গ্রাফিক্সের ক্ষেত্রে 'নকশা' শব্দটিই সবচেয়ে মানানসই এবং প্রচলিত।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।