<p>বাংলা একাডেমী তার দীর্ঘ পথচলায় বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের মানোন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম প্রধান কাজ হলো বিভিন্ন ধরনের অভিধান সংকলন ও প্রকাশ করা।</p>
<p>সঠিক উত্তরটি হলো <strong>৬০ -এর উপরে</strong>। এর কারণগুলো হলো:</p>
<ul>
<li>বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত অভিধানের সংখ্যা সময়ের সাথে সাথে ক্রমাগত বাড়ছে।</li>
<li>একাডেমীর তথ্য অনুযায়ী, তাদের প্রকাশিত অভিধানের মোট সংখ্যা বর্তমানে <strong>৬০</strong> -এর গণ্ডি অতিক্রম করেছে।</li>
<li>এর মধ্যে বাংলা থেকে বাংলা, ইংরেজি থেকে বাংলা, পরিভাষা অভিধান এবং বিভিন্ন আঞ্চলিক ভাষার অভিধানও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা একাডেমীর অভিধান প্রকল্পের বিশাল কর্মযজ্ঞের ফলে এখন পর্যন্ত প্রকাশিত মোট অভিধানের সংখ্যা <strong>৬০</strong> -এর চেয়ে বেশি।</p>
৮৭৯২
উৎপত্তি অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে কয় ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
<p>উৎপত্তি বা উৎস অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে মূলত <strong>৫ ভাগে</strong> ভাগ করা হয়েছে। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ আমাদের বাংলা শব্দভাণ্ডার এই পাঁচটি মূল উৎস থেকেই গড়ে উঠেছে:</p>
<ul>
<li><strong>তৎসম শব্দ:</strong> সংস্কৃত থেকে সরাসরি আসা শব্দ।</li>
<li><strong>অর্ধ-তৎসম শব্দ:</strong> সংস্কৃত থেকে কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে আসা শব্দ।</li>
<li><strong>তদ্ভব শব্দ:</strong> সংস্কৃত থেকে প্রাকৃতের মাধ্যমে বিবর্তিত হয়ে আসা খাঁটি বাংলা শব্দ।</li>
<li><strong>দেশি শব্দ:</strong> বাংলাদেশের আদি অধিবাসীদের ব্যবহৃত শব্দ।</li>
<li><strong>বিদেশি শব্দ:</strong> বিভিন্ন সময়ে আসা বিদেশি ভাষার শব্দ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এই ৫টি উৎস থেকেই বাংলা ভাষার বিশাল শব্দভাণ্ডার তৈরি হয়েছে। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>৫ ভাগে</strong>।</p>
৮৭৯৩
উৎপত্তি অনুসারে বাংলাভাষার শব্দভাণ্ডারকে কত ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
<p>উৎপত্তি অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারকে মূলত <strong>৫ ভাগে</strong> ভাগ করা হয়েছে। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ আমাদের ভাষার শব্দগুলো বিভিন্ন উৎস থেকে এসেছে। এই পাঁচটি ভাগ হলো:</p>
<ul>
<li><strong>তৎসম শব্দ:</strong> সংস্কৃত থেকে সরাসরি আসা শব্দ।</li>
<li><strong>অর্ধ-তৎসম শব্দ:</strong> সংস্কৃত থেকে কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে আসা শব্দ।</li>
<li><strong>তদ্ভব শব্দ:</strong> সংস্কৃত থেকে প্রাকৃতের মাধ্যমে বিবর্তিত হয়ে আসা খাঁটি বাংলা শব্দ।</li>
<li><strong>দেশি শব্দ:</strong> বাংলাদেশের আদিবাসীদের ব্যবহৃত শব্দ।</li>
<li><strong>বিদেশি শব্দ:</strong> বিভিন্ন সময়ে আসা আরবি, ফারসি, ইংরেজি বা অন্যান্য ভাষার শব্দ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এই ৫টি উৎস থেকেই আজকের সমৃদ্ধ বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডার গড়ে উঠেছে।</p>
<p>ব্যাপ্তি বা কোনো কিছু জুড়ে থাকা বোঝাতে সবসময় <strong>দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস</strong> হয়। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো বিশেষ্য পদের সাথে ব্যাপ্তি অর্থে 'ব্যাপী' বা 'জুড়ে' বোঝায়, তখন সেটি দ্বিতীয়া বিভক্তিযুক্ত হয়ে সমাস গঠন করে।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের উদাহরণটি খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>কালব্যাপী ব্যাপ্ত</strong> = কালব্যাপী (এখানে 'কাল' পর্যন্ত সময় জুড়ে থাকা বোঝাচ্ছে)।</li>
<li><strong>মাসব্যাপী ব্যাপ্ত</strong> = মাসব্যাপী।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, যখনই কোনো সময় বা দূরত্ব জুড়ে থাকা বোঝাবে, চোখ বন্ধ করে ধরে নেবেন এটি <strong>২য়া</strong> তৎপুরুষ সমাস।</p>
<p>নিমিত্তার্থে বা কোনো কিছুর জন্য বোঝাতে সবসময় <strong>চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস</strong> হয়। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>যখন কোনো সমাসবদ্ধ পদে 'জন্য' বা 'নিমিত্ত' অর্থ প্রকাশ পায়, তখন সেটি চতুর্থী বিভক্তিযুক্ত হয়।</li>
<li>যেমন: 'বসতবাড়ি' (বসতের নিমিত্ত বাড়ি) বা 'হজযাত্রা' (হজের নিমিত্ত যাত্রা)।</li>
<li>যেহেতু এখানে নিমিত্তের কথা বলা হয়েছে, তাই চোখ বন্ধ করে উত্তর হবে <strong>চতুর্থী (৪র্থী)</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, নিমিত্ত বা উদ্দেশ্য বোঝালেই তা চতুর্থী তৎপুরুষের অন্তর্ভুক্ত হবে।</p>
<p>বাংলা ভাষায় সঠিক উত্তর হলো <strong>৩টি</strong>। এই ধ্বনিগুলোকে পরাশ্রয়ী বলা হয় কারণ এরা অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য ছাড়া স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হতে পারে না।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায় হলো:</p>
<ul>
<li><strong>অনুস্বার (ং)</strong></li>
<li><strong>বিসর্গ (ঃ)</strong></li>
<li><strong>চন্দ্রবিন্দু (ঁ)</strong></li>
</ul>
<p>এই তিনটি বর্ণ সবসময় অন্য বর্ণের আশ্রয়ে বা পেছনে বসে উচ্চারিত হয়, তাই এদের পরাশ্রয়ী ধ্বনি বলা হয়।</p>
<p>বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি বা স্বরবর্ণের সংখ্যা হলো <strong>১১টি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা বর্ণমালায় অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ—এই মোট <strong>১১টি</strong> বর্ণকে স্বরবর্ণ হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
<li>ভাষাবিজ্ঞানের নিয়ম অনুযায়ী, এই ১১টি বর্ণই আমাদের স্বরধ্বনির মূল ভিত্তি।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তরটি হলো <strong>১১টি</strong>।</p>
<p>প্রতিটি বাক্যে প্রধানত <strong>২টি</strong> অংশ থাকে। বিষয়টি খুব সহজ, একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য গঠন করতে হলে আমাদের মূলত দুটি জিনিসের প্রয়োজন হয়:</p>
<ul>
<li><strong>উদ্দেশ্য (Subject):</strong> যার সম্পর্কে কিছু বলা হয়।</li>
<li><strong>বিধেয় (Predicate):</strong> উদ্দেশ্য সম্পর্কে যা কিছু বলা হয়।</li>
</ul>
<p>যেমন, "রহিম বই পড়ছে" — এখানে 'রহিম' হলো উদ্দেশ্য এবং 'বই পড়ছে' হলো বিধেয়। এই দুটি অংশ ছাড়া কোনো সার্থক বাক্য তৈরি হওয়া সম্ভব নয়। তাই ব্যাকরণ অনুযায়ী বাক্যের মূল কাঠামো এই দুটি অংশ নিয়েই গঠিত হয়।</p>
৮৭৯৯
শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের কাহিনী ক'টি চরিত্রকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>৩টি</strong>। শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি মূলত তিনটি প্রধান চরিত্রকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়েছে। এই চরিত্রগুলো হলো:</p>
<ul>
<li><strong>শ্রীকৃষ্ণ</strong></li>
<li><strong>শ্রীরাধা</strong></li>
<li><strong>বড়ু চণ্ডীদাস</strong> (যিনি এই কাব্যের বাণিতা বা রচয়িতা হিসেবে উপস্থিত)</li>
</ul>
<p>মূলত রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমলীলা এবং তাদের কথোপকথনই এই কাব্যের মূল উপজীব্য, যেখানে এই তিনটি চরিত্রই প্রধান ভূমিকা পালন করে।</p>
৮৮০০
বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী মোট ‘বর্ণ’ কয় প্রকার ও কিকি?
<p>বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদের পদসংখ্যা নিয়ে পণ্ডিতদের মধ্যে কিছুটা মতভেদ থাকলেও, বর্তমানে এটি <strong>সাড়ে ৪৬টি</strong> হিসেবেই স্বীকৃত। এর পেছনের সহজ হিসাবটি হলো:</p>
<ul>
<li>চর্যাপদের মূল পাণ্ডুলিপিতে মোট <strong>৫১টি</strong> পদ থাকার কথা ছিল।</li>
<li>কিন্তু বর্তমানে আবিষ্কৃত পাণ্ডুলিপিতে ২৩ নম্বর পদটি খণ্ডিত অবস্থায় পাওয়া গেছে এবং ২৪, ২৫ ও ৪৮ নম্বর পদগুলো সম্পূর্ণ অনুপস্থিত।</li>
<li>এই হিসাব অনুযায়ী, ৪৬টি পদ সম্পূর্ণ এবং ১টি পদ খণ্ডিত থাকায় মোট পদসংখ্যা দাঁড়ায় <strong>$46 + \frac{1}{2} = 46.5$</strong> বা সাড়ে ৪৬টি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, পূর্ণাঙ্গ পদ এবং খণ্ডিত পদের যোগফলই হলো এই সাড়ে ৪৬টি। তাই পরীক্ষার খাতায় সঠিক উত্তর হিসেবে এটিই বেছে নিতে হবে।</p>
<p>অর্থভেদে শব্দ মূলত <strong>৫ প্রকার</strong>। ব্যাকরণ অনুযায়ী শব্দের অর্থগত এই শ্রেণিবিভাগটি মনে রাখা বেশ সহজ। এই ৫ প্রকার শব্দ হলো:</p>
<ul>
<li><strong>যৌগিক শব্দ:</strong> যে শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই।</li>
<li><strong>রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ:</strong> প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগে গঠিত হলেও মূল অর্থ হারিয়ে অন্য কোনো নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে।</li>
<li><strong>যোগরূঢ় শব্দ:</strong> সমাস নিষ্পন্ন শব্দ যা সমস্যমান পদগুলোর অর্থ প্রকাশ না করে অন্য কোনো বিশেষ অর্থ বোঝায়।</li>
<li><strong>তৎসম শব্দ:</strong> সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি আসা শব্দ।</li>
<li><strong>দেশি ও বিদেশি শব্দ:</strong> বাংলা ভাষার নিজস্ব বা অন্য ভাষা থেকে আগত শব্দ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের অর্থের গভীরতা ও ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে এই ৫টি ভাগই আমাদের বাংলা ব্যাকরণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p>গঠন অনুসারে বাক্য মূলত <strong>৩ প্রকার</strong>। তবে আপনার দেওয়া অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক উত্তরটি হলো <strong>৩ প্রকার</strong> (যা এখানে অপশন B-তে থাকার কথা)। ব্যাকরণ অনুযায়ী গঠনভেদে বাক্যগুলো হলো:</p>
<ul>
<li><strong>সরল বাক্য:</strong> যেখানে একটি মাত্র কর্তা ও একটি সমাপিকা ক্রিয়া থাকে।</li>
<li><strong>জটিল বা মিশ্র বাক্য:</strong> যেখানে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের ওপর এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য নির্ভর করে।</li>
<li><strong>যৌগিক বাক্য:</strong> যেখানে দুই বা ততোধিক সরল বা জটিল বাক্য অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে।</li>
</ul>
<p>তাই গঠনগত দিক থেকে বাক্যের শ্রেণিবিভাগ মনে রাখা খুবই সহজ—এটি সবসময় <strong>৩ প্রকার</strong> হয়।</p>
<p>বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী সঠিক উত্তর হলো <strong>২ প্রকার</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>প্রত্যয় মূলত দুই ধরনের হয়: <strong>কৃত প্রত্যয়</strong> এবং <strong>তদ্ধিত প্রত্যয়</strong>।</li>
<li>ক্রিয়াপদের মূল বা ধাতুর সাথে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়, তাকে বলা হয় <strong>কৃত প্রত্যয়</strong>।</li>
<li>নামপদ বা শব্দের সাথে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়, তাকে বলা হয় <strong>তদ্ধিত প্রত্যয়</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ধাতু বা শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরির এই দুটি প্রধান ভাগই আমাদের মনে রাখতে হবে।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।