<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>৪র্থী তৎপুরুষ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় যদি আমরা শব্দটিকে ব্যাসবাক্য করি।</p>
<ul>
<li>‘হজযাত্রা’ শব্দটির ব্যাসবাক্য করলে হয়: <strong>হজের নিমিত্তে যাত্রা</strong>।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো সমাসে ব্যাসবাক্যে 'নিমিত্তে', 'জন্য' বা 'উদ্দেশ্যে' বোঝায়, তখন সেটি <strong>৪র্থী তৎপুরুষ</strong> সমাস হয়।</li>
<li>যেহেতু এখানে যাত্রার উদ্দেশ্য হলো হজ, তাই এটি ৪র্থী তৎপুরুষের অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
<p>‘হজ্জযাত্রা’ শব্দটির সঠিক ব্যাসবাক্য হলো ‘হজ্জের নিমিত্তে যাত্রা’। এখানে ‘নিমিত্তে’ বা ‘জন্য’ অর্থ প্রকাশ পাওয়ায় এটি <strong>৪র্থী তৎপুরুষ</strong> সমাস।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>যখন কোনো কিছুর জন্য বা নিমিত্তে কোনো কাজ করা বোঝায়, তখন সেটি চোখ বন্ধ করে <strong>৪র্থী তৎপুরুষ</strong> সমাস হবে।</li>
<li>এখানে ‘যাত্রা’ শব্দটি ‘হজ্জের’ উদ্দেশ্যে বা ‘হজ্জের’ নিমিত্তে করা হচ্ছে, তাই এটি ৪র্থী বিভক্তির প্রয়োগ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শূন্য বিভক্তি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে যখন কোনো শব্দের সাথে দৃশ্যমান কোনো বিভক্তি চিহ্ন (যেমন: কে, রে, দ্বারা, হতে) যুক্ত থাকে না, তখন তাকে <strong>শূন্য বিভক্তি</strong> বলা হয়।</li>
<li>একে অনেক সময় 'অ-বিভক্তি'ও বলা হয়, কারণ এখানে বিভক্তির চিহ্নটি অদৃশ্য বা শূন্য অবস্থায় থাকে।</li>
<li>যেমন: 'মা' ভাত খান—এখানে 'মা' শব্দের সাথে কোনো বিভক্তি চিহ্ন নেই, তাই এটি শূন্য বিভক্তি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো শব্দের শেষে যদি কোনো চিহ্ন না দেখেন, তবে চোখ বন্ধ করে ধরে নেবেন সেটি <strong>শূন্য বিভক্তি</strong>।</p>
<p>মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের বিশাল পরিসরকে মূলত চারটি প্রধান ধারায় ভাগ করা হয়। এই ধারাগুলো হলো: <strong>শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য</strong>, <strong>মঙ্গলকাব্য</strong>, <strong>বৈষ্ণব পদাবলি</strong> এবং <strong>অনুবাদ সাহিত্য</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>শ্রীকৃষ্ণকীর্তন:</strong> এটি মধ্যযুগের শুরুর দিকের অন্যতম প্রধান নিদর্শন।</li>
<li><strong>মঙ্গলকাব্য:</strong> দেবদেবীর মাহাত্ম্য প্রচারের জন্য এই ধারাটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল।</li>
<li><strong>বৈষ্ণব পদাবলি:</strong> ভক্তি ও প্রেমের আবেগে ভরা এই ধারাটি মধ্যযুগের সাহিত্যের প্রাণ।</li>
<li><strong>অনুবাদ সাহিত্য:</strong> রামায়ণ, মহাভারত ও ভাগবতের মতো মহাকাব্যগুলোর বাংলা অনুবাদ এই ধারার অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>৪টি</strong>। এই চারটি ধারা মিলেই মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের মূল ভিত্তি তৈরি হয়েছে।</p>
<p>মঙ্গলকাব্যের গঠনশৈলী বেশ সুনির্দিষ্ট। একটি পূর্ণাঙ্গ মঙ্গলকাব্য সাধারণত <strong>৫টি</strong> প্রধান অংশে বিভক্ত থাকে। এই অংশগুলো হলো:</p>
<ul>
<li><strong>বন্দনা:</strong> দেব-দেবী ও গুরুজনের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন।</li>
<li><strong>আত্মপরিচয়:</strong> কবির নিজের বংশপরিচয় ও কাব্য রচনার কারণ।</li>
<li><strong>দেবখণ্ড:</strong> দেব-দেবীর মর্ত্যে আগমন বা তাদের মাহাত্ম্য প্রচার।</li>
<li><strong>মর্ত্যখণ্ড:</strong> মানুষের জীবনে দেব-দেবীর প্রভাব ও কাহিনী।</li>
<li><strong>শ্রুতিফল:</strong> কাব্যটি পাঠ বা শ্রবণ করলে কী কী পুণ্য বা ফল লাভ হবে তার বর্ণনা।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এই পাঁচটি ধাপ মেনেই মঙ্গলকাব্যগুলো রচিত হতো, যা সে সময়কার সাহিত্যের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য ছিল।</p>
<p>ব্যাকরণ অনুযায়ী খাঁটি বাংলা সন্ধি মূলত <strong>২ প্রকার</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li><strong>স্বরসন্ধি:</strong> যেখানে স্বরধ্বনির সাথে স্বরধ্বনির মিলন ঘটে।</li>
<li><strong>ব্যঞ্জনসন্ধি:</strong> যেখানে ব্যঞ্জনধ্বনির সাথে স্বরধ্বনি বা ব্যঞ্জনধ্বনির মিলন ঘটে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা শব্দের নিজস্ব নিয়ম মেনে যে সন্ধি হয়, তাকেই খাঁটি বাংলা সন্ধি বলে এবং এর গঠনশৈলী অনুযায়ী একে প্রধানত এই দুই ভাগেই ভাগ করা হয়।</p>
<p>বাংলা ব্যাকরণে কারক মূলত <strong>৬ প্রকার</strong>। বাক্যস্থিত ক্রিয়াপদের সাথে নামপদের সম্পর্ক বা অন্বয়কেই কারক বলা হয়। এই ছয়টি কারক হলো:</p>
<ul>
<li><strong>কর্তৃকারক:</strong> যে নিজে কাজ সম্পাদন করে।</li>
<li><strong>কর্মকারক:</strong> যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে।</li>
<li><strong>করণকারক:</strong> যার সাহায্যে বা উপায়ে কর্তা কাজ সম্পন্ন করে।</li>
<li><strong>সম্প্রদান কারক:</strong> যাকে স্বত্ব ত্যাগ করে দান করা হয়।</li>
<li><strong>অপাদান কারক:</strong> যা থেকে কিছু বিচ্যুত, গৃহীত বা উৎপন্ন হয়।</li>
<li><strong>অধিকরণ কারক:</strong> ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান বা সময়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, একটি বাক্যে ক্রিয়াকে প্রশ্ন করলে যে উত্তরগুলো পাওয়া যায়, তা থেকেই এই ছয়টি কারক নির্ণয় করা সম্ভব। তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক উত্তর হলো <strong>৬ প্রকার</strong>।</p>
<p>বাংলা ব্যাকরণে কারক মূলত <strong>৬ (ছয়) প্রকার</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাক্যে ক্রিয়াপদের সাথে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সম্পর্কই হলো কারক। এই ছয়টি কারক হলো:</p>
<ul>
<li><strong>কর্তৃকারক:</strong> যে কাজ সম্পাদন করে।</li>
<li><strong>কর্মকারক:</strong> যাকে আশ্রয় করে কর্তা কাজ সম্পন্ন করে।</li>
<li><strong>করণকারক:</strong> যার মাধ্যমে বা উপায়ে কাজ করা হয়।</li>
<li><strong>সম্প্রদান কারক:</strong> যাকে স্বত্ব ত্যাগ করে দান করা হয়।</li>
<li><strong>অপাদান কারক:</strong> যা থেকে কিছু বিচ্যুত, গৃহীত বা উৎপন্ন হয়।</li>
<li><strong>অধিকরণ কারক:</strong> যে স্থানে বা সময়ে ক্রিয়া সম্পন্ন হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাক্যের ক্রিয়াকে কে, কী, কিসের দ্বারা, কাকে, কোথা থেকে এবং কোথায়—এই ছয়টি প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা-ই কারকের ছয়টি প্রকারভেদ নির্দেশ করে।</p>
৮৭৮৭
বর্ণমালায় ব্যবহৃত মাত্রাহীন বর্ণগুলোর মধ্যে কতটি ব্যঞ্জনবর্ণ?
<p>বাংলা বর্ণমালায় মোট ১০টি মাত্রাহীন বর্ণ রয়েছে। এর মধ্যে স্বরবর্ণ এবং ব্যঞ্জনবর্ণের হিসাবটি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>স্বরবর্ণের মধ্যে মাত্রাহীন বর্ণ আছে ৪টি: <strong>এ, ঐ, ও, ঔ</strong>।</li>
<li>বাকি ৬টি বর্ণ হলো ব্যঞ্জনবর্ণ।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, মোট ১০টি মাত্রাহীন বর্ণের মধ্যে ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা হলো <strong>৬টি</strong>। এই ৬টি ব্যঞ্জনবর্ণ হলো: <strong>ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ</strong>। এগুলো মনে রাখলে যেকোনো পরীক্ষায় খুব দ্রুত উত্তর দেওয়া সম্ভব।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে মূলত তিনটি প্রধান যুগে ভাগ করা হয়েছে। এই বিভাজনটি মনে রাখা খুবই সহজ:</p>
<ul>
<li><strong>প্রাচীন যুগ:</strong> ৬৫০ থেকে ১২০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত।</li>
<li><strong>মধ্যযুগ:</strong> ১২০১ থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত।</li>
<li><strong>আধুনিক যুগ:</strong> ১৮০১ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, সাহিত্যের কালানুক্রমিক ধারা অনুযায়ী সঠিক উত্তর হলো <strong>৩টি</strong>। এই তিনটি বড় ভাগের মাধ্যমেই আমাদের বাংলা সাহিত্যের পুরো ইতিহাসকে সুন্দরভাবে সাজানো হয়েছে।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে <strong>১২০১-১৩৫০ খ্রিষ্টাব্দ</strong> সময়কালকে 'অন্ধকার যুগ' হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এর পেছনের কারণটা বেশ সহজ:</p>
<ul>
<li>এই সময়ে তুর্কি আক্রমণের ফলে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও বিশৃঙ্খলা চরম আকার ধারণ করেছিল।</li>
<li>সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় অস্থিরতার কারণে সাহিত্যচর্চার অনুকূল পরিবেশ ছিল না।</li>
<li>ইতিহাসবিদদের মতে, এই দেড়শ বছরের মধ্যে কোনো উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম বা নিদর্শন পাওয়া যায়নি, তাই একে 'অন্ধকার যুগ' বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সাহিত্যের কোনো লিখিত প্রমাণ বা নিদর্শন না পাওয়ার কারণেই এই সময়কালকে অন্ধকারাচ্ছন্ন বা শূন্যতার যুগ হিসেবে ধরা হয়।</p>
<p>ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্র মতে চর্যাপদের রচনাকাল হলো <strong>৬০০ - ১২০০ খ্রিস্টাব্দ</strong>। বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের সহজ যুক্তিটি খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বাংলা ভাষার উৎপত্তিকাল হিসেবে <strong>৬৫০ খ্রিস্টাব্দকে</strong> নির্দেশ করেছেন।</li>
<li>সেই হিসেবে তিনি চর্যাপদের সময়সীমা নির্ধারণ করেছেন <strong>৬০০ থেকে ১২০০ খ্রিস্টাব্দ</strong> পর্যন্ত।</li>
<li>অন্যান্য গবেষকদের তুলনায় তাঁর দেওয়া এই সময়সীমাটি সবচেয়ে প্রাচীন বা দীর্ঘ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা ভাষার আদি রূপের সাথে সামঞ্জস্য রেখে তিনি এই দীর্ঘ সময়কালটি নির্ধারণ করেছেন, যা পরীক্ষায় মনে রাখা বেশ সহজ।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।