eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু
MCQ: ৩৪৫১৮ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৮৮২১

"বঙ্গীয় শব্দকোষ" কয় খণ্ডে রচিত হয়েছে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
২ খণ্ডে
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>২ খণ্ডে</strong>।</p>

<p>হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর সম্পাদনায় এবং হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অক্লান্ত পরিশ্রমে সংকলিত এই বিখ্যাত অভিধানটি মূলত দুটি খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছে। এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য এবং সমৃদ্ধ শব্দকোষ হিসেবে পরিচিত। মনে রাখার সুবিধার্থে এভাবে ভাবতে পারেন:</p>

<ul>
<li>অভিধানটির বিশাল কলেবর এবং শব্দের গভীরতা বজায় রাখতে এটিকে সুশৃঙ্খলভাবে <strong>২টি</strong> প্রধান খণ্ডে বিন্যস্ত করা হয়েছে।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের গবেষণায় এবং শব্দের ব্যুৎপত্তি নির্ণয়ে এই <strong>২ খণ্ডের</strong> সংস্করণটিই প্রামাণ্য দলিল হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
</ul>
৮৮২২

‘জীবনতরী = জীবন রূপ তরী’ কোন সমাসের উদাহরণ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
রূপক কর্মধারয়
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রূপক কর্মধারয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় নিচের ধাপগুলো খেয়াল করলে:</p>

<ul>
<li>যখন উপমেয় (যাকে তুলনা করা হচ্ছে, যেমন: জীবন) এবং উপমান (যার সাথে তুলনা করা হচ্ছে, যেমন: তরী)-এর মধ্যে অভেদ বা একাত্মতা কল্পনা করা হয়, তখন তাকে রূপক কর্মধারয় সমাস বলে।</li>
<li>এখানে 'জীবন' এবং 'তরী' আলাদা কিছু নয়, বরং জীবনকেই তরী হিসেবে কল্পনা করা হয়েছে।</li>
<li>সহজ চেনার উপায় হলো, ব্যাসবাক্যে যদি মাঝখানে <strong>'রূপ'</strong> শব্দটি থাকে, তবে চোখ বন্ধ করে সেটি রূপক কর্মধারয় সমাস।</li>
</ul>

<p>অর্থাৎ, জীবন ও তরীর মধ্যে রূপক সম্পর্ক থাকায় এটি <strong>রূপক কর্মধারয়</strong> সমাসের নিখুঁত উদাহরণ।</p>
৮৮২৩

‘ভিক্ষালব্ধ’ সমাসবদ্ধ পদটি কোন সমাসের উদাহরণ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
৩য়া তৎপুরুষ
ব্যাখ্যা:
<p>‘ভিক্ষালব্ধ’ শব্দটিকে ভাঙলে আমরা পাই ‘ভিক্ষা দ্বারা লব্ধ’। এখানে ‘দ্বারা’ বিভক্তিটি যুক্ত থাকায় এটি খুব সহজেই <strong>৩য়া তৎপুরুষ</strong> সমাসের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>যখন কোনো সমাসবদ্ধ পদের ব্যাসবাক্যে ‘দ্বারা’, ‘দিয়ে’ বা ‘কর্তৃক’ বিভক্তি ব্যবহৃত হয়, তখন সেটি সবসময় <strong>৩য়া তৎপুরুষ</strong> সমাস হয়।</li>
<li>এখানে ‘ভিক্ষা’ (পূর্বপদ) এবং ‘লব্ধ’ (পরপদ)-এর মাঝে ‘দ্বারা’ বিভক্তিটি লোপ পেয়েছে, তাই এটি ৩য়া তৎপুরুষ।</li>
</ul>
৮৮২৪

বাংলা বর্ণমালায় ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা কতটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
৩৯টি
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা বর্ণমালায় সঠিক উত্তর হলো <strong>৩৯টি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>বাংলা বর্ণমালার মোট বর্ণ ৫০টি।</li>
<li>এর মধ্যে স্বরবর্ণ রয়েছে ১১টি।</li>
<li>বাকি বর্ণগুলো হলো ব্যঞ্জনবর্ণ, অর্থাৎ মোট ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা হলো $50 - 11 = 39$ টি।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, 'ক' থেকে 'চন্দ্রবিন্দু' পর্যন্ত এই ৩৯টি বর্ণই হলো বাংলা ভাষার মূল ব্যঞ্জনবর্ণ।</p>
৮৮২৫

বাংলা ভাষায় ব্যঞ্জন বর্ণের সংখ্যা কতটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
৩৯টি
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা বর্ণমালায় সঠিক উত্তর হলো <strong>৩৯টি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণের সংখ্যা ৫০টি।</li>
<li>এর মধ্যে স্বরবর্ণ রয়েছে ১১টি।</li>
<li>বাকি বর্ণগুলো হলো ব্যঞ্জনবর্ণ, অর্থাৎ: $50 - 11 = 39$</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, 'ক' থেকে 'চন্দ্রবিন্দু' পর্যন্ত মোট <strong>৩৯টি</strong> বর্ণই হলো ব্যঞ্জনবর্ণ।</p>
৮৮২৬

বাংলা বর্ণমালায় ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা কয়টি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
৩৯টি
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা বর্ণমালায় ব্যঞ্জনবর্ণের সঠিক সংখ্যা হলো <strong>৩৯টি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>বাংলা বর্ণমালার মোট বর্ণ হলো ৫০টি।</li>
<li>এর মধ্যে স্বরবর্ণ রয়েছে ১১টি।</li>
<li>বাকি বর্ণগুলোই হলো ব্যঞ্জনবর্ণ।</li>
</ul>

<p>সহজ হিসাবটি হলো: $50 - 11 = 39$। অর্থাৎ, 'ক' থেকে 'চন্দ্রবিন্দু' পর্যন্ত মোট <strong>৩৯টি</strong> বর্ণই হলো ব্যঞ্জনবর্ণ।</p>
৮৮২৭

বাংলা বর্ণমালায় ব্যঞ্জনবর্ণ রয়েছে -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
৩৯ টি
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা বর্ণমালায় মোট ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা হলো <strong>৩৯ টি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>বাংলা বর্ণমালার মোট বর্ণ ৫০টি।</li>
<li>এর মধ্যে স্বরবর্ণ রয়েছে ১১টি।</li>
<li>বাকি বর্ণগুলোই হলো ব্যঞ্জনবর্ণ, অর্থাৎ: $50 - 11 = 39$ টি।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, 'ক' থেকে 'চন্দ্রবিন্দু' পর্যন্ত এই ৩৯টি বর্ণই আমাদের ব্যঞ্জনবর্ণের তালিকাভুক্ত।</p>
৮৮২৮

বাংলা ভাষায় বর্ণের সংখ্যা কত?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
৫০টি
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা ভাষায় মোট বর্ণের সংখ্যা হলো <strong>৫০টি</strong>। এই ৫০টি বর্ণকে মূলত দুটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে:</p>

<ul>
<li><strong>স্বরবর্ণ:</strong> মোট ১১টি।</li>
<li><strong>ব্যঞ্জনবর্ণ:</strong> মোট ৩৯টি।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বাংলা বর্ণমালার এই ১১টি স্বরবর্ণ এবং ৩৯টি ব্যঞ্জনবর্ণ মিলে মোট সংখ্যাটি দাঁড়ায়: $$11 + 39 = 50$$</p>

<p>তাই বাংলা ভাষার বর্ণমালার সঠিক সংখ্যাটি মনে রাখা খুবই সহজ—এটি হলো ৫০টি।</p>
৮৮২৯

বাংলা বর্ণমালায় প্রকৃত ব্যঞ্জন রয়েছে ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
৩৫ টি
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা বর্ণমালায় প্রকৃত ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা হলো <strong>৩৫ টি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>

<ul>
<li>বাংলা বর্ণমালায় মোট ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা ৩৯ টি।</li>
<li>এর মধ্যে 'য়', 'ড়', 'ঢ়'—এই ৩টি বর্ণকে বলা হয় পরাশ্রয়ী বা অতিরিক্ত বর্ণ।</li>
<li>আবার 'ৎ', 'ং', 'ঃ', 'ঁ'—এই ৪টি বর্ণকে বলা হয় পরাশ্রয়ী বর্ণ।</li>
<li>মূলত, বাংলা বর্ণমালার মৌলিক বা প্রকৃত ব্যঞ্জনবর্ণের হিসাবটি হলো: $39 - 4 = 35$ টি।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, মূল ব্যঞ্জনবর্ণের তালিকা থেকে পরাশ্রয়ী বর্ণগুলো বাদ দিলেই আমরা প্রকৃত ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা <strong>৩৫ টি</strong> পেয়ে যাই।</p>
৮৮৩০

বাংলা বর্ণমালায় পূর্ণমাত্রা, অর্ধমাত্রা ও মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা যথাক্রমে -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
৩২, ৮, ১০
৮৮৩১

বাংলা ভাষার ব্যবহৃত মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনি কয়টি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
৩০ টি
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনির সঠিক সংখ্যা হলো <strong>৩০ টি</strong>।</p>

<p>বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>বাংলা বর্ণমালায় মোট ৩৯টি ব্যঞ্জনবর্ণ থাকলেও সবগুলোর উচ্চারণ মৌলিক নয়।</li>
<li>এর মধ্যে কিছু বর্ণ যুক্তবর্ণ বা অন্য বর্ণের সংমিশ্রণে তৈরি।</li>
<li>ভাষাবিজ্ঞানীদের মতে, বাংলা ভাষায় মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনি বা মূল ব্যঞ্জনধ্বনির সংখ্যা হলো ঠিক <strong>৩০ টি</strong>।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, ব্যঞ্জনবর্ণের মোট সংখ্যা ৩৯টি হলেও, ধ্বনিগত দিক থেকে মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনি হিসেবে আমরা ৩০টিকেই গণ্য করি।</p>
৮৮৩২

সংখ্যাবাচক শব্দ কত প্রকার ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
৪ প্রকার
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী সঠিক উত্তর হলো <strong>৪ প্রকার</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ সংখ্যাবাচক শব্দ মূলত চার ধরনের হয়ে থাকে। এগুলো হলো:</p>

<ul>
<li><strong>অঙ্কবাচক শব্দ:</strong> যেমন— ১, ২, ৩ ইত্যাদি।</li>
<li><strong>গণনাবাচক শব্দ:</strong> যেমন— এক, দুই, তিন ইত্যাদি।</li>
<li><strong>ক্রমবাচক শব্দ:</strong> যেমন— প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ইত্যাদি।</li>
<li><strong>তারিখবাচক শব্দ:</strong> যেমন— পহেলা, দোসরা, তেসরা ইত্যাদি।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, সংখ্যার প্রকাশভঙ্গি অনুযায়ী এই ৪টি ভাগ মনে রাখলেই আপনার আর কোনো বিভ্রান্তি হবে না।</p>
৮৮৩৩

অর্থ অনুসারে শব্দ কয় প্রকার?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
ব্যাখ্যা:
<p>অর্থ অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে প্রধানত <strong>৩ প্রকার</strong> ভাগে ভাগ করা যায়। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ এই তিন প্রকারের মাধ্যমেই শব্দের অর্থের গভীরতা প্রকাশ পায়:</p>

<ul>
<li><strong>যৌগিক শব্দ:</strong> যে সব শব্দের উৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই। যেমন: গায়ক (গৈ + অক = যে গান করে)।</li>
<li><strong>রূঢ়ি বা রূঢ় শব্দ:</strong> প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগে গঠিত হলেও মূল অর্থ হারিয়ে অন্য কোনো নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে। যেমন: হস্তী (হস্ত আছে যার, কিন্তু এটি দিয়ে কেবল হাতিকেই বোঝায়)।</li>
<li><strong>যোগরূঢ় শব্দ:</strong> সমাস নিষ্পন্ন যে শব্দগুলো সমস্যমান পদের অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে। যেমন: পঙ্কজ (পঙ্কে জন্মে যা, কিন্তু এটি দিয়ে কেবল পদ্মফুলকেই বোঝায়)।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, শব্দের গঠন ও অর্থের সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে এই <strong>৩টি</strong> শ্রেণিবিভাগই ব্যাকরণের মূল ভিত্তি।</p>
৮৮৩৪

গঠন অনুসারে বাংলা বাক্য কয় প্রকার?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
ব্যাখ্যা:
<p>গঠন অনুসারে বাংলা বাক্য মূলত <strong>৩ প্রকার</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ, কারণ বাক্যের গঠনকে আমরা এই তিনটি প্রধান ভাগে ভাগ করি:</p>

<ul>
<li><strong>সরল বাক্য:</strong> যেখানে একটি মাত্র কর্তা ও একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে।</li>
<li><strong>জটিল বাক্য:</strong> যেখানে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের ওপর এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য নির্ভর করে।</li>
<li><strong>যৌগিক বাক্য:</strong> যেখানে দুই বা ততোধিক সরল বা জটিল বাক্য অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য গঠন করে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বাক্যের গঠনশৈলী অনুযায়ী এই তিনটি ধরণই বাংলা ব্যাকরণে স্বীকৃত। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>৩ প্রকার</strong>।</p>
৮৮৩৫

উচ্চারণ স্থানের দিক দিয়ে স্পর্শধ্বনিকে কয়টি গুচ্ছে বা বর্গে ভাগ করা হয় ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
৫ টি
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>৫ টি</strong>। বাংলা ব্যাকরণে স্পর্শধ্বনি বা বর্গীয় ধ্বনিগুলোকে উচ্চারণ স্থানের ওপর ভিত্তি করে মোট ৫টি বর্গে ভাগ করা হয়েছে। এই বর্গগুলো হলো:</p>

<ul>
<li><strong>ক-বর্গ:</strong> কণ্ঠ্য ধ্বনি (ক, খ, গ, ঘ, ঙ)</li>
<li><strong>চ-বর্গ:</strong> তালব্য ধ্বনি (চ, ছ, জ, ঝ, ঞ)</li>
<li><strong>ট-বর্গ:</strong> মূর্ধন্য ধ্বনি (ট, ঠ, ড, ঢ, ণ)</li>
<li><strong>ত-বর্গ:</strong> দন্ত্য ধ্বনি (ত, থ, দ, ধ, ন)</li>
<li><strong>প-বর্গ:</strong> ওষ্ঠ্য ধ্বনি (প, ফ, ব, ভ, ম)</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, প্রতিটি বর্গে ৫টি করে মোট ২৫টি ধ্বনি থাকে, যা আমাদের মুখগহ্বরের বিভিন্ন স্থান স্পর্শ করে উচ্চারিত হয় বলে এদের স্পর্শধ্বনি বলা হয়।</p>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।