<p>বাংলা ভাষায় সন্ধি মূলত <strong>৩ প্রকার</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ সন্ধি সাধারণত তিনটি প্রধান উৎস থেকে আসে:</p>
<ul>
<li><strong>স্বরসন্ধি:</strong> স্বরধ্বনির সাথে স্বরধ্বনির মিলন।</li>
<li><strong>ব্যঞ্জনসন্ধি:</strong> স্বরধ্বনির সাথে ব্যঞ্জনধ্বনি বা ব্যঞ্জনধ্বনির সাথে ব্যঞ্জনধ্বনির মিলন।</li>
<li><strong>বিসর্গ সন্ধি:</strong> বিসর্গের সাথে স্বর বা ব্যঞ্জনধ্বনির মিলন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সন্ধির এই তিনটি ভাগই বাংলা ব্যাকরণে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। তাই মনে রাখবেন, সন্ধি প্রধানত এই ৩টি নিয়মেই গঠিত হয়।</p>
<p>বাংলা ভাষায় সঠিক উত্তর হলো <strong>৩ প্রকার</strong>। বাংলা উপসর্গগুলো মূলত তাদের উৎস বা ব্যবহারের ধরনের ওপর ভিত্তি করে তিন ভাগে বিভক্ত। বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>বাংলা উপসর্গ:</strong> এগুলো খাঁটি বাংলা শব্দে ব্যবহৃত হয়, যার সংখ্যা মোট <strong>২১টি</strong>।</li>
<li><strong>সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ:</strong> এগুলো তৎসম শব্দের আগে বসে, যার সংখ্যা মোট <strong>২০টি</strong>।</li>
<li><strong>বিদেশি উপসর্গ:</strong> বিভিন্ন বিদেশি ভাষা (যেমন- ফারসি, আরবি, ইংরেজি) থেকে আগত উপসর্গ, যা বাংলা ভাষায় নিয়মিত ব্যবহৃত হচ্ছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, উৎস অনুযায়ী বাংলা ভাষায় উপসর্গের এই <strong>৩টি</strong> প্রধান শ্রেণিবিভাগই আমাদের ব্যাকরণে স্বীকৃত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>৩ প্রকার</strong>। ধাতু মূলত তাদের বৈশিষ্ট্য ও রাসায়নিক আচরণের ওপর ভিত্তি করে তিন ভাগে বিভক্ত। বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায় হলো এদের প্রধান তিনটি ধরন খেয়াল করা:</p>
<ul>
<li><strong>মৌলিক ধাতু:</strong> যেগুলো প্রকৃতিতে এককভাবে পাওয়া যায়।</li>
<li><strong>যৌগিক ধাতু:</strong> যা একাধিক ধাতুর সমন্বয়ে গঠিত।</li>
<li><strong>মিশ্র ধাতু:</strong> যেখানে ধাতু ও অধাতুর সংমিশ্রণ থাকে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ধাতুর এই তিনটি শ্রেণিবিভাগ আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত বিভিন্ন উপকরণের গঠন বুঝতে সাহায্য করে। তাই ধাতুর প্রকারভেদ বলতে আমরা প্রধানত এই <strong>৩টি</strong> ধরনকেই বুঝি।</p>
<p>গঠনরীতি ও অর্থের দিক থেকে সাধিত ধাতু মূলত <strong>৩ প্রকার</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ, কারণ এই তিন প্রকার ধাতু আমাদের ভাষার গঠনকে পূর্ণতা দেয়। এই তিন প্রকার হলো:</p>
<ul>
<li><strong>নাম ধাতু:</strong> বিশেষ্য, বিশেষণ বা অনুকার অব্যয়ের সাথে 'আ' প্রত্যয় যোগ করে যে ধাতু গঠিত হয়।</li>
<li><strong>প্রযোজক ধাতু:</strong> অন্যের দ্বারা কোনো কাজ করানো বোঝালে মূল ধাতুর সাথে 'আ' প্রত্যয় যোগ করে এটি তৈরি হয়।</li>
<li><strong>কর্মবাচ্যের ধাতু:</strong> কর্মবাচ্যে ব্যবহৃত ধাতু, যেখানে মূল ধাতুর সাথে 'আ' প্রত্যয় যুক্ত থাকে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এই তিন ধরনের ধাতুর মাধ্যমেই আমরা বাংলা ভাষায় বিভিন্ন ক্রিয়াপদ তৈরি করে থাকি। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>৩ প্রকার</strong>।</p>
৮৮১০
বর্ণমালায় ব্যবহৃত মাত্রাহীন বর্ণগুলোর মধ্যে কতটি ব্যঞ্জনবর্ণ রয়েছে ?
<p>বাংলা বর্ণমালায় মোট ১০টি মাত্রাহীন বর্ণ রয়েছে। এর মধ্যে স্বরবর্ণ আছে ৪টি (এ, ঐ, ও, ঔ) এবং বাকিগুলো হলো ব্যঞ্জনবর্ণ। প্রশ্ন অনুযায়ী, এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>৬ টি</strong>।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য ব্যঞ্জনবর্ণগুলো হলো:</p>
<ul>
<li>ঙ</li>
<li>ঞ</li>
<li>ৎ</li>
<li>ং</li>
<li>ঃ</li>
<li>ঁ</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, এই ৬টি বর্ণই হলো বাংলা বর্ণমালার মাত্রাহীন ব্যঞ্জনবর্ণ।</p>
৮৮১১
দ্বন্দ্ব সমাসে পূর্বপদ ও পরপদে সম্বন্দ্ধ বুঝাবার জন্য কয়টি অব্যয় ব্যবহৃত হয় ?
<p>দ্বন্দ্ব সমাসে পূর্বপদ ও পরপদের মধ্যে সম্পর্ক বা সংযোগ বোঝাতে মূলত <strong>৩টি</strong> অব্যয় ব্যবহৃত হয়। এগুলো হলো: <strong>ও</strong>, <strong>এবং</strong>, ও <strong>আর</strong>।</p>
<p>সহজ কথায় মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>ও:</strong> যেমন—মা ও বাবা = মা-বাবা।</li>
<li><strong>এবং:</strong> যেমন—হাতে ও কলমে = হাতে-কলমে (এখানে 'এবং' যোগে সম্পর্ক তৈরি হয়)।</li>
<li><strong>আর:</strong> যেমন—তুমি আর আমি = তুমি-আমি।</li>
</ul>
<p>এই তিনটি অব্যয়ই দ্বন্দ্ব সমাসে পদগুলোকে যুক্ত করে তাদের পারস্পরিক সম্পর্ক স্পষ্ট করে তোলে। তাই সঠিক উত্তর হলো ৩ টি।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে বৈষ্ণব পদকর্তা ‘চণ্ডীদাস’ নামে মোট <strong>৩ জন</strong> কবির অস্তিত্ব পাওয়া যায়। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li><strong>বড়ু চণ্ডীদাস:</strong> যিনি ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের রচয়িতা।</li>
<li><strong>দ্বিজ চণ্ডীদাস:</strong> যিনি মূলত পদাবলির পদ রচনা করেছেন।</li>
<li><strong>হীন চণ্ডীদাস:</strong> যিনি ভণিতায় নিজেকে ‘হীন চণ্ডীদাস’ হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন।</li>
</ul>
<p>গবেষকদের মতে, এই তিনজনের ভিন্ন ভিন্ন রচনার শৈলী ও সময়কাল থেকেই চণ্ডীদাসের সংখ্যাটি <strong>৩ জন</strong> হিসেবে নিশ্চিত হওয়া যায়।</p>
<p>বাংলা ভাষায় যৌগিক স্বরবর্ণের সঠিক উত্তর হলো <strong>২টি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরবর্ণ বা দ্বিস্বর হলো <strong>ঐ</strong> এবং <strong>ঔ</strong>।</li>
<li>এদেরকে যৌগিক স্বরবর্ণ বলা হয় কারণ এগুলো উচ্চারণের সময় দুটি স্বরধ্বনি মিলে একটি ধ্বনি তৈরি করে। যেমন: <strong>ঐ</strong> = $অ + ই$ এবং <strong>ঔ</strong> = $অ + উ$।</li>
<li>এই দুটি বর্ণ ছাড়া অন্য কোনো স্বরবর্ণকে যৌগিক স্বরবর্ণ হিসেবে গণ্য করা হয় না।</li>
</ul>
<p>বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণের সংখ্যা হলো <strong>৫০ টি</strong>। এই সংখ্যাটি কীভাবে আসে তা নিচে সহজভাবে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li><strong>স্বরবর্ণ:</strong> বাংলা বর্ণমালায় মোট স্বরবর্ণ আছে <strong>১১ টি</strong>।</li>
<li><strong>ব্যঞ্জনবর্ণ:</strong> বাংলা বর্ণমালায় মোট ব্যঞ্জনবর্ণ আছে <strong>৩৯ টি</strong>।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, মোট বর্ণের হিসাবটি হলো: $$11 + 39 = 50$$</p>
<p>সহজ কথায়, স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণের এই সমষ্টিই আমাদের বাংলা বর্ণমালার পূর্ণাঙ্গ রূপ। তাই সঠিক উত্তরটি হলো <strong>৫০ টি</strong>।</p>
<p>সরদার জয়েন উদ্দীনের <strong>‘অনেক সূর্যের আশা’</strong> উপন্যাসের মূল পটভূমি হলো <strong>দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ</strong>। এই উপন্যাসে লেখক দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন সময়ের সামাজিক অস্থিরতা, দুর্ভিক্ষ এবং সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রামের চিত্র অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটির প্রেক্ষাপট মূলত ১৯৪০-এর দশকের শুরুর দিকের সময়কাল।</li>
<li>তৎকালীন সময়ে বিশ্বজুড়ে চলা যুদ্ধের ভয়াবহতা এবং এর ফলে সৃষ্ট মানবিক বিপর্যয়ই এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য।</li>
<li>তাই সাহিত্যিক বিচারে এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস।</li>
</ul>
<p>বাংলা বর্ণমালায় মোট ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা হলো <strong>৩৯টি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা বর্ণমালায় 'ক' থেকে 'চন্দ্রবিন্দু' পর্যন্ত মোট ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা গণনা করলে আমরা পাই <strong>৩৯টি</strong>।</li>
<li>অনেকে স্বরবর্ণ এবং ব্যঞ্জনবর্ণ মিলিয়ে মোট ৫০টি বর্ণ মনে রাখেন, কিন্তু আলাদাভাবে শুধুমাত্র ব্যঞ্জনবর্ণের হিসাব করলে সঠিক সংখ্যাটি হয় <strong>৩৯</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ব্যঞ্জনবর্ণের এই নির্দিষ্ট সংখ্যাটি বাংলা ব্যাকরণের মৌলিক নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত, তাই এটি মুখস্থ রাখাটাই সবচেয়ে ভালো বুদ্ধি।</p>
<p>বাংলা বর্ণমালায় সঠিক উত্তর হলো <strong>৩৯টি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ ৫০টি।</li>
<li>এর মধ্যে স্বরবর্ণ হলো ১১টি।</li>
<li>বাকি বর্ণগুলো হলো ব্যঞ্জনবর্ণ, অর্থাৎ <strong>$50 - 11 = 39$</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, 'ক' থেকে 'চন্দ্রবিন্দু' পর্যন্ত মোট <strong>৩৯টি</strong> বর্ণই হলো ব্যঞ্জনবর্ণ।</p>
<p>গঠন অনুসারে বাক্য মূলত <strong>৩ প্রকার</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li><strong>সরল বাক্য:</strong> যেখানে একটিমাত্র কর্তা ও একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে।</li>
<li><strong>জটিল বা মিশ্র বাক্য:</strong> যেখানে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের ওপর এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য নির্ভর করে।</li>
<li><strong>যৌগিক বাক্য:</strong> যেখানে দুই বা ততোধিক সরল বা জটিল বাক্য অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য গঠন করে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাক্যের গঠনশৈলী বা কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে এই তিনটি ভাগই ব্যাকরণে স্বীকৃত।</p>
৮৮১৯
বাংলাভাষায় ব্যবহৃত অর্ধমাত্রার বর্ণগুলোর মধ্যে কতটি স্বরবর্ণের ?
<p>জাতীয় সংগীতের ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হলো <strong>৪ চরণ</strong>। আমাদের জাতীয় সংগীতের পুরোটা কিন্তু সব জায়গায় গাওয়া হয় না। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, বিশেষ কোনো উৎসব বা অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীতের শুরুর ৪টি চরণ বাজানো বা গাওয়া হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>পুরো জাতীয় সংগীতের প্রথম <strong>৪ চরণ</strong> হলো এর মূল অংশ।</li>
<li>যেকোনো আনুষ্ঠানিকতা বা রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদর্শনের সময় এই ৪ চরণই বাজানো হয়।</li>
<li>এটি সংগীতের সুর ও ছন্দের একটি পূর্ণাঙ্গ রূপ তৈরি করে, যা খুব অল্প সময়ে জাতীয়তাবোধ জাগিয়ে তোলে।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।