eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু
MCQ: ৩৪৫১৮ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৯১৬৬

'সময় গেলে সাধন হবে না' -গানটির রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
লালন শাহ
ব্যাখ্যা:
<p>‘সময় গেলে সাধন হবে না’—এই কালজয়ী গানটির রচয়িতা হলেন মরমী সাধক <strong>লালন শাহ</strong>।</p>

<p>গানটি কেন লালন শাহের, তা বোঝার সহজ উপায় হলো:</p>
<ul>
<li><strong>দর্শন:</strong> লালন শাহের গানে মূলত দেহ ও আত্মতত্ত্বের কথা থাকে, যা এই গানের মূল ভাবনার সাথে হুবহু মিলে যায়।</li>
<li><strong>শৈলী:</strong> বাউল ঘরানার এই গানে সময়ের গুরুত্ব এবং সাধন-ভজনের যে আকুতি প্রকাশ পেয়েছে, তা লালন সাঁইজির গানের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য।</li>
<li><strong>ঐতিহ্য:</strong> লোকসংগীতের গবেষকদের মতে, এটি লালন শাহের অন্যতম জনপ্রিয় একটি আধ্যাত্মিক পদ বা গান।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বাউল দর্শনের গভীরতা এবং লালন শাহের নিজস্ব গায়কী ও রচনার ধরন থেকেই এই গানটি তাঁর বলে নিশ্চিত হওয়া যায়।</p>
৯১৬৭

‘মৃচ্ছকটিক’ নাটকের রচয়িতার নাম কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
শুদ্রক
ব্যাখ্যা:
<p>‘মৃচ্ছকটিক’ নাটকের রচয়িতা হলেন <strong>শুদ্রক</strong>। এটি সংস্কৃত সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি নাটক। এই নাটকটি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল মাথায় রাখতে পারেন:</p>

<ul>
<li>‘মৃচ্ছকটিক’ শব্দটির অর্থ হলো ‘মাটির গাড়ি’।</li>
<li>প্রাচীন সংস্কৃত নাট্যকারদের মধ্যে <strong>শুদ্রক</strong> তাঁর এই অনন্য সৃষ্টির জন্য অমর হয়ে আছেন।</li>
<li>সাহিত্য বা ইতিহাসের এই ধরনের প্রশ্নের ক্ষেত্রে রচয়িতার নাম সরাসরি মনে রাখাটাই সবচেয়ে কার্যকর উপায়।</li>
</ul>

<p>তাই পরীক্ষার খাতায় ‘মৃচ্ছকটিক’ দেখলেই চোখ বন্ধ করে <strong>শুদ্রক</strong> নামটিকে বেছে নেবেন। এটি একটি ধ্রুপদী নাটক, যা প্রাচীন ভারতের সামাজিক চিত্র খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছে।</p>
৯১৬৮

‘বৃত্তান্তর’-এর সমার্থক শব্দ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বিবরণ
ব্যাখ্যা:
<p>‘বৃত্তান্তর’ শব্দটির সঠিক অর্থ হলো কোনো ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা বা বিবরণ। সহজ কথায়, যখন আমরা কোনো বিষয়ের আদ্যোপান্ত বা খুঁটিনাটি তুলে ধরি, তখন তাকেই বৃত্তান্তর বলা হয়। তাই এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিবরণ</strong>।</p>

<ul>
<li><strong>বৃত্ত</strong> মানে হলো কোনো বিষয় বা ঘটনা।</li>
<li><strong>অন্তর</strong> বা <strong>অন্ত</strong> মানে হলো শেষ বা বিস্তারিত অংশ।</li>
<li>সহজ কথায়, কোনো ঘটনার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সব তথ্য বা <strong>বিবরণ</strong> বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
৯১৬৯

'Call in a doctor.' বাক্যটির বাংলা অনুবাদ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ডাক্তার ডাক
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ডাক্তার ডাক</strong>। কারণ ইংরেজি বাক্যটি একটি ইমপারেটিভ সেন্টেন্স বা অনুজ্ঞাসূচক বাক্য।</p>

<ul>
<li>'Call' শব্দের অর্থ এখানে কাউকে ডাকা বা তলব করা।</li>
<li>'In a doctor' মানে হলো একজন ডাক্তারকে ডাকা।</li>
<li>পুরো বাক্যটি খুব সংক্ষিপ্ত এবং সরাসরি আদেশ বোঝাচ্ছে, তাই এর সহজ ও সঠিক অনুবাদ হবে <strong>ডাক্তার ডাক</strong>।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, কোনো জটিলতা ছাড়াই সরাসরি অর্থ প্রকাশ পাওয়ায় এটিই সবচেয়ে উপযুক্ত অনুবাদ।</p>
৯১৭০

কোন বাক্যটিতে কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি হয়েছে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ডাক্তার ডাক
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ডাক্তার ডাক</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ কর্মকারক চেনার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো ক্রিয়াপদকে 'কী' বা 'কাকে' দিয়ে প্রশ্ন করা।</p>

<ul>
<li>বাক্যটিতে ক্রিয়াপদ হলো 'ডাক'।</li>
<li>কাকে ডাকতে বলা হচ্ছে? উত্তর আসে—'ডাক্তারকে'।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকেই কর্মকারক বলে।</li>
<li>এখানে 'ডাক্তার' শব্দের সাথে কোনো বিভক্তি (যেমন: কে, রে) যুক্ত নেই, তাই এটি <strong>শূন্য বিভক্তি</strong>।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, কর্মকারকে যখন কোনো বিভক্তি চিহ্ন স্পষ্ট থাকে না, তখন তাকে শূন্য বিভক্তি বলা হয়। তাই 'ডাক্তার ডাক' বাক্যটিতে কর্মকারকে শূন্য বিভক্তির প্রয়োগ ঘটেছে।</p>
৯১৭১

নিচের কোনগুলো তৎসম শব্দের উদাহরণ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র</strong>। কারণ তৎসম শব্দ চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এর গঠন।</p>

<ul>
<li><strong>তৎসম</strong> মানে হলো 'তৎ' (তার) + 'সম' (সমান), অর্থাৎ যে শব্দগুলো সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই বাংলা ভাষায় এসেছে।</li>
<li>চন্দ্র, সূর্য এবং নক্ষত্র—এই শব্দগুলো হুবহু সংস্কৃত শব্দ, যা বাংলা ভাষায় একইভাবে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>সাধারণত যেসব শব্দে যুক্তবর্ণ বা সংস্কৃত ভাষার মূল রূপ বজায় থাকে, সেগুলোই তৎসম শব্দ হিসেবে গণ্য হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যে শব্দগুলো দেখলে মনে হয় এগুলো সংস্কৃত শ্লোকে বা প্রাচীন কোনো গ্রন্থে ব্যবহৃত হতো, সেগুলোই তৎসম শব্দ। তাই এই তালিকার ক্ষেত্রে চন্দ্র, সূর্য ও নক্ষত্রই সঠিক উদাহরণ।</p>
৯১৭২

সর্বনাম পদ ব্যবহৃত হয়েছে কোন বাক্যে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কে আমারে লহিবে ডাকিয়া কাছে?
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>'কে আমারে লহিবে ডাকিয়া কাছে?'</strong>। কারণটা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li><strong>সর্বনাম পদ</strong> বলতে আমরা বুঝি যে শব্দগুলো বিশেষ্য পদের পরিবর্তে বসে।</li>
<li>এই বাক্যে <strong>'কে'</strong> এবং <strong>'আমারে'</strong> শব্দ দুটি সর্বনাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
<li>এখানে 'কে' একটি প্রশ্নবাচক সর্বনাম এবং 'আমারে' (আমি) একটি ব্যক্তিবাচক সর্বনাম।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যে শব্দগুলো কোনো নামের বদলে বসে বাক্যের অর্থ পূর্ণ করে, সেগুলোই সর্বনাম। এই বাক্যে 'কে' এবং 'আমারে' ঠিক সেই কাজটিই করছে।</p>
৯১৭৩

দেশি শব্দের উদাহরণ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ডাঁসা
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ডাঁসা</strong>। আমাদের বাংলা ভাষায় এমন অনেক শব্দ আছে যেগুলোর উৎস বা মূল খুঁজে পাওয়া যায় না, এগুলোই মূলত দেশি শব্দ।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>ডাঁসা</strong> শব্দটি আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতির সাথে মিশে আছে, যার কোনো সংস্কৃত বা বিদেশি মূল নেই।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণে যেসব শব্দ অস্ট্রিক বা দ্রাবিড় জাতিগোষ্ঠীর ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে, সেগুলোকে আমরা দেশি শব্দ হিসেবে চিনি।</li>
<li><strong>ডাঁসা</strong> ছাড়াও কুলা, টোপর, ঢেঁকি, ঝোল ইত্যাদি হলো দেশি শব্দের চমৎকার কিছু উদাহরণ।</li>
</ul>

<p>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য শুধু মাথায় রাখুন, যে শব্দগুলো শুনলে মনে হয় একদম খাঁটি দেশি বা মাটির কাছাকাছি, সেগুলোই সাধারণত দেশি শব্দ হয়।</p>
৯১৭৪

বাংলা ভাষার প্রথম কাব্য সংকলন চর্যাপদ এর আবিষ্কারক?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
হরপ্রাসাদ শাস্ত্রী
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>হরপ্রাসাদ শাস্ত্রী</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ:</p>

<ul>
<li><strong>১৯০৭</strong> সালে নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে তিনি চর্যাপদের পুঁথিটি উদ্ধার করেন।</li>
<li>পরবর্তীতে <strong>১৯১৬</strong> সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষার বৌদ্ধ গান ও দোহা' নামে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের সবচেয়ে প্রাচীন এই নিদর্শনটি খুঁজে বের করার কৃতিত্ব পুরোপুরি তাঁরই।</li>
</ul>

<p>তাই চর্যাপদের আবিষ্কারক হিসেবে হরপ্রাসাদ শাস্ত্রীর নামই সবার আগে আসে।</p>
৯১৭৫

বাংলা ভাষার প্রথম কাব্য সংকলন ‘চর্যাপদ’ এর আবিষ্কারক--

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ ‘চর্যাপদ’ এর আবিষ্কারক হলেন <strong>হরপ্রসাদ শাস্ত্রী</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে তিনি চর্যাপদের পুঁথিটি উদ্ধার করেন।</li>
<li>পরবর্তীতে ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি ‘হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষার বৌদ্ধ গান ও দোহা’ নামে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>বাংলা ভাষার প্রাচীনতম এই নিদর্শনটি খুঁজে পাওয়ার কৃতিত্ব পুরোপুরি তাঁরই, তাই সাহিত্যিক আলোচনায় তাঁর নাম সবার আগে আসে।</li>
</ul>
৯১৭৬

'ষোল নয়, আমার মাতৃভাষার ষোলশত রূপ'- কে বলেছেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মুনীর চৌধুরী
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মুনীর চৌধুরী</strong>।</p>

<p>বাংলা ভাষার প্রতি গভীর মমতা ও এর বৈচিত্র্যময় রূপ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি এই বিখ্যাত উক্তিটি করেছিলেন। বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল অবলম্বন করতে পারেন:</p>

<ul>
<li><strong>মুনীর চৌধুরী</strong> বাংলা সাহিত্যের একজন প্রথিতযশা ভাষাবিদ ও নাট্যকার।</li>
<li>ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে এবং বাংলা ভাষার নান্দনিকতা নিয়ে তার কাজগুলো অত্যন্ত সমৃদ্ধ।</li>
<li>তাই যখনই 'মাতৃভাষার ষোলশত রূপ'-এর মতো কাব্যিক ও গভীর কোনো উক্তির কথা আসবে, তখন চোখ বন্ধ করে মুনীর চৌধুরীর নাম মনে রাখলেই হবে।</li>
</ul>
৯১৭৭

‘বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস’ নামক বিখ্যাত গ্রন্থ কে রচনা করেছেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ড. কাজী দীন মুহাম্মদ
ব্যাখ্যা:
<p>‘বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস’ গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>ড. কাজী দীন মুহাম্মদ</strong>। বাংলা সাহিত্যের বিশাল পরিসরকে সহজ ও সাবলীলভাবে তুলে ধরার জন্য তার এই গ্রন্থটি অত্যন্ত জনপ্রিয়।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>ড. কাজী দীন মুহাম্মদ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত গবেষক।</li>
<li>তার রচিত এই গ্রন্থটি মূলত বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন যুগ ও ধারার ওপর একটি নির্ভরযোগ্য রেফারেন্স হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>পরীক্ষায় বারবার আসা এই প্রশ্নটি মনে রাখার জন্য লেখকের নামের সাথে বইটির শিরোনামটি একবার মিলিয়ে নিলেই চলবে।</li>
</ul>
৯১৭৮

চর্যাপদ যে বাংলা ভাষায় রচিত এটি প্রথম কে প্রমাণ করেন ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ড. সুনীতিকুমার চট্রোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা:
<p>চর্যাপদ যে বাংলা ভাষায় রচিত, এটি প্রথম ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রমাণ করেন <strong>ড. সুনীতিকুমার চট্রোপাধ্যায়</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায়:</p>

<ul>
<li>চর্যাপদের ভাষা নিয়ে অনেক বিতর্ক থাকলেও, সুনীতিকুমার চট্রোপাধ্যায় তাঁর গবেষণায় দেখিয়েছেন যে এর শব্দভাণ্ডার এবং ব্যাকরণগত কাঠামো মূলত প্রাচীন বাংলা।</li>
<li>তিনি ভাষাতাত্ত্বিক তুলনামূলক বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রমাণ করেন যে, চর্যাপদের ভাষা অন্য কোনো ভাষা নয়, বরং এটিই বাংলা ভাষার আদি রূপ।</li>
<li>তাঁর এই অকাট্য প্রমাণের ফলেই চর্যাপদকে বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, ভাষাতাত্ত্বিক যুক্তির ওপর ভিত্তি করে তিনিই প্রথম জোরালোভাবে চর্যাপদের বাংলা সত্তাকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন।</p>
৯১৭৯

'Origin and Development of Bengali Language' গ্রন্থটির লেখক কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা:
<p>'Origin and Development of Bengali Language' গ্রন্থটির লেখক হলেন <strong>ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়</strong>।</p>

<p>এই বইটি বাংলা ভাষাতত্ত্বের ইতিহাসে একটি মাইলফলক। কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ, তা খুব সহজে বুঝে নিন:</p>

<ul>
<li><strong>গবেষণার ভিত্তি:</strong> ১৯২৬ সালে প্রকাশিত এই বিশাল গ্রন্থটি বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ নিয়ে প্রথম পূর্ণাঙ্গ বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ।</li>
<li><strong>ঐতিহাসিক গুরুত্ব:</strong> সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ভাষাতাত্ত্বিক পদ্ধতির মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন যে, বাংলা ভাষা মাগধী প্রাকৃত থেকে উদ্ভূত হয়েছে।</li>
<li><strong>সহজ মনে রাখার উপায়:</strong> যখনই বাংলা ভাষার উৎপত্তি বা ভাষাতত্ত্বের কোনো মৌলিক গবেষণার কথা আসবে, তখন চোখ বন্ধ করে সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের নাম মনে রাখবেন। কারণ, বাংলা ভাষার বৈজ্ঞানিক ব্যাকরণ ও ইতিহাসের জনক হিসেবে তিনিই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য নাম।</li>
</ul>
৯১৮০

চর্যাপদের উল্লেখযোগ্য সংস্কৃত টিকাকার কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মুনিদত্ত
ব্যাখ্যা:
<p>চর্যাপদের টীকা বা ব্যাখ্যা নিয়ে কাজ করা পণ্ডিতদের মধ্যে <strong>মুনিদত্ত</strong> সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি চর্যাপদের পদগুলোর সংস্কৃত ভাষায় একটি টীকা লিখেছিলেন, যার নাম 'নির্বাণকালিকা' বা 'চর্যাচর্যবিনিশ্চয়'-এর টীকা।</p>

<ul>
<li>চর্যাপদের পদগুলো মূলত প্রাচীন বাংলায় লেখা ছিল, যা সাধারণ মানুষের জন্য বোঝা কঠিন ছিল।</li>
<li>মুনিদত্ত এই পদগুলোর গূঢ় অর্থ ও দার্শনিক ব্যাখ্যা সংস্কৃত ভাষায় সহজ করে তুলেছিলেন।</li>
<li>তার এই টীকাটিই পরবর্তীতে চর্যাপদের প্রকৃত অর্থ উদ্ধারে সবচেয়ে বড় সূত্র হিসেবে কাজ করেছে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, চর্যাপদের জটিল পদগুলোকে বুঝতে এবং সেগুলোর সঠিক অর্থ জানতে মুনিদত্তের সংস্কৃত টীকাটিই আমাদের প্রধান ভরসা।</p>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।