<p>‘কুজ্ঝটিকা’ শব্দটিতে যে যুক্তবর্ণটি রয়েছে তা হলো <strong>জ্জ</strong>। এটি মূলত দুটি বর্ণের সমন্বয়ে গঠিত। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখার উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>এখানে প্রথম বর্ণটি হলো <strong>জ</strong>।</li>
<li>দ্বিতীয় বর্ণটি হলো <strong>ঝ</strong>।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, <strong>জ + ঝ = জ্ঝ</strong>। এই যুক্তবর্ণটি ব্যবহারের সময় খেয়াল রাখতে হয় যে, প্রথম বর্ণটি হসন্তযুক্ত বা অর্ধেক থাকে এবং দ্বিতীয় বর্ণটি পূর্ণরূপে বসে। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>জ + ঝ</strong>।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ঝ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>বাংলা বর্ণমালার প্রতিটি বর্গের দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণগুলো হলো <strong>মহাপ্রাণ ধ্বনি</strong>।</li>
<li>'চ' বর্গের বর্ণগুলো হলো: চ, ছ, জ, ঝ, ঞ।</li>
<li>এখানে 'ঝ' হলো চ বর্গের চতুর্থ বর্ণ।</li>
<li>যেহেতু এটি বর্গের চতুর্থ বর্ণ, তাই এটি একটি মহাপ্রাণ ধ্বনি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, উচ্চারণের সময় বাতাসের চাপের আধিক্য থাকে বলেই একে মহাপ্রাণ ধ্বনি বলা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জ্যোৎস্না</strong>। কারণ, যে সব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি কোনো পরিবর্তন ছাড়াই বাংলা ভাষায় এসেছে, সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলা হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>তৎসম শব্দের বানানে সাধারণত সংস্কৃত রূপ বজায় থাকে।</li>
<li><strong>জ্যোৎস্না</strong> শব্দটি হুবহু সংস্কৃত থেকে এসেছে, তাই এটি তৎসম।</li>
<li>এর বানানে ব্যবহৃত যুক্তাক্ষরগুলো (যেমন: <strong>ৎ</strong> এবং <strong>স্ন</strong>) সংস্কৃত শব্দের বৈশিষ্ট্য বহন করে, যা তৎসম শব্দ চেনার একটি দারুণ কৌশল।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জ্যোৎস্না</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা সাহিত্যে বা কাব্যিক ভাষায় চাঁদের স্নিগ্ধ আলোকে বোঝাতে 'কৌমুদী' শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>'কৌমুদী' শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো চাঁদের আলো বা জ্যোৎস্না।</li>
<li>এটি মূলত সংস্কৃত থেকে আসা একটি শব্দ, যা সাধারণত রাতের বেলা চাঁদের উজ্জ্বলতাকে প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই কোথাও 'কৌমুদী' শব্দটি দেখবেন, চোখ বন্ধ করে ধরে নেবেন এটি চাঁদের আলোর কথা বলছে!</p>
<p>'Patrol' শব্দের সঠিক বাংলা পরিভাষা হলো <strong>টহল</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বা কোনো এলাকা পর্যবেক্ষণের জন্য পুলিশ বা সেনাবাহিনী যে নিয়মিত যাতায়াত বা পাহারা দেয়, তাকেই ইংরেজিতে 'Patrol' বলা হয়।</li>
<li>বাংলায় এই পাহারা দেওয়া বা ঘুরে ঘুরে নজরদারি করার কাজটিকে আমরা সহজ কথায় <strong>টহল</strong> দিয়ে থাকি।</li>
<li>দৈনন্দিন জীবনে আমরা প্রায়ই শুনি, "পুলিশ এলাকায় টহল দিচ্ছে" — এই ব্যবহার থেকেই শব্দটি আমাদের কাছে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>স্থির</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ 'চঞ্চল' বলতে বোঝায় যা অস্থির বা যার মধ্যে গতির আধিক্য আছে। এর বিপরীত অবস্থা বা বৈশিষ্ট্য হলো যা নড়াচড়া করে না বা শান্ত থাকে।</p>
<ul>
<li><strong>চঞ্চল:</strong> যার মধ্যে অস্থিরতা বা চপলতা আছে।</li>
<li><strong>স্থির:</strong> যার মধ্যে স্থিরতা বা প্রশান্তি আছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, চঞ্চলতার ঠিক উল্টো পিঠই হলো স্থিরতা। তাই ব্যাকরণগতভাবে 'চঞ্চল' শব্দের বিপরীত শব্দ হিসেবে 'স্থির' শব্দটিই সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
<p>'উদ্ধত' শব্দের সঠিক বিপরীত শব্দ হলো <strong>বিনয়</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজভাবে এভাবে মনে রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>উদ্ধত</strong> মানে হলো যে ব্যক্তি খুব অহংকারী বা যার আচরণে রূঢ়তা প্রকাশ পায়।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>বিনয়</strong> হলো নম্রতা বা ভদ্রতার বহিঃপ্রকাশ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, অহংকারের ঠিক উল্টো গুণটিই হলো বিনয়। তাই উদ্ধত স্বভাবের মানুষের বিপরীত বৈশিষ্ট্য হিসেবে বিনয় শব্দটিই সবচেয়ে মানানসই।</p>
৯২১৯
পদাবলীর প্রথম কবি কে? অথবা, বৈষ্ণব পদাবলীর আদি রচয়িতা কে?
<p>বৈষ্ণব পদাবলীর আদি রচয়িতা বা প্রথম কবি হলেন <strong>বিদ্যাপতি</strong>। যদিও চণ্ডীদাস এবং বিদ্যাপতি—উভয়কেই পদাবলীর শুরুর দিকের কবি হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তবে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে বিদ্যাপতিকেই পদাবলীর আদি কবি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>বিদ্যাপতি</strong> মূলত মৈথিলি ভাষায় পদ রচনা করলেও তাঁর প্রভাব বাংলা পদাবলীতে অপরিসীম।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের শুরুর দিকে তাঁর পদগুলোই বৈষ্ণব পদাবলীর ভিত্তি স্থাপন করেছিল।</li>
<li>পরীক্ষায় যখনই 'আদি রচয়িতা' বা 'প্রথম কবি' জানতে চাওয়া হয়, তখন চোখ বন্ধ করে <strong>বিদ্যাপতি</strong> উত্তরটি বেছে নিতে পারেন।</li>
</ul>
<p>বাংলা ভাষায় বৈষ্ণব পদাবলীর আদি রচয়িতা হলেন <strong>চণ্ডীদাস</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে বৈষ্ণব পদাবলীর ধারায় চণ্ডীদাসকে আদি কবি বা প্রথম পদকর্তা হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
<li>তার পদাবলীতে রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলার যে মানবিক ও সহজ-সরল প্রকাশ ঘটেছে, তা বাংলা সাহিত্যে এক নতুন ধারার সূচনা করেছিল।</li>
<li>সাহিত্যিক ও ঐতিহাসিকদের মতে, চণ্ডীদাসের পদগুলোই বাংলা ভাষায় বৈষ্ণব পদাবলীর আদি নিদর্শন হিসেবে স্বীকৃত।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>চণ্ডীদাস</strong>।</p>
<p>‘জ্ঞানবান’ শব্দের সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় হলো <strong>জ্ঞান + বতুপ</strong>। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো শব্দের শেষে যদি 'বান' থাকে, তবে সেখানে সাধারণত <strong>বতুপ (বতুপ্)</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li>শব্দের শেষে 'বান' থাকলে প্রত্যয় হিসেবে <strong>বতুপ</strong> বসে।</li>
<li>শব্দের শেষে 'মান' থাকলে প্রত্যয় হিসেবে <strong>মতুপ</strong> বসে।</li>
</ul>
<p>যেহেতু এখানে 'জ্ঞান' শব্দের সাথে 'বান' যুক্ত হয়ে 'জ্ঞানবান' হয়েছে, তাই নিয়ম অনুযায়ী এখানে <strong>বতুপ</strong> প্রত্যয়টিই সঠিক।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অবধি</strong>। কারণ, বাংলা ব্যাকরণে অনুসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয় শব্দ যা বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে বসে বিভক্তির মতো কাজ করে এবং বাক্যের অর্থ প্রকাশে সাহায্য করে।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>অনুসর্গ সাধারণত শব্দের পরে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে।</li>
<li>'অবধি' শব্দটি এখানে একটি নির্দিষ্ট সময় বা সীমানা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা অনুসর্গের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য।</li>
<li>বাক্যে প্রয়োগ করলে বিষয়টি আরও পরিষ্কার হয়, যেমন: 'সকাল <strong>অবধি</strong> অপেক্ষা করলাম'। এখানে 'অবধি' শব্দটি অনুসর্গ হিসেবে কাজ করছে।</li>
</ul>
৯২২৩
১৭৯৩ সালে 'কর্নওয়ালিস কোর্ড' - এর বঙ্গানুবাদ করেন কে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>হেনরি ফরস্টার</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ।</p>
<ul>
<li>১৭৯৩ সালে লর্ড কর্নওয়ালিস চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তনের পাশাপাশি প্রশাসনিক সুবিধার জন্য 'কর্নওয়ালিস কোর্ড' বা আইন সংহিতা তৈরি করেন।</li>
<li>এই আইনগুলো সাধারণ মানুষের বোধগম্য করার জন্য সে সময় বাংলায় অনুবাদের প্রয়োজন ছিল।</li>
<li>তৎকালীন সিভিল সার্ভিসের কর্মকর্তা <strong>হেনরি ফরস্টার</strong> অত্যন্ত দক্ষতার সাথে এই জটিল আইনি নথিটির বঙ্গানুবাদ সম্পন্ন করেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, আইনি ভাষা সহজ করে সাধারণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কৃতিত্বটি হেনরি ফরস্টারেরই।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>হেরাসিম লেবেদফ</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা নাট্যচর্চার ইতিহাসে হেরাসিম লেবেদফ একজন পথিকৃৎ। তিনি ১৭৯৫ সালে কলকাতায় প্রথম বাংলা নাট্যমঞ্চ প্রতিষ্ঠা করেন এবং সেই মঞ্চে তিনি দুটি নাটক মঞ্চস্থ করেছিলেন। এর মধ্যে একটি ছিল ইংরেজি নাটক 'দ্য ডিসগাইজ' (The Disguise)-এর বাংলা অনুবাদ।</p>
<ul>
<li><strong>হেরাসিম লেবেদফ</strong> ছিলেন একজন রুশ পর্যটক ও ভাষাবিদ।</li>
<li>তিনিই প্রথম বাংলায় ইউরোপীয় ধাঁচের নাট্যমঞ্চ ও নাট্য অভিনয়ের সূচনা করেন।</li>
<li>তার অনুবাদ করা নাটকটি তৎকালীন কলকাতার দর্শকদের কাছে বেশ সাড়া ফেলেছিল।</li>
</ul>
<p>‘জীবন্ত’ শব্দের সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো <strong>জীব + অন্ত</strong>। এটি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>এখানে <strong>জীব</strong> হলো মূল শব্দ বা প্রকৃতি।</li>
<li>এর সাথে <strong>অন্ত</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, বিশেষ্য বা বিশেষণের সাথে যখন ‘অন্ত’ প্রত্যয় যুক্ত হয়, তখন তা নতুন শব্দ তৈরি করে। এখানে ‘জীব’ এর সাথে ‘অন্ত’ যোগ হয়ে ‘জীবন্ত’ শব্দটি তৈরি হয়েছে, যার অর্থ যা বেঁচে আছে বা প্রাণ আছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মূল ধাতু বা শব্দের সাথে প্রত্যয়টি মিলিয়ে দেখলেই বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যায়। তাই সঠিক উত্তরটি হলো <strong>জীব + অন্ত</strong>।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।