<p>পবিত্র কোরআন সর্বপ্রথম বাংলায় অনুবাদ করেন <strong>গিরিশ চন্দ্র সেন</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>১৮৮১ থেকে ১৮৮৬ সালের মধ্যে তিনি এই বিশাল কাজটি সম্পন্ন করেন।</li>
<li>তিনি একজন ব্রাহ্মধর্ম প্রচারক ছিলেন, যিনি ফারসি ও আরবি ভাষায় পারদর্শী হওয়ার কারণে এই কঠিন কাজটি সফলভাবে করতে পেরেছিলেন।</li>
<li>তার এই অনুবাদের মাধ্যমেই বাংলাভাষী মানুষ প্রথমবারের মতো কোরআনের মর্মার্থ পড়ার সুযোগ পায়।</li>
</ul>
<p>তাই ইতিহাসে তার নাম কোরআনের প্রথম বাংলা অনুবাদক হিসেবে চিরস্থায়ী হয়ে আছে।</p>
৯১৮২
'আশরাফ' মুসলমানের ভাষা উর্দূ এবং 'আতরাফ' মুসলমানের ভাষা বাংলা।' উক্তিটি কার?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নবাব আবদুল লতিফ</strong>। উনবিংশ শতাব্দীতে বাংলার মুসলিম সমাজের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপটে তিনি এই মন্তব্যটি করেছিলেন।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ কৌশল:</p>
<ul>
<li><strong>নবাব আবদুল লতিফ</strong> ছিলেন তৎকালীন উচ্চবিত্ত ও অভিজাত মুসলিম সমাজের প্রতিনিধি।</li>
<li>সে সময় অভিজাত বা 'আশরাফ' শ্রেণির মধ্যে উর্দূ ভাষার চর্চাকে আভিজাত্যের প্রতীক মনে করা হতো।</li>
<li>অন্যদিকে, সাধারণ বাঙালি মুসলমান বা 'আতরাফ' শ্রেণির মাতৃভাষা বাংলা হওয়ায় তিনি এই বিভাজনটি স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছিলেন।</li>
</ul>
<p>ইতিহাসের এই উক্তিটি মূলত তৎকালীন মুসলিম সমাজের ভাষাগত ও শ্রেণিগত বৈষম্যকে নির্দেশ করে, যা নবাব আবদুল লতিফের বিভিন্ন সামাজিক সংস্কারমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।</p>
<p>‘আবিষ্কারের নেশায়’ গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>ড. আবদুল্লাহ আল মুতী</strong>। তিনি মূলত বিজ্ঞানকে সহজ ও সাবলীল ভাষায় সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরার জন্য বিখ্যাত ছিলেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>ড. আবদুল্লাহ আল মুতী ছিলেন বাংলাদেশের বিজ্ঞানমনস্ক লেখক ও শিক্ষাবিদ।</li>
<li>তার লেখা বইগুলো মূলত বিজ্ঞানভিত্তিক কৌতূহল মেটানোর জন্য রচিত।</li>
<li>‘আবিষ্কারের নেশায়’ বইটি তার অন্যতম জনপ্রিয় একটি বিজ্ঞান বিষয়ক গ্রন্থ, যা পাঠকদের নতুন কিছু জানার আগ্রহ বাড়িয়ে দেয়।</li>
</ul>
৯১৮৪
‘কেয়াবন সঞ্চারণী’ ও ‘বিশ শতকের মেয়ে’-উপন্যাসদ্বয়ের রচয়িতা কে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ড. নীলিমা ইব্রাহীম</strong>। এই দুটি কালজয়ী উপন্যাসের রচয়িতা হিসেবে তিনি বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত সুপরিচিত।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>‘কেয়াবন সঞ্চারণী’</strong> এবং <strong>‘বিশ শতকের মেয়ে’</strong>—এই দুটি উপন্যাসই ড. নীলিমা ইব্রাহীমের অনন্য সৃষ্টি।</li>
<li>তিনি মূলত তাঁর গবেষণাধর্মী কাজ এবং নারীকেন্দ্রিক উপন্যাসের জন্য বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছেন।</li>
<li>পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই লেখকের নামের সাথে বই দুটির নাম একবার মিলিয়ে নিলে মনে রাখা সহজ হবে।</li>
</ul>
৯১৮৫
‘জলডুঙ্গি’ ও ‘দম্পতি’ উপন্যাসদ্বয় নিম্নে কোন ব্যক্তি রচনা করেছেন?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বুলবুল চৌধুরী</strong>। বাংলা সাহিত্যে তার কাজের ধারা অনুসরণ করলে খুব সহজেই এটি মনে রাখা যায়।</p>
<ul>
<li><strong>বুলবুল চৌধুরী</strong> একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক, যিনি তার শক্তিশালী লেখনীর জন্য পরিচিত।</li>
<li>তার উল্লেখযোগ্য সৃষ্টিগুলোর মধ্যে <strong>‘জলডুঙ্গি’</strong> এবং <strong>‘দম্পতি’</strong> উপন্যাস দুটি অত্যন্ত জনপ্রিয়।</li>
<li>সহজভাবে মনে রাখার জন্য আপনি এই দুটি উপন্যাসের নাম এবং লেখকের নাম একসাথে কয়েকবার পড়ে নিতে পারেন, যা পরীক্ষার হলে মনে রাখতে সাহায্য করবে।</li>
</ul>
৯১৮৬
কোন বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব নাথগীতিকা সংগ্রহ করে নাম দেন 'ক্লাসিক রাজার গান?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জর্জ গ্রিয়ার্সন</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ লোকসাহিত্য ও নাথগীতিকা নিয়ে গবেষণার ক্ষেত্রে জর্জ গ্রিয়ার্সনের অবদান অনস্বীকার্য।</p>
<ul>
<li>জর্জ গ্রিয়ার্সন রংপুর অঞ্চলের লোকসাহিত্য সংগ্রহের সময় নাথগীতিকাগুলোর বিশেষ গুরুত্ব লক্ষ্য করেন।</li>
<li>তিনি এই গীতিকাগুলোকে লোকসাহিত্যের এক অনন্য সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করে সেগুলোকে <strong>'ক্লাসিক রাজার গান'</strong> (Classic Songs of the King) হিসেবে অভিহিত করেন।</li>
<li>তার এই সংগ্রহের মাধ্যমেই নাথগীতিকাগুলো বিশ্বদরবারে এক নতুন পরিচিতি পায়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ড. দীনেশচন্দ্র সেন</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ, কারণ বাংলা লোকসাহিত্যের গবেষণায় তাঁর নাম অবিচ্ছেদ্য।</p>
<ul>
<li>‘মৈমনসিংহ গীতিকা’ মূলত পূর্ববঙ্গের লোকগাথা বা লোকসংগীতের একটি অমূল্য সংকলন।</li>
<li>ড. দীনেশচন্দ্র সেন এই লোকগাথাগুলো সংগ্রহ করে সেগুলোকে সম্পাদনা ও প্রকাশের ব্যবস্থা করেছিলেন, যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক বিশাল মাইলফলক।</li>
<li>তাঁর এই উদ্যোগের ফলেই গ্রামবাংলার সাধারণ মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত কাহিনীগুলো আজ বিশ্বদরবারে সমাদৃত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, লোকসাহিত্যের এই বিশাল ভাণ্ডারটি গুছিয়ে আমাদের সামনে তুলে ধরার কৃতিত্ব পুরোপুরি <strong>ড. দীনেশচন্দ্র সেনের</strong>।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ড. ওয়াকিল আহমেদ</strong>।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ও গবেষণাধর্মী কাজের ক্ষেত্রে ড. ওয়াকিল আহমেদ একজন অত্যন্ত পরিচিত নাম। তাঁর লেখা <strong>'বাংলা সাহিত্যের পুরাবৃত্ত'</strong> গ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন পর্যায় ও বিবর্তনের ধারা বোঝার জন্য একটি নির্ভরযোগ্য আকর গ্রন্থ। </p>
<ul>
<li>গ্রন্থটির নাম: <strong>বাংলা সাহিত্যের পুরাবৃত্ত</strong></li>
<li>লেখক: <strong>ড. ওয়াকিল আহমেদ</strong></li>
<li>বিষয়বস্তু: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ও বিবর্তন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সাহিত্য নিয়ে পড়াশোনা বা প্রস্তুতির সময় এই বইটি একটি মৌলিক রেফারেন্স হিসেবে কাজ করে, যা লেখক ড. ওয়াকিল আহমেদের গভীর পাণ্ডিত্যের পরিচয় বহন করে।</p>
৯১৮৯
ভাষা আন্দোলন সম্পর্কে সবেচেয় প্রামাণ্য ও মৌলিক গ্রন্থের লেখক কে?
<p>ভাষা আন্দোলন নিয়ে গবেষণার কথা বললে সবার আগে যার নাম আসে, তিনি হলেন <strong>বদরুদ্দীন উমর</strong>। তার লেখা <strong>'পূর্ববাঙলার ভাষা আন্দোলন ও তৎকালীন রাজনীতি'</strong> গ্রন্থটি এই বিষয়ের ওপর সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য এবং মৌলিক কাজ হিসেবে স্বীকৃত।</p>
<p>কেন এই বইটি এত গুরুত্বপূর্ণ?</p>
<ul>
<li>বইটিতে ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট, ঘটনাক্রম এবং এর পেছনের রাজনৈতিক সমীকরণগুলো অত্যন্ত নিখুঁতভাবে তুলে ধরা হয়েছে।</li>
<li>দীর্ঘ সময় ধরে তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে তিনি এটি রচনা করেছেন, যা গবেষক ও পাঠকদের কাছে একে প্রামাণ্য দলিল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।</li>
<li>ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস বুঝতে হলে এই বইটি একটি অপরিহার্য আকর গ্রন্থ।</li>
</ul>
৯১৯০
মুহম্মদ আবদুল হাই কার সহযোগিতায় ‘বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত’ রচনা করেন?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সৈয়দ আলী আহসান</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। মুহম্মদ আবদুল হাই এবং সৈয়দ আলী আহসান বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের ওপর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ করেছেন। তাদের যৌথ প্রচেষ্টায় রচিত <strong>‘বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত’</strong> বইটি বাংলা সাহিত্যের শিক্ষার্থীদের কাছে একটি আকর গ্রন্থ হিসেবে পরিচিত।</p>
<ul>
<li><strong>লেখকদ্বয়:</strong> মুহম্মদ আবদুল হাই ও সৈয়দ আলী আহসান।</li>
<li><strong>বইয়ের নাম:</strong> বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত।</li>
<li><strong>মনে রাখার কৌশল:</strong> বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের কথা আসলেই এই দুই বিখ্যাত শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিকের নাম একসাথে মনে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ।</li>
</ul>
<p>ভাওয়াইয়া গান প্রথম সংগ্রহ করেন <strong>জর্জ গ্রিয়ার্সন</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>উত্তরবঙ্গের জনপ্রিয় লোকসংগীত ভাওয়াইয়া নিয়ে গবেষণার কাজ শুরু করেছিলেন ব্রিটিশ ভাষাবিদ জর্জ গ্রিয়ার্সন।</li>
<li>তিনি তার বিখ্যাত গ্রন্থ <strong>'লিঙ্গুইস্টিক সার্ভে অফ ইন্ডিয়া'</strong>-তে এই গানের নমুনা সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করেন।</li>
<li>মূলত তিনিই প্রথম ব্যক্তি যিনি প্রাতিষ্ঠানিকভাবে এই লোকসংগীতকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরার উদ্যোগ নিয়েছিলেন।</li>
</ul>
<p>তাই ভাওয়াইয়া গানের সংগ্রহকারী হিসেবে জর্জ গ্রিয়ার্সনের নামই সবার আগে আসে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ড. আহমদ শরীফ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ ড. আহমদ শরীফ তাঁর প্রখর চিন্তাশীল ও বিশ্লেষণধর্মী রচনার জন্য পরিচিত।</p>
<ul>
<li><strong>‘কালের দর্পণে স্বদেশ’</strong> তাঁর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধগ্রন্থ।</li>
<li>তিনি মূলত বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির ইতিহাস নিয়ে কাজ করেছেন, যা এই বইটির নামকরণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য ‘কালের দর্পণ’ এবং ‘আহমদ শরীফ’—এই দুটি শব্দকে একসাথে মিলিয়ে একটি ছোট কি-ওয়ার্ড তৈরি করে নিতে পারেন।</li>
</ul>
<p>‘স্বরূপের সন্ধানে’ প্রবন্ধ গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>ড. আনিসুজ্জামান</strong>। এটি তাঁর অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি প্রবন্ধ সংকলন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>ড. আনিসুজ্জামান মূলত তাঁর গবেষণাধর্মী ও মননশীল প্রবন্ধের জন্য বাংলা সাহিত্যে বিশেষভাবে পরিচিত।</li>
<li>তাঁর লেখা ‘স্বরূপের সন্ধানে’ গ্রন্থে তিনি বাঙালি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের স্বরূপ নিয়ে গভীর বিশ্লেষণ করেছেন।</li>
<li>পরীক্ষায় বারবার আসা এই প্রশ্নটি মনে রাখতে ‘স্বরূপ’ শব্দটির সাথে ‘আনিসুজ্জামান’-এর নামের একটি সংযোগ তৈরি করে নিতে পারেন, যা আপনাকে দীর্ঘসময় মনে রাখতে সাহায্য করবে।</li>
</ul>
<p>‘পরার্থপরতার অর্থনীতি’ বইটির লেখক হলেন <strong>আকবর আলী খান</strong>। তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ, লেখক এবং সাবেক আমলা।</p>
<p>বইটি সম্পর্কে কিছু সহজ তথ্য:</p>
<ul>
<li>এই বইটিতে তিনি অর্থনীতির প্রচলিত ধারণার বাইরে গিয়ে মানুষের পরার্থপরতা বা নিঃস্বার্থ কাজের অর্থনৈতিক দিকগুলো চমৎকারভাবে বিশ্লেষণ করেছেন।</li>
<li>তার লেখা এই বইটি বাংলা ভাষায় অর্থনীতি বিষয়ক অন্যতম সেরা ও জনপ্রিয় একটি কাজ হিসেবে বিবেচিত হয়।</li>
<li>সহজ ও সাবলীল ভাষায় জটিল অর্থনৈতিক তত্ত্বগুলোকে সাধারণ মানুষের বোধগম্য করে তোলাই ছিল এই বইটির মূল বৈশিষ্ট্য।</li>
</ul>
৯১৯৫
অনেকে য, র, ল এর পরে আরো একটি ব্যঞ্জনবর্ণের উল্লেখ করে থাকেন। এ বর্ণটি কি ?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ব</strong>। বাংলা বর্ণমালায় অন্তস্থ বর্ণ হিসেবে পরিচিত চারটি বর্ণ হলো য, র, ল এবং ব।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী, এই চারটি বর্ণকে একত্রে <strong>অন্তস্থ বর্ণ</strong> বলা হয়।</li>
<li>উচ্চারণের সুবিধার্থে এবং বর্ণমালার ক্রম অনুযায়ী য, র, ল-এর পরেই <strong>ব</strong>-কে স্থান দেওয়া হয়।</li>
<li>অনেক সময় ব-ফলা হিসেবেও এর বিশেষ ব্যবহার দেখা যায়, যা এই বর্ণটিকে আলাদা গুরুত্ব দেয়।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।