eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু
MCQ: ৩৪৫১৮ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৯১৮১

পবিত্র কোরআন সর্বপ্রথম বাংলায় অনুবাদ করেন কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গিরিশ চন্দ্র সেন
ব্যাখ্যা:
<p>পবিত্র কোরআন সর্বপ্রথম বাংলায় অনুবাদ করেন <strong>গিরিশ চন্দ্র সেন</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>১৮৮১ থেকে ১৮৮৬ সালের মধ্যে তিনি এই বিশাল কাজটি সম্পন্ন করেন।</li>
<li>তিনি একজন ব্রাহ্মধর্ম প্রচারক ছিলেন, যিনি ফারসি ও আরবি ভাষায় পারদর্শী হওয়ার কারণে এই কঠিন কাজটি সফলভাবে করতে পেরেছিলেন।</li>
<li>তার এই অনুবাদের মাধ্যমেই বাংলাভাষী মানুষ প্রথমবারের মতো কোরআনের মর্মার্থ পড়ার সুযোগ পায়।</li>
</ul>

<p>তাই ইতিহাসে তার নাম কোরআনের প্রথম বাংলা অনুবাদক হিসেবে চিরস্থায়ী হয়ে আছে।</p>
৯১৮২

'আশরাফ' মুসলমানের ভাষা উর্দূ এবং 'আতরাফ' মুসলমানের ভাষা বাংলা।' উক্তিটি কার?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
নবাব আবদুল লতিফ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নবাব আবদুল লতিফ</strong>। উনবিংশ শতাব্দীতে বাংলার মুসলিম সমাজের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপটে তিনি এই মন্তব্যটি করেছিলেন।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ কৌশল:</p>
<ul>
<li><strong>নবাব আবদুল লতিফ</strong> ছিলেন তৎকালীন উচ্চবিত্ত ও অভিজাত মুসলিম সমাজের প্রতিনিধি।</li>
<li>সে সময় অভিজাত বা 'আশরাফ' শ্রেণির মধ্যে উর্দূ ভাষার চর্চাকে আভিজাত্যের প্রতীক মনে করা হতো।</li>
<li>অন্যদিকে, সাধারণ বাঙালি মুসলমান বা 'আতরাফ' শ্রেণির মাতৃভাষা বাংলা হওয়ায় তিনি এই বিভাজনটি স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছিলেন।</li>
</ul>

<p>ইতিহাসের এই উক্তিটি মূলত তৎকালীন মুসলিম সমাজের ভাষাগত ও শ্রেণিগত বৈষম্যকে নির্দেশ করে, যা নবাব আবদুল লতিফের বিভিন্ন সামাজিক সংস্কারমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।</p>
৯১৮৩

‘আবিষ্কারের নেশায়’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ড. আবদুল্লাহ আল মুতী
ব্যাখ্যা:
<p>‘আবিষ্কারের নেশায়’ গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>ড. আবদুল্লাহ আল মুতী</strong>। তিনি মূলত বিজ্ঞানকে সহজ ও সাবলীল ভাষায় সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরার জন্য বিখ্যাত ছিলেন।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>ড. আবদুল্লাহ আল মুতী ছিলেন বাংলাদেশের বিজ্ঞানমনস্ক লেখক ও শিক্ষাবিদ।</li>
<li>তার লেখা বইগুলো মূলত বিজ্ঞানভিত্তিক কৌতূহল মেটানোর জন্য রচিত।</li>
<li>‘আবিষ্কারের নেশায়’ বইটি তার অন্যতম জনপ্রিয় একটি বিজ্ঞান বিষয়ক গ্রন্থ, যা পাঠকদের নতুন কিছু জানার আগ্রহ বাড়িয়ে দেয়।</li>
</ul>
৯১৮৪

‘কেয়াবন সঞ্চারণী’ ও ‘বিশ শতকের মেয়ে’-উপন্যাসদ্বয়ের রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ড. নীলিমা ইব্রাহীম
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ড. নীলিমা ইব্রাহীম</strong>। এই দুটি কালজয়ী উপন্যাসের রচয়িতা হিসেবে তিনি বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত সুপরিচিত।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>‘কেয়াবন সঞ্চারণী’</strong> এবং <strong>‘বিশ শতকের মেয়ে’</strong>—এই দুটি উপন্যাসই ড. নীলিমা ইব্রাহীমের অনন্য সৃষ্টি।</li>
<li>তিনি মূলত তাঁর গবেষণাধর্মী কাজ এবং নারীকেন্দ্রিক উপন্যাসের জন্য বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছেন।</li>
<li>পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই লেখকের নামের সাথে বই দুটির নাম একবার মিলিয়ে নিলে মনে রাখা সহজ হবে।</li>
</ul>
৯১৮৫

‘জলডুঙ্গি’ ও ‘দম্পতি’ উপন্যাসদ্বয় নিম্নে কোন ব্যক্তি রচনা করেছেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বুলবুল চৌধুরী
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বুলবুল চৌধুরী</strong>। বাংলা সাহিত্যে তার কাজের ধারা অনুসরণ করলে খুব সহজেই এটি মনে রাখা যায়।</p>

<ul>
<li><strong>বুলবুল চৌধুরী</strong> একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক, যিনি তার শক্তিশালী লেখনীর জন্য পরিচিত।</li>
<li>তার উল্লেখযোগ্য সৃষ্টিগুলোর মধ্যে <strong>‘জলডুঙ্গি’</strong> এবং <strong>‘দম্পতি’</strong> উপন্যাস দুটি অত্যন্ত জনপ্রিয়।</li>
<li>সহজভাবে মনে রাখার জন্য আপনি এই দুটি উপন্যাসের নাম এবং লেখকের নাম একসাথে কয়েকবার পড়ে নিতে পারেন, যা পরীক্ষার হলে মনে রাখতে সাহায্য করবে।</li>
</ul>
৯১৮৬

কোন বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব নাথগীতিকা সংগ্রহ করে নাম দেন 'ক্লাসিক রাজার গান?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
জর্জ গ্রিয়ার্সন
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জর্জ গ্রিয়ার্সন</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ লোকসাহিত্য ও নাথগীতিকা নিয়ে গবেষণার ক্ষেত্রে জর্জ গ্রিয়ার্সনের অবদান অনস্বীকার্য।</p>

<ul>
<li>জর্জ গ্রিয়ার্সন রংপুর অঞ্চলের লোকসাহিত্য সংগ্রহের সময় নাথগীতিকাগুলোর বিশেষ গুরুত্ব লক্ষ্য করেন।</li>
<li>তিনি এই গীতিকাগুলোকে লোকসাহিত্যের এক অনন্য সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করে সেগুলোকে <strong>'ক্লাসিক রাজার গান'</strong> (Classic Songs of the King) হিসেবে অভিহিত করেন।</li>
<li>তার এই সংগ্রহের মাধ্যমেই নাথগীতিকাগুলো বিশ্বদরবারে এক নতুন পরিচিতি পায়।</li>
</ul>
৯১৮৭

‘মৈমনসিংহ গীতিকা’র সংগ্রহ করেছেন কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ড. দীনেশচন্দ্র সেন
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ড. দীনেশচন্দ্র সেন</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ, কারণ বাংলা লোকসাহিত্যের গবেষণায় তাঁর নাম অবিচ্ছেদ্য।</p>

<ul>
<li>‘মৈমনসিংহ গীতিকা’ মূলত পূর্ববঙ্গের লোকগাথা বা লোকসংগীতের একটি অমূল্য সংকলন।</li>
<li>ড. দীনেশচন্দ্র সেন এই লোকগাথাগুলো সংগ্রহ করে সেগুলোকে সম্পাদনা ও প্রকাশের ব্যবস্থা করেছিলেন, যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক বিশাল মাইলফলক।</li>
<li>তাঁর এই উদ্যোগের ফলেই গ্রামবাংলার সাধারণ মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত কাহিনীগুলো আজ বিশ্বদরবারে সমাদৃত।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, লোকসাহিত্যের এই বিশাল ভাণ্ডারটি গুছিয়ে আমাদের সামনে তুলে ধরার কৃতিত্ব পুরোপুরি <strong>ড. দীনেশচন্দ্র সেনের</strong>।</p>
৯১৮৮

বাংলা সাহিত্যের পুরাবৃত্ত গ্রন্থটির রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ড. ওয়াকিল আহমেদ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ড. ওয়াকিল আহমেদ</strong>।</p>

<p>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ও গবেষণাধর্মী কাজের ক্ষেত্রে ড. ওয়াকিল আহমেদ একজন অত্যন্ত পরিচিত নাম। তাঁর লেখা <strong>'বাংলা সাহিত্যের পুরাবৃত্ত'</strong> গ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন পর্যায় ও বিবর্তনের ধারা বোঝার জন্য একটি নির্ভরযোগ্য আকর গ্রন্থ। </p>

<ul>
<li>গ্রন্থটির নাম: <strong>বাংলা সাহিত্যের পুরাবৃত্ত</strong></li>
<li>লেখক: <strong>ড. ওয়াকিল আহমেদ</strong></li>
<li>বিষয়বস্তু: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ও বিবর্তন।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, সাহিত্য নিয়ে পড়াশোনা বা প্রস্তুতির সময় এই বইটি একটি মৌলিক রেফারেন্স হিসেবে কাজ করে, যা লেখক ড. ওয়াকিল আহমেদের গভীর পাণ্ডিত্যের পরিচয় বহন করে।</p>
৯১৮৯

ভাষা আন্দোলন সম্পর্কে সবেচেয় প্রামাণ্য ও মৌলিক গ্রন্থের লেখক কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বদরুদ্দীন উমর
ব্যাখ্যা:
<p>ভাষা আন্দোলন নিয়ে গবেষণার কথা বললে সবার আগে যার নাম আসে, তিনি হলেন <strong>বদরুদ্দীন উমর</strong>। তার লেখা <strong>'পূর্ববাঙলার ভাষা আন্দোলন ও তৎকালীন রাজনীতি'</strong> গ্রন্থটি এই বিষয়ের ওপর সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য এবং মৌলিক কাজ হিসেবে স্বীকৃত।</p>

<p>কেন এই বইটি এত গুরুত্বপূর্ণ?</p>
<ul>
<li>বইটিতে ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট, ঘটনাক্রম এবং এর পেছনের রাজনৈতিক সমীকরণগুলো অত্যন্ত নিখুঁতভাবে তুলে ধরা হয়েছে।</li>
<li>দীর্ঘ সময় ধরে তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে তিনি এটি রচনা করেছেন, যা গবেষক ও পাঠকদের কাছে একে প্রামাণ্য দলিল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।</li>
<li>ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস বুঝতে হলে এই বইটি একটি অপরিহার্য আকর গ্রন্থ।</li>
</ul>
৯১৯০

মুহম্মদ আবদুল হাই কার সহযোগিতায় ‘বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত’ রচনা করেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আলী আহসান
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সৈয়দ আলী আহসান</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। মুহম্মদ আবদুল হাই এবং সৈয়দ আলী আহসান বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের ওপর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ করেছেন। তাদের যৌথ প্রচেষ্টায় রচিত <strong>‘বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত’</strong> বইটি বাংলা সাহিত্যের শিক্ষার্থীদের কাছে একটি আকর গ্রন্থ হিসেবে পরিচিত।</p>

<ul>
<li><strong>লেখকদ্বয়:</strong> মুহম্মদ আবদুল হাই ও সৈয়দ আলী আহসান।</li>
<li><strong>বইয়ের নাম:</strong> বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত।</li>
<li><strong>মনে রাখার কৌশল:</strong> বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের কথা আসলেই এই দুই বিখ্যাত শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিকের নাম একসাথে মনে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ।</li>
</ul>
৯১৯১

ভাওয়াইয়া গান প্রথম সংগ্রহ করেন কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
জর্জ গ্রিয়ার্সন
ব্যাখ্যা:
<p>ভাওয়াইয়া গান প্রথম সংগ্রহ করেন <strong>জর্জ গ্রিয়ার্সন</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>উত্তরবঙ্গের জনপ্রিয় লোকসংগীত ভাওয়াইয়া নিয়ে গবেষণার কাজ শুরু করেছিলেন ব্রিটিশ ভাষাবিদ জর্জ গ্রিয়ার্সন।</li>
<li>তিনি তার বিখ্যাত গ্রন্থ <strong>'লিঙ্গুইস্টিক সার্ভে অফ ইন্ডিয়া'</strong>-তে এই গানের নমুনা সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করেন।</li>
<li>মূলত তিনিই প্রথম ব্যক্তি যিনি প্রাতিষ্ঠানিকভাবে এই লোকসংগীতকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরার উদ্যোগ নিয়েছিলেন।</li>
</ul>

<p>তাই ভাওয়াইয়া গানের সংগ্রহকারী হিসেবে জর্জ গ্রিয়ার্সনের নামই সবার আগে আসে।</p>
৯১৯২

‘কালের দর্পণে স্বদেশ’ প্রবন্ধগ্রন্থের রচয়িতা হলেন-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ড. আহমদ শরীফ
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ড. আহমদ শরীফ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ ড. আহমদ শরীফ তাঁর প্রখর চিন্তাশীল ও বিশ্লেষণধর্মী রচনার জন্য পরিচিত।</p>

<ul>
<li><strong>‘কালের দর্পণে স্বদেশ’</strong> তাঁর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধগ্রন্থ।</li>
<li>তিনি মূলত বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির ইতিহাস নিয়ে কাজ করেছেন, যা এই বইটির নামকরণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য ‘কালের দর্পণ’ এবং ‘আহমদ শরীফ’—এই দুটি শব্দকে একসাথে মিলিয়ে একটি ছোট কি-ওয়ার্ড তৈরি করে নিতে পারেন।</li>
</ul>
৯১৯৩

‘স্বরূপের সন্ধানে’- প্রবন্ধ গ্রন্থের রচয়িতা হলেন-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ড. আনিসুজ্জামান
ব্যাখ্যা:
<p>‘স্বরূপের সন্ধানে’ প্রবন্ধ গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>ড. আনিসুজ্জামান</strong>। এটি তাঁর অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি প্রবন্ধ সংকলন।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>ড. আনিসুজ্জামান মূলত তাঁর গবেষণাধর্মী ও মননশীল প্রবন্ধের জন্য বাংলা সাহিত্যে বিশেষভাবে পরিচিত।</li>
<li>তাঁর লেখা ‘স্বরূপের সন্ধানে’ গ্রন্থে তিনি বাঙালি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের স্বরূপ নিয়ে গভীর বিশ্লেষণ করেছেন।</li>
<li>পরীক্ষায় বারবার আসা এই প্রশ্নটি মনে রাখতে ‘স্বরূপ’ শব্দটির সাথে ‘আনিসুজ্জামান’-এর নামের একটি সংযোগ তৈরি করে নিতে পারেন, যা আপনাকে দীর্ঘসময় মনে রাখতে সাহায্য করবে।</li>
</ul>
৯১৯৪

‘পরার্থপরতার অর্থনীতি’র লেখক কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আকবর আলী খান
ব্যাখ্যা:
<p>‘পরার্থপরতার অর্থনীতি’ বইটির লেখক হলেন <strong>আকবর আলী খান</strong>। তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ, লেখক এবং সাবেক আমলা।</p>

<p>বইটি সম্পর্কে কিছু সহজ তথ্য:</p>
<ul>
<li>এই বইটিতে তিনি অর্থনীতির প্রচলিত ধারণার বাইরে গিয়ে মানুষের পরার্থপরতা বা নিঃস্বার্থ কাজের অর্থনৈতিক দিকগুলো চমৎকারভাবে বিশ্লেষণ করেছেন।</li>
<li>তার লেখা এই বইটি বাংলা ভাষায় অর্থনীতি বিষয়ক অন্যতম সেরা ও জনপ্রিয় একটি কাজ হিসেবে বিবেচিত হয়।</li>
<li>সহজ ও সাবলীল ভাষায় জটিল অর্থনৈতিক তত্ত্বগুলোকে সাধারণ মানুষের বোধগম্য করে তোলাই ছিল এই বইটির মূল বৈশিষ্ট্য।</li>
</ul>
৯১৯৫

অনেকে য, র, ল এর পরে আরো একটি ব্যঞ্জনবর্ণের উল্লেখ করে থাকেন। এ বর্ণটি কি ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ব
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ব</strong>। বাংলা বর্ণমালায় অন্তস্থ বর্ণ হিসেবে পরিচিত চারটি বর্ণ হলো য, র, ল এবং ব।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী, এই চারটি বর্ণকে একত্রে <strong>অন্তস্থ বর্ণ</strong> বলা হয়।</li>
<li>উচ্চারণের সুবিধার্থে এবং বর্ণমালার ক্রম অনুযায়ী য, র, ল-এর পরেই <strong>ব</strong>-কে স্থান দেওয়া হয়।</li>
<li>অনেক সময় ব-ফলা হিসেবেও এর বিশেষ ব্যবহার দেখা যায়, যা এই বর্ণটিকে আলাদা গুরুত্ব দেয়।</li>
</ul>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।