<p>‘কুল’ শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ হলো <strong>গোত্র</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>‘কুল’ শব্দটির দুটি ভিন্ন অর্থ রয়েছে। যখন এটি বংশ বা পরিবার বোঝায়, তখন এর সমার্থক শব্দ হয় <strong>গোত্র</strong> বা বংশ।</li>
<li>অন্যদিকে, নদীর পাড় বা কিনারা বোঝাতে ‘কুল’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়, তবে এই নির্দিষ্ট প্রশ্নে সঠিক উত্তর হিসেবে ‘গোত্র’ বেছে নেওয়া হয়েছে কারণ এটি বংশীয় পরিচয় বা কুল বোঝাতে সবচেয়ে উপযুক্ত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বংশ বা পরিবারের পরিচয় দিতে আমরা যে শব্দটি ব্যবহার করি, তা হলো <strong>গোত্র</strong>। তাই পরীক্ষার খাতায় এই ধরনের প্রশ্ন এলে সরাসরি ‘গোত্র’ দাগিয়ে দিলেই হবে!</p>
<p>‘তটিনী’ শব্দের অর্থ হলো নদী। নদীর ঢেউ বা তরঙ্গের সাথে এর গভীর সম্পর্ক রয়েছে, তাই ‘তরঙ্গিনী’ শব্দটিও নদী বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। সহজ কথায় মনে রাখার কৌশল হলো:</p>
<ul>
<li><strong>তটিনী</strong> মানেই হলো স্রোতস্বিনী বা নদী।</li>
<li>যেহেতু নদীতে প্রচুর ঢেউ বা তরঙ্গ থাকে, তাই নদীকে <strong>তরঙ্গিনী</strong> বলা হয়।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলো যেমন ‘তরী’ মানে নৌকা এবং ‘তট’ মানে নদীর কিনারা, যা মূল শব্দের সাথে সরাসরি সমার্থক নয়।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>তরঙ্গিনী</strong>।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প, ফ, ব, ভ, ম</strong>। এই বর্ণগুলোকে দ্বিওষ্ঠ ধ্বনি বলা হয় কারণ এগুলো উচ্চারণ করার সময় আমাদের দুই ঠোঁট একে অপরের সংস্পর্শে আসে।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>প</strong> এবং <strong>ফ</strong> উচ্চারণ করতে গেলে ঠোঁট দুটো পুরোপুরি বন্ধ হয়ে আবার খোলে।</li>
<li><strong>ব</strong>, <strong>ভ</strong> এবং <strong>ম</strong> উচ্চারণের সময়ও ঠোঁটের ব্যবহারই প্রধান।</li>
<li>যেহেতু এই পাঁচটি বর্ণ উচ্চারণে দুই ঠোঁটের (ওষ্ঠ) মিলন ঘটে, তাই ব্যাকরণের ভাষায় এদের <strong>দ্বিওষ্ঠ ধ্বনি</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ট ঠ ড ঢ ণ</strong>। এই বর্ণগুলোকে বলা হয় মূর্ধন্য বর্ণ। এগুলো উচ্চারণের সময় জিহ্বার ডগা বা অগ্রভাগ উল্টে গিয়ে মুখের তালুর সামনের শক্ত অংশ বা মূর্ধাকে স্পর্শ করে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>ট-বর্গীয়</strong> ধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময় জিহ্বা সরাসরি মূর্ধায় আঘাত করে।</li>
<li>উচ্চারণ করে দেখুন, জিহ্বাটি তালুর ঠিক উপরে শক্ত অংশে গিয়ে লাগছে, তাই এগুলোকে মূর্ধন্য বর্ণ বলা হয়।</li>
</ul>
<p>‘ত্ম্য’ যুক্তবর্ণটি বিশ্লেষণ করলে আমরা পাই <strong>ত + ম + য</strong>। এটি মূলত তিনটি ধ্বনির একটি বিশেষ সমন্বয়। বিষয়টি সহজভাবে বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li>প্রথমেই আসে মূল ব্যঞ্জনবর্ণ <strong>ত</strong>।</li>
<li>এর সাথে যুক্ত হয়েছে <strong>ম</strong>।</li>
<li>সবশেষে য-ফলা বা <strong>য</strong> যুক্ত হয়ে এটি পূর্ণতা পেয়েছে।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, গাণিতিক রূপটি হলো: <strong>ত + ম + য = ত্ম্য</strong>। যেমন: ‘আত্ম্য’ বা ‘মাহাত্ম্য’ শব্দগুলোতে আমরা এই যুক্তবর্ণটির ব্যবহার দেখতে পাই।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>'ং'</strong>। বিষয়টিকে খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>বাংলা বর্ণমালায় <strong>'ং'</strong> (অনুস্বার), <strong>'ঃ'</strong> (বিসর্গ) এবং <strong>'ঁ'</strong> (চন্দ্রবিন্দু)—এই তিনটি বর্ণকে <strong>পরাশ্রয়ী বর্ণ</strong> বলা হয়।</li>
<li>এদের 'পরাশ্রয়ী' বলার কারণ হলো, এরা কখনোই একা বসতে পারে না। এরা সবসময় অন্য কোনো বর্ণের ঘাড়ে বা আশ্রয়ে বসে উচ্চারিত হয়।</li>
<li>যেমন: 'সিং' বা 'রং' শব্দে <strong>'ং'</strong> একা উচ্চারিত না হয়ে আগের বর্ণের সাথে যুক্ত হয়েই নিজের অস্তিত্ব প্রকাশ করে।</li>
</ul>
৯১৪২
‘মা শিশুকে খাওয়াচ্ছেন’ বাক্যটিতে খাওয়াচ্ছেন কোন ক্রিয়া পদের উদাহরণ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ণিজন্ত</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>যখন কোনো ক্রিয়া নিজে না করে অন্যকে দিয়ে করানো বোঝায়, তখন তাকে <strong>ণিজন্ত ক্রিয়া</strong> বলে।</li>
<li>এখানে মা নিজে খাচ্ছেন না, বরং শিশুকে খাওয়াচ্ছেন। অর্থাৎ, মা শিশুকে খাওয়ার কাজটি করতে সাহায্য করছেন বা করাচ্ছেন।</li>
<li>মূল ধাতু 'খা' এর সাথে 'আ' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'খাওয়া' হয়েছে, যা অন্যকে দিয়ে কাজ করানোর অর্থ প্রকাশ করে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কর্তা যখন নিজে কাজ না করে অন্যকে দিয়ে কাজ করিয়ে নেয়, তখনই সেটি <strong>ণিজন্ত</strong> ক্রিয়া হয়।</p>
<p>এখানে লক্ষ্য করো, 'বিদ্যা' শব্দের শেষে একটি স্বরবর্ণ <strong>$আ$</strong> আছে এবং 'আলয়' শব্দের শুরুতে আরেকটি স্বরবর্ণ <strong>$আ$</strong> আছে। এই দুই স্বরবর্ণ মিলে একটি <strong>$আ$</strong>-কার তৈরি করেছে। যেহেতু এখানে স্বরবর্ণের সাথে স্বরবর্ণের মিলন ঘটেছে, তাই এটি স্বরসন্ধির একটি চমৎকার উদাহরণ।</p>
<p>‘শম্পা’ শব্দটির সঠিক অর্থ হলো <strong>বিদ্যুৎ</strong>। বাংলা সাহিত্যে বা কবিতায় বিদ্যুৎ বোঝাতে এই শব্দটি বেশ চমৎকারভাবে ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য:</p>
<ul>
<li>শম্পা মানেই হলো আকাশের বুক চিরে আসা ক্ষণস্থায়ী আলোর ঝলকানি বা <strong>বিদ্যুৎ</strong>।</li>
<li>বিদ্যুতের আরও কিছু সমার্থক শব্দ হলো—তড়িৎ, বিজলি, চপলা বা দামিনী।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই কোথাও ‘শম্পা’ শব্দটি দেখবেন, চোখ বন্ধ করে ধরে নেবেন এটি <strong>বিদ্যুৎ</strong>-কে নির্দেশ করছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ঢেউ</strong>। শব্দটির অর্থ খুব সহজেই মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>'লহরি' শব্দটি মূলত জলরাশির কম্পন বা গতির সাথে সম্পর্কিত।</li>
<li>সাহিত্যের ভাষায় বা কাব্যিক বর্ণনায় পানির ছোট ছোট ঢেউকে বোঝাতে 'লহরি' শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, নদীর বা সাগরের পানির যে ছন্দময় গতি বা ঢেউ দেখা যায়, তাকেই লহরি বলা হয়।</li>
</ul>
<p>তাই লহরি মানেই হলো ঢেউ বা তরঙ্গ। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ লহরি শব্দটির উচ্চারণের মধ্যেই এক ধরণের ছন্দ বা ঢেউয়ের অনুভূতি পাওয়া যায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ঢেউ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বাকি শব্দগুলো একই অর্থ বহন করে।</p>
<ul>
<li>জলাশয়, দীঘি এবং পুকুর—এই তিনটি শব্দই মূলত পানি জমা থাকে এমন বড় কোনো আধার বা জলাধারকে বোঝায়।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>ঢেউ</strong> বলতে পানির উপরিভাগের আন্দোলন বা তরঙ্গকে বোঝায়, যা জলাধারের সাথে সরাসরি সমার্থক নয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, পুকুর বা দীঘি হলো একটি জায়গা, আর ঢেউ হলো সেই পানির গতির একটি অবস্থা। তাই শব্দার্থের দিক থেকে ঢেউ এখানে আলাদা।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ঢেউ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বাংলা ব্যাকরণে 'ঊর্মি' শব্দটির আভিধানিক অর্থই হলো জলরাশির স্ফীতি বা তরঙ্গ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li>'ঊর্মি' শব্দটির সমার্থক শব্দ হিসেবে আমরা সাধারণত <strong>তরঙ্গ</strong>, <strong>ঢেউ</strong> বা <strong>লহরী</strong> ব্যবহার করি।</li>
<li>কবিতা বা সাহিত্যে সমুদ্রের উত্তাল অবস্থাকে বোঝাতে কবিরা প্রায়ই 'ঊর্মিমালা' শব্দটি ব্যবহার করেন, যার অর্থ হলো ঢেউয়ের সারি।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই কোথাও 'ঊর্মি' শব্দটি দেখবেন, চোখ বন্ধ করে ধরে নেবেন এটি পানির <strong>ঢেউ</strong> বা <strong>তরঙ্গ</strong> নির্দেশ করছে।</p>
<p>‘চড়াই’-এর সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হলো <strong>উৎরাই</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ:</p>
<ul>
<li>‘চড়াই’ বলতে সাধারণত পাহাড় বা উঁচু কোনো স্থানে ওঠার পথকে বোঝায়।</li>
<li>অন্যদিকে, ‘উৎরাই’ শব্দটি দিয়ে উঁচু স্থান থেকে নিচে নামার পথকে বোঝানো হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, উপরে ওঠার বিপরীত হলো নিচে নামা, তাই চড়াইয়ের বিপরীতে উৎরাই শব্দটিই সবচেয়ে মানানসই।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রাবণের চিতা</strong>। বাগধারাটির অর্থ বুঝতে খুব বেশি জটিলতার প্রয়োজন নেই, বিষয়টি বেশ সহজ:</p>
<ul>
<li>পৌরাণিক কাহিনী অনুযায়ী, রাবণের চিতা এমন একটি আগুন যা কখনো নেভে না।</li>
<li>এই চিরস্থায়ী আগুনের ধারণাকেই রূপক হিসেবে 'চির অশান্তি' বা 'যে অশান্তি কখনো শেষ হয় না' বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>তাই যখন কোনো ঝামেলা বা অশান্তি দীর্ঘস্থায়ী হয়, তখন আমরা একে <strong>রাবণের চিতা</strong> বলে থাকি।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।