eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু
MCQ: ৩৪৫১৮ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৯১৩৬

‘কুল’ শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গোত্র
ব্যাখ্যা:
<p>‘কুল’ শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ হলো <strong>গোত্র</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>‘কুল’ শব্দটির দুটি ভিন্ন অর্থ রয়েছে। যখন এটি বংশ বা পরিবার বোঝায়, তখন এর সমার্থক শব্দ হয় <strong>গোত্র</strong> বা বংশ।</li>
<li>অন্যদিকে, নদীর পাড় বা কিনারা বোঝাতে ‘কুল’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়, তবে এই নির্দিষ্ট প্রশ্নে সঠিক উত্তর হিসেবে ‘গোত্র’ বেছে নেওয়া হয়েছে কারণ এটি বংশীয় পরিচয় বা কুল বোঝাতে সবচেয়ে উপযুক্ত।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বংশ বা পরিবারের পরিচয় দিতে আমরা যে শব্দটি ব্যবহার করি, তা হলো <strong>গোত্র</strong>। তাই পরীক্ষার খাতায় এই ধরনের প্রশ্ন এলে সরাসরি ‘গোত্র’ দাগিয়ে দিলেই হবে!</p>
৯১৩৭

‘তটিনী’-এর সমার্থক শব্দ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তরঙ্গিনী
ব্যাখ্যা:
<p>‘তটিনী’ শব্দের অর্থ হলো নদী। নদীর ঢেউ বা তরঙ্গের সাথে এর গভীর সম্পর্ক রয়েছে, তাই ‘তরঙ্গিনী’ শব্দটিও নদী বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। সহজ কথায় মনে রাখার কৌশল হলো:</p>

<ul>
<li><strong>তটিনী</strong> মানেই হলো স্রোতস্বিনী বা নদী।</li>
<li>যেহেতু নদীতে প্রচুর ঢেউ বা তরঙ্গ থাকে, তাই নদীকে <strong>তরঙ্গিনী</strong> বলা হয়।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলো যেমন ‘তরী’ মানে নৌকা এবং ‘তট’ মানে নদীর কিনারা, যা মূল শব্দের সাথে সরাসরি সমার্থক নয়।</li>
</ul>

<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>তরঙ্গিনী</strong>।</p>
৯১৩৮

কোনগুলো দ্বিওষ্ঠ ধ্বনি ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
প, ফ, ব, ভ, ম
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প, ফ, ব, ভ, ম</strong>। এই বর্ণগুলোকে দ্বিওষ্ঠ ধ্বনি বলা হয় কারণ এগুলো উচ্চারণ করার সময় আমাদের দুই ঠোঁট একে অপরের সংস্পর্শে আসে।</p>

<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>প</strong> এবং <strong>ফ</strong> উচ্চারণ করতে গেলে ঠোঁট দুটো পুরোপুরি বন্ধ হয়ে আবার খোলে।</li>
<li><strong>ব</strong>, <strong>ভ</strong> এবং <strong>ম</strong> উচ্চারণের সময়ও ঠোঁটের ব্যবহারই প্রধান।</li>
<li>যেহেতু এই পাঁচটি বর্ণ উচ্চারণে দুই ঠোঁটের (ওষ্ঠ) মিলন ঘটে, তাই ব্যাকরণের ভাষায় এদের <strong>দ্বিওষ্ঠ ধ্বনি</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
৯১৩৯

কোন পাঁচটি বর্ণ উচ্চারণকালে জিহ্বার অগ্রভাগ উল্টে গিয়ে মূর্ধাকে স্পর্শ করে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ট ঠ ড ঢ ণ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ট ঠ ড ঢ ণ</strong>। এই বর্ণগুলোকে বলা হয় মূর্ধন্য বর্ণ। এগুলো উচ্চারণের সময় জিহ্বার ডগা বা অগ্রভাগ উল্টে গিয়ে মুখের তালুর সামনের শক্ত অংশ বা মূর্ধাকে স্পর্শ করে।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>ট-বর্গীয়</strong> ধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময় জিহ্বা সরাসরি মূর্ধায় আঘাত করে।</li>
<li>উচ্চারণ করে দেখুন, জিহ্বাটি তালুর ঠিক উপরে শক্ত অংশে গিয়ে লাগছে, তাই এগুলোকে মূর্ধন্য বর্ণ বলা হয়।</li>
</ul>
৯১৪০

‘ত্ম্য’ কোন কোন ধ্বনির যুক্ত রূপ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ত + ম + য
ব্যাখ্যা:
<p>‘ত্ম্য’ যুক্তবর্ণটি বিশ্লেষণ করলে আমরা পাই <strong>ত + ম + য</strong>। এটি মূলত তিনটি ধ্বনির একটি বিশেষ সমন্বয়। বিষয়টি সহজভাবে বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>

<ul>
<li>প্রথমেই আসে মূল ব্যঞ্জনবর্ণ <strong>ত</strong>।</li>
<li>এর সাথে যুক্ত হয়েছে <strong>ম</strong>।</li>
<li>সবশেষে য-ফলা বা <strong>য</strong> যুক্ত হয়ে এটি পূর্ণতা পেয়েছে।</li>
</ul>

<p>অর্থাৎ, গাণিতিক রূপটি হলো: <strong>ত + ম + য = ত্ম্য</strong>। যেমন: ‘আত্ম্য’ বা ‘মাহাত্ম্য’ শব্দগুলোতে আমরা এই যুক্তবর্ণটির ব্যবহার দেখতে পাই।</p>
৯১৪১

নিচের কোনটি পরাশ্রয়ী বর্ণ ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
'ং'
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>'ং'</strong>। বিষয়টিকে খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>বাংলা বর্ণমালায় <strong>'ং'</strong> (অনুস্বার), <strong>'ঃ'</strong> (বিসর্গ) এবং <strong>'ঁ'</strong> (চন্দ্রবিন্দু)—এই তিনটি বর্ণকে <strong>পরাশ্রয়ী বর্ণ</strong> বলা হয়।</li>
<li>এদের 'পরাশ্রয়ী' বলার কারণ হলো, এরা কখনোই একা বসতে পারে না। এরা সবসময় অন্য কোনো বর্ণের ঘাড়ে বা আশ্রয়ে বসে উচ্চারিত হয়।</li>
<li>যেমন: 'সিং' বা 'রং' শব্দে <strong>'ং'</strong> একা উচ্চারিত না হয়ে আগের বর্ণের সাথে যুক্ত হয়েই নিজের অস্তিত্ব প্রকাশ করে।</li>
</ul>
৯১৪২

‘মা শিশুকে খাওয়াচ্ছেন’ বাক্যটিতে খাওয়াচ্ছেন কোন ক্রিয়া পদের উদাহরণ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ণিজন্ত
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ণিজন্ত</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>যখন কোনো ক্রিয়া নিজে না করে অন্যকে দিয়ে করানো বোঝায়, তখন তাকে <strong>ণিজন্ত ক্রিয়া</strong> বলে।</li>
<li>এখানে মা নিজে খাচ্ছেন না, বরং শিশুকে খাওয়াচ্ছেন। অর্থাৎ, মা শিশুকে খাওয়ার কাজটি করতে সাহায্য করছেন বা করাচ্ছেন।</li>
<li>মূল ধাতু 'খা' এর সাথে 'আ' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'খাওয়া' হয়েছে, যা অন্যকে দিয়ে কাজ করানোর অর্থ প্রকাশ করে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, কর্তা যখন নিজে কাজ না করে অন্যকে দিয়ে কাজ করিয়ে নেয়, তখনই সেটি <strong>ণিজন্ত</strong> ক্রিয়া হয়।</p>
৯১৪৩

কোনটি স্বরসন্ধির উদাহরণ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বিদ্যালয়
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিদ্যালয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ স্বরসন্ধি মানেই হলো স্বরবর্ণের সাথে স্বরবর্ণের মিলন।</p>

<p>বিদ্যালয় শব্দটিকে ভাঙলে আমরা পাই:</p>

<ul>
<li><strong>বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়</strong></li>
</ul>

<p>এখানে লক্ষ্য করো, 'বিদ্যা' শব্দের শেষে একটি স্বরবর্ণ <strong>$আ$</strong> আছে এবং 'আলয়' শব্দের শুরুতে আরেকটি স্বরবর্ণ <strong>$আ$</strong> আছে। এই দুই স্বরবর্ণ মিলে একটি <strong>$আ$</strong>-কার তৈরি করেছে। যেহেতু এখানে স্বরবর্ণের সাথে স্বরবর্ণের মিলন ঘটেছে, তাই এটি স্বরসন্ধির একটি চমৎকার উদাহরণ।</p>
৯১৪৪

‘শম্পা’ শব্দটির অর্থ কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ
ব্যাখ্যা:
<p>‘শম্পা’ শব্দটির সঠিক অর্থ হলো <strong>বিদ্যুৎ</strong>। বাংলা সাহিত্যে বা কবিতায় বিদ্যুৎ বোঝাতে এই শব্দটি বেশ চমৎকারভাবে ব্যবহৃত হয়।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য:</p>
<ul>
<li>শম্পা মানেই হলো আকাশের বুক চিরে আসা ক্ষণস্থায়ী আলোর ঝলকানি বা <strong>বিদ্যুৎ</strong>।</li>
<li>বিদ্যুতের আরও কিছু সমার্থক শব্দ হলো—তড়িৎ, বিজলি, চপলা বা দামিনী।</li>
</ul>

<p>তাই যখনই কোথাও ‘শম্পা’ শব্দটি দেখবেন, চোখ বন্ধ করে ধরে নেবেন এটি <strong>বিদ্যুৎ</strong>-কে নির্দেশ করছে।</p>
৯১৪৫

শব্দের অর্থ নির্ণয় করুন। লহরি

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ঢেউ
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ঢেউ</strong>। শব্দটির অর্থ খুব সহজেই মনে রাখা যায়:</p>

<ul>
<li>'লহরি' শব্দটি মূলত জলরাশির কম্পন বা গতির সাথে সম্পর্কিত।</li>
<li>সাহিত্যের ভাষায় বা কাব্যিক বর্ণনায় পানির ছোট ছোট ঢেউকে বোঝাতে 'লহরি' শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, নদীর বা সাগরের পানির যে ছন্দময় গতি বা ঢেউ দেখা যায়, তাকেই লহরি বলা হয়।</li>
</ul>

<p>তাই লহরি মানেই হলো ঢেউ বা তরঙ্গ। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ লহরি শব্দটির উচ্চারণের মধ্যেই এক ধরণের ছন্দ বা ঢেউয়ের অনুভূতি পাওয়া যায়।</p>
৯১৪৬

সমার্থক শব্দ নয় কোন শব্দটি

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ঢেউ
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ঢেউ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বাকি শব্দগুলো একই অর্থ বহন করে।</p>

<ul>
<li>জলাশয়, দীঘি এবং পুকুর—এই তিনটি শব্দই মূলত পানি জমা থাকে এমন বড় কোনো আধার বা জলাধারকে বোঝায়।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>ঢেউ</strong> বলতে পানির উপরিভাগের আন্দোলন বা তরঙ্গকে বোঝায়, যা জলাধারের সাথে সরাসরি সমার্থক নয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, পুকুর বা দীঘি হলো একটি জায়গা, আর ঢেউ হলো সেই পানির গতির একটি অবস্থা। তাই শব্দার্থের দিক থেকে ঢেউ এখানে আলাদা।</p>
৯১৪৭

'ঊর্মি' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ঢেউ
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ঢেউ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বাংলা ব্যাকরণে 'ঊর্মি' শব্দটির আভিধানিক অর্থই হলো জলরাশির স্ফীতি বা তরঙ্গ।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li>'ঊর্মি' শব্দটির সমার্থক শব্দ হিসেবে আমরা সাধারণত <strong>তরঙ্গ</strong>, <strong>ঢেউ</strong> বা <strong>লহরী</strong> ব্যবহার করি।</li>
<li>কবিতা বা সাহিত্যে সমুদ্রের উত্তাল অবস্থাকে বোঝাতে কবিরা প্রায়ই 'ঊর্মিমালা' শব্দটি ব্যবহার করেন, যার অর্থ হলো ঢেউয়ের সারি।</li>
</ul>

<p>তাই যখনই কোথাও 'ঊর্মি' শব্দটি দেখবেন, চোখ বন্ধ করে ধরে নেবেন এটি পানির <strong>ঢেউ</strong> বা <strong>তরঙ্গ</strong> নির্দেশ করছে।</p>
৯১৪৮

কোনটি দেশি শব্দ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ঢেঁকি
৯১৪৯

‘চড়াই’-এর বিপরীতার্থক শব্দ-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
উৎরাই
ব্যাখ্যা:
<p>‘চড়াই’-এর সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হলো <strong>উৎরাই</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ:</p>

<ul>
<li>‘চড়াই’ বলতে সাধারণত পাহাড় বা উঁচু কোনো স্থানে ওঠার পথকে বোঝায়।</li>
<li>অন্যদিকে, ‘উৎরাই’ শব্দটি দিয়ে উঁচু স্থান থেকে নিচে নামার পথকে বোঝানো হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, উপরে ওঠার বিপরীত হলো নিচে নামা, তাই চড়াইয়ের বিপরীতে উৎরাই শব্দটিই সবচেয়ে মানানসই।</p>
৯১৫০

'চির অশান্তি' অর্থে কোন বাগধারাটি যথোপযুক্ত?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
রাবণের চিতা
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রাবণের চিতা</strong>। বাগধারাটির অর্থ বুঝতে খুব বেশি জটিলতার প্রয়োজন নেই, বিষয়টি বেশ সহজ:</p>

<ul>
<li>পৌরাণিক কাহিনী অনুযায়ী, রাবণের চিতা এমন একটি আগুন যা কখনো নেভে না।</li>
<li>এই চিরস্থায়ী আগুনের ধারণাকেই রূপক হিসেবে 'চির অশান্তি' বা 'যে অশান্তি কখনো শেষ হয় না' বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>তাই যখন কোনো ঝামেলা বা অশান্তি দীর্ঘস্থায়ী হয়, তখন আমরা একে <strong>রাবণের চিতা</strong> বলে থাকি।</li>
</ul>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।