<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আলুনি</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:</p>
<ul>
<li>'আলুনি' শব্দটি গঠিত হয়েছে 'আ' উপসর্গের সাথে 'লবণ' শব্দ যোগ করে।</li>
<li>এখানে 'আ' উপসর্গটি <strong>অভাব</strong> বা <strong>না</strong> অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
<li>অর্থাৎ, 'আলুনি' মানে হলো যাতে লবণের অভাব বা লবণ নেই এমন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখন কোনো শব্দের শুরুতে 'আ' যুক্ত হয়ে কোনো কিছুর ঘাটতি বা অভাব বোঝায়, তখন সেটি 'অভাব' অর্থে ব্যবহৃত উপসর্গ হিসেবে গণ্য হয়।</p>
<p>নূপুরের ধ্বনিকে এক কথায় বলা হয় <strong>নিক্বণ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা ব্যাকরণ বা শব্দভাণ্ডারে বিশেষ কোনো বস্তুর বা অলংকারের শব্দের নির্দিষ্ট কিছু পারিভাষিক নাম থাকে।</p>
<ul>
<li><strong>নিক্বণ</strong> শব্দটি মূলত নূপুর বা এই জাতীয় অলংকারের মৃদু ও মধুর ঝনঝন শব্দকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>সাহিত্য বা কাব্যিক ভাষায় নূপুরের শব্দের সঠিক ও শুদ্ধ রূপ হিসেবে <strong>নিক্বণ</strong> শব্দটিই সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই নূপুরের ধ্বনি সংক্রান্ত কোনো প্রশ্ন আসবে, চোখ বন্ধ করে <strong>নিক্বণ</strong> উত্তরটি বেছে নিতে পারেন!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিক্বণ</strong>। কারণ শব্দটির সঠিক বানান গঠনে ব-ফলা যুক্ত হয়েছে, যা এর মূল উচ্চারণ ও অর্থকে সঠিকভাবে প্রকাশ করে। বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক রূপটি মনে রাখলে পরীক্ষায় খুব সহজেই এমন প্রশ্নগুলোর উত্তর করা যায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিষণ্ণ</strong>।</p>
<p>'প্রসন্ন' শব্দটির অর্থ হলো খুশি, আনন্দিত বা সন্তুষ্ট। অন্যদিকে, এর ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে <strong>বিষণ্ণ</strong> শব্দটি, যার অর্থ হলো মন খারাপ, মলিন বা উদাসীন। তাই পরীক্ষার খাতায় বা সাধারণ জ্ঞানে বিপরীত শব্দ হিসেবে 'প্রসন্ন' এর সাথে 'বিষণ্ণ' একদম নিখুঁতভাবে মিলে যায়।</p>
১০০১০
কু-অভ্যাস, কু-কথা, প্রভৃতি শব্দের 'কু' উপসর্গটি কি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>(Option A: কুৎসিত)</strong>।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার উপায় হলো—</p>
<ul>
<li>'কু' একটি সংস্কৃত উপসর্গ।</li>
<li>শব্দের শুরুতে বসে এটি সাধারণত খারাপ, মন্দ বা <strong>কুৎসিত</strong> অর্থে প্রকাশ পায়।</li>
<li>যেমন: কু-অভ্যাস মানে কুৎসিত অভ্যাস এবং কু-কথা মানে কুৎসিত কথা।</li>
</ul>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! 'যামিনী' শব্দের অর্থ হলো রাত বা রজনী। বাংলা ব্যাকরণে সমার্থক শব্দ মনে রাখার জন্য কিছু সাধারণ শব্দভাণ্ডার আয়ত্তে রাখলে খুব দ্রুত উত্তর দেওয়া যায়।</p>
<ul>
<li>'যামিনী' মানেই হলো রাত।</li>
<li>'শর্বরী' শব্দটিও রাত বা অন্ধকার রাতের একটি চমৎকার প্রতিশব্দ।</li>
<li>তাই যখনই যামিনী বা রাত সংক্রান্ত কোনো শব্দ আসবে, শর্বরীকে চোখ বন্ধ করে বেছে নিতে পারো।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শর্বরী</strong>। কারণ 'যামিনী' শব্দের অর্থ হলো রাত বা রাত্রি, আর 'শর্বরী' শব্দটিও ঠিক একই অর্থে রাতের প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে প্রসূন মানে ফুল এবং দামিনী মানে বিদ্যুৎ, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অস্তিত্ব</strong>।</p>
<p>‘বিলীন’ শব্দের অর্থ হলো যা হারিয়ে গেছে, ধ্বংস হয়ে গেছে বা অস্তিত্বহীন হয়ে পড়েছে। এর ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে যে শব্দটি, তা হলো ‘অস্তিত্ব’, যার অর্থ হলো উপস্থিতি বা সত্তা। তাই যেকোনো কিছুর ধ্বংস বা বিলুপ্তির বিপরীত হলো তার থাকা বা অস্তিত্ব।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রাষ্ট্রীয় ক্ষমা</strong>।</p>
<p>ইংরেজি 'Amnesty' শব্দটির বাংলা আক্ষরিক এবং আইনগত অর্থ হলো কোনো অপরাধের জন্য সরকার বা রাষ্ট্র কর্তৃক প্রদত্ত <strong>রাষ্ট্রীয় ক্ষমা</strong> বা সাধারণ ক্ষমা। এটি সাধারণত রাজনৈতিক বন্দি বা কোনো নির্দিষ্ট অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তিদের সরকার বা রাষ্ট্রপ্রধানের পক্ষ থেকে আইনি মার্জনা প্রদর্শনের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিঃ+রব</strong>। খুব সহজ একটা ব্যাকরণগত নিয়ম মাথায় রাখলেই এটা আর ভুল হবে না:</p>
<ul>
<li>বাংলা সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গ ($\text{ঃ}$) এর পরে যদি 'র' থাকে, তবে বিসর্গ উঠে গিয়ে তার আগের স্বরবর্ণটি দীর্ঘ ($\text{ঈ}$) হয়ে যায়।</li>
<li>এই নিয়ম ধরেই <strong>নিঃ + রব</strong> মিলে তৈরি হয় <strong>নীরব</strong> শব্দটি।</li>
</ul>
<p>‘নিরাময়’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ হলো <strong>নিঃ + আময়</strong>। তবে অনেক ক্ষেত্রে বিসর্গ সন্ধির নিয়মে এটি <strong>নিঃ + আময়</strong> হিসেবে গণ্য হয়, যা পরবর্তীতে <strong>নিঃ</strong> এর স্থলে <strong>নির্</strong> বা <strong>নির</strong> রূপ নেয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li>এখানে বিসর্গ সন্ধির নিয়ম কাজ করেছে।</li>
<li>শব্দের শুরুতে <strong>নিঃ</strong> উপসর্গটি যখন <strong>আময়</strong> শব্দের সাথে যুক্ত হয়, তখন বিসর্গটি লোপ পেয়ে বা পরিবর্তিত হয়ে সন্ধিটি সম্পন্ন হয়।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গের পর স্বরবর্ণ থাকলে তা অনেক সময় রেফ বা র-জাতীয় ধ্বনিতে রূপান্তরিত হয়।</li>
</ul>
<p>তাই মনে রাখবেন, <strong>নিঃ + আময় = নিরাময়</strong>। এটি মূলত বিসর্গ সন্ধির একটি চমৎকার উদাহরণ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নির+অবধি</strong>।</p>
<p>সন্ধি ভাঙার নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গ সন্ধির ক্ষেত্রে বিসর্গের আগের ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে স্বরবর্ণ যুক্ত হয়ে এই শব্দ গঠিত হয়। তাই 'নিরবধি' শব্দটিকে ভাঙলে আমরা পাই:</p>
<ul>
<li><strong>নির</strong> + <strong>অবধি</strong> = নিরবধি</li>
</ul>
<p>খুব সহজেই মনে রাখার জন্য শব্দের মূল অংশগুলো আলাদা করলেই বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যায়!</p>
<p>‘নিশ্চয়’-এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>নিঃ+চয়</strong>। এটি মূলত বিসর্গ সন্ধির একটি সহজ নিয়ম মেনে চলে। বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করো:</p>
<ul>
<li>বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গের (ঃ) পরে যদি <strong>চ</strong> বা <strong>ছ</strong> থাকে, তবে বিসর্গটি পরিবর্তিত হয়ে তালব্য শ (<strong>শ</strong>) হয়ে যায়।</li>
<li>এখানে, <strong>নিঃ</strong>-এর বিসর্গের সাথে <strong>চয়</strong>-এর ‘চ’ যুক্ত হওয়ার ফলে বিসর্গটি ‘শ’-এ পরিণত হয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়: <strong>নিঃ + চয় = নিশ্চয়</strong>।</li>
</ul>
<p>এই ছোট ট্রিকটি মনে রাখলে ‘নিশ্চয়’, ‘নিশ্চিন্ত’ বা ‘নিশ্চল’-এর মতো শব্দগুলোর সন্ধি বিচ্ছেদ করা একদম পানির মতো সহজ হয়ে যাবে!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নিঃ + আময়</strong>। সন্ধি বিচ্ছেদের এই নিয়মটি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গের (ঃ) সাথে স্বরবর্ণের মিলন হলে বিসর্গটি অনেক সময় 'র' বা 'র-ফলা' হয়ে যায়।</li>
<li>এখানে <strong>নিঃ</strong> এর বিসর্গটি পরবর্তী <strong>আ</strong> কারের সাথে যুক্ত হয়ে <strong>রা</strong> তৈরি করেছে।</li>
<li>সহজ কথায়: $নিঃ + আময় = নিরাময়$।</li>
</ul>
<p>এই ধরণের সন্ধি বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে বিসর্গের রূপান্তর খেয়াল রাখলেই খুব সহজে সঠিক উত্তরটি বের করা যায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিঃ + ঈক্ষণ</strong>।</p>
<p>খুব সহজে সন্ধিটি মনে রাখার কৌশল নিচে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li>বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গ ($\text{:}$) এর পরে স্বরধ্বনি থাকলে বিসর্গ লুপ্ত হয়ে তার আগের স্বরবর্ণে দীর্ঘস্বর যুক্ত হতে পারে।</li>
<li>এখানে 'নিঃ' উপসর্গের সাথে 'ঈক্ষণ' যুক্ত হয়ে 'নি + ঈক্ষণ' মিলে তৈরি হয়েছে <strong>নিরীক্ষণ</strong>।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।