<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দ্বিরুক্ত শব্দ</strong>। কারণ খুব সহজ, কোনো শব্দ বা পদ পরপর দুবার ব্যবহার হয়ে যদি বিশেষ কোনো ভাব বা ধ্বনির প্রকাশ ঘটায়, তাকে দ্বিরুক্ত শব্দ বলে। যেমন—এখানে 'টাপুর টুপুর' বৃষ্টি পড়ার একটি সুন্দর ধ্বনি বা আওয়াজকে বুঝাতে দুবার ব্যবহৃত হয়েছে। তাই এটি একটি ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্ত শব্দ।</p>
১০১৫৭
‘বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর নদে এলো বান’ - এখানে ‘টাপুর টুপুর’ কোন ধরনের শব্দ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ধ্বনিযুক্ত বা ধ্বন্যাত্বক শব্দ</strong>।</p>
<p>খুব সহজভাবে মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li>কোনো কিছুর স্বাভাবিক বা কাল্পনিক ধ্বনির অনুকরণে যে শব্দগুলো তৈরি হয়, সেগুলোকে ধ্বন্যাত্বক শব্দ বলে।</li>
<li>যেমন— বৃষ্টির শব্দ বোঝাতে 'টাপুর টুপুর', বাতাসের শোঁ শোঁ বা কুকুরের ঘেউ ঘেউ।</li>
<li>যেহেতু 'টাপুর টুপুর' দিয়ে বৃষ্টির পড়ার আওয়াজ বা ধ্বনি প্রকাশ পাচ্ছে, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই একটি ধ্বন্যাত্বক শব্দ।</li>
</ul>
১০১৫৮
নিচের সমাসবদ্ধ পদগুলোর মাঝে কোনটি ‘ব্যতিহার বহুব্রীহি’র উদাহরণ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>হাতাহাতি</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজে এভাবে মনে রাখতে পারো—</p>
<ul>
<li>যে বহুব্রীহি সমাসে কোনো কিছুর মধ্যে পারস্পরিক বা ক্রিয়ামূলক বোঝায়, তাকেই <strong>ব্যতিহার বহুব্রীহি</strong> বলে।</li>
<li>'হাতাহাতি' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো: <strong>হাতে হাতে যে যুদ্ধ</strong>। অর্থাৎ, এখানে দুই পক্ষের মধ্যে হাতের মাধ্যমে একটি পারস্পরিক ক্রিয়া বা লড়াই বোঝানো হয়েছে।</li>
<li>ঠিক একই নিয়মে— কানাকানি (কানে কানে যে কথা), গালাগালি (গালে গালে যে গালি) ইত্যাদি হলো ব্যতিহার বহুব্রীহির চমৎকার সব উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দ্বীপ + অয়ন</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ, নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির নিয়মে গঠিত শব্দ হলো <strong>দ্বৈপায়ন</strong>। এর সন্ধি বিচ্ছেদ করলে পাই <strong>দ্বীপ</strong> যোগ <strong>অয়ন</strong>। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এখানে 'অয়ন' শব্দটি যুক্ত হয়ে 'দ্বৈপায়ন' রূপ ধারণ করেছে।</p>
১০১৬০
নিচের কোনটি নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাসের সমস্ত পদ ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দ্বীপ</strong>।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার শর্টকাট কৌশল হলো—নিয়ম ভেঙে যে শব্দগুলো গঠিত হয়, ব্যাকরণের ভাষায় সেগুলোকে নিপাতনে সিদ্ধ বলা হয়। 'দ্বীপ' শব্দটি কোনো সাধারণ নিয়মের অধীনে গঠিত হয় না, তাই এটি নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাসের একটি চমৎকার উদাহরণ। এর ব্যাসবাক্য হলো—<strong>দুই দিকে জল যার</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রত্যয়</strong>।</p>
<p>‘সংশয়’ শব্দের সাধারণ অর্থ হলো মনের সন্দেহ, দ্বিধা বা অনিশ্চয়তা। এর ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে ‘প্রত্যয়’ শব্দটি, যার অর্থ দৃঢ় বিশ্বাস বা আস্থা। তাই সংশয়ের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে প্রত্যয়-ই সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রত্যয়</strong>।</p>
<p>‘সংশয়’ শব্দের অর্থ হলো সন্দেহ, দ্বিধা বা মনের মধ্যে তৈরি হওয়া কোনো দোলাচল। এর ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে ‘প্রত্যয়’ শব্দটি, যার অর্থ দৃঢ় বিশ্বাস বা ভরসা। তাই যেকোনো সিদ্ধান্ত বা বিশ্বাসের ক্ষেত্রে সংশয়ের বিপরীত শব্দ হিসেবে প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: প্রত্যয়</strong>।</p>
<p>‘সংশয়’ শব্দের সাধারণ অর্থ হলো সন্দেহ, দ্বিধা বা অনিশ্চয়তা। এর ঠিক বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে <strong>প্রত্যয়</strong> শব্দটি, যার অর্থ বিশ্বাস বা দৃঢ় আস্থা। তাই সংশয় বা সন্দেহের বিপরীতে মনে প্রত্যয় বা বিশ্বাস থাকা বোঝায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রত্যয়</strong>।</p>
<p>খুব সহজভাবে মনে রাখতে পারো, 'সংশয়' শব্দের অর্থ হলো মনে সন্দেহ বা দ্বিধা থাকা। এর ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে 'প্রত্যয়', যার অর্থ হলো মনে দৃঢ় বিশ্বাস বা আস্থা। তাই সংশয়ের বিপরীত শব্দ হিসেবে প্রত্যয়-ই সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দ্বিতীয়া তৎপুরুষ</strong> সমাস।</p>
<p>কারণ, ব্যাসবাক্য করলে এর রূপ দাঁড়ায়—'গা কে ঢাকা' (= গা-ঢাকা)। এখানে পূর্বপদে 'কে' বিভক্তি যুক্ত রয়েছে, যা দ্বিতীয়া (দ্বিতীয়া বিভক্তি: কে, রে) বিভক্তির নির্দেশক। তৎপুরুষ সমাসের নিয়মানুযায়ী পূর্বপদের দ্বিতীয়া বিভক্তি লোপ পেয়ে এই সমাস গঠিত হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দ্বিজেন্দ্রলাল রায়</strong>।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার জন্য মাথায় রাখতে পারেন যে, বাংলা ঐতিহাসিক নাটকের ক্ষেত্রে দ্বিজেন্দ্রলাল রায় অত্যন্ত জনপ্রিয় একজন নাট্যকার। তাঁর বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটকগুলোর মধ্যে 'নূরজাহান', 'সাজাহান', এবং 'চন্দ্রগুপ্ত' অন্যতম। তাই পরীক্ষার হলে 'নূরজাহান' নাটকটি দেখলেই চোখ বন্ধ করে দ্বিজেন্দ্রলাল রায় দাগিয়ে দিতে পারেন!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বড়ু চণ্ডীদাস</strong>। কারণ মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন হিসেবে পরিচিত কালজয়ী 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যটির রচয়িতা হলেন বড়ু চণ্ডীদাস। বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুরের এক গোয়ালঘর থেকে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এই অমূল্য পুথিটি আবিষ্কার করেন, যা মূলত রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা নিয়ে রচিত একটি নাটকীয় কাব্য।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সব্যসাচী</strong>।</p>
<p>এক কথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচনের ক্ষেত্রে, যে ব্যক্তি তার দুই হাত সমানভাবে ও দক্ষতার সাথে ব্যবহার করতে পারেন, তাকেই <strong>সব্যসাচী</strong> বলা হয়। যেমন, আমাদের অর্জুন বা প্রখ্যাত লেখক সত্যজিৎ রায়ের মতো বহুমুখী প্রতিভাধর ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। তাই খুব সহজেই মনে রাখতে পারো— দুই হাত সমান চলে যার, সে-ই হলো সব্যসাচী!</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।