<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্মধারয় সমাস</strong>। খুব সহজ একটা ট্রিক দিয়ে বিষয়টি মনে রাখতে পারো:</p>
<ul>
<li>যেখানে সাধারণ নিয়মে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে নতুন পদ গঠিত হয় এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকে, সেটাই কর্মধারয় সমাস।</li>
<li>‘যিনি জজ তিনিই সাহেব’—এখানে একই সাথে ব্যক্তি ও তার পদবির একটি বিশেষ রূপ বোঝানো হয়েছে।</li>
<li>‘যে যিনি... তিনিই...’ বা ব্যাসবাক্যের মাঝখানে ‘যিনি... তিনিই...’ থাকলে চোখ বন্ধ করে সেটাকে মধ্যপদলোপী বা সাধারণ <strong>কর্মধারয় সমাস</strong> দাগিয়ে দেওয়া যায়।</li>
</ul>
১০১৭৩
যে সমাসের পূর্বপদ সংখ্যাবাচক এবং সমস্ত পদের দ্বারা সমাহার বোঝায় তাকে বলে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দ্বিগু সমাস</strong>। খুব সহজে মনে রাখার টেকনিক হলো— যে সমাসে পূর্বপদটি সবসময় একটি সংখ্যাবাচক শব্দ হয় এবং সমস্ত পদ বা সমাসবদ্ধ পদটি দিয়ে কোনো কিছুর সমাহার, সমষ্টি বা মিলন বোঝায়, তাকেই দ্বিগু সমাস বলে। যেমন: তিন ফলের সমাহার = ত্রিফলা, চৌ রাস্তার সমাহার = চৌরাস্তা।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি</strong>।</p>
<p>খুব সহজে বোঝার শর্টকাট:</p>
<ul>
<li>যে বহুব্রীহি সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝখানের পদ বা পদগুলো সমাসবদ্ধ হওয়ার সময় লোপ পায়, তাকে মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি বলে।</li>
<li>'গোঁফ খেজুরে' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো <strong>'গোঁফে খেঁজুর (খেজুরের মতো এক ধরণের ফল) গোঁফে যার'</strong>। এখানে মাঝের পদটি সমস্ত পদে এসে লুপ্ত হয়ে গেছে।</li>
<li>তাই এটি মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাসের একটি চমৎকার উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিত্য সমাস</strong>। কারণটা খুবই সহজ — যে সমাসে পদের অর্থ বোঝাতে কোনো ব্যাসবাক্যের প্রয়োজন হয় না বা ব্যাসবাক্য হয় না, সেটাই হলো নিত্য সমাস।</p>
<ul>
<li>নিত্য সমাসের ক্ষেত্রে পদগুলো সবসময় সমাসবদ্ধ অবস্থাতেই থাকে।</li>
<li>এর অর্থ পরিষ্কার করার জন্য আলাদা করে ব্যাসবাক্য ভাঙার দরকার পড়ে না।</li>
<li>যেমন: 'অন্য গ্রাম' এর সমস্ত পদ হলো 'গ্রামান্তর', যা একটি নিত্য সমাস।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপমিত কর্মধারয়</strong>। কারণটা খুব সহজ—</p>
<ul>
<li>এখানে তুলনা করার ক্ষেত্রে সাধারণ বস্তু বা ব্যক্তিকে (চরণ বা পা) সরাসরি উপমেয় ধরা হয়েছে এবং যার সাথে তুলনা করা হয়েছে (কমল বা পদ্মফুল) তাকে উপমান বলা হয়েছে।</li>
<li>নিয়ম অনুযায়ী, উপমেয় এবং উপমানের তুলনা বোঝাতে এবং সাধারণ ধর্ম উহ্য থাকলে যে সমাস হয়, তাকে <strong>উপমিত কর্মধারয় সমাস</strong> বলে।</li>
<li>বাক্যটির ব্যাসবাক্য হলো: <strong>'চরণ কমলের ন্যায়'</strong>, যেখানে চরণকে পদ্মের সাথে তুলনা করা হয়েছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দ্বন্দ্ব</strong> সমাস। খুব সহজ একটি নিয়ম দিয়ে বিষয়টি মনে রাখতে পারো:</p>
<ul>
<li>দ্বন্দ্ব সমাসের ক্ষেত্রে সাধারণত যে পদের দৈর্ঘ্য বা স্বর ছোট, সেটি আগে বসে।</li>
<li>যেমন— 'মসজিদ-মন্দির' বা 'হাত-পা'-র ক্ষেত্রে অল্প স্বরবিশিষ্ট বা ছোট পদটি সবসময় পূর্বে বা প্রথমে বসে দ্বন্দ্ব সমাস গঠন করে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি</strong>।</p>
<p>খুব সহজে বোঝার শর্টকাট:</p>
<ul>
<li>যে বহুব্রীহি সমাসে বেশবাক্যের মাঝখানের পদ বা পদগুলো সম্পূর্ণ লোপ পেয়ে অন্য পদকে বোঝায়, তাকে মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি বলে।</li>
<li>'গোফ-খেজুরে' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো— <strong>'গোঁফে খেঁজুর যার'</strong>।</li>
<li>এখানে মাঝখানের 'ফে' অংশটি এবং 'খেঁজুর' শব্দটি মিলে এমন এক স্বভাবকে বোঝানো হয়েছে যা অলস প্রকৃতির। অর্থাৎ, ব্যাসবাক্যের মাঝের অংশটি সংক্ষেপে লোপ পেয়ে এই বিশেষ অর্থ তৈরি হয়েছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি</strong>।</p>
<p>খুব সহজে বোঝার কৌশল:</p>
<ul>
<li>যে বহুব্রীহি সমাসের প্রথম পদ এবং পরপদ কোনোটিই বিশেষণ নয়, বরং আলাদা বিভক্তিযুক্ত ভিন্ন পদ মিলে নতুন অর্থ প্রকাশ করে, তাকে ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি বলে।</li>
<li>'গোঁফ খেজুরে' কথাটির ব্যাসবাক্য হলো: <strong>গোঁফে খেঁজুর যার</strong>।</li>
<li>এখানে প্রথম পদ 'গোঁফ' (সপ্তমী বিভক্তি) এবং পরপদ 'খেঁজুর' দুটিই বিশেষ্য পদ এবং ভিন্ন বিভক্তি নিয়ে বহুব্রীহি সমাস গঠন করেছে। তাই এটি নিশ্চিতভাবেই ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মধ্যপদলোপী কর্মধারয়</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! ব্যাসবাক্য করলে এর রূপ দাঁড়ায়— <strong>'গোবরে প্রস্তুত গণেশ'</strong>। এখানে মাঝখানের <strong>'প্রস্তুত'</strong> পদটি সমস্ত পদে এসে লোপ পেয়েছে। কর্মধারয় সমাসে মাঝের পদ এভাবে উধাও হয়ে গেলে তাকে আমরা এক কথায় মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তৎপুরুষ</strong>। সমাস চেনার খুব সহজ একটা কৌশল আছে।</p>
<ul>
<li>সবসময় ব্যাসবাক্যটা খেয়াল করবে: 'বইপড়া' এর ব্যাসবাক্য হলো <strong>বইকে পড়া</strong>।</li>
<li>যেখানে ব্যাসবাক্য করার সময় মাঝখানে 'কে' (দ্বিতীয়া বিভক্তি) विभक्ति বা অন্য কোনো বিভক্তি লোপ পায়, সেটাই হলো তৎপুরুষ সমাস।</li>
<li>এখানে কর্মকারকের 'কে' বিভক্তি লোপ পেয়ে 'বইপড়া' শব্দটি গঠিত হয়েছে, তাই এটি <strong>দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বহুব্রীহি</strong> সমাস।</p>
<p>খুব সহজ একটা ট্রিক দিয়ে বিষয়টি মনে রাখতে পারো:</p>
<ul>
<li>যে সমাসে পদগুলোর নিজস্ব অর্থের বাইরে গিয়ে সম্পূর্ণ নতুন বা অন্য কোনো অর্থ প্রকাশ পায়, সেটাই বহুব্রীহি সমাস।</li>
<li>‘বিপত্মীক’ কথাটির ব্যাসবাক্য হলো— <strong>‘পত্নী গত হইয়াছে যার’</strong>। </li>
<li>এখানে স্ত্রী মারা গেছেন এমন ব্যক্তিকে বোঝাচ্ছে, অর্থাৎ পতি বা স্ত্রী বোঝানো হচ্ছে না—অন্য একটি অবস্থাকে নির্দেশ করছে। আর ব্যাসবাক্যের শেষে যখন <strong>‘যিনি’</strong> বা <strong>‘যাঁর’</strong> থাকে, চোখ বন্ধ করে সেটাকে বহুব্রীহি সমাস দাগিয়ে দেওয়া যায়!</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্মধারয়</strong> সমাস।</p>
<p>খুব সহজ একটা টেকনিক দিয়ে এটা মনে রাখতে পারো:</p>
<ul>
<li>যে পদের ব্যাসবাক্য করলে 'সংখ্যায় লঘু' হয় এবং যেখানে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে একটি নতুন বৈশিষ্ট্য বোঝায়, সেটাই কর্মধারয় সমাস।</li>
<li>এখানে 'সংখ্যা' (বিশেষ্য) এবং 'লঘু' (বিশেষণ) মিলে এমন এক অবস্থা বোঝাচ্ছে যা মূলত বিশেষণের অর্থকেই জোরালো করছে। তাই এটি সাধারণ নিয়মে <strong>কর্মধারয়</strong> সমাসের অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।