<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দর্শনমাত্র</strong>।</p>
<p>যে সমাসে সমস্তপদটি নিত্যকাল বা সর্বদা সমাসবদ্ধই থাকে এবং যার কোনো ব্যাসবাক্য হয় না (বা করতে হলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়), তাকে <strong>নিত্য সমাস</strong> বলে।</p>
<ul>
<li>'দর্শনমাত্র' শব্দের ব্যাসবাক্য হয় না বললেই চলে, এটি কেবল 'মাত্র' যুক্ত হয়ে নিত্য সমাস গঠন করেছে।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলো যেমন— 'হাতে কলমে', 'গায়ে হলুদ' বা 'মাথায় ছাতা' হলো অলুক বহুব্রীহি বা অন্য পদের সমাসের উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>তাই খুব সহজেই চেনার উপায় হলো— যে শব্দে কেবল 'মাত্র' বা অন্য কোনো বিশেষ পদ যোগে ব্যাসবাক্য ছাড়া অর্থ প্রকাশ পায়, সেটাই নিত্য সমাস।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কৃপণ</strong>।</p>
<p>খুব সহজেই মনে রাখার উপায় হলো— যার হাত কোনো কিছু দেওয়ার সময় বা টাকা খরচ করার সময় হঠাৎ ভারী বা অনড় হয়ে যায়, অর্থাৎ সহজে হাত থেকে টাকা বের করতে চায় না, তাকেই আমরা বাংলায় <strong>কৃপণ</strong> বলে থাকি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দৃশ্য + অনট</strong>।</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, 'দর্শন' শব্দের মূল ধাতু হলো <strong>দৃশ্য</strong> (দেখা)।</li>
<li>এর সাথে ভাববাচ্যে <strong>অনট</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এই শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
<li>অনট প্রত্যয়ান্ত পদের শেষে সাধারণত 'অন' (অ) অবশিষ্ট থাকে এবং তা ক্লীবলিঙ্গ হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দম্পতি</strong>। কারণ ‘জায়া ও পতি’ মিলে হয় দম্পতি, যা সমাসবদ্ধ একটি পদ।</p>
<ul>
<li>এটি মূলত দ্বন্দ্ব সমাসের একটি বিশেষ রূপ (যেখানে জায়া ও পতি মিলে ‘দম্পতি’ বা ‘দম্পতিরা’ হয়)।</li>
<li>অন্য অপশনগুলো প্রত্যয় সাধিত শব্দ, কোনো সমাস সাধিত পদ নয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ষড়ঋত</strong>। কারণ যে সমাসে পূর্বপদটি সংখ্যাবাচক হয় এবং সমাসবদ্ধ পদটি দ্বারা কোনো সমাহার বা সমষ্টি বোঝায়, তাকেই মূলত দ্বিগু সমাস বলে।</p>
<ul>
<li>এখানে 'ষড়' মানে ছয় এবং 'ঋত' মানে ঋতু।</li>
<li>সব মিলিয়ে <strong>'ছয় ঋতুর সমাহার'</strong> বোঝানো হয়েছে, যা দ্বিগু সমাসের নিয়মকে পুরোপুরি মেনে চলে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বকশিস</strong>।</p>
<p>শব্দার্থের দিক থেকে 'জরিমানা' মানে হলো কাউকে শাস্তি হিসেবে টাকা বা অর্থদণ্ড দেওয়া। এর ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে 'বকশিস', যার মানে হলো কাউকে খুশি হয়ে বকশিশ বা উপহার দেওয়া। তাই সঠিক উত্তরটি হবে বকশিস।</p>
১০৩৭৩
মাঝিরা নৌকার গুণ টেনে এসেছে - শব্দে 'গুণ' শব্দের অর্থ কি ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দড়ি</strong>।</p>
<p>খুব সহজ কথায়, মাঝিরা নদী বা খালের স্রোতের প্রতিকূলে নৌকা চালিয়ে নেওয়ার জন্য নৌকার সাথে বড় এক ধরণের দড়ি বা রশি বেঁধে কূলে হেঁটে হেঁটে নৌকা টেনে নিয়ে যান। এই বিশেষ রশিটিকেই মূলত 'গুণ' বলা হয়। তাই 'নৌকার গুণ টানা' মানে হলো দড়ি দিয়ে নৌকা টেনে এগিয়ে নেওয়া।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দম্ + শন</strong>। খুব সহজ একটা ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মে এটি সাধিত হয়েছে।</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যদি ‘ম’ (ম্)-এর পরে কোনো স্পর্শধ্বনি (ক থেকে ম পর্যন্ত বর্ণগুলো) থাকে, তবে ‘ম’ পরিবর্তিত হয়ে অনুস্বার (ং) বা পদের শেষের ব্যঞ্জনবর্ণে রূপ নেয়।</li>
<li>সেই নিয়ম মেনেই <strong>দম্</strong> এর সাথে <strong>শন</strong> যুক্ত হয়ে ‘দংশন’ শব্দটি তৈরি হয়েছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: পূর্বপদ</strong>।</p>
<p>খুব সহজ একটা নিয়ম দিয়ে বিষয়টি মনে রাখতে পারো:</p>
<ul>
<li>সমাসবদ্ধ বা সমস্ত পদে সাধারণত দুটি অংশ বা পদ থাকে।</li>
<li>প্রথম অংশটিকে বলা হয় <strong>পূর্বপদ</strong>।</li>
<li>আর পরের অংশটিকে বলা হয় <strong>পরপদ</strong> বা <strong>উত্তরপদ</strong>।</li>
</ul>
<p>যেহেতু প্রশ্নে প্রথম অংশের কথা জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই <strong>পূর্বপদ</strong> হবে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option B: ত+জ = জ্জ</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজে এভাবে মনে রাখতে পারো:</p>
<ul>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ত-কার বা দ-কারের পর যদি জ-কার থাকে, তবে ত-কার বা দ-কারের জায়গায় জ হয়।</li>
<li>যেমন— জগৎ + জীবন = জগজ্জীবন।</li>
<li>এখানে মূল সন্ধিটি ভেঙে হয়: জগৎ ($ত$) + জীবন ($জ$) = জগজ্জীবন ($জ্জ$)।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চ, ছ</strong>।</p>
<p>খুব সহজে অঘোষ ধ্বনি মনে রাখার দারুণ একটা উপায় আছে:</p>
<ul>
<li>বাংলা বর্ণমালার প্রতিটি বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণ হলো <strong>অঘোষ ধ্বনি</strong>।</li>
<li>'চ' বর্গীয় বর্ণগুলো হলো: চ, ছ, জ, ঝ, ঞ।</li>
<li>এর মধ্যে প্রথম দুটি বর্ণ অর্থাৎ <strong>চ</strong> এবং <strong>ছ</strong> হলো অঘোষ ধ্বনি।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ত + জ</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজে এভাবে মনে রাখতে পারো:</p>
<ul>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ত বা দ-এর পরে যদি জ থাকে, তবে ত বা দ-এর জায়গায় জ-ফলা বা বর্গীয় জ ($জ$) হয়।</li>
<li>যেমন: জগৎ + জীবন = জগজ্জীবন। এখানে 'ত' এবং 'জ' মিলে দ্বিত্ব $্জ$ (জ্ব) তৈরি করেছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ঢ</strong>।</p>
<p>বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণে বর্গের দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণগুলোকে মহাপ্রাণ ধ্বনি বলা হয়। উচ্চারণের সময় মুখে বাতাসের আধিক্য বা হ-কারের মতো আওয়াজ হয় বলে এদের মহাপ্রাণ ধ্বনি বলে।</p>
<ul>
<li>'ট' বর্গীয় বর্ণগুলো হলো: ট, ঠ, ড, ঢ, ণ।</li>
<li>এর মধ্যে 'ট' ও 'ড' হলো অল্পপ্রাণ ধ্বনি।</li>
<li>পক্ষান্তরে, <strong>'ঠ'</strong> ও <strong>'ঢ'</strong> হলো মহাপ্রাণ ধ্বনি।</li>
</ul>
১০৩৮০
সন্ধিতে 'ম' এর পরে, র, ব, শ, য, হ, থাকলে 'ম' স্থানে কি বর্ণ হয় ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ৎ</strong> (অনুস্বার বা 'ং' রূপেও এটি উচ্চারিত হয়)।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার শর্টকাট কৌশল:</p>
<ul>
<li>ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ম-য়ের পরে যদি অন্তঃস্থ ধ্বনি (য, র, ল, ব), উষ্ম ধ্বনি (শ, ষ, স) কিংবা 'হ' থাকে, তবে ম-টি বদলে অনুস্বার (<strong>ং</strong>) হয়ে যায়।</li>
<li>যেমন: সম্ + বাদ = সংবাদ, সম্ + ভ্ৰান্ত = বিভ্রান্ত।</li>
<li>তাই সঠিক উত্তরটি হবে অপশন সি (<strong>ৎ</strong> বা <strong>ং</strong>)।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।