<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বাংলা ভাষার অভিধান</strong>। উইলিয়াম কেরী বাংলা ভাষা ও সাহিত্য উন্নয়নে বহু গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছেন, যার মধ্যে একটি অন্যতম প্রধান অবদান হলো এই অভিধান প্রণয়ন ও সম্পাদনা করা। এটি মূলত বাংলা ভাষাকে সমৃদ্ধ করতে এবং বিদেশি পন্ডিতদের বাংলা শেখার পথ সহজ করতে দারুণ ভূমিকা রেখেছিল।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মরুসূর্য</strong>। এটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক আ. ন. ম. বজলুর রশীদের অত্যন্ত পরিচিত একটি কাব্যগ্রন্থ। পরীক্ষার জন্য এমন কবি-সাহিত্যিকদের বিখ্যাত রচনাগুলো সরাসরি মনে রাখলেই সহজে উত্তর করা যায়।</p>
১০৩৮৩
সর্বপ্রথম বঙ্গ নামের উল্লেখ পাওয়া যায় কোন গ্রন্থে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ঐতরেয় আরণ্যক</strong>।</p>
<p>খুব সহজেই মনে রাখার উপায় হলো, প্রাচীন বৈদিক সাহিত্যেই প্রথম আমাদের এই অঞ্চলের নাম অর্থাৎ 'বঙ্গ'-এর সন্ধান পাওয়া যায়। ঐতিহাসিক এই তথ্যটি মনে রাখলে পরীক্ষায় উত্তর করা একদম পানির মতো সহজ হয়ে যায়!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বহুদর্শী</strong>। বাক্যটি হলো ‘অনেক অভিজ্ঞতা আছে যার’—এক কথায় এটিকে বহুদর্শী বলা হয়। যিনি অনেক বিষয় বা ঘটনার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন এবং চারপাশ সম্পর্কে গভীর জ্ঞান রাখেন, তাকেই খুব সহজে বহুদর্শী হিসেবে প্রকাশ করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চতুর্দশ-পঞ্চদশ শতাব্দীকে</strong>।</p>
<p>খ্রিস্টীয় শ্রীচৈতন্যদেবের আবির্ভাবের আগের সময়কালকে বাংলা সাহিত্যে প্রাক-চৈতন্য যুগ বলা হয়। এই বিশেষ সময়টি মূলত <strong>চতুর্দশ থেকে পঞ্চদশ শতাব্দী</strong> পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল, যা শ্রীচৈতন্যদেবের প্রভাবের আগের সাহিত্যিক ধারাকে নির্দেশ করে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দশম থেকে চতুর্দশ শতাব্দী</strong>।</p>
<p>খুব সহজভাবে মনে রাখার জন্য বাংলা সাহিত্য ও ভাষার ইতিহাসকে মূলত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে বাংলা ভাষার আদি বা প্রাচীন স্তর ধরা হয় চর্যাপদের সময়কাল থেকে, যা আনুমানিক <strong>দশম থেকে চতুর্দশ শতাব্দী</strong> পর্যন্ত স্থায়ী ছিল। এই সময়েই বাংলা ভাষার প্রথম নিদর্শন 'চর্যাপদ' রচিত হয়েছিল।</p>
১০৩৮৭
'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যের ১৩টি খন্ডের মধ্যে একমাত্র কোন খন্ডের শেষে 'খণ্ড' শব্দ যোগ করা হয়নি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ত্রয়োদশ</strong>। 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যটি মোট ১৩টি খণ্ডে বিভক্ত। এর মধ্যে একমাত্র ত্রয়োদশ খণ্ড বা শেষ খণ্ডের নাম হলো 'রাধাবিরহ', এবং এর নামের শেষে আলাদাভাবে 'খণ্ড' শব্দটি যুক্ত করা হয়নি। অন্যান্য খণ্ডগুলোর নামের সাথে 'খণ্ড' শব্দটি থাকলেও এই একটিমাত্র খণ্ডের বেলায় এই ব্যতিক্রমটি দেখা যায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option C: ত্যজ্+ঘঞ</strong>।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার নিয়ম:</p>
<ul>
<li>'ত্যাগ' শব্দটি এসেছে <strong>‘ত্যজ্’</strong> ধাতু থেকে, যার অর্থ ত্যাগ করা বা বর্জন করা।</li>
<li>ভাব বা ভাববাচক বিশেষ্য গঠনে ধাতুর সঙ্গে সাধারণত <strong>‘ঘঞ’</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়।</li>
<li>তাই ত্যজ্ ধাতুর সঙ্গে ঘঞ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ‘ত্যাগ’ শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: পদ্মাবতী</strong>।</p>
<p>সপ্তদশ শতাব্দীর মধ্যযুগের প্রখ্যাত কবি আলাওলের সর্বশ্রেষ্ঠ ও প্রথম মহাকাব্যিক রচনা হলো 'পদ্মাবতী'। এটি মূলত মালিক মুহম্মদ জায়সীর হিন্দি কাব্য 'পদুমাবত' অবলম্বনে রচিত। এই কাব্যের মাধ্যমেই কবি বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছেন এবং তার সাহিত্যিক খ্যাতির সূচনা ঘটেছিল।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সতীময়নার শেষ অংশ</strong>। মহাকবি আলাওল দৌলত কাজীর অসমাপ্ত কাব্য 'সতীময়না ও লোরচন্দ্রানী' কাব্যের শেষ অংশটুকু সমাপ্ত করেন, যা তাঁর সাহিত্যকর্মের মধ্যে তৃতীয় রচনা হিসেবে পরিচিত। খুব সহজেই মনে রাখার জন্য এভাবে ভাবতে পারো—আলাওলের প্রথম রচনা 'পদাবত', দ্বিতীয় রচনা 'সয়ফুলমুলুক-বদিউজ্জামান' এবং এর ঠিক পরেই আসে 'সতীময়নার শেষ অংশ'।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রবলসৌভাগ্য</strong>।</p>
<p>‘পাথরে পাঁচকিল’ একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা। এর আক্ষরিক অর্থ বা পেছনের গল্প না ভেবে সরাসরি এর ঐতিহ্যগত অর্থটি মনে রাখতে হবে। দৈনন্দিন ব্যবহারের ক্ষেত্রে হঠাৎ করে ভাগ্যের চরম অনুকূল হওয়া বা খুব ভালো কিছু কপালে জুটে যাওয়াকে এই বাগধারা দিয়ে প্রকাশ করা হয়। তাই পরীক্ষায় এই প্রশ্ন আসলে চোখ বন্ধ করে <strong>প্রবলসৌভাগ্য</strong> দাগিয়ে দেবেন!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: তাহারা বাড়ী যাচ্ছে</strong>। কারণ এটি একটি অশুদ্ধ বাক্য।</p>
<ul>
<li>বাকyটিতে 'তাহারা' (সর্বনামের বহুবচন) ব্যবহার করা হয়েছে, যার সাথে ক্রিয়াপদ 'যাচ্ছে' (একবচন) মেলেনি।</li>
<li>নিয়ম অনুযায়ী, সাবজেক্ট বহুবচন হলে ক্রিয়াপদও বহুবচন হবে। </li>
<li>তাই সঠিক বাক্যটি হতো: <strong>"তাহারা বাড়ী যাচ্ছ"</strong> অথবা <strong>"তারা বাড়ী যাচ্ছে"</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অথবা</strong>।</p>
<p>যে পদ কোনো অবস্থাতেই পরিবর্তিত হয় না অর্থাৎ যার কোনো লিঙ্গ, বচন, বিভক্তি বা কাল হয় না, তাকে অব্যয় পদ বলে। 'অথবা' শব্দটি দুটি শব্দ বা বাক্যের মধ্যে সংযোগ বা বিকল্প বোঝাতে অপরিবর্তিতভাবে ব্যবহৃত হয়, যা একটি খাঁটি অব্যয় পদ। অন্যদিকে, 'শয়ন' বিশেষ্য পদ, 'মেধাবী' বিশেষণ পদ এবং 'তোমার' সর্বনাম পদ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>যা+ইচ্ছে+তাই</strong>।</p>
<p>শব্দটি ভেঙে এর আসল রূপ ও অর্থ বুঝতে পারলে সন্ধিটা একদম পানির মতো পরিষ্কার হয়ে যায়। 'যাচ্ছেতাই' শব্দটিতে মূলত তিনটি পদ বা অংশ লুকিয়ে আছে—<strong>যা</strong>, <strong>ইচ্ছে</strong> এবং <strong>তাই</strong>। অর্থাৎ, নিজের ইচ্ছেমতো যা কিছু করা বোঝাতে এই সম্মিলিত পদটি ব্যবহার করা হয়। তাই এর সঠিক ও স্বাভাবিক সন্ধিবিচ্ছেদ হবে <strong>যা + ইচ্ছে + তাই</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিসর্গ সন্ধি</strong>। কারণটা খুব সহজ—</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় মূলত তৎসম (সংস্কৃত) শব্দেই বিসর্গ সন্ধি বেশি দেখা যায়।</li>
<li>খাঁটি বাংলা শব্দে কোনো বিসর্গ বা বিসর্গ সন্ধির নিয়ম খাটে না।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, খাঁটি বাংলা শব্দে কেবল স্বরসন্ধি ও ব্যঞ্জনসন্ধি হতে পারে।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।