<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্যঞ্জন সন্ধি</strong>। কারণ বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গ সন্ধিকে মূলত ব্যঞ্জন সন্ধিরই একটি বিশেষ অংশ বা অন্তর্ভুক্ত হিসেবে গণ্য করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দুই বর্ণের মিলন</strong>। খুব সহজে মনে রাখার কৌশল হলো— পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ধ্বনি বা বর্ণের মিলনকে সন্ধি বলে। যেমন: বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়। এখানে 'আ' এবং 'আ' মিলে একটি নতুন ধ্বনি তৈরি হয়েছে। তাই ব্যাকরণের নিয়મે দুটি বর্ণের কাছাকাছি আসাকেই মূলত সন্ধি বলা হয়।</p>
১০৩৯৮
বাংলা বানানে অধিকাংশ ক্ষেত্রে কোনটি না লেখার প্রবৃত্তি দেখা যায় ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিসর্গ (ঃ)</strong>।</p>
<p>বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী এবং আধুনিক প্রবণতায় শব্দের শেষে বা মাঝে বিসর্গ (ঃ) লেখার ক্ষেত্রে এক ধরণের অনীহা বা এটি না লেখার প্রবণতা সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। যেমন— সাধারণত 'প্রাতঃকাল' বা 'পুনঃপুন' লেখার সময় অনেকে বিসর্গ এড়িয়ে যেতে চান।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সম্ + সদ</strong>। কারণ ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ম্ (ম)-এর পরে যদি দন্ত্য স (স) থাকে, তবে ম্-এর জায়গায় অনুস্বার (ং) হয় কিংবা ম্ অপরিবর্তিত থাকে।</p>
<ul>
<li>শব্দের শুরুতে <strong>'সং'</strong> বা অনুস্বার যুক্ত থাকলে সন্ধি বিচ্ছেদের সময় সাধারণত সেখানে হসন্তযুক্ত <strong>'সম্'</strong> বসাতে হয়।</li>
<li>তাই <strong>'সংসদ'</strong> শব্দটিকে ভাঙলে আমরা পাই: <strong>সম্ + সদ</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: দুঃ+লভ</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গ সন্ধির ক্ষেত্রে বিসর্গ (ঃ) এর পরে যদি ব-ফলা বা কোনো অন্তস্থ বর্ণ (য, র, ল, ব) থাকে, তবে বিসর্গ উঠে গিয়ে তার পরিবর্তে ও-কার (ো) অথবা বিসর্গটি রেফ (র্) কিংবা অন্য কোনো রূপে পরিবর্তিত হয়। এখানে 'দুঃ' এর সাথে 'লভ' যুক্ত হয়ে বিসর্গ সন্ধির নিয়মে শব্দটি <strong>'দুর্লভ'</strong> গঠিত হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>হাঁসের রাজা</strong>। কারণ, কর্মধারয় সমাসের নিয়ম অনুযায়ী বিশেষ বিশেষ পদে এই ব্যাসবাক্যটি গঠিত হয়, যেখানে মহান বা শ্রেষ্ঠ বোঝালে 'রাজ' শব্দটি পরে বসে। তাই রাজহাঁস বলতে সাধারণ কোনো হাঁসকে বোঝায় না, বরং সব হাঁসের মধ্যে যে শ্রেষ্ঠ বা রাজা, তাকে বোঝাতে <strong>হাঁসের রাজা</strong> ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপমিত কর্মধারয়</strong>। খুব সহজেই চেনার একটা দারুণ উপায় আছে—</p>
<ul>
<li>এখানে যার সাথে তুলনা করা হয়েছে (কমল বা পদ্মফুল), সে হলো <strong>উপমান</strong>।</li>
<li>যাকে তুলনা করা হয়েছে (কর বা হাত), সে হলো <strong>উপমেয়</strong>।</li>
<li>বাক্যটা দাঁড়ায়: 'কর কমলের ন্যায়'। খেয়াল করো, উপমান ও উপমেয় উভয়েই উপস্থিত থেকে যখন সাধারণ গুণের উল্লেখ না থাকে এবং উপমেয়কে উপমানের সাথে তুলনা করা বোঝায়, তখন সেটাই হয় উপমিত কর্মধারয় সমাস। হাতকে পদ্মফুলের সাথে তুলনা করার কারণে এটি নির্দ্বিধায় উপমিত কর্মধারয়!</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপমান কর্মধারয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজেই মনে রাখতে পারেন এভাবে:</p>
<ul>
<li>'গজ' মানে হাতি এবং 'মূর্খ' মানে বোকা। যার অর্থ দাঁড়ায়—হাতির মতো মূর্খ।</li>
<li>এখানে সাধারণ গুণবাচক পদের সঙ্গে উপমেয় পদের তুলনা করা হয়েছে।</li>
<li>যেখানে সাধারণ তুলনা বা সাদৃশ্য বোঝায় এবং উপমান ও সাধারণ ধর্মের উল্লেখ থাকে, সেটাই মূলত <strong>উপমান কর্মধারয়</strong> সমাস।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ষষ্ঠী তৎপুরুষ</strong>। সমাসটি চেনার কৌশল খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>'জীবনবীমা' শব্দটিকে ব্যাসবাক্য করলে হয়— <strong>জীবনের বীমা</strong>।</li>
<li>এখানে মাঝখানে <strong>'এর'</strong> বিভক্তি যুক্ত রয়েছে।</li>
<li>যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের সঙ্গে <strong>র</strong> বা <strong>এর</strong> (ষষ্ঠী বিভক্তি) যুক্ত থাকে এবং যার ব্যাসবাক্য করলে এই বিভক্তি লোপ পায়, তাকে <strong>ষষ্ঠী তৎপুরুষ</strong> সমাস বলে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপমান কর্মধারয়</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! উপমান কর্মধারয় সমাসের ক্ষেত্রে সাধারণ ধর্মবাচক পদের সাথে উপমান পদের তুলনা করা হয়। এখানে 'মিশ' (কালির এক প্রকার নাম) হলো একটি ধ্রুব সত্য বা সাধারণ বস্তু, যার সাথে কালোর তুলনা করা হয়েছে। অর্থাৎ, মিশের মতো কালো = মিশকালো। সাদৃশ্য বা তুলনা বোঝানোর কারণে এটি সহজেই উপমান কর্মধারয় সমাস হিসেবে চিহ্নিত হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ত্রিপদী</strong>। কারণ, যে সমাসে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের মিলন হয় এবং এর মাধ্যমে একটি সমাহার বা সমষ্টি বোঝায়, তাকেই দ্বিগু সমাস বলে।</p>
<ul>
<li>তিন পদের সমাহার = <strong>ত্রিপদী</strong></li>
<li>এখানে প্রথমে সংখ্যাবাচক শব্দ 'ত্রি' (তিন) এবং পরে বিশেষ্য পদ 'পদ' যুক্ত হয়ে সমষ্টি বুঝিয়েছে।</li>
<li>তাই এটি খুব সহজেই দ্বিগু সমাসের একটি চমৎকার উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: বহুব্রীহি</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজে এভাবে মনে রাখতে পারো:</p>
<ul>
<li>'বেতার' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো <strong>'তার নাই যার'</strong>।</li>
<li>এখানে 'বে' উপসর্গটি দিয়ে মূলত কোনো কিছু 'নেই' বা অভাব অর্থে না-বোধক বহুব্রীহি সমাস বোঝানো হয়েছে।</li>
<li>যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনটিকেই না বুঝিয়ে সম্পূর্ণ নতুন কোনো অর্থ প্রকাশ পায় (যেমন: বেতার যন্ত্র), তাকে <strong>বহুব্রীহি সমাস</strong> বলে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কোনটিই নয়</strong>। কারণ, 'প্রকৃষ্ট যে ভাত'—ব্যাসবাক্যটির সঠিক সমাস হলো <strong>প্রভাত</strong> (প্রকৃষ্ট ভাত = প্রভাত), যা একটি প্রাদি সমাস।</p>
<p>প্রাদি সমাসের নিয়ম অনুযায়ী, প্র, পরি, প্রতি ইত্যাদি উপসর্গ বা অব্যয়ের সঙ্গে কৃদন্ত পদের যে সমাস হয়, তাকে প্রাদি সমাস বলে। যেহেতু প্রদত্ত অপশনগুলোতে প্রাদি সমাস নেই, তাই সঠিক উত্তর হবে 'কোনটিই নয়'।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অর্ণব</strong>। খুব সহজ কথায়, 'অর্ণব' শব্দটির একটি জনপ্রিয় ও প্রচলিত সমার্থক শব্দ হলো সমুদ্র। বাংলা ব্যাকরণে এ ধরনের শব্দের ব্যবহার প্রায়ই পরীক্ষায় আসে, তাই মূল শব্দগুলোর সাথে সমার্থক শব্দগুলো চিনে রাখলে খুব সহজেই উত্তর করা যায়।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।