<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সংক্ষেপণ</strong>। খুব সহজ ভাষায় বলতে গেলে, সমাস মানেই হলো বড় কোনো বাক্য বা একাধিক পদকে ছোট বা এককথায় প্রকাশ করা। যেমন— 'সিংহ চিহ্নিত আসন' এত বড় না বলে আমরা সহজে বলি 'সিংহাসন'। ব্যাকরণের ভাষায় একাধিক পদের একপদীকরণ বা ছোট করার এই প্রক্রিয়াই হলো সংক্ষেপণ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সংক্ষেপণ</strong>।</p>
<p>সহজ কথায়, সমাস শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো ছোট করা বা একপদীਕਰণ। ব্যাকরণে একাধিক পদকে একত্রিত করে একটি মাত্র পদে পরিণত করার প্রক্রিয়াকেই সমাস বলা হয়, যা ভাষাকে আরও সুন্দর ও সংক্ষিপ্ত করে তোলে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মৌচাকে ঢিল</strong>। এটি প্রমথনাথ বিশী রচিত একটি বিখ্যাত নাটক।</p>
<ul>
<li>প্রমথনাথ বিশী একাধারে ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, কবি ও নাট্যকার হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>তাঁর সাহিত্যকর্মের মধ্যে এই নাটকটি বিশেষভাবে সমাদৃত।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রশান্ত</strong>।</p>
<p>'উচাটন' শব্দটির অর্থ হলো উতলা, অস্থির বা যার মন কোনো কিছুতে স্থির নয়। এর ঠিক উল্টো বা বিপরীত ভাব প্রকাশ করে 'প্রশান্ত' শব্দটি, যার অর্থ শান্ত, স্থির বা ধীরস্থির। তাই মনের অস্থিরতা বোঝাতে উচাটনের বিপরীত হিসেবে প্রশান্তই সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সম + চয়</strong>। খুব সহজেই ব্যঞ্জনসন্ধির একটা দারুণ নিয়ম মনে রেখে এটা বের করা যায়।</p>
<ul>
<li>নিয়ম অনুযায়ী, ম (ম्)-এর পরে যদি চ বর্গীয় কোনো বর্ণ (চ, ছ, জ, ঝ, ঞ) থাকে, তবে ম-এর জায়গায় অনুস্বার (ং) হয়।</li>
<li>উল্টোভাবে বল, সন্ধি করার সময় এই অনুস্বারটি উঠে গিয়ে আবার ম্-এ পরিণত হয়।</li>
<li>তাই <strong>সম + চয়</strong> মিলে খুব সহজেই তৈরি হয় <strong>সঞ্চয়</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>(Option A: চ্ছ)</strong>।</p>
<p>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ত বা দ-এর পরে যদি স থাকে, তবে ত বা দ-এর জায়গায় 'চ' এবং স-এর জায়গায় 'ছ' হয়ে যুক্তবর্ণ হিসেবে <strong>চ্ছ</strong> গঠিত হয়। যেমন: সৎ + সম = সচ্চম বা উৎ + শ্বাস = উচ্ছ্বাস। তাই খুব সহজে মনে রাখবে যে, ত ও স মিলে সবসময় <strong>চ্ছ</strong> তৈরি করে!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ষ্ণ্য</strong>।</p>
<p>শব্দটির গঠন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, 'সূর্য' শব্দটি তৈরি হয়েছে 'সূর্য' বা মূল প্রকৃতির সাথে বিশেষ অর্থে <strong>ষ্ণ্য</strong> প্রত্যয় যোগ করে। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এই প্রত্যয়টি যুক্ত হয়ে মূল শব্দের অর্থ ও রূপ পরিবর্তন করে নতুন শব্দ গঠন করে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ষ + ণ</strong>।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li>‘ষ্ণ’ শব্দটি দেখলে মনে হতে পারে এটি মূর্ধন্য ‘ষ’ এবং ‘ণ’-এর যুক্তরূপ।</li>
<li>শব্দের বানানে যেমন— কৃষ্ণ, তৃষ্ণা, উষ্ণ ইত্যাদি জায়গায় এই যুক্তবর্ণটি ব্যবহৃত হয়, যা মূলত <strong>ষ</strong> ও <strong>ণ</strong> এর মিলনেই গঠিত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সরোবর ও ষোল বছরের কন্যা</strong>।</p>
<p>শব্দার্থগুলো খুব সহজে মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li><strong>সরসী</strong> শব্দের অর্থ হলো দীঘি বা <strong>সরোবর</strong>।</li>
<li><strong>ষোড়শী</strong> বলতে বোঝানো হয় <strong>ষোল বছরের কন্যা</strong>-কে।</li>
</ul>
<p>ক্রমানুসারে সাজালে প্রথম শব্দটির অর্থ আগে এবং দ্বিতীয় শব্দটির অর্থ পরে বসে, তাই সঠিক উত্তরটি মিলে যায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রূপক</strong>। কারণ বিষয়টা খুব সহজ—যখন উপমেয় (যার সাথে তুলনা করা হচ্ছে, যেমন: ফুল) এবং উপমান (যার সাথে তুলনা করা হচ্ছে, যেমন: কুমারী)-এর মধ্যে অভেদ বা একই রকম কল্পনা করা হয়, তখন তাকে রূপক কর্মধারয় সমাস বলে। এখানে ফুল ও কুমারী ভিন্ন কোনো বস্তু নয়, বরং ফুলকেই কুমারী হিসেবে রূপ দেওয়া হয়েছে। তাই এটি ‘রূপক কর্মধারয়’ সমাস।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপপদ তৎপুরুষ</strong>। সমাসটি চেনার খুব সহজ একটা শর্টকাট কৌশল আছে।</p>
<ul>
<li>প্রিয়ং বদতি যে (উপপদ + কৃৎ প্রত্যয়ান্ত পদ) মিলে এই সমাস গঠিত হয়েছে।</li>
<li>যে পদের পরবর্তী কৃৎ প্রত্যয়যুক্ত পদের সাথে কৃৎ-বহির্ভূত উপপদের সমাস হয়, তাকে <strong>উপপদ তৎপুরুষ সমাস</strong> বলে।</li>
<li>সংক্ষেপে মনে রাখার নিয়ম: ব্যাসবাক্যের শেষে যদি 'যে', 'যিনি' বা 'যা' থাকে এবং অর্থ যদি কোনো বিশেষ ব্যক্তিকে বোঝায়, তবে চোখ বন্ধ করে উপপদ তৎপুরুষ দাগিয়ে দিতে পারো।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ষষ্ঠী তৎপুরুষ</strong> সমাস।</p>
<p>খুব সহজে বোঝার একটি চমৎকার কৌশল হলো— 'পত্নীসহ' শব্দটির ব্যাসবাক্য করলে হয় <strong>পত্নীর সহিত</strong>। এখানে 'পত্নী' শব্দের সাথে <strong>'র'</strong> বিভক্তি যুক্ত আছে। আর আমরা জানি, যে সমাসে পূর্বপদে ষস্ঠী বিভক্তির (র, এর) লোপ পায়, তাকে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস বলে।</p>
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।