<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তৃতীয়া ও পঞ্চমী</strong>।</p>
<p>বাংলা ব্যাকরণে বিভক্তি ও অনুসর্গের ব্যবহার নিয়ে অনেকেরই একটু কনফিউশন হয়। ব্যাপারটি খুব সহজভাবে মনে রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>বাংলায় কিছু শব্দ বিভক্তি আছে যা ঠিক নির্দিষ্ট কিছু অনুসর্গের মতো করেই বাক্যে কাজ করে।</li>
<li>এর মধ্যে <strong>দ্বারা, দিয়া, কর্তक</strong> ইত্যাদি অনুসর্গের কাজ চালায় তৃতীয়া বিভক্তির চিহ্নগুলো (যেমন- কর্তৃক, দ্বারা)।</li>
<li>আর <strong>হতে, থেকে, চেযে</strong> ইত্যাদি অনুসর্গের কাজ করে পঞ্চমী বিভক্তির চিহ্নগুলো (যেমন- হতে, থেকে)।</li>
</ul>
<p>তাই সবসময় মনে রাখবেন, ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী অনুসর্গ হিসেবে কাজ করার দিক থেকে <strong>তৃতীয়া ও পঞ্চমী</strong> বিভক্তি দুটির ভূমিকা বেশ জোরালো।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ষষ্ঠী</strong> তৎপুরুষ সমাস। কারণ, ব্যাসবাক্য করলে এর রূপ দাঁড়ায় <strong>'পুরের সভা'</strong>।</p>
<ul>
<li>এখানে পূর্বপদ 'পুর' শব্দের সাথে 'সভা' পদের সংযোগ বোঝাতে মাঝখানে <strong>'এর'</strong> বিভক্তি যুক্ত হয়েছে।</li>
<li>আমরা জানি, যে সমাসে পূর্বপদে ষস্ঠী বিভক্তির (র, এর) লোপ পায়, তাকে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস বলে।</li>
</ul>
<p>তাই খুব সহজেই বলা যায় এটি একটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ষষ্ঠ + অংশ</strong>। খুব সহজে বিষয়টি মনে রাখার একটা দারুণ উপায় আছে:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, ব্যঞ্জনসন্ধির ক্ষেত্রে শব্দের শুরুতে যদি কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ থাকে, তবে তাকে সহজে আলাদা করা যায়।</li>
<li>এখানে মূল শব্দ হলো <strong>'ষষ্ঠ'</strong> এবং তার সাথে যুক্ত হয়েছে <strong>'অংশ'</strong>।</li>
<li>দুটি অংশ মিলে ধ্বনির যে পরিবর্তন ঘটে, তাতে তৈরি হয় সুন্দর একটি শব্দ—<strong>ষষ্ঠাংশ</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ষট্ + ঋতু</strong>।</p>
<p>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বর্গের প্রথম বর্ণ (ক, চ, ট, ত, প) এর পরে যদি স্বরধ্বনি থাকে, তবে সেই প্রথম বর্ণটি তার নিজ বর্গের তৃতীয় বর্ণে রূপান্তরিত হয় অথবা ব্যঞ্জনবর্ণের নিয়মে পরিবর্তন ঘটে। এখানে 'ট' স্থানে 'ড' (ড়) হয়ে শব্দটি হয়েছে 'ষড়ঋতু'।</p>
<ul>
<li>পূর্বপদ: <strong>ষট্</strong> (যাতে হসন্ত রয়েছে)</li>
<li>পরপদ: <strong>ঋতু</strong></li>
<li>সন্ধিযুক্ত রূপ: <strong>ষড়ঋতু</strong></li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অহরহ</strong>। কারণ এটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উদাহরণ, যেখানে কোনো সাধারণ ব্যাকরণগত বা সন্ধির নিয়ম খাটেনি।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>অহরহ</strong> শব্দটি গঠিত হয় 'অহঃ + অহ' মিলে।</li>
<li>এখানে কোনো নিয়মিত সন্ধির নিয়ম বা বিধান কাজ করে না, তাই এগুলো সরাসরি মুখস্থ রাখতে হয়।</li>
<li>পরীক্ষায় এ ধরনের শব্দ দেখলে নিয়মের তোয়াক্কা না করে সরাসরি নিপাতনে সিদ্ধ হিসেবে দাগাতে হবে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ষষ্+থ</strong>।</p>
<p>ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, 'ষ' বা 'স'-এর পর 'থ' থাকলে তা পরিবর্তিত হয়ে 'ঠ' এ পরিণত হয়। এই সহজ ব্যাকরণিক নিয়মটি মনে রাখলেই এই ধরনের সন্ধি খুব দ্রুত ও সহজে সমাধান করা যায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: ষ্ট+ দশ</strong>।</p>
<p>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ট-বর্গীয় ধ্বনির পর 'দ' বা 'দশ' যুক্ত হলে অনেক সময় তা পরিবর্তিত হয়ে এই বিশেষ রূপ নেয়। ব্যঞ্জনসন্ধির এই চমৎকার নিয়মটি মনে রাখলে পরীক্ষা এ ধরনের শব্দ খুব সহজেই সমাধান করা যায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ষট্ + ঋতু</strong>।</p>
<p>খুব সহজেই সন্ধিটি মনে রাখার ছোট্ট একটা নিয়ম হলো—</p>
<ul>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বর্গের প্রথম বর্ণ (ক, চ, ট, ত, প) এর পরে যদি কোনো স্বরধ্বনি থাকে, তবে সেই প্রথম বর্ণটি পরিবর্তিত হয়ে নিজেরই তৃতীয় বর্ণে (গ, জ, ড, দ, ব) পরিণত হয়।</li>
<li>কিন্তু এই শব্দটির ক্ষেত্রে উল্টো নিয়মটি কাজ করেছে। ‘ষট্’ এর ‘ট’ হলো বর্গের প্রথম বর্ণ। এর সাথে যখন স্বরবর্ণ ‘ঋ’ যুক্ত হয়েছে, তখন নিয়ম মেনে ‘ট’ পরিবর্তিত হয়ে নিজের তৃতীয় বর্ণ অর্থাৎ ‘ড’ (ষড়) হয়ে গেছে।</li>
<li>তাই ‘ষড়ঋতু’-কে ভাঙলে মূল শব্দ হিসেবে আমরা পাই <strong>ষট্ + ঋতু</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ষট্ + ঋতু</strong>।</p>
<p>সন্ধি করার সময় একটা মজার নিয়ম কাজ করে:</p>
<ul>
<li>প্রথম শব্দের শেষে যদি কোনো বর্গীয় প্রথম ধ্বনি (যেমন: <strong>ট</strong>) থাকে এবং তার পরে যদি স্বরধ্বনি (যেমন: <strong>ঋ</strong>) আসে, তবে সেই প্রথম ধ্বনিটি তার নিজ বর্গের তৃতীয় ধ্বনিতে (যেমন: <strong>ড</strong>) বদলে যায়।</li>
<li>অর্থাৎ, ব্যঞ্জনসন্ধির এই নিয়ম অনুযায়ী <strong>ষট্</strong> এর <strong>ট</strong> পরিবর্তিত হয়ে <strong>ড</strong> (ষড়্) হয় এবং পরে <strong>ঋতু</strong> যোগ হয়ে হয়ে যায় <strong>ষড়ঋতু</strong>।</li>
<li>তাই মূল সন্ধি বিচ্ছেদটি হবে <strong>ষট্ + ঋতু</strong>।</li>
</ul>
১০৯০০
'ট এর পরে দ ও স্বরবর্ণ থাকলে ট স্থলে ড় হয়।' এর উদাহরণ কোনটি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ষট্ + ঋতু = ষড়ঋতু</strong>।</p>
<p>খুব সহজেই বিষয়টি মনে রাখতে পারেন এভাবে:</p>
<ul>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, প্রথম পদের শেষে যদি <strong>ট</strong> থাকে এবং তার পরে যদি কোনো স্বরবর্ণ বা ঘোষ ধ্বনি থাকে, তবে সেই <strong>ট</strong> পরিবর্তিত হয়ে ড বা <strong>ড়</strong>-এ পরিণত হয়।</li>
<li>এখানে 'ষট্' শব্দের শেষে 'ট' রয়েছে এবং এরপরে 'ঋতু' শব্দের শুরুতে 'ঋ' স্বরবর্ণ রয়েছে।</li>
<li>নিয়ম মেনেই এই 'ট' বদলে গিয়ে 'ড়' তৈরি করেছে, যা মিলে হয়েছে <strong>ষড়ঋতু</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ঙ এর মতো</strong>। কারণ বাংলা বর্ণমালায় 'ং' (অনুস্বার) বর্ণটি যুক্তবর্ণ হিসেবে বা স্বতন্ত্র বর্ণ হিসেবে যখন উচ্চারিত হয়, তখন তা সর্বদা উম (ঙ)-এর মতো ধ্বনি তৈরি করে। যেমন— বাংলা, সংকল্প, রঙ ইত্যাদি শব্দে অনুস্বার উচ্চারণ করার সময় জিবের পেছনের অংশ তালুর নরম অংশে লেগে <strong>ঙ</strong> এর মতো ধ্বনিই বেরিয়ে আসে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>হ + ম</strong>।</p>
<p>যুক্তবর্ণের ক্ষেত্রে এই রূপটি খুব চতুরভাবে মনে রাখা যায়। ‘হ্ম’ যুক্তবর্ণটি দেখতে যেমনই হোক না কেন, এটি মূলত দুটি বর্ণ মিলে তৈরি হয়:</p>
<ul>
<li>প্রথম বর্ণটি হলো হ ($\text{হ}$)</li>
<li>দ্বিতীয় বর্ণটি হলো ম ($\text{ম}$)</li>
</ul>
<p>তাই ‘হ্ম’ ভেঙে লিখলে আমরা পাই <strong>হ + ম</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ষ + ণ</strong>। যুক্তবর্ণ ভাঙার সময় খেয়াল রাখতে হবে ‘ষ্ণ’ বর্ণটির মধ্যে মূর্ধন্য ‘ষ’ এবং মূর্ধন্য ‘ণ’ লুকিয়ে আছে।</p>
<ul>
<li>প্রথমে থাকে মূল বর্ণ: <strong>ষ</strong></li>
<li>তার সাথে যুক্ত হয়: <strong>ণ</strong></li>
</ul>
<p>এভাবে খুব সহজেই মনে রাখতে পারেন যে, <strong>ষ + ণ</strong> মিলে তৈরি হয় ‘ষ্ণ’ (যেমন: উষ্ণ, তৃষ্ণার্ত)।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।