<p>মহাশ্মশান কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কবি কায়কোবাদের আসল নাম হলো <strong>মোহাম্মদ কাজেম আল কোরেশী</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>কবি কায়কোবাদ বাংলা সাহিত্যের একজন বিখ্যাত মহাকাব্য রচয়িতা।</li>
<li>তার সাহিত্যিক নাম 'কায়কোবাদ' হলেও তার পারিবারিক বা প্রকৃত নাম ছিল <strong>মোহাম্মদ কাজেম আল কোরেশী</strong>।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই কবির আসল নাম এবং তার বিখ্যাত মহাকাব্য 'মহাশ্মশান'—এই দুটি তথ্য একসাথে মনে রাখলে আর ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।</li>
</ul>
<p>বিষয়টা মনে রাখা খুব সহজ। কবি কায়কোবাদের সাহিত্যকর্মের মধ্যে <strong>'অশ্রুমালা'</strong> একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ। এটি মূলত একটি শোকগাথা বা বিষাদমূলক কাব্য। পরীক্ষার জন্য এটি মনে রাখার কিছু সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>কবি পরিচিতি:</strong> কায়কোবাদকে মহাকাব্যিক ধারার কবি বলা হয়, তবে তার 'অশ্রুমালা' কাব্যটি তার আবেগপ্রবণ ও বিষাদময় কাব্যশৈলীর এক অনন্য নিদর্শন।</li>
<li><strong>মনে রাখার কৌশল:</strong> 'অশ্রু' মানেই কান্না বা বিষাদ, আর বাংলা সাহিত্যে বিষাদময় কাব্যের কথা উঠলেই কায়কোবাদের নাম সবার আগে আসে।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই 'অশ্রুমালা'র কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে <strong>কায়কোবাদ</strong>-কে বেছে নিতে পারেন!</p>
১০৮৩
'মহাশ্মশান' মহাকাব্য কোন সালের পানিপথের যুদ্ধের ওপর ভিত্তি করে রচিত?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১৭৬১</strong> সাল। কায়কোবাদের বিখ্যাত মহাকাব্য 'মহাশ্মশান' মূলত পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে লেখা হয়েছে।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>পানিপথের প্রথম যুদ্ধ হয়েছিল ১৫২৬ সালে।</li>
<li>পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ হয়েছিল ১৫৫৬ সালে।</li>
<li>আর পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ, যা এই মহাকাব্যের মূল বিষয়, তা সংঘটিত হয়েছিল <strong>১৭৬১</strong> সালে।</li>
</ul>
<p>এই যুদ্ধে একদিকে ছিলেন আফগান শাসক আহমদ শাহ আবদালি এবং অন্যদিকে মারাঠা বাহিনী। এই ঐতিহাসিক যুদ্ধের ভয়াবহতা ও করুণ পরিণতির ওপর ভিত্তি করেই কবি কায়কোবাদ তার এই অমর কাব্যটি রচনা করেছেন।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মহাশ্মশান</strong>। এটি একটি বিখ্যাত বাংলা মহাকাব্য, যা কবি কায়কোবাদ রচনা করেছেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>মহাশ্মশান</strong> হলো পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের ঐতিহাসিক পটভূমিতে রচিত একটি পূর্ণাঙ্গ মহাকাব্য।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলো যেমন—গীতাঞ্জলি হলো কাব্যগ্রন্থ, অগ্নিবীণা হলো কবিতার সংকলন এবং ইউসুফ-জোলেখা হলো রোমান্টিক প্রণয়কাব্য বা আখ্যানকাব্য।</li>
<li>সাহিত্যের বিচারে মহাকাব্যের যে বিশালতা ও গাম্ভীর্য থাকা প্রয়োজন, তা কেবল <strong>মহাশ্মশান</strong>-এর ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কাজেম আল কোরেশী</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ।</p>
<ul>
<li>মহাকবি কায়কোবাদ তাঁর সাহিত্যিক ছদ্মনাম।</li>
<li>তাঁর পারিবারিক বা প্রকৃত নাম হলো <strong>কাজেম আল কোরেশী</strong>।</li>
<li>তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন বিখ্যাত কবি, যিনি মূলত তাঁর মহাকাব্য 'মহাশ্মশান'-এর জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য শুধু এই নামটির সাথে তাঁর ছদ্মনামটি মিলিয়ে নিলেই হবে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>১৯১৯</strong> সাল। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ এর পেছনে একটি ঐতিহাসিক কারণ রয়েছে।</p>
<ul>
<li>১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল পাঞ্জাবের জালিয়ানওয়ালাবাগে ব্রিটিশ বাহিনী এক নৃশংস হত্যাকাণ্ড চালায়, যা ইতিহাসে <strong>জালিয়ানওয়ালাবাগের হত্যাকাণ্ড</strong> নামে পরিচিত।</li>
<li>এই ঘটনার প্রতিবাদে এবং ব্রিটিশ সরকারের নিষ্ঠুরতার নিন্দা জানাতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার পাওয়া <strong>‘নাইট’ (Knight)</strong> উপাধিটি ঘৃণাভরে ত্যাগ করেন।</li>
<li>ঘটনাটি ১৯১৯ সালে ঘটায়, তিনি সেই বছরই এই সাহসী সিদ্ধান্তটি নিয়েছিলেন।</li>
</ul>
১০৮৭
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ বিশ্ব বিজ্ঞানী এর সাথে দর্শন, মানুষ ও বিজ্ঞান নিয়ে আলাপচারিতা করেছিলেন-
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আইনস্টাইন</strong>। ১৯৩০ সালে বার্লিনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং আলবার্ট আইনস্টাইনের মধ্যে একটি ঐতিহাসিক ও অত্যন্ত জ্ঞানগর্ভ আলোচনা হয়েছিল।</p>
<p>এই আলোচনার মূল বিষয়বস্তু ছিল:</p>
<ul>
<li><strong>সত্য ও বাস্তবতা:</strong> মহাবিশ্বের সত্য কি মানুষের চেতনার ওপর নির্ভরশীল, নাকি এটি মানুষের নিরপেক্ষ কোনো অস্তিত্ব?</li>
<li><strong>বিজ্ঞান ও দর্শন:</strong> আইনস্টাইন বিজ্ঞানকে বস্তুনিষ্ঠ বা অবজেক্টিভ হিসেবে দেখতেন, অন্যদিকে রবীন্দ্রনাথ একে মানুষের অভিজ্ঞতার সাথে মিলিয়ে দেখার চেষ্টা করতেন।</li>
<li><strong>মানুষের স্বরূপ:</strong> এই দুই মহান চিন্তাবিদ মানুষ, প্রকৃতি এবং মহাবিশ্বের রহস্য নিয়ে গভীর দার্শনিক আলাপ করেছিলেন, যা আজও বিশ্বসাহিত্যে ও বিজ্ঞানের ইতিহাসে এক অনন্য দলিল হয়ে আছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>শান্তিনিকেতনের ব্রহ্মচর্যাশ্রমকে কেন্দ্র করেই ১৯২১ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর <strong>বিশ্বভারতী</strong> বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন।</li>
<li>তাঁর মূল লক্ষ্য ছিল এমন একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা, যেখানে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য শিক্ষার মিলন ঘটবে এবং শিক্ষার্থীরা প্রকৃতির সান্নিধ্যে মুক্ত পরিবেশে জ্ঞান অর্জন করতে পারবে।</li>
<li>তাই বিশ্বভারতী বললেই আমাদের চোখের সামনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামই ভেসে ওঠে।</li>
</ul>
<p>বাংলা সাহিত্যে টি.এস. এলিয়টের কবিতার প্রথম অনুবাদক হলেন <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>। বিষয়টি মনে রাখা বেশ সহজ:</p>
<ul>
<li>টি.এস. এলিয়টের বিখ্যাত কবিতা <strong>'দ্য জার্নি অফ দ্য ম্যাজাই'</strong> (The Journey of the Magi) এর ভাবানুবাদ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর করেছিলেন।</li>
<li>কবিতাটির নাম তিনি দিয়েছিলেন <strong>'তীর্থযাত্রী'</strong>।</li>
<li>রবীন্দ্রনাথের এই অনুবাদটি ১৯৩০ সালে 'বিচিত্রা' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল, যা বাংলা সাহিত্যে এলিয়টের কবিতার প্রথম পরিচিতি হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
</ul>
<p>তাই সরাসরি মনে রাখবেন, এলিয়টের কবিতার প্রথম বাংলা অনুবাদক হিসেবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরই অগ্রগণ্য।</p>
<p>বাংলা গীতিকবিতার পুনর্বিকাশ ঘটে মূলত <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের</strong> হাতে। উনিশ শতকের শেষভাগে এবং বিশ শতকের শুরুতে রবীন্দ্রনাথ তার অসাধারণ লেখনী ও কাব্যশৈলীর মাধ্যমে বাংলা গীতিকবিতাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যান।</p>
<ul>
<li><strong>গভীরতা ও বৈচিত্র্য:</strong> রবীন্দ্রনাথের হাতেই গীতিকবিতা কেবল আবেগের প্রকাশে সীমাবদ্ধ না থেকে দার্শনিক গভীরতা ও বিশ্বজনীন রূপ পায়।</li>
<li><strong>নতুন ছন্দ ও ভাষা:</strong> তিনি বাংলা ছন্দের প্রথাগত গণ্ডি ভেঙে মুক্তক ও গদ্যছন্দের সার্থক প্রয়োগ ঘটান, যা গীতিকবিতাকে আধুনিক করে তোলে।</li>
<li><strong>গীতাঞ্জলি পর্ব:</strong> তার 'গীতাঞ্জলি' ও পরবর্তী কাব্যগ্রন্থগুলো বাংলা গীতিকবিতার ধারায় এক নতুন যুগের সূচনা করে, যা বিশ্বসাহিত্যেও সমাদৃত হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, রবীন্দ্রনাথের হাত ধরেই বাংলা গীতিকবিতা তার শৈল্পিক পূর্ণতা ও আধুনিক রূপ লাভ করে, যে কারণে একে গীতিকবিতার পুনর্বিকাশ বলা হয়।</p>
১০৯১
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ কোনটি
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বনফুল</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যিক জীবনের শুরুর দিকে এই কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হলো <strong>বনফুল</strong>।</li>
<li>এটি ১৮৮০ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।</li>
<li>অনেকে ভুল করে 'কবি কাহিনী' বা 'গীতাঞ্জলি'র সাথে গুলিয়ে ফেলেন, কিন্তু মনে রাখবেন কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ হিসেবে <strong>বনফুল</strong>-ই স্বীকৃত।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শেষ লেখা</strong>। এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যুর কিছুদিন আগে রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>শেষ লেখা</strong> হলো রবীন্দ্রনাথের জীবনের শেষ কাব্যসংকলন।</li>
<li>বাকি অপশনগুলোর মধ্যে 'শেষ প্রশ্ন' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস এবং 'শেষের কবিতা' রবীন্দ্রনাথের একটি জনপ্রিয় উপন্যাস।</li>
<li>তাই কাব্যগ্রন্থ হিসেবে কেবল <strong>শেষ লেখা</strong>-ই সঠিক।</li>
</ul>
১০৯৩
‘সবুজের অভিযান’ রবীন্দ্রনাথের কোন কাব্য হতে সংকলিত?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বলাকা</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘বলাকা’ ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়। এই কাব্যগ্রন্থের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবিতা হলো ‘সবুজের অভিযান’।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথের যৌবনদীপ্ত ও গতিশীল চেতনার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে <strong>বলাকা</strong> কাব্যগ্রন্থে।</li>
<li>‘সবুজের অভিযান’ কবিতায় তিনি তারুণ্যের জয়গান গেয়েছেন, যা এই কাব্যগ্রন্থের মূল সুরের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।</li>
<li>তাই পরীক্ষার জন্য মনে রাখা খুব সহজ—সবুজ বা তারুণ্যের জয়গান মানেই হলো <strong>বলাকা</strong>।</li>
</ul>
১০৯৪
রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত ‘সাজাহান’ কবিতাটি তার কোন কাব্যে স্থান পেয়েছে?
<p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ‘সাজাহান’ কবিতাটি তার কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ <strong>বলাকা</strong>-তে স্থান পেয়েছে। এই কবিতাটি মূলত সময়ের প্রবাহ এবং ইতিহাসের নশ্বরতাকে কেন্দ্র করে লেখা।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>বলাকা</strong> কাব্যগ্রন্থটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এই কাব্যের মূল সুর হলো গতিশীলতা এবং সময়ের পরিবর্তন।</li>
<li>‘সাজাহান’ কবিতায় কবি সম্রাট সাজাহানের স্মৃতিস্তম্ভ বা তাজমহলকে সময়ের প্রেক্ষাপটে বিচার করেছেন, যা <strong>বলাকা</strong>-র দর্শনের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। ‘সঞ্চয়িতা’ হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার একটি কালজয়ী সংকলন। এটি মূলত কবির নিজের বাছাই করা শ্রেষ্ঠ কবিতাগুলোর একটি বিশাল সংগ্রহ। এই বইটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ, যা কবির কাব্যপ্রতিভার এক অনন্য নিদর্শন। তাই যখনই ‘সঞ্চয়িতা’র কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম মনে রাখলেই হবে!</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।